• ই-পেপার

সিরাজগঞ্জে দোকানের ভেতর ব্যবসায়ীকে গলাকেটে হত্যার চেষ্টা

গৌরীপুর

উদ্বোধনের আগেই সংযোগ সড়কে ধস

নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ দ্রুত পদক্ষেপ দাবি স্থানীয়দের

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
উদ্বোধনের আগেই সংযোগ সড়কে ধস
উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়ছে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নের শিবপুর বলুহা এলাকায় নির্মাণের শেষ পর্যায়ে থাকা সেতুর সংযোগ সড়ক। সম্প্রতি তোলা। -কালের কণ্ঠ

সেতুর কাজ প্রায় শেষ। সেতুর পর সংযোগ সড়ক হয়েছে। সঙ্গে সুরক্ষা দেয়াল।  উদ্বোধনের কথা আগামী ৩০ জুন। এরই মধ্যে ধসে পড়তে শুরু করেছে সংযোগ সড়ক। এ জন্য কাজে অনিয়মকে দায়ী করছে স্থানীয়রা। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সড়কটি সেতু থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।

ঘটনাটি ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নের। ওই ইউনিয়নের শিবপুর বলুহা এলাকায় সংযোগ সড়কসহ সেতু নির্মাণের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় ২০২২-২৩ অর্থবছরে বলুহা সড়কের খালের ওপর ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি গার্ডার সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ। 

নথিপত্র সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৫ এপ্রিল কার্যাদেশ দেওয়ার পর কাজ শুরু হয় ২০ জুন। ওই বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কয়েক দফা সময় বাড়ানো হয়। সবশেষ আগামী ৩০ জুন সেতুটি  উদ্বোধনের কথা। 

সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ড্রাম শেডের গাইডওয়াল সরে যাওয়ায় সড়কের দুই পাশের মাটি ধসে পড়েছে। ভেঙে পড়েছে ইটের সলিংও। সুরক্ষা দেয়াল ভেঙে পড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নিরাপত্তা বেষ্টনীও। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

এছাড়া কার্যাদেশের বিভিন্ন শর্তও মানা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্প এলাকায় কাজের বিবরণ সম্বলিত সাইনবোর্ড স্থাপনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও সেখানে কোনো সাইনবোর্ড দেখা যায়নি। ফলে প্রকল্পের ব্যয়, সময়সীমা ও কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সাধারণ মানুষ অন্ধকারে রয়েছে। 
স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজ শুরুর আগে সাইট অফিস, লেবার শেড, ইটের খোয়া ভেজানোর পানির চৌবাচ্চা ও শ্রমিকদের সুপেয় পানির ব্যবস্থা করার কথা থাকলেও বাস্তবে কিছুই করা হয়নি। অপরিকল্পিতভাবে কাজ পরিচালনা করায় নির্মাণের গুণগত মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

বলুহা গ্রামের বাসিন্দা মঞ্জুরুল হক বলেন, কাজের শুরু থেকেই আমরা অনিয়মের প্রতিবাদ করেছিলাম। এখন সামান্য বৃষ্টিতেই সড়ক ভেঙে যাচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের শেষ থাকবে না।

শিবপুর গ্রামের বাসিন্দা অঞ্জনা রানী বলেন, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন  স্কুল-কলেজের শত শত শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। বর্ষায় সড়কটি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগে পড়তে হবে। 

কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেন, এখানে কাজের কোনো সাইনবোর্ড নেই। ড্রাম শিট দিয়ে করা পেলাসাইডিংয়ের কাজ অত্যন্ত নিম্নমানের। 

এ ব্যাপারে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘কাজ চলমান অবস্থায় লাগাতার বৃষ্টির কারণে  কয়েকটি ইট সরে যাচ্ছে। এটা ফের মেরামত করা হবে, সমস্যা নাই।’

গৌরীপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলাল উদ্দিন বলেন, ‘ভেঙে যাক সমস্যা নাই। এখনও ঠিকাদারের টাকা আটকে আছে। মেরামত করেই টাকা নিতে হবে।’

হিলি

ভারতীয় গরু আসা বন্ধে বিজিবির নজরদারি জোরদার

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
ভারতীয় গরু আসা বন্ধে বিজিবির নজরদারি জোরদার
সংগৃহীত ছবি

