• ই-পেপার

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আদমজী ইপিজেডের আগুন নিয়ন্ত্রণে

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আদমজী ইপিজেডের আগুন নিয়ন্ত্রণে

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অবস্থিত আদমজী ইপিজেডের অন্তত অ্যাপারেলস লিমিটেড নামে একটি পোশাক কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার (১৫ জুলাই) ভোর ৪টা ১০ মিনিটের দিকে কারখানাটির গোডাউনে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং ৭ টা ১০ মিনিটে নিয়ন্ত্রণে আসে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, ভোর রাতে হঠাৎ করে কারখানার গোডাউনে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে আদমজী,কাঁচপুর, শিবু মার্কেট ও নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের মোট ১১টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং ৯টি ইউনিট  আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ঢাকা বিভাগের উপ-পরিচালক  মো. ছালেহ উদ্দিন বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে আমাদের ৯টি ইউনিট কাজ করছে। অতিরিক্ত আরও দুইটি ইউনিট উপস্থিত ছিল। ইতোমধ্যে আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। অল্প সময়ের মধ্যেই পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করছি। তবে আগুনের সূত্রপাত এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনই বলা সম্ভব নয়।

নারায়ণগঞ্জে বয়লার বিস্ফোরণে দুই শ্রমিক দগ্ধ

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জে বয়লার বিস্ফোরণে দুই শ্রমিক দগ্ধ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি ডাইং কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনায় দুই শ্রমিক আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ১৫ মিনিটের দিকে ফতুল্লার সস্তাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের খানপুর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পরে কারখানায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

আহতরা হলেন–বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধল এলাকার আবুল কালাম সিকদারের ছেলে মামুন (২৩) এবং কুড়িগ্রামের অলিপুর এলাকার নজির হোসেনের ছেলে আশরাফুল আলম (৩৬)। তারা উভয়েই ফতুল্লার সস্তাপুর গাবতলা মোড় এলাকার হলি ফেব্রিক্স ডাইং কারখানায় কর্মরত ছিলেন।

জানা গেছে, সস্তাপুর গাবতলা মোড়ে আঞ্জু মিয়া ও রেজাউল হকের মালিকানাধীন হলি ফেব্রিক্স ডাইং কারখানার বয়লার হঠাৎ বিস্ফোরিত হলে বিকট শব্দে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কারখানার চারপাশের দেয়াল, টিনের চাল, দরজা ও জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এছাড়া বয়লারের প্রায় ৮ ফুট লম্বা, ৪ ফুট প্রশস্ত এবং আনুমানিক ৭০ থেকে ৮০ কেজি ওজনের একটি লোহার প্লেট উড়ে পাশের আটতলা স্যামসন্স সুয়েটার গার্মেন্টসের ওপর দিয়ে প্রায় ৫০০ গজ দূরে গিয়ে মাসুম মিয়ার একটি আধাপাকা ঘরের টিনের চালে পড়ে। এতে ঘরটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের বহু বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানের কাঁচের জানালা ভেঙে যায়।

খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মফিজুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বয়লারের ত্রুটির কারণেই এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে বিষয়টি বিস্তারিত তদন্ত শেষে জানা যাবে।’

আদমজী ইপিজেডের ভেতরে আগুন

অনলাইন ডেস্ক
আদমজী ইপিজেডের ভেতরে আগুন
ফায়ার সার্ভিসের সৌজন্যে

নারায়ণগঞ্জের আদমজী ইপিজেডের ভেতরে অবস্থিত অনন্ত অ্যাপারেলসের কাপড়ের গোডাউনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। 

বুধবার (১৫ জুলাই) ভোর ৪টা ১০ মিনিটে আগুন লাগার সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। খবর পেয়ে ৪টা ১৪ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে তারা।

আগুন নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট কাজ করছে। আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

সন্দ্বীপে দেশীয় অস্ত্রসহ ৭ জলদস্যু আটক

সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
সন্দ্বীপে দেশীয় অস্ত্রসহ ৭ জলদস্যু আটক

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে কোস্ট গার্ড ও পুলিশের যৌথ অভিযানে দেশীয় অস্ত্র এবং বিপুল পরিমাণ ডাকাতির মালামালসহ ৭ জন জলদস্যুকে আটক করা হয়েছে। এসময় ডাকাতদের ব্যবহৃত একটি ফিশিং বোটও জব্দ করা হয়।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পূর্ব জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার বিএন সুমন আল মুকিতের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

​কোস্ট গার্ড জানায়, গত ৯ জুলাই বিকেল ৩টায় চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ থানাধীন দক্ষিণ উপকূল এলাকায় একটি ফিশিং বোট জলদস্যুদের কবলে পড়ে। ডাকাতির শিকার হওয়ার পর ভুক্তভোগীরা জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ কল করে কোস্ট গার্ডকে বিষয়টি জানান।

অভিযোগ পাওয়ার পরপরই কোস্ট গার্ড ওই এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি এবং নিয়মিত টহল জোরদার করে।

​গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সন্দ্বীপের চৌধুরী বাজার ঘাটসংলগ্ন এলাকায় কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট সারিকাইত ও স্থানীয় পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে ডাকাতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত একটি ফিশিং বোটসহ ৭ জন জলদস্যুকে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা গত ৯ জুলাইয়ের ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আটক জলদস্যুদের ব্যবহৃত ফিশিং বোটে তল্লাশি চালিয়ে ডাকাতি হওয়া বিপুল পরিমাণ মালামাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার মালামালের মধ্যে রয়েছে আনুমানিক ৪৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা মূল্যের ৯৫ হাজার মিটার সুতার জাল, ১১০ লিটার ডিজেল, মোবাইল ফোন ৫টি, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র।

আটক জলদস্যু ও জব্দ আলামত এবং উদ্ধার হওয়া মালামালের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।