• ই-পেপার

চট্টগ্রাম

ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন থেকে প্রটোকল অফিসারের মরদেহ উদ্ধার

তাহিরপুরে ৫২ পিস ইয়াবাসহ তিন ব্যক্তি আটক

তাহিরপুর ( সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
তাহিরপুরে ৫২ পিস ইয়াবাসহ তিন ব্যক্তি আটক
সংগৃহীত ছবি

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ৫২ পিস ইয়াবাসহ তিন ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের কোনাটছড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

আটককৃতরা হলেন, উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী পশ্চিম পুরান লাউড় গ্রামের মৃত শাহেদ আলীর ছেলে মো. শফিক মিয়া (৩২), একই ইউনিয়নের ঘাগড়া গ্রামের মৃত আশিক মিয়ার ছেলে মো. মনির হোসেন (৩৫) এবং কোনাটছড়া গ্রামের জালাল মিয়ার ছেলে মো. রউফ মিয়া (৩২)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে কোনাটছড়া গ্রামের তোতা মিয়া পাথর মিলের সামনে তিন ব্যক্তি  ইয়াবা বিক্রির জন্য চেষ্টা করছিল। এ সময় স্থানীয়দের  সন্দেহ হলে তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে উপজেলার বাদাঘাট তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পুলিশ পরিদর্শক নাজমুল ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের দেহ তল্লাশি করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, নগদ ২৯ হাজার ২১০ টাকা এবং একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই তাদের সঙ্গে থাকা আরও দুই ব্যক্তি পালিয়ে যান।

উপ-পুলিশ পরিদর্শক নাজমুল ইসলাম বলেন, গ্রামবাসীর সহায়তায় ৫২ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া পলাতক দুইজনকেও মামলার আসামি করা হবে।

পীরগঞ্জ

সামনে কোরবানি, কামারশালায় ব্যস্ততা

পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি
সামনে কোরবানি, কামারশালায় ব্যস্ততা
ছবি: কালের কণ্ঠ

আগুনের ভাটিতে লোহা পুড়ে লাল। সেখান থেকে সাঁড়াশি দিয়ে তা তুলে ধরা  হচ্ছে নেহাইয়ের ওপর। এরপর গরম লোহার ওপর ঢপাঢপ হাতুড়ির আঘাত, আরো কিছু ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এভাবে তৈরি করা হচ্ছে দা, ছুরি, চাপাতি, বটিসহ মাংস কাটার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। 

দিন দশেক পরই পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদে কোরবানির জন্য ধারালো সরঞ্জাম  জরুরি। ফলে এই সময় এর চাহিদা থাকে ব্যাপক। এসব সরঞ্জাম তৈরির জন্য সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা। 

এদিকে, কাজের চাপ থাকলেও আশানুরূপ ক্রেতা না থাকায় হতাশ কারিগররা। তারা জানান, প্রতিবছর কোরবানির ঈদের আগে কামারশালাগুলোতে জমে ওঠে বেচাকেনা। কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার জন্য মানুষ নতুন দা-ছুরি কিনতে ভিড় করেন। কিন্তু এবার লোহার দাম বেড়ে যাওয়ায় সরঞ্জামের দামও বেড়েছে। ফলে অনেকেই নতুন জিনিস কেনার পরিবর্তে পুরনো দা-ছুরিতে ধার দিয়ে কাজ চালানোর চেষ্টা করছেন। এতে বিক্রি কমে গেছে। 
সরেজমিনে উপজেলার খালাশপীর,চতরা, শানেরহাট,ভেন্ডাবাড়ি কামারশালায় গিয়ে দেখা যায়, আগুনের ভাটির পাশে বসে ঘাম ঝরিয়ে লোহা পেটাচ্ছেন কারিগররা। কেউ পুরনো ছুরিতে ধার দিচ্ছেন, কেউবা নতুন দা তৈরি করছেন। তবে দোকানে ক্রেতার উপস্থিতি খুবই কম। মাঝে-মধ্যে দুই-একজন এলেও দাম শুনে ফিরে যাচ্ছেন। 

কারিগর আব্দুর রউফ বলেন, ‘এবার কাজ খুব কম। লোহার দাম অনেক বেড়েছে। গত বছর জিনিসের চাহিদা বেশি ছিল, কিন্তু এবার সেই অনুযায়ী বিক্রি নাই। আল্লাহ যেভাবে রাখছে সেভাবেই দিন চালাচ্ছি।’ আরেক কারিগর শাকিল বলেন, ‘ক্রেতা আসে, কিন্তু দাম একটু বেশি শুনলেই ঘুরে যায়। আগে দিনে অনেক বিক্রি হতো, এখন তেমন হচ্ছে না।’ 

বিক্রেতা গাবুর আলী জানান, আগের মতো বাজার নাই। মানুষ এখন নতুন জিনিস কম কিনছে। লোহার দাম বাড়ার কারণে আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। ক্রেতাদের মধ্যেও রয়েছে অসন্তোষ। 

