• ই-পেপার

পাকুন্দিয়ায় ১ রাতে ৩ কৃষকের ৬ গরু চুরির অভিযোগ

চুয়াডাঙ্গা

কাজীর লাইসেন্স বাতিল ও গ্রেপ্তার দাবি স্থানীয়দের

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
কাজীর লাইসেন্স বাতিল ও গ্রেপ্তার দাবি স্থানীয়দের
সংগৃহীত ছবি

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের কাজী শামসুল হকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, বাল্যবিবাহ নিবন্ধন, অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে লাইসেন্স বাতিল ও গ্রেপ্তারের দাবিতে  মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

রবিবার (৫ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদ চত্বরে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের সর্বস্তরের এলাকাবাসীর ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লাভলী ইয়াসমিনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের রাশেদ আলী, আব্দুল কুদ্দুস ও মোরশেদ আলী। বক্তারা অভিযোগ করেন, কাজী শামসুল হক দীর্ঘদিন ধরে অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে-মেয়েদের বাল্যবিবাহ নিবন্ধন করে আসছেন। পরে কনেপক্ষকে পুলিশ ও প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করেন। এছাড়া দেনমোহরের পরিমাণ বেআইনিভাবে বাড়ানো-কমানো এবং বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেন তারা।

বক্তারা আরো জানান, গত ৩ জুলাই জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন তার কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করলে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে কাজী শামসুল হক পালিয়ে যান। এ সময় তার দুই সহযোগীকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। অভিযানে কার্যালয়ের বিভিন্ন নথিপত্রে অসংগতি পাওয়ায় অফিসটি সিলগালা করে দেয় প্রশাসন।

মানববন্ধনে বক্তারা আরো উল্লেখ করেন, এর আগে দামুড়হুদার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদুর রহমানের দায়িত্বকালেও বাল্যবিবাহ নিবন্ধনের দায়ে কাজী শামসুল হককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। এরপরও তিনি একই ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাভলী ইয়াসমিন বলেন, ‘এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৩ জুলাই সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে বিভিন্ন নথিপত্রে অসংগতি পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি তার লাইসেন্স বাতিলের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে।’

গোপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
গোপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু চিত্তরঞ্জন পালের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

রবিবার (৫ জুলাই) সকালে বিদ্যালয়ের সামনে আয়োজিত এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিভিন্ন অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন অভিভাবক ইসাহাক আলী বিশ্বাস, গোলাম মোস্তফাসহ বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী।

বক্তারা অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ে বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। সেশন ফি, উন্নয়ন ফি, বিদ্যুৎ বিলসহ বিভিন্ন অজুহাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন। এছাড়া সরকারি অনুদানের অর্থ ব্যয় এবং বিদ্যালয় পরিচালনায়ও অনিয়মের অভিযোগ তোলেন তারা।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, বাবু চিত্তরঞ্জন পাল প্রথমে সহকারী শিক্ষক হিসেবে গোপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন এবং ২০০৯ সালে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পান। এরপর থেকে তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসছেন বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন।

অভিযোগে আরো বলা হয়, ২০১৫ সালে ৪ লাখ ৪৪ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তিনি সাময়িকভাবে বরখাস্ত হলেও পরবর্তীতে পুনরায় দায়িত্বে ফিরে আসেন। পরে ২০১৭ সালে রেজুলেশন ও চেক জালিয়াতির মাধ্যমে আরও ৯১ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। সে সময় তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি তাকে বরখাস্তের নির্দেশ দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া, ২০২৫ সালে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে প্রাপ্ত ৫ লাখ টাকার সরকারি অনুদান আত্মসাতের অভিযোগও আনা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ওই অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় না করে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে আরো বলা হয়, বিদ্যালয়ে কর্মরত তিনজন নারী শিক্ষকের জন্য সমমর্যাদার বসার ব্যবস্থা না করে প্রধান শিক্ষক নিজ কক্ষে পৃথক ব্যবস্থা করেছেন, যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিধিমালার পরিপন্থী বলে তারা দাবি করেন।

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার সময় সেশন ফি, পরীক্ষা ফি, বিদ্যুৎ বিল ও উন্নয়ন ফির নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এরই প্রতিবাদে তারা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক বাবু চিত্তরঞ্জন পাল বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষার ফি নেওয়া হয়েছে। একটি মহল অসত্য ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে আমার মানহানি করার চেষ্টা করছে।

নারায়ণগঞ্জ

অভিযানে গিয়ে সোনার চেইন চুরি, দুই পুলিশসহ ৪ জন কারাগারে

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
অভিযানে গিয়ে সোনার চেইন চুরি, দুই পুলিশসহ ৪ জন কারাগারে

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাদক উদ্ধারের অভিযানে গিয়ে সোনার চেইন চুরির অভিযোগে করা মামলায় ফতুল্লা মডেল থানার দুই পুলিশ সদস্যসহ চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত দুই সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে জেলা পুলিশ।

