• ই-পেপার

সন্ধ্যার মধ্যে ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা

তুরাগে ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন : পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
তুরাগে ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন : পুলিশ
সংগৃহীত ছবি

‘তুরাগ নদীতে ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীর লাশ ভাসছে’ শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত সংবাদ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘তুরাগ নদীতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীর লাশ ভাসছে’—এমন শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর মনোবল নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘যারা এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।’

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভেজালমুক্ত খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে রাজধানীর ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরাম অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। বিশ্ব নিরাপদ খাদ্য দিবস এবং ফুড সেফটি মুভমেন্টের ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা মানুষের প্রতিদিনের জীবনের সঙ্গে জড়িত। রাজধানীতে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে শুধু সরকারি সাঁড়াশি অভিযানই যথেষ্ট নয়; বরং জনগণের মধ্যে সচেতনতার অভাবই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সবচেয়ে বড় বাধা। উৎপাদক, ব্যবসায়ী, ভোক্তা এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি নিরাপদ খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।

​তিনি নিরাপদ খাদ্য নিয়ে আলোচনা কেবল সীমিত পরিসরে না রেখে মসজিদ, মাদ্রাসা এবং উন্মুক্ত পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর তাগিদ দেন। একই সঙ্গে ফুড কোর্ট, ফুটপাতের খাবার বিক্রেতা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের এসব সচেতনতামূলক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

​সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কথা উল্লেখ করে আবদুস সালাম বলেন, আগে সমাজে স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম, সাংস্কৃতিক সংগঠন, ক্লাব ও পাঠাগারের ভূমিকা ছিল অনেক বেশি। বর্তমানে এসব কার্যক্রম কমে যাওয়ায় সামাজিক সচেতনতা ও মানবিকতাও কমেছে। মানুষকে মানবিক করে তুলতে পারলে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বিক্রিও অনেকাংশে কমে আসবে।

​ফুটপাত ও ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকানের বিষয়ে প্রশাসক বলেন, রাজধানীতে ফুড কোর্টের পাশাপাশি ভ্যানে করে খাবার বিক্রির প্রবণতা বেড়েছে। এসব খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত পানির গুণগত মান এবং ধোয়া-মোছার প্রক্রিয়া তদারকির প্রয়োজন রয়েছে। ব্যবসা চলবে, তবে তা অবশ্যই একটি সুশৃঙ্খল ও স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবস্থার মধ্যে হতে হবে।

ডিএসসিসির পক্ষ থেকে নগরবাসীর নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, তদারকি এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে যে সামাজিক আন্দোলন গড়ে উঠেছে, আমি তার সঙ্গে শরিক হতে চাই। আপনারা আন্দোলন করুন, সিটি করপোরেশনের সহকর্মী হিসেবে আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।

ফুড সেফটি মুভমেন্টের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক মাহমুদুল ইসলাম সেলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞ, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ এবং সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কার্যকর তদারকি ও কঠোর আইন বাস্তবায়নের দাবি জানান।

উত্তরায় পুলিশের বিশেষ স্বাস্থ্য ক্যাম্প, বিনা মূল্যে চিকিৎসা পেলেন পরিবহন শ্রমিকরা

অনলাইন ডেস্ক
উত্তরায় পুলিশের বিশেষ স্বাস্থ্য ক্যাম্প, বিনা মূল্যে চিকিৎসা পেলেন পরিবহন শ্রমিকরা
ছবি: কালের কণ্ঠ

রাজধানীর উত্তরায় পরিবহন শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পুলিশের উদ্যোগে বিশেষ স্বাস্থ্য ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ক্যাম্পে চালক ও হেলপাররা বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন।

শনিবার (২৭ জুন) উত্তরা হাউজ বিল্ডিং এলাকায় এ স্বাস্থ্য ক্যাম্পের আয়োজন করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ উত্তর। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ট্রাফিক বিভাগ উত্তরের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) রুবেল হক।

এদিন স্বাস্থ্য ক্যাম্পে পরিবহন শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা পরামর্শ ও বিনা মূল্যে ওষুধ প্রদান করা হয়। এতে স্থানীয় বিভিন্ন রুটের বাস, ট্রাক ও অন্যান্য পরিবহনের চালক ও হেলপাররা অংশ নেন।

এ সময় এডিসি রুবেল হক বলেন, নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থাপনায় চালকদের শারীরিক সুস্থতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং ট্রাফিক আইন মেনে গাড়ি চালানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিবহন শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। এতে একদিকে শ্রমিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে, অন্যদিকে সড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা আরো জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির ছায়া সংসদে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

বর্তমান সরকার মেগাপ্রকল্পের ব্যাপারে রক্ষণশীল

নিজস্ব প্রতিবেদক
বর্তমান সরকার মেগাপ্রকল্পের ব্যাপারে রক্ষণশীল
ছবি : কালের কণ্ঠ

মেগাপ্রকল্প বানিয়ে মানুষকে চমকে দিয়ে উন্নয়নের ফানুস তৈরি করে মেগালুটের ব্যাপারে এই সরকারের কোনো আগ্রহ নেই। ফ্যাসিস্ট আমলে গৃহীত যেসব মেগাপ্রকল্প এখন বন্ধ করে দিলে বড় ধরনের অপচয় ও সমস্যা হতে পারে, সেগুলো রেশনালাইজড করতে বাছাই করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেন, ‘সরকার মেগাপ্রকল্পের ব্যাপারে রক্ষণশীল। মেগাপ্রকল্পের চাইতে মানবসম্পদ উন্নয়নকেন্দ্রিক ও প্রয়োজনীয় প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের হার হতাশাজনক। এই অবস্থা উত্তরণে সরকার সচেষ্ট।’ 

