• ই-পেপার

জনগণের প্রত্যাশা পূরণ না হলে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে : জি এম কাদের

বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বিএনপি

পটিয়ার ১ হাজার পরিবার পেল ১০ কেজি করে চাল

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
পটিয়ার ১ হাজার পরিবার পেল ১০ কেজি করে চাল
ছবি: কালের কণ্ঠ

টানা বর্ষণ ও সাম্প্রতিক বন্যার ধাক্কায় বিপর্যস্ত নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বিএনপি। চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার আশিয়া ইউনিয়নে বন্যাকবলিত ও অসহায় ১ হাজার পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে আশিয়া বায়তুন্নুর মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত এ মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে স্থানীয় মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল থেকেই নারী-পুরুষের দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে অনেকেই তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তা গ্রহণ করেন।

আয়োজকরা জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় এ খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এতে আশিয়া ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জমির উদ্দিন মানিক বলেন, ‘দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের রাজনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবসময় নেতাকর্মীদের অসহায় মানুষের পাশে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা বন্যাদুর্গত পরিবারের হাতে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘পটিয়া তথা আশিয়ার মানুষের কষ্ট লাঘবে আমাদের এই কার্যক্রম চলমান থাকবে। কোনো অসহায় পরিবার যেন অনাহারে না থাকে, সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।’

স্থানীয় বিএনপি নেতা আবদুল আলিম মেম্বার বলেন, ‘বন্যায় অনেক পরিবারের ঘরে খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে। এই সহায়তা তাদের জন্য সাময়িক হলেও গুরুত্বপূর্ণ স্বস্তি এনে দেবে। সমাজের বিত্তবানদেরও মানবিক কাজে এগিয়ে আসা উচিত।’

সহায়তা পেয়ে আশিয়া ইউনিয়নের নারী রোজিনা আকতার বলেন, ‘বন্যার পানিতে ঘরের চাল-ডাল সব নষ্ট হয়ে গেছে। এই ১০ কেজি চাল আমাদের কয়েকদিনের খাবারের চিন্তা দূর করবে। যারা আমাদের কথা ভেবে সাহায্য করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’

স্থানীয়রা বলছেন, ‘দুর্যোগকবলিত মানুষের জন্য এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে আশিয়ায়। সরকারি সহায়তার পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোর এ ধরনের উদ্যোগ দুর্যোগ মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট অনেকটাই লাঘব করতে পারে।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা মো. আনোয়ার, আশিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজ আহমেদ, বিএনপি নেতা আবদুল মান্নান, জাহাঙ্গীর, ফারুক খন্দকার, আকতার কামাল, মঈনুদ্দিন চৌধুরী,সোলেমান চৌধুরী,ইমন চৌধুরী, যুবদল নেতা আবছার, হেলাল মেম্বার, আবদুল হান্নান, সাজ্জাদ হোসেন, সাহাব উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোবিনুল হক,পারভেজ মেম্বার, শাহাদাত, মিন্টু,আব্দুর রহিম, নেজাম উদ্দিন চৌধুরী, এনাম, ছাত্রদল নেতা আসিফ, আরমান হোসেন চৌধুরী, কামাল উদ্দিন, ইমনসহ আশিয়া ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

আখাউড়ায় নবগঠিত বরিশল ইউনিয়নের কার্যক্রম শুরু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
আখাউড়ায় নবগঠিত বরিশল ইউনিয়নের কার্যক্রম শুরু
ছবি : কালের কণ্ঠ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার নবগঠিত বরিশল ইউনিয়নের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রবিশল গ্রামের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. ফজলুর রহমান ভূঁইয়ার বাড়িতে অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধনের মাধ্যমে ইউনিয়নটির যাত্রা শুরু হয়।

সকালে অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া। অনুষ্ঠানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কফিলউদ্দিন মাহমুদ, জেলা বিএনপির নেতা বেলাল উদ্দিন সরকার তুহিন, বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী কবির আহমেদ ভূঁইয়া, মো. জয়নাল আবেদীন আব্দু, শরীফুল হক স্বপন, মো. সেলিম ভূঁইয়া, মো. আক্তার খানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ১২ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রাম নিয়ে নতুন বরিশল ইউনিয়ন গঠনের গেজেট প্রকাশ করে সরকার। চলতি জুলাইয়ে মো. ফজলুর রহমান ভূঁইয়াকে ইউনিয়নটির প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ফজলুর রহমান ভূঁইয়ার ছেলে কবির আহমেদ ভূঁইয়া এক আবেদনের মাধ্যমে সদর উপজেলার ছয়টি গ্রাম নিয়ে বরিশল ইউনিয়ন গঠন করে তা আখাউড়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছিলেন। পরবর্তীতে সরকার বিষয়টি অনুমোদন করে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রশাসক মো. ফজলুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, বরিশল ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই তার লক্ষ্য। তিনি বলেন, সরকারের সব ধরনের বরাদ্দ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ভিত্তিতে এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে পরামর্শ করে বণ্টন করা হবে।

নতুন বরিশল ইউনিয়ন গঠনের ফলে আখাউড়া উপজেলায় ইউনিয়নের সংখ্যা পাঁচ থেকে বেড়ে ছয়টিতে উন্নীত হয়েছে। ইউনিয়নটিতে অন্তর্ভুক্ত ছয়টি গ্রাম আখাউড়া পৌর এলাকার সংলগ্ন হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরেই আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রীকে ১৮ জুলাই নওগাঁয় ঢুকতে না দেওয়ার হুঁশিয়ারি