রবিবার (৫ জুলাই) সকালে ফতুল্লা থানা পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কারাগারে যাওয়া চারজন হলেন— ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খায়রুল বাশার, কনস্টেবল আফিকুল ইসলাম ও দুই সোর্স মিরাজ ইসলাম শুভ ও রানা।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে ফতুল্লার জামতলা ধোপাপট্টি এলাকার ‘আইনজীবীর বাড়ি’ নামে পরিচিত একটি বাড়িতে মাদক উদ্ধারে অভিযান চালান এসআই খায়রুল বাশার ও কনস্টেবল আফিকুল ইসলাম। তাদের সঙ্গে মিরাজ ইসলাম শুভ ও রানা ছিলেন। অভিযানের একপর্যায়ে আলমারির ড্রয়ার থেকে একটি সোনার চেইন চুরির অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি বাড়ির লোকজন দেখতে পেয়ে পুলিশ সদস্যদের পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে তারা তা দেখাতে পারেননি। পরে স্থানীয় লোকজন চারজনকে আটক করে গণপিটুনি দেন। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

এ ঘটনায় বাড়ির মালিক সুমা আক্তার বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর এসআই খায়রুল বাশার, কনস্টেবল আফিকুল ইসলাম এবং দুই সোর্সকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। 

ফতুল্লা থানা পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো. মাহবুবুল আলম জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠান। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিলল একাধিক গোপন পথ

অনলাইন ডেস্ক
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিলল একাধিক গোপন পথ
সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজারের উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তার জন্য স্থাপিত কাঁটাতারের বেড়া কেটে একের পর এক অবৈধ চলাচলের পথ তৈরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব পথ ব্যবহার করে রোহিঙ্গারা ক্যাম্পের বাইরে তাদের অবাধ যাতায়াত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, কাঁটাতারের কাটা অংশ এখন শুধু যাতায়াতের পথ নয়, বরং ইয়াবা পাচার, অপহরণ, চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ে জড়িত অপরাধীদের নিরাপদ রুটে পরিণত হয়েছে। কালবেলার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরেজমিনে কুতুপালং ও বালুখালী ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, একাধিক স্থানে কাঁটাতারের বেড়া কেটে মানুষের চলাচলের উপযোগী পথ তৈরি করা হয়েছে। কোথাও বেড়ার নিচের অংশ কেটে ফেলা হয়েছে, আবার কোথাও পুরো অংশ সরিয়ে অবাধ যাতায়াতের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দিনের পাশাপাশি রাতের আঁধারেও এসব পথ ব্যবহার করে রোহিঙ্গারা ক্যাম্পে প্রবেশ ও বের হচ্ছে। তাদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে উখিয়া-টেকনাফ এলাকায় অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়, ইয়াবা পাচার, অস্ত্র বহন, চুরি, ডাকাতি ও শিশু নিখোঁজের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, অপরাধ সংঘটনের পর অনেক দুর্বৃত্ত কাঁটাতারের কাটা অংশ ব্যবহার করে দ্রুত ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। এতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন জানান, আমরা বারবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। কাটা অংশ দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত হচ্ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন। এসব পথ বন্ধ না হলে স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তাঝুঁকির মধ্যেই থাকবে।

পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, ক্যাম্পের নিরাপত্তা শুধু রোহিঙ্গাদের জন্য নয়, পুরো উখিয়া-টেকনাফের মানুষের নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। কাঁটাতারের বেড়া কেটে যারা অবৈধ পথ তৈরি করছে, তাদের শনাক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত সংস্কার এবং যৌথ টহল জোরদার করা জরুরি।

উখিয়া অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রবিউল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, ক্যাম্পের বাইরে রোহিঙ্গাদের অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। কাঁটাতারের বেড়া কেটে যাতায়াতের সুযোগ থাকলে ইয়াবা পাচার, অপহরণসহ নানা অপরাধ দমন কঠিন হয়ে পড়বে। শুধু বেড়া নির্মাণ করলেই হবে না, কার্যকর রক্ষণাবেক্ষণ ও পাহারার ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে।

উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সরওয়ার জাহান চৌধুরী বলেন, সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে ক্যাম্পের চারপাশে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করেছে। কিন্তু সেই বেড়া যদি কেটে অবৈধ চলাচলের পথ তৈরি করা হয়, তাহলে পুরো নিরাপত্তাব্যবস্থাই ভেঙে পড়ে। বিষয়টি শুধু স্থানীয় নিরাপত্তার নয়, এটি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গেও সম্পর্কিত। অবিলম্বে কাটা অংশ মেরামত এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পকেন্দ্রিক অপরাধ দমনে পুলিশ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে। কাঁটাতারের বেড়া কেটে অবৈধ চলাচল বা অপরাধ সংঘটনের কোনো তথ্য পেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্যাম্প ও আশপাশের এলাকায় নজরদারি ও টহল আরো জোরদার করা হয়েছে।