দিনাজপুরের বিরল উপজেলার পূর্ণভবা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া জেলে মো. ইসমাইল হক (৬৫)-এর মরদেহ দীর্ঘ ১৯ দিন পর ভারত থেকে দেশে ফিরেছে। বুধবার (২০ মে) হিলি চেকপোস্ট সীমান্ত দিয়ে মরদেহটি পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নিহত উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের কামদেবপুর মাস্টারপাড়া গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ এপ্রিল বিকেলে কামদেবপুর চান্দামারী পুরানঘাট এলাকায় পূর্ণভবা নদীতে মাছ ধরতে যান ইসমাইল হক। এর পর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান চালিয়েও তার খোঁজ পায়নি। এর পর গত ৩ মে ভারতের গঙ্গারামপুর থানার যাদববাটি বাটুলপাড়া নদীর ঘাট এলাকায় একটি অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করে ভারতীয় পুলিশ। পরে মরদেহের ছবির সঙ্গে মিলিয়ে পরিবারের সদস্যরা নিশ্চিত হন, সেটি ইসমাইল হকের মরদেহ। মরদেহ শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ শুরু করেন। তবে কাগজপত্র ও প্রশাসনিক জটিলতায় দীর্ঘ ১৯ দিন অপেক্ষা করতে হয় পরিবারটিকে।
নিহতের বড় ছেলে হায়দার আলী জানান, প্রতিদিনই মরদেহ ফেরত আসার আশায় ছিলেন তারা। অবশেষে বুধবার মরদেহ দেশে ফিরেছে।
সূত্র জানায়, কলকাতায় বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ বালুরঘাট হয়ে হিলি চেকপোস্ট সীমান্তে আনা হয়।
পরে অতুল কুমার ভট্টাচার্য, ১৫১ ব্যাটালিয়নের কম্পানি কমান্ডার নিশিত লাহা ও হিলি ইমিগ্রেশনের এস আই আব্দুল তালেব উপস্থিতিতে মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।





