<p>কক্সবাজারের মহেশখালীতে সরকার আরো একটি এলএনজি টার্মিনাল এবং একটি এলপিজি টার্মিনাল নির্মাণের বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।</p> <p>শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে মহেশখালীতে প্রস্তাবিত জ্বালানি প্রকল্প ও মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।</p> <p>তিনি বলেন, সরকারের বর্তমান মেয়াদের আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশের জনগণকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের দুশ্চিন্তা থেকে পুরোপুরি মুক্ত করা সম্ভব হবে।</p> <p>প্রতিমন্ত্রী জানান, সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) প্রকল্পের মতো বড় বিনিয়োগের প্রজেক্টগুলো রক্ষণাবেক্ষণ ঠিকাদার নিয়োগে বিলম্বের কারণে পূর্ণ ক্ষমতায় চালু হতে দেরি হয়েছে। বর্তমানে সরকার এসব বাধা কাটিয়ে কাজের গতি বাড়ানোর ওপর সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছে।</p> <p>তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অন্তত ৯০ দিনের জ্বালানি নিরবচ্ছিন্নভাবে সংরক্ষণ করা যায় সেই লক্ষ্যেই স্টোরেজ ক্যাপাসিটি বাড়ানোর কাজ চলছে।</p> <p>মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিরতা ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কথা উল্লেখ করে অনিন্দ ইসলাম অমিত বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বা করোনার চেয়েও বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য সংকট বিশ্ব অর্থনীতিকে বেশি প্রভাবিত করছে। তবে বাংলাদেশ বিকল্প উৎস নিয়ে কাজ করছে।</p> <p>তিনি আরো বলেন, এখন ৮০ হাজার টন কয়লা আনলোড হচ্ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে মন্ত্রণালয়, পেট্রোবাংলা ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো নিবিড়ভাবে কাজ করছে।</p> <p>সরকারের পরিকল্পনা মাফিক চললে এই সরকারের মেয়াদ শেষে জ্বালানি খাতে দেশ দীর্ঘমেয়াদী সুফল পাবে।</p> <p>পরিদর্শনকালে কক্সবাজার-২ মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের এমপি আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক মো আবদুল মান্নানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>