রংপুর মর্ডান এলাকা থেকে আসা আকরামুল বলেন, ‘গরুর গোশত কাটার জন্য দা নিতে এসেছি। কিন্তু একেকটি ছুরি ও দা’র দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তাই চিন্তা করে কিনতে হচ্ছে ‘ আরেক ক্রেতা রজ্জব আলী বলেন, ‘সবকিছুর দাম বাড়ছে। সংসার চালাতেই কষ্ট হচ্ছে। তাই নতুন জিনিস কেনা কঠিন হয়ে গেছে।’

প্রশাসন আমাকে সহযোগিতা করছে না : এম‌পি মুজা‌হি‌দ

আঞ্চ‌লিক প্রতি‌নি‌ধি, কু‌ড়িগ্রাম
প্রশাসন আমাকে সহযোগিতা করছে না : এম‌পি মুজা‌হি‌দ
ছবি: কালের কণ্ঠ

কু‌ড়িগ্রাম-২ আস‌নের সংসদ সদস‌্য ও এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজা‌হিদ বলেছেন, কু‌ড়িগ্রামের প্রশাসন সিন্ডিকেট ঠিক রাখতে এবং তাদের ভাগ ঠিক রাখতে গিয়ে আমাকে সহযোগিতা করছে না। 

মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে কুড়িগ্রাম আলিয়া কামিল মাদরাসার শিক্ষক মিলনায়তনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

আতিক মুজা‌হিদ ব‌লেন, কেউ কেউ বলার চেষ্টা করছে এমপির বাজেট বরাদ্দ ফিরে যাচ্ছে। আমি কুড়িগ্রাম এবং কুড়িগ্রামের মানুষকে হৃদয়ে ধারণ করে সংসদে কথা বলার চেষ্টা করি। বিভিন্ন দপ্তরের মন্ত্রীদের সঙ্গে পারসনালি কথা বলে কুড়িগ্রামের জন্য বরাদ্দ আনার চেষ্টা করি। কিন্তু এখানকার বিভিন্ন দপ্তরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আছে। বিশেষ করে সদর, রাজারহাট ও ফুলবাড়ি উপজেলা পর্যায়ে, আমার কাছে মনে হয়েছে তাদের অনেকেই জনগণবিরোধী।

আরো পড়ুন
তামাকের বিরুদ্ধে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় নারী এমপিদের

তামাকের বিরুদ্ধে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় নারী এমপিদের

 

মুজাহিদ ব‌লেন, তারা নিজেদের স্যার দাবি করতে খুব ভালোবাসেন। জনগণের কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে তারা প্রস্তুত নন। তারা জনগণকে কষ্ট দিতে পছন্দ করেন। তারা আর্থিক সুবিধা নিতে সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি। তারা এখনো ফ্যাসিস্টদের মতো আচরণে লিপ্ত।

এই সংসদ সদস‌্য বলেন, এখনকার ভূমি কর্মকর্তা বলেন আর ইউএনও বলেন, তারা কোনো একটি গোষ্ঠীকে সব সুবিধা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। তারা সবাই মিলে একটা সিন্ডিকেট। তারা এই সিন্ডিকেট ঠিক রাখার জন্য, নিজেদের ভাগ-বাটোয়ারা ঠিক রাখার জন্য আমাকে কাজ করতে দিচ্ছে না, সহযোগিতা করছে না।

টিআর কাবিখা বরাদ্দ সম্পর্কে এমপি মুজাহিদ বলেন, এগুলো জনগণের কাজ। কাউকে একটা টাকাও দেওয়া হবে না। যদি তারা সিন্ডিকেটের কারণে কোনো কাজকে পেছানোর চেষ্টা করে আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এটা সবার সামনে তুলে ধরব। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির জেলা আহ্বায়ক মুকুল মিয়া, সদস্যসচিব মাসুম মিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুজ্জামান তাওহীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক, শ্রমিক শক্তির জেলা আহ্বায়ক মজনু মিয়া, ছাত্রশক্তির জেলা আহ্বায়ক জাহিদ হাসান প্রমুখ।
 

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে উল্টো লেনে চলছে অবৈধ থ্রি হুইলার

ঘটছে দুর্ঘটনা, ঝরছে প্রাণ

আবুল বাশার রানা , চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা)
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে উল্টো লেনে চলছে অবৈধ থ্রি হুইলার
ছবি : কালের কণ্ঠ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চার লেনে, উল্টো লেনে প্রতিযোগিতা দিয়ে চলছে অবৈধ মোটরচালিত থ্রি হুইলার। যার কারণে প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটছে। আবার এসব দুর্ঘটনায় ঝরছে তাজা প্রাণ। চৌদ্দগ্রামে দায়িত্ব হাইওয়ে পুলিশ দাবি করছে প্রয়োজনীয় জনবল সংকট থাকার কারণে এই সকল অবৈধ মোটরচালিত থ্রি-হুইলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। তবে সাধারণ মানুষের দাবি পুলিশের সদিচ্ছা থাকলেই এসব যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামের চার লেন মহাসড়কটি জুড়ে উল্টো লেনে প্রতিযোগিতা করে চলছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। পুলিশের নাকের ডগার ওপর দিয়ে এসব অটোরিকশাগুলো চলাচল করলেও এই ক্ষেত্রে তারা নীরব ভূমিকা পালন করছে। এতে করে প্রতিদিন মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অটোরিকশার সঙ্গে যাত্রীবাহী গণপরিবহন ও মালবাহী ট্রাক-কার্ভাড ভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটছে। এসব দুর্ঘটনায় ঝরছে তাজা প্রাণ। 