অবৈধ পথে ভারত থেকে দেশে গরু আসা বন্ধে বাংলা হিলি সীমান্তে নজরদারি জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। সীমান্ত জুড়ে বাড়ানো হয়েছে বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি বিজিবি টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বুধবার (২০ মে) সকালে এ তথ্য জানিয়েছেন জয়পুরহাট ২০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল লতিফুল বারী।

আরো পড়ুন
কার্ড থেকে বিকাশ-নগদ-রকেটে টাকা আনতে নতুন নিয়ম

কার্ড থেকে বিকাশ-নগদ-রকেটে টাকা আনতে নতুন নিয়ম

 

তিনি সাংবাদিকদের জানান, হিলিসহ অন্যান্য সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে গরু পাচারের কোনো সুযোগ নেই। সীমান্ত এলাকায় বিজিবির সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বর্তমান সময়ে ভারতে বিরাজমান অস্থিরতার বিষয়টি মাথায় রেখে সীমান্তে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার  গ্রহণ করা হয়েছে।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল লতিফুল বারী জানান, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে মাইকিং করে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা পাচার ঠেকাতে বিজিবি সর্বদা তৎপর রয়েছে। সীমান্ত রক্ষায় বিজিবি সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে।

আশুলিয়ায় বকেয়া পরিশোধে দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
আশুলিয়ায় বকেয়া পরিশোধে দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ
ছবি: কালের কণ্ঠ

সাভারের আশুলিয়ায় বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবিতে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছে পোশাক শ্রমিকরা। টানা ৮ মাসের বেতন বকেয়া থাকায় তারা সড়কে অবস্থান নিয়ে দ্রুত পাওনা পরিশোধের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কারনা করেছেন।

বুধবার (২০ মে) সকালে সাভারে নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের ইপিজেড এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন ভুক্তভোগী শ্রমিকরা। এসময় সড়কটিতে দীর্ঘ সময় যান চলাচল বন্ধ থাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন সাধারন মানুষ।
 
বিক্ষোদ্ধ শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে কাজ করলেও কর্তৃপক্ষ তাদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করছে না। বারবার আশ্বাস দিলেও কর্তৃপক্ষ বেতন পরিশোধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। তাই বাধ্য হয়ে পরিবার-পরিজনের কষ্টের কথা চিন্তা করে রাজপথে নামতে হয়েছে তারা।

শ্রমিকদের অভিযোগ, গত বছরের ২৩ অক্টোবর হঠাৎ নোটিশ দিয়ে ডিইপিজেডের চারটি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় কারখানাগুলোতে কর্মরত প্রায় সাড়ে তিন হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েন। এরপর ইপিজেড শ্রম আইন অনুযায়ী গত বছরের ২৫ নভেম্বর সব শ্রমিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী ছাঁটাইয়ের ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে বকেয়া পাওনা পরিশোধের কথা থাকলেও বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেপজা) গাফিলতি ও নানা টালবাহানায় দীর্ঘ ৮ মাস পার হলেও এখনো শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য টাকা বুঝে পায়নি। বেতন-ভাতা না পাওয়ায় বাসাভাড়া ও দোকান বাকি পরিশোধ করতে না পাড়ায় বাড়িওয়ালা বাড়ি ছাড়তে বলছে এবং দোকানি বাকি দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

মানববন্ধনে উপস্থিত শ্রমিকরা তাদের কষ্টের কথা তুলে ধরে বলেন, দীর্ঘ ৮ মাস কাজ না থাকায় পরিবার নিয়ে তারা চরম অসহায় ও মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সন্তানদের পড়াশোনা ও ভরণপোষণ, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের চিকিৎসার খরচ এবং ঘর ভাড়া দিতে না পেরে শ্রমিকরা মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছেন।
 
বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধে সরকারের উচ্চপর্যায়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যথায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধসহ আরও বড় ধরনের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

অন্যদিকে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শিল্প পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তারা শ্রমিকদেরকে বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অবস্থানকারী শ্রমিকরা।

আধুনিক কোচ সরিয়ে পুরনো কোচ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

জামালপুর প্রতিনিধি
আধুনিক কোচ সরিয়ে পুরনো কোচ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
ছবি: কালের কণ্ঠ

জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ রুটে লাল-সবুজের আন্তঃনগর তিস্তা এক্সপ্রেস আধুনিক ইন্দোনেশীয় কোচ নিয়ে চলাচল করা ট্রেনটিতে এখন প্রায় অর্ধেক ২০ বছরের পুরনো চায়না কোচ সংযুক্ত করা হয়েছে। ভারি বৃষ্টি হলেই পুরনো কোচের জানালা ও ছাদ চুঁইয়ে ভেতরে পানি ঢোকে। এ ছাড়া আসন ময়লা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে ভোগান্তিতে পড়ছেন যাত্রীরা।

যাত্রীদের অভিযোগ, ভিআইপি হিসেবে পরিচিত আন্তঃনগর ট্রেনটির বর্তমানে সেবার মান একেবারে বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। আধুনিক কোচ সরিয়ে পুরনো ও নিম্নমানের কোচ সংযোজন করায় যাত্রীসেবার মান কমে গেছে। এ ছাড়াও কোচগুলোর আসন ময়লা ও অস্বাস্থ্যকর। ভারি বৃষ্টি হলেই জানালা ও ছাদ চুঁইয়ে ভেতরে পানি পড়ে। এতে যাত্রীদের দুর্ভোগ আরো বেড়ে যায়।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার দশক আগে কমলাপুর-দেওয়ানগঞ্জ রুটে তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল শুরু করে। শুরুতে ট্রেনটি সবুজ-হলুদ রঙের পুরনো ভ্যাকুয়াম ব্রেক কোচে পরিচালিত হত। পরে ২০১৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর আধুনিক লাল-সবুজ রঙের ইন্দোনেশীয় এয়ার ব্রেক কোচ সংযুক্ত করে নতুন রূপে ট্রেনটির যাত্রা শুরু হয়। এতে যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধি পায়। তবে গত এক বছর ধরে ট্রেনটিতে বিভিন্ন সময়ে ধীরে ধীরে প্রায় ২০ বছরের পুরনো সাদা রঙের চায়না কোচ সংযুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে ছয়টি পুরনো সাদা কোচ যুক্ত রয়েছে। এসব কোচে শোভন চেয়ার শ্রেণির যাত্রীরা ভ্রমণ করছেন।

দেওয়ানগঞ্জগামী যাত্রী মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আগে তিস্তা এক্সপ্রেসে ভ্রমণ করলে স্বস্তি পাওয়া যেত। এখন পুরনো কোচের সিটে বসা যায় না, দুর্গন্ধও থাকে। আধুনিক কোচের আসনের ভাড়া দিলেও নিম্নমানের আসনে বসে যাতায়াত করতে হচ্ছে।’

সাদিকুর রহমান নামের এক যাত্রী বলেন, ‘কিছুদিন আগে শোভন চেয়ার শ্রেণির টিকিট কেটেছিলাম। সিট পড়েছিল পুরনো কোচে। সিটের ওপর ময়লা হয়ে কালো দাগ জমে আছে। এ ছাড়াও ভারি বৃষ্টি হলে জানালা ও ছাদ চুঁইয়ে ভেতরে পানি ঢুকে পড়ে। আগের লাল-সবুজ কোচে এমন সমস্যা বা ভোগান্তি হতো না।’

যাত্রীদের দাবি, পুরনো কোচ সরিয়ে আগের লাল-সবুজের আধুনিক কোচ ফিরিয়ে আনার দাবি করেন তারা।

দেওয়ানগঞ্জ বাজার রেলওয়ে স্টেশন কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন বলেন, ‘ট্রেনে সাদা রঙের কোচ বিভিন্ন সময়ে ঢাকা থেকে সংযুক্ত করা হয়েছে। আগের লাল-সবুজের আধুনিক কোচ সংযুক্ত করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।’

দেওয়ানগঞ্জ বাজার রেলওয়ে স্টেশনের অতিরিক্ত ট্রেন এক্সামিনার (পরীক্ষক) আসাদুজ্জামান বলেন, ‘সাদা রঙের কোচগুলোও এয়ার ব্রেক কোচ। তবে এগুলো পুরোনো কোচ। ২০০৭ বা ২০০৮ সালের দিকে চীন থেকে আনা হয়েছিল। জানালার রাবারে সমস্যা হলে অনেক সময় চুঁইয়ে ভেতরে পানি ঢোকে। সেগুলো মেরামত করা হবে। কোচ মেরামতের জন্য অনেক সময় সরিয়ে রাখা হয়। আশা করা যাচ্ছে আগের কোচ আবার সংযুক্ত করা হবে।’