• ই-পেপার

ঠাকুরগাঁও

ভেজাল নিম্নমানের সেমাই প্রস্তুত, ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য

  • প্রস্তুত হচ্ছে নোংরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে
  • মেশানো হচ্ছে নিম্নমানের ডালডা ও রং
  • ঘি-এরপরিবর্তে রাসায়নিক

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট

৬৮১ ফসলের জাত ও ৬৯২ প্রযুক্তির উদ্ভাবন

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
৬৮১ ফসলের জাত ও ৬৯২ প্রযুক্তির উদ্ভাবন
সংগৃহীত ছবি

প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) উচ্চ ফলনশীল (হাইব্রিডসহ), রোগ প্রতিরোধ সক্ষম ও বিভিন্ন প্রতিকূল পরিবেশে চাষ উপযোগী ৬৮১টি জাত এবং ৬৯২টি অন্যান্য উৎপাদন প্রযুক্তিসহ মোট এক হাজার ৩৭৩টি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। এসব জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলে দেশে তেলবীজ, ডালশস্য, আলু, সবজি, মসলা এবং ফলের উৎপাদন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বারির কাজী বদরুদ্দোজা মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠানটির ২০২৬ সালের অভ্যন্তরীণ গবেষণা পর্যালোচনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরেন বিজ্ঞানীরা।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রফিকুল-ই-মোহামেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বারি’র মহাপরিচালক ড. মো. মঞ্জুরুল কাদির। বারি’র গবেষণা কার্যক্রম ও সাফল্যের ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিচালক (গবেষণা) ড. ফারুক আহমেদ। তিনি জানান, গত ২০২৫-২০২৬ সালে যেসব গবেষণা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছিল সেগুলোর মূল্যায়ন এবং এসব অভিজ্ঞতার আলোকে আগামী ২০২৬-২০২৭ সালের গবেষণা কর্মসূচি প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কর্মশালাটির আয়োজন করা হয়েছে। প্রযুক্তির উপযোগিতