• ই-পেপার

সুনামগঞ্জে গৃহবধূর আত্মহনন, শ্বশুর গ্রেপ্তার

ফেনীতে মারধরের শিকার মানসিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু

ফেনী প্রতিনিধি
ফেনীতে মারধরের শিকার মানসিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

ফেনীতে মারধরের শিকার মো. জসিম উদ্দিন (৩০) নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (৭ জুন) ভোর পৌনে ৪টার দিকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি মারা যান।

নিহত জসিম উদ্দিন সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার রনকেলী গ্রামের মৃত তমছির আলীর ছেলে।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৬ জুন) রাত ১১টার দিকে শহরের বড় মসজিদ এলাকা থেকে কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি আহত অবস্থায় জসিম উদ্দিনকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ওই এলাকায় তাকে মারধর করা হয়েছিল।

পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার ভোররাতে তার মৃত্যু হয়।

আরো পড়ুন
গাইবান্ধায় মদপানে যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ জন

গাইবান্ধায় মদ্যপানে যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ জন

 

ফেনী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. রোকন উদ দৌলা বলেন, আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা লোকজনের পরিচয় জানা যায়নি। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নিহতের পরিচয় শনাক্ত করেছে। শনিবার রাতে শহরের বড় মসজিদ এলাকায় তার সঙ্গে হাতাহাতি ও বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। সেখানে তাকে মারধর করা হয়। তবে এটি গণপিটুনির ঘটনা নয়। তিনি মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন বলে আমরা জেনেছি।

তিনি আরো জানান, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

গাইবান্ধায় মদ্যপানে যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ জন

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
গাইবান্ধায় মদ্যপানে যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ জন
প্রতীকী ছবি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মদ্যপানের পর সোহাগ মণ্ডল (৩০) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মজিবর রহমান ও সৈকত মণ্ডল নামের আরো দুজন অসুস্থ হয়ে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মৃত সোহাগ মণ্ডল গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের তরফ কামাল গ্রামের মৃত সামসুল মণ্ডলের ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাত প্রায় ১১টার দিকে সোহাগ, সৈকত ও মজিবর দেশী মদ্যপান করেন। পরে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে রাতেই তাদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সোহাগ মণ্ডলের মৃত্যু হয়।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফেনীতে ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ ফাতেমা গ্রেপ্তার

ফেনী প্রতিনিধি
ফেনীতে ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ ফাতেমা গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

ফেনীর পরশুরাম ‍উপজেলায় পুলিশের বিশেষ সাঁড়াশি অভিযানে ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ হিসেবে পরিচিত ফাতেমা আক্তারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৬ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার উত্তর বাউরখুমা তালুকপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ফাতেমা ওই এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ সূত্র জানায়, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) তত্ত্বাবধানে উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ গোলাম হক্কানী ও মোস্তফা কামালের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ফেনীর আদালত থেকে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।

থানা সূত্রে আরো জানা যায়, সিডিএমএসে যাচাই করে ফাতেমার বিরুদ্ধে ফেনী সদর ও পরশুরাম থানাসহ বিভিন্ন থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা পাওয়া গেছে। এসব মামলার মধ্যে ২০০৯, ২০১৭, ২০১৮, ২০২১, ২০২২ ও ২০২৫ সালে করা একাধিক মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সরকারের ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। ফেনী জেলাজুড়েও মাদক নির্মূলে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।’

নোয়াখালীতে সংঘর্ষের ঘটনায় আরো ২৫ জন গ্রেপ্তার, ওসি প্রত্যাহার

নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালীতে সংঘর্ষের ঘটনায় আরো ২৫ জন গ্রেপ্তার, ওসি প্রত্যাহার

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের আরো ২৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

রবিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এসপি) আবু তৈয়ব মো. আরিফ।

পুলিশ জানায়, শনিবার দিবাগত রাত থেকে রবিবার ভোর পর্যন্ত সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

এদিকে সদর উপজেলার নোয়ান্নই ও কালাদরাপ ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সুধারাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে পুলিশ লাইনসেসংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে।

একই আদেশে ফেনীর সোনাগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলামকে সুধারাম মডেল থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া সুধারাম থানার পরিদর্শক (অপারেশন) শ্রীরাম ভট্টাচার্যকে হাতিয়া থানার ওসি (তদন্ত) এবং হাতিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইদ্রিসুর রহমানকে সুধারাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

আরো পড়ুন

কুমিল্লায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ৪৫

কুমিল্লায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ৪৫

 

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) টি এম মোশাররফ হোসেন বলেন, সুধারাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। এটি নিয়মিত প্রশাসনিক বদলির অংশ।

তিনি আরো জানান, গত দুই দিনে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের মোট ৪৯ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।