শনিবার (২৭ জুন) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) বাজেটের সুফল পেতে অর্থের জোগান ও বাস্তবায়ন দক্ষতা নিয়ে এক ছায়া সংসদে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি।

জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘করের পরিধি বাড়ানোর লক্ষ্যে খুদে দোকানিরা যাতে ন্যূনতম কর দিতে পারে সে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হয়রানির উদ্দেশ্যে নয়, ন্যায্যতার ভিত্তিতেই কর আদায় করা সরকারের উদ্দেশ্য। সাধারণ মানুষকে মূল্যস্ফীতির অভিঘাত থেকে রক্ষার জন্য ৬০টি নিত্যপণ্যের ওপর কর কমানো হয়েছে। করের পরিধি বাড়াতে গিয়ে কেউ হয়রানির শিকার হবে না।’

সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, ‘আওয়ামী সরকারের ভুলনীতি, অনিয়ম, দুর্নীতির কারণে দেশের অর্থনীতির ভিত্তি ভেঙে পড়েছিল। বর্তমান সরকার উত্তরাধিকার সূত্রে ভঙ্গুর অর্থনীতি নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে। সে সময় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও সুশাসনের অভাবে বাজেটের প্রত্যাশিত সুফল জনগণ পায়নি। বাজেটের সুফল পেতে অর্থের জোগান যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি এর বাস্তবায়ন দক্ষতাও সমভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আওয়ামী সরকারের আমলে বাজেটের অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার না করে অবকাঠামোগত উন্নয়নের নামে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে। প্রতিটি প্রকল্পই ছিল অতিমূল্যায়িত। মেগাপ্রকল্পের আড়ালে মেগাচুরি হয়েছে। এমনকি ছোট ছোট প্রকল্পগুলোতেও চুরি মেগাপ্রকল্পের চুরিকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। রাজনৈতিক বিবেচনায় দুর্নীতির লক্ষ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত কয়েকটি কম্পানির কাছে ইজারা দেওয়া হয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘সরকার বলছে তারল্যসংকট মোকাবেলায় টাকা ছাপানোর প্রয়োজন হবে না। অথচ আমরা দেখছি টাকা ছাপিয়ে ইসলামী ব্যাংককে ৯ হাজার কোটি টাকা ধার দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ভবিষ্যতে যদি আরো টাকা ছাপিয়ে তারল্য সংকট মোকাবেলা করা হয় তাহলে মূল্যস্ফীতি আরো বাড়বে। বৈদেশিক বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করতে হলে সরকারকে শিল্প-কলকারখানায় গ্যাস—বিদ্যুতের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সরকারের নীতি সহায়তার মাধ্যমে গ্যাস—বিদ্যুৎসহ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান মুখ থুবড়ে পড়বে। আওয়ামী সরকারের আমলে গ্যাস দেওয়ার প্রতিশ্রুতির পরিপ্রেক্ষিতে উদ্যোক্তারা দেশি—বিদেশি অর্থায়নে কারখানা স্থাপন করলেও এখনো পর্যন্ত গ্যাস সংযোগ পায়নি। ৫৫০টির মতো ছোট, মাঝারি ও বড় শিল্প-কারখানা গ্যাসপ্রাপ্তির সব প্রক্রিয়া শেষ করার পরেও গ্যাস পাচ্ছে না। এতে ২৩ হাজার কোটি টাকার অলস বিনিয়োগ পড়ে আছে। অথচ মাস ঘুরলেই সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে।’

কিরণ বলেন, ‘এবারের বাজেটে চাল, ডাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ভোজ্য তেল, চিনি, লবণের মতো ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর উৎস কর কমিয়ে জনগণকে স্বস্তি প্রদানের চেষ্টা করা হলেও, অন্যদিকে মুদি দোকান, কনফেকশনারীসহ তৃণমূল পর্যায়ের ১৬টি ব্যাবসায়িক খাতে ভ্যাট আরোপসহ জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি আবার জনগণকে অস্বস্তিতে ফেলবে। ছোট ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর কর আরোপের বোঝা ভোক্তাদের ওপরই পড়বে। ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়বে।’

“জাতীয় বাজেটের সুফল পেতে অর্থের জোগান অপেক্ষা বাস্তবায়ন দক্ষতা বেশি জরুরি” শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রাইমএশিয়া ইউনিভার্সিটিকে পরাজিত করে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন—অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, ড. এস এম মোর্শেদ, ইআরএফের প্রেসিডেন্ট ও সিনিয়র সাংবাদিক দৌলত আক্তার মালা, কালের কণ্ঠের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ ফারুক আহাম্মদ (ফারুক মেহেদী) ও চ্যানেল আইয়ের বিশেষ প্রতিনিধি রিজভী নেওয়াজ। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। ছায়া সংসদটি আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি।

সন্ধ্যার মধ্যে ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা | কালের কণ্ঠ