সোমবার (১৮ মে) দুপুরে মহাসড়কের উপজেলার বালুজুরী নামক স্থানে চট্টগ্রাম লেনে যাত্রীবাহী বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে জেসমিন আক্তার (৪২) ও তার চার বছরের মেয়ে নুসরাত জাহান নিহত হয়। এই সময় পরিবারের আরো ৪ সদস্য আহত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চট্টগ্রামমুখী যাত্রীবাহী বাসটি তার লেন ঠিক রাখলেও উল্টো দিক থেকে অটোরিকশাটি এলে সজোরে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। বিশেষ করে মহাসড়কের রাজ্জাক টাওয়ারের সামনে গত ১ মাসে ৫টি দুর্ঘটনা ঘটে। যার মধ্যে উল্টো দিক থেকে আসা অটোরিকশার সাথে বিভিন্ন পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। এতে করে অনেকে আহত হচ্ছে। আবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় অনেকে মৃত্যুবরণ করছে। 

সরেজমিনে মঙ্গলবার মহাসড়কের বিভিন্নস্থান পরিদর্শন করে দেখা গেছে, ঢাকামুখী লেনগুলোতে গাড়ি সঠিকভাবে চললেও উল্টো দিক থেকে অটোরিকশা প্রতিযোগিতা দিয়ে মহাসড়কে চলাচল করছে। বিশেষ করে মহাসড়কের মিয়াবাজার, ছুপুয়া রাস্তার মাথায়, বাবুচি বাজারসংলগ্ন হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পেছনের লেন, লাটিমি, পদুয়া, গাংরা, চিওড়া, আমজাদের বাজার, বাতিসা, চৌদ্দগ্রাম বাজার, চৌদ্দগ্রাম পৌর সদর এলাকায় স্থানগুলো দিয়ে অবাধে এসব অবৈধ অটোরিকশা দূরপাল্লার পরিবহনগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা দিয়ে ওভারেরটেক করার চেষ্টা করছে। 

মিয়া বাজারের আমান জানান, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিয়ার বাজার এলাকায় উল্টো পথে গাড়ি চলাচলের কারণে অনেকগুলো দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই মিয়ার বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-পুরুষসহ অনেকজন প্রাণ হারিয়েছে। 

চৌদ্দগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী বলেন, সরকার ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কটিকে নিরাপদ করতে ফোর লেন করলেও এর সুফল জনগণ পাচ্ছে না। দূরপাল্লার পরিবহণগুলো তাদের লেনে চলাচল করলেও উল্টো দিক থেকে অটো রিক্সা প্রতিযোগিতা দিয়ে চলাচল করছে এতে করে প্রায় সময় মহাসড়কে অটো রিক্সার সঙ্গে দূরপাল্লার গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। এই সকল ঘটনায় তাজা প্রাণহানী হচ্ছে। 

তিশা পরিবহণের বাস চালক হাশেম মিয়া বলেন, ‘মহাসড়কে থ্রি হইলার চলার কোন নিয়ম নেই। তাদের নাই কোন প্রশিক্ষণ নাই লাইসেন্স, নিয়ম না মেনেই উল্টো পথে গাড়ি চালায়। তারা হঠাৎ করে মহাসড়কের মাঝখানে লেন পরিবর্তন করে, এতে করে অনেক সময় আমরা গাড়ি নিয়ন্ত্রণ নিতে কষ্ট হয়। যার কারণে দূর্ঘটনা ঘটে। প্রশাসন কার্যত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় দিন দিন এই সকল অটো রিক্সার দৌরাত্ব্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

মিয়া বাজার হাইওয়ে থানার ইনচার্জ রুহুল আমিন বলেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম অংশেই উল্টো পথে গাড়ি চলার বিরুদ্ধে এবং অবৈধ থ্রিলারের বিরুদ্ধে আমরা হাইওয়ে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের জনবল সংকট থাকায়, শতভাগ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।’ 

তিনি আরো বলেন অবৈধ থ্রি হুইলার মহাসড়ক চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই অটো রিকশাগুলোর বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনীতিবিদরা আমাদের ওপর প্রভাব বিস্তার করে। যার কারণে আমরা এসব অবৈধ অটোরিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছি না।