• ই-পেপার

ঠাকুরগাঁওয়ে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যকে অপহরণচেষ্টা, গ্রেপ্তার ৫

নারায়ণগঞ্জে সাবেক যুবদল নেতার ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জে সাবেক যুবদল নেতার ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা
ছবি : কালের কণ্ঠ

‘সবার আগে বাংলাদেশ, হৃদয়ে নারায়ণগঞ্জ’ স্লোগানকে সামনে রেখে সাবেক যুবদল নেতা মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জ শহরে বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করা হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) থেকে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এ সেবা আপাতত শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা গ্রহণ করতে পারবেন।

উদ্যোক্তারা জানান, এই অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে রোগীদের খানপুর হাসপাতাল, ভিক্টোরিয়া হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে নেওয়া হবে। এছাড়া বাসা বা হাসপাতাল থেকে বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আনা-নেয়া এবং মৃতদেহ বাসা থেকে কবরস্থান বা শ্মশানে পৌঁছে দেওয়ার কাজও বিনামূল্যে করা হবে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বলেন, ‘রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য মানুষের কল্যাণ করা। অসুস্থ ও অসহায় মানুষ যেন দ্রুত চিকিৎসাসেবা পায় এবং জরুরি মুহূর্তে পরিবহন সংকটে না পড়ে, সে চিন্তা থেকেই আমাদের এই ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করা হয়েছে। জনগণ উপকৃত হলে পর্যায়ক্রমে বন্দর, সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লাতেও আলাদা অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা চাই মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের পাশে দাঁড়াতে। ভবিষ্যতে এই সেবা ঢাকা পর্যন্ত বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। খুব দ্রুত আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে, তবে এখন থেকেই পরীক্ষামূলকভাবে সাধারণ মানুষ এই সেবা নিতে পারবেন।’

প্রসঙ্গত, সেবা নিতে ০১৭০৬৮৩৩০৯৪ এবং ০১৩৫৭০৭৭৮১২ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

আমরা প্রত্যেক পরিবারকে সমৃদ্ধ করতে চাই : বিমান প্রতিমন্ত্রী

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
আমরা প্রত্যেক পরিবারকে সমৃদ্ধ করতে চাই : বিমান প্রতিমন্ত্রী
ছবি: কালের কণ্ঠ

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা ইতিমধ্যেই বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রত্যেকটি পরিবারকে সমৃদ্ধ করতে চাই। আজ যেসব মায়েরা ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন, তারা প্রতি মাসে এর সুবিধা পাবেন এবং আজীবন এই সুবিধা ভোগ করবেন।’

তিনি জানান, জামালপুর জেলার উন্নয়নে একযোগে কাজ করছেন স্থানীয় সংসদ সদস্যরা।

তার ভাষায়, ‘জামালপুরের পাঁচটি আসনে এক সংরক্ষিত আসনসহ আমরা ছয়জন এমপি রয়েছি। আমরা সবাই মিলে জামালপুরকে দেশের অন্যতম উন্নত জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এই উন্নয়নে আমরা আপনাদের সহযোগিতা চাই।’

শনিবার (১৬ মে) বিকেলে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ ই সুলতান মাহমুদ বাবু, জামালপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ওয়ারেছ আলী মামুন, জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ড. নিলুফার চৌধুরী মনি।

অনুষ্ঠানে বগারচর ইউনিয়নের টালিপাড়া ও সাতভিটা এলাকার মোট ১ হাজার ২৯৫ জন উপকারভোগীর মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়।

কর্মীর কবর জিয়ারতে এমপি জিন্নাহ কবির, আদর্শ অনুসরণের আহ্বান

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, মানিকগঞ্জ
কর্মীর কবর জিয়ারতে এমপি জিন্নাহ কবির, আদর্শ অনুসরণের আহ্বান
ছবি : কালের কণ্ঠ

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার তেওতা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ আব্দুর কাদেরের কবর জিয়ারত করেছেন মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) এস এ জিন্নাহ কবির।

শনিবার (১৬ মে) বিকেলে উপজেলার তেওতা গ্রামে মরহুমের বাড়িতে গিয়ে তিনি কবর জিয়ারত, দোয়া ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন। পরে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন তিনি।

এ সময় এমপি জিন্নাহ কবির বলেন, ‘কাদের চেয়ারম্যান আমার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী ছিলেন। তিনি অত্যন্ত সহজ-সরল জীবনযাপন করতেন। কখনো নেশা, জুয়া কিংবা কোনো খারাপ কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। আমি আমার সব নেতা-কর্মীদের বলব, আপনারা মরহুমের জীবনাদর্শ অনুসরণ করুন। কোনো ধরনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না।’

তিনি আরো বলেন, ‘মাদকের সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে দলীয় পরিচয়ে তাকে রক্ষা করা হবে না। চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব কিংবা অনৈতিক কর্মকাণ্ড দেখলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পরে তিনি মরহুমের পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং ভবিষ্যতে যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

মরহুম আব্দুর কাদেরের বড় ভাই ও তেওতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক কালের কণ্ঠকে জানান, তার ভাই দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। তিনি শিবালয় উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি আরো জানান, ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত তেওতা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আব্দুর কাদের। চেয়ারম্যান থাকাকালে ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘হৃদরোগ, লিভার, কিডনি ও ডায়াবেটিসজনিত জটিলতায় অসুস্থ হয়ে কয়েকদিন আগে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি হন আব্দুর কাদের। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। পরে সকাল ১১টার দিকে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার জানাজায় হাজারো মানুষ অংশ নেন। কিন্তু জরুরি কাজে ঢাকায় থাকায় জানাজায় উপস্থিত থাকতে পারেননি এমপি জিন্নাহ কবির। তবে শনিবার তিনি কবর জিয়ারত ও পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নিতে আসেন।’

কবর জিয়ারতের সময় মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু, শিবালয় উপজেলা বিএনপির সদ্য সাবেক সভাপতি রহমত আলী লাভলু, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিনসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

পরে পাশ্ববর্তী জাফরগঞ্জ এলাকায় শিবালয় উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী জিন্নার কবরও জিয়ারত করেন এমপি জিন্নাহ কবির ও দলীয় নেতাকর্মীরা।

মোবাইল কিনে না দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহত্যা

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
মোবাইল কিনে না দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহত্যা
সংগৃহীত ছবি

বাবার কাছে মোবাইল চেয়ে না পেয়ে রমজানা (১৪) নামের এক কিশোরীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের রতনদী গ্রামে। আহত অবস্থায় ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছে গলাচিপা থানার ডিউটি অফিসার এএসআই মইনুল।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গলাচিপা সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের রতনদী গ্রামের সৌদি প্রবাসী আমিনুল ইসলামের মেয়ে রমজানা। রমজানা গলাচিপা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। গত কয়েকদিন ধরে বাবা-মায়ের কাছে নতুন মোবাইল ফোন কেনার আবদার করে। এসএসসি পরীক্ষার পর ফোন কিনে দেবে বললেও ক্ষুব্ধ হয় রমজানা। ঘরের অন্য সদস্যরা বারান্দায় বসে কথা বলছিল।

এসময় রমজানা তার শোবার ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়। কিছু সময় পর রমজানার মা পপি বেগম মেয়ে রমজানাকে ডাকলে কোনো সাড়া দেয় না। পরে মা পপি বেগমের ডাক চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পায়। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় রমজানাকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট করে।

এ বিষয়ে গলাচিপা থানার ডিউটি অফিসার এএসআই মইনুল বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পরিদর্শন করেছে। গলাচিপা থানায় অপমৃত্যু মামলা করা হবে।