• ই-পেপার

মেহেরপুরে বোমাসদৃশ বস্তুসহ চিরকুট উদ্ধার

চৌদ্দগ্রামে বাস–অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
চৌদ্দগ্রামে বাস–অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫
প্রতীকী ছবি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে যাত্রীবাহী বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত ও আরো পাঁচজন আহত হয়েছেন। নিহতের নাম জেসমিন আক্তার (৪২)। তিনি পৌর এলাকার বালুজুড়ি গ্রামের মন্তু মিয়ার স্ত্রী।

সোমবার দুপুরে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের নবগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিয়াবাজার হাইওয়ে পুলিশের সার্জেন্ট আবদুল জাব্বার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বালুজুড়ির জেসমিন আক্তার, তার মেয়ে নুসরাত জাহান, নাটাপাড়া গ্রামের জাফর আহমেদের স্ত্রী মমতাজ বেগম, একই গ্রামের ফুল মিয়ার স্ত্রী সাফিয়া বেগম ও এতিম আলীর স্ত্রী কহিনুর বেগম সোমবার দুপুর ১২টার দিকে চৌদ্দগ্রাম বাজারে কেনাকাটা শেষে নাটাপাড়ার নিজাম উদ্দিনের অটোরিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের নবগ্রাম এলাকায় উল্টোপথে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি প্রচণ্ড ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

ঘটনাস্থলেই অটোরিকশা যাত্রী জেসমিন আক্তার নিহত হন। আহত হন অটোরিকশাচালক নিজাম উদ্দিনসহ আরো চারজন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের কুমিল্লায় পাঠানো হয়।

আরো পড়ুন

মুগদায় উদ্ধার আট টুকরা মরদেহের পরিচয় শনাক্ত

মুগদায় উদ্ধার আট টুকরা মরদেহের পরিচয় শনাক্ত

 

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রবিউল হাসান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জেসমিন আক্তারকে হাসপাতালে আনার আগেই মৃত ঘোষণা করা হয়। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লায় পাঠানো হয়েছে।

মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট আবদুল জাব্বার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রূপগঞ্জ

ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই চলছে পাঁচ হাজার দোকান

নেই ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন, টিন সনদও বছরে রাজস্ব ফাঁকি ২ কোটি টাকা

রাসেল আহমেদ, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ)
ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই চলছে পাঁচ হাজার দোকান
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার মুড়াপাড়া বাজারে। সোমবার তোলা। -কালের কণ্ঠ

বৈধ লাইসেন্স নেই, নেই পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণের ন্যূনতম সদিচ্ছা। সিন্ডিকেটের হাত ধরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এমন পাঁচ হাজার দোকানে চলছে ভেজাল খাবার বিক্রি। এতে মানব শরীরের ক্ষতি ছাড়াও সরকার বছরে রাজস্ব হারাচ্ছে প্রায় দুই কোটি টাকা। 

উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস, স্বাস্থ্য পরিদর্শক অফিস ও কাস্টমস অফিস সূত্রে জানা গেছে, রূপগঞ্জ উপজেলাজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সাড়ে চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার মুদি দোকান রয়েছে। এর মধ্যে সাড়ে চার হাজারের নেই কোনো বৈধ নথিপত্র। দোকানগুলোর ৭০ শতাংশ ব্যবসাই চলছে আইনের তোয়াক্কা না করে। এতে সরকার প্রতিবছর দেড় থেকে দুই কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজস্বের হারানোর ক্ষতির চেয়েও বড় ক্ষতি হচ্ছে জনস্বাস্থ্যের। 

রূপগঞ্জের দুই পৌরসভা ও সাত ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, একেকটি বড় দোকানে ১০ হাজার, মাঝারি দোকানে পাঁচ হাজার এবং ছোট দোকানে তিন হাজার টাকা রাজস্ব নির্ধারিত। সেই হিসেবে দুই পৌরসভায় ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া যেসব দোকান রয়েছে সেখান থেকে ৭৫ লাখ টাকা এবং সাত ইউনিয়নে এক কোটি ২৫ লাখ টাকা রাজস্ব আসার কথা। কিন্তু ট্রেড লাইসেন্স ও অন্যান্য কাগজপত্র ছাড়াই দোকান পরিচালনা করায় তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।  

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, রূপগঞ্জ বাজারে প্রায় ৯টি মুদি দোকান রয়েছে, যাদের কারো কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই। ট্রেড লাইসেন্স বা ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই বছরের পর বছর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। আইনের ফাঁক গলে তারা যেমন সরকারকে রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করছেন, তেমনি জবাবদিহিতার বাইরে থেকে নিয়ন্ত্রণ করছেন পুরো বাজার ব্যবস্থা। 

কথা হয় বাজারের মোস্তফা স্টোরের মোস্তফা মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এতকিছু বুঝি না। আমরা ব্যবসা করি। সরকারি লোকজন মাসে মাসে আসে। টেকা নেয়।’

কয়েকজন ক্রেতার অভিযোগ, স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এসব অনিয়মের অভিযোগ বারবার জমা পড়লেও রহস্যজনক কারণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। ভোক্তা অধিকার দপ্তর বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ভ্রাম্যমাণ আদালত যেন এই শক্তিশালী সিন্ডিকেটের সামনে থমকে দাঁড়িয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ মনে করছে, প্রশাসনের নীরবতাই অসাধু ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে বড় ঢাল। 

নগরপাড়া বাজারের কয়েকজন ক্রেতা অভিযোগ করেন, এ বাজারে কোনো ক্রয়-রশিদ (ভাউচার) নেই। ইচ্ছামতো দাম বাড়িয়ে সাধারণ ক্রেতাদের ঠকাচ্ছেন তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দোকানের দৃশ্যমান স্থানে পণ্যের  হালনাগাদ মূল্য তালিকা ঝুলিয়ে রাখার নিয়ম রয়েছে। তালিকা ছাড়া বেশি দামে পণ্য বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ। কোনোভাবেই মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া পণ্য দোকানে রাখা বা বিক্রি করা যাবে না। ভেজাল বা নিম্নমানের পণ্য বিক্রি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কিন্তু এসবের কোনো বালাই নেই রূপগঞ্জে। 

সরেজমিনে অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, অনেক বড় দোকানেও কোনো ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন বা প্রয়োজনীয় নথিপত্র নেই। অভিযোগ রয়েছে, অনেক ব্যবসায়ী কাঁচামালের পাইকারি দর বাড়ার আগেই পুরনো মজুত করা পণ্য বাড়তি দামে বিক্রি করছেন। মূল্য তালিকা না থাকায় ক্রেতারা দাম নিয়ে দরদাম করার সুযোগ পাচ্ছেন না। 

নগরপাড়া বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দোকানগুলোর বর্ধিত অংশ ও মালামাল ফুটপাত দখল করে রাখায় ক্রেতাদের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বাজারের সরু রাস্তায় মালামাল লোড-আনলোডের কারণে দীর্ঘক্ষণ যানজট লেগে থাকে। 

আনোয়ার হোসেন নামের এক ক্রেতা বলেন, নগরপাড়া বাজারে একেক দোকানে একেক দাম। কোনো তদারকি নেই। আমরা কার কাছে অভিযোগ দেব বুঝতে পারছি না। 

অভিযোগ রয়েছে, রূপগঞ্জের বিভিন্ন গলিতে গড়ে ওঠা অস্থায়ী গুদামগুলোতে রাতের বেলায় নিম্নমানের পণ্য প্যাকেটজাত করা হচ্ছে, যেখানে প্রশাসনের কোনো নজরদারি নেই। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী মূল্য তালিকা প্রদর্শন ও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ। অথচ রূপগঞ্জে এই আইনের কোনো প্রয়োগ নেই।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, উপজেলার প্রায় ৭ শতাংশ দোকানেরই কোনো হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স নেই। হাজার হাজার দোকান লাইসেন্সবিহীন থাকায় এবং ব্যবসায়ীরা বছরের পর বছর লাইসেন্স নবায়ন না করায় সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নগরপাড়া বাজারের মতো প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতেও প্রায় ৮৫ শতাংশ দোকানে দৃশ্যমান কোনো মূল্য তালিকা পাওয়া যায়নি। 

এছাড়া অধিকাংশ ব্যবসায়ী পাইকারি বাজার থেকে পণ্য কেনার রশিদ (ভাউচার) সংরক্ষণ করেন না, যা বাজার তদারকির ক্ষেত্রে বড় বাধা বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। 

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের মতে, রূপগঞ্জের বাজারগুলোর মতো জনাকীর্ণ স্থানে খোলা অবস্থায় রাখা ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির ঘটনা বেশি। 

নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী, ব্যবসায়ীদের পণ্যের মান ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। কিন্তু বাজারের বিভিন্ন দোকানে কৃত্রিম রং বা বিষাক্ত রাসায়নিকযুক্ত পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। 

উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসের স্টোর কিপার বলেন, পেশাদার জরিপ অনুযায়ী উপজেলার বাজারগুলোতে গত কয়েক বছরে দোকানের সংখ্যা দ্রুত বাড়লেও সেই অনুপাতে লাইসেন্স সংগ্রহের হার বাড়েনি। অনেক ব্যবসায়ী লাইসেন্স প্রক্রিয়াকে জটিল মনে করে তা এড়িয়ে চলছেন।

কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে দেখা যায় অনেক ব্যবসায়ী এক বছরের লাইসেন্স করে পরবর্তী কয়েক বছর আর নবায়ন করেন না। 

উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা চেষ্টা করি। কিন্তু শাস্তি দেওয়ার তো দায়িত্ব আমার না। আমি বেশ কয়েকবার উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর আবেদন করেছি অভিযান পরিচালনা করার জন্য। আমাদের দায়িত্ব হলো মনিটরিং করা। 

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আইভি ফেরদৌস বলেন, ভেজাল খাদ্য খেয়ে মানুষ কিডনি বিকলসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, রূপগঞ্জের বাজারগুলোতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে বিপুল সংখ্যক দোকান লাইসেন্সহীন থাকায় ডাটাবেইজ প্রস্তুত করা একটি চ্যালেঞ্জ। লাইসেন্সবিহীন ব্যবসায়ীদের দ্রুত নথিপত্র হালনাগাদ করতে নোটিশ দেওয়া হবে। 

কাউখালীতে ৬ ডাকাতি মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পিরোজপুর
কাউখালীতে ৬ ডাকাতি মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বহুল আলোচিত ৬টি ডাকাতি মামলার পলাতক আসামি ডাকাত সর্দার মো. আল আমীনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৮ বরিশালের একটি দল। রবিবার (১৭ মে) রাতে উপজেলার শিয়ালকাঠী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেন র‌্যাব সদস্যরা।

গ্রেপ্তার আল আমীন কাউখালী উপজেলার জোলাগাতি গ্রামের জাকির আকনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে উপকূলের বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি ও দস্যুতার ৬টি মামলা রয়েছে।

জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৮ বরিশালের একটি আভিযানিক দল, কাউখালী থানা পুলিশের সহযোগিতায় আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আলামিন আকনের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের বাসিন্দা গোলাম মোস্তফার বসতবাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতদল বাড়ির বারান্দার দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে। পরে নগদ ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬০০ টাকা, ২২ ভরি ১০ আনা স্বর্ণালংকার, ৬০০ মার্কিন ডলারসহ প্রায় ৬০ লাখ ৯৫ হাজার ৮৫০ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর ভুক্তভোগী গোলাম মোস্তফা কাউখালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য র‌্যাব-৮ এর সহায়তা চান। পরে র‌্যাব সদস্যরা  পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আলামিন আকনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাউখালী থানায় রাতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-৮ এর এক কর্মকর্তা জানান, চাঞ্চল্যকর এ মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অন্যান্য জড়িতদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

কাউখালী থানার ওসি মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, ‘আসামির বিরুদ্ধে বাগেরহাটের শরণখোলা, মংলা ও ফকিরহাট এবং পিরোজপুর জেলার কাউখালী ও ভাণ্ডারিয়া থানায় ডাকাতি, দস্যুতা, চুরি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৬টি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আজ সোমবার পিরোজপুওে জেলা আদালতের সোপর্দেও পর আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ১৪ ভারতীয় গরুসহ ৩৫ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ১৪ ভারতীয় গরুসহ ৩৫ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ
সংগৃহীত ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলা সীমান্তে বিজিবির পৃথক ৬টি অভিযানে ৩৫ লাখ ৫২ হাজার ৫০০টাকা মূল্যের চোরাচালানকৃত ১৪টি ভারতীয় গরু ও ৩৫ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ  হয়েছে। তবে এসব অভিযানে কেউ আটক হয়নি।

বিজিবি জানায়, রবিবার (১৭ মে) দিবাগত রাত ১টা থেকে সোমবার (১৮ মে) সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত অভিযানগুলো পরিচালনা করা হয়।

বিজিবি আরো জানায়, শিবগঞ্জের মাসুদপুর বিওপির টহলদল শিবগঞ্জের পাকা ইউনিয়নের নিশিপাড়া গ্রাম হতে ১টি, সদরের জহুরপুর বিওপি সদরের নারায়নপুর ইউনিয়নের খরিফারচর এলাকা থেকে ৩টি, সদরের বাখের আলী বিওপি সদরের নারয়ারনপুর ইউনিয়নের সোনাদিয়ার চর এলাকা হতে ৪টি, সদরের ফরিদপুর বিওপি শিবগঞ্জের উজিরপুর ইউনিয়নের কদমতলী চর এলাকা থেকে ৪টি এবং শিবগঞ্জের মনাকষা বিওপি সদরের সুন্দরপুর ইউনিয়নের কদমতলা এলাকা থেকে ২টি গরু জব্দ করে।  ১৪ গরুর জব্দ মূল্য ৩৫ লক্ষ টাকা। এছাড়া শিবগঞ্জের মনোহরপুর বিওপির টহলদল শিবগঞ্জের দূর্লভপুর ইউৃনিয়নের মনোহরপুর গ্রাম থেকে  ৫২ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ৩৫ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করে।

আরো পড়ুন
পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিতের ভাতা বন্ধ

পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিতের ভাতা বন্ধ

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (৫৩ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘জব্দ গরু চাঁপাইনবাবগঞ্জ শুল্ক কার্যালয়ে ও মদ শিবগঞ্জ থানায় জমা করা হয়েছে। চলতি মে মাসে এ পর্যন্ত ব্যাটালিয়নের আওতাধীন এলাকা থেকে  বিভিন্ন অভিযানে ৭২ লক্ষ ৮৭ হাজার টাকা মূল্যের ৩৩টি ভারতীয় গরু ও ৯৮ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে গরু ও মদ চোরাচালান রোধে কাজ করছে বিজিবি। এ জন্য সীমান্তের দুর্গম ও নদীপথে অতিরিক্ত বিশেষ টহল, চেকপোস্ট পরিচালনা ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।’