নওগাঁ প্রতিনিধি
শিক্ষামন্ত্রীকে ১৮ জুলাই নওগাঁয় ঢুকতে না দেওয়ার হুঁশিয়ারি
ছবি : কালের কণ্ঠ

আগামী ১৮ জুলাই নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করতে এলে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে ঢুকতে না দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা শিক্ষা ভবনের সামনে ঘণ্টাব্যাপী করা মানববন্ধনে এই হুঁশিয়ারি দেন তারা।  

মানববন্ধনে দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত রাখা এবং বৈরী আবহাওয়ায় পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণের সুযোগ নিশ্চিতসহ সব দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। দাবি না মানলে আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

লালপুর শ্রী সুন্দরী বিদ্যালয়

বয়স ১৫৯ বছর, এখনো হয়নি জাতীয়করণ

আব্দুল জব্বার সুজন, লালপুর (নাটোর)
বয়স ১৫৯ বছর, এখনো হয়নি জাতীয়করণ
নাটোরের লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়। ছবি : সংগৃহীত

১৫৯ বছর ধরে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে নাটোরের লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়। আজও জাতীয়করণের বাইরে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। 

ঐতিহ্য, ধারাবাহিক সাফল্য এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণ না হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা ক্রমেই বাড়ছে। স্থানীয়দের ভাষ্যে, ‘এটি এখন লালপুরবাসীর প্রাণের দাবি’।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, ১৮৬৭ সালে পুঠিয়ার মহারাণী শরৎ সুন্দরী দেবী ‘শরৎ সুন্দরী মধ্য ইংরেজি স্কুল’ নামে লালপুরে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর ১৯৩৫ সালে ‘চন্দ্রনাথ মধ্য ইংরেজি বিদ্যালয়’ এবং সর্বশেষ ১৯৪১ সালে ‘শ্রী সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এটি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ম্যাট্রিকুলেশন স্বীকৃতি লাভের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি মূলধারার শিক্ষাব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান অর্জন করে।

১৯৩১ সালের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিন বছরের মাথায় ১৯৩৪ সালে বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে যায়। তবে স্থানীয় জমিদার ও শিক্ষানুরাগীদের চেষ্টায় ১৯৩৬ সালে পুনরায় পাঠদান শুরু হয় প্রতিষ্ঠানটিতে। ১৯৪৮ সালে মূল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং ১৯৬০ সালে পাকিস্তান সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রা আরো শক্তিশালী হয়।

স্বাধীনতার পর ১৯৭৬ সালে পাইলট স্কিমভুক্ত এবং ১৯৮২ সালে রাষ্ট্রপতির অনুদান লাভ করে বিদ্যালয়টি। পরে ১৯৯৬ সালে এসএসসি (ভোকেশনাল), ২০০১ সালে এইচএসসি (বিএম) এবং ২০১২ সালে মডেল প্রকল্পভুক্ত হলে এর  অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়।

শিক্ষার পাশাপাশি ক্রীড়া ক্ষেত্রেও বিদ্যালয়টির রয়েছে উল্লেখযোগ্য সাফল্য। জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় ধারাবাহিক ভালো ফল ছাড়াও ফুটবল, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, স্কাউট ও বিএনসিসি কার্যক্রমে এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে। 

মহান মুক্তিযুদ্ধেও এ প্রতিষ্ঠানের ৬৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন, যাদের মধ্যে অনেকে শহীদ হন।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অভিযোগ, সরকারি নীতিমালার সব মানদণ্ড পূরণ করায় ২০১৭ সালে জাতীয়করণের জন্য তখনকার প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়া যায়। তবে পরে তা বাস্তবায়িত হয়নি। বরং নাম পরিবর্তন করে তুলনামূলক কম যোগ্য একটি প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু রায়হান বলেন, ‘বিদ্যালয়টি সবদিক থেকে জাতীয়করণ হওয়ার উপযুক্ত। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত রাখা হচ্ছে, যা শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে।’

সহকারী শিক্ষক শারমিন আক্তার জুথি বলেন, ‘এই বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ও সাফল্যের যথাযথ স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয়করণ হওয়া উচিত। এতে শিক্ষার মান আরো উন্নত হবে।’

সাবেক শিক্ষার্থী ও ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. অমল কুমার চৌধুরী বলেন, ‘এত পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী একটি প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের বাইরে থাকা সত্যিই দুঃখজনক।’

সাবেক শিক্ষার্থী ও সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো.  জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এই স্কুলের ছাত্র ছিলাম। এখন আমার সন্তানও এখানে পড়ে। এত পুরনো একটি প্রতিষ্ঠান এখনো জাতীয়করণ না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।’

প্রধান শিক্ষক খাজা শামীম মো. ইলিয়াস হোসেন জানান, বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী সংখ্যা এক  হাজার ২৯৩। শিক্ষক ও কর্মচারী ৪৫ জন। প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণের জন্য পুনরায় আবেদন করা হয়েছে বলেও জানান প্রধান শিক্ষক।

বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব হারুনার রশিদ পাপ্পু বলেন, ‘জাতীয়করণের জন্য তালিকায় নাম আসার পরও রাজনৈতিক কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমান সরকারের কাছে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের দাবি জানাচ্ছি।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বরকত উল্লাহ বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন। তবে জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার চাইলে জাতীয়করণের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।’

৫৮ নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতীপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, ‘লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। এর গৌরবময় ইতিহাস ও অবদান বিবেচনায় জাতীয়করণের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখার সুযোগ রয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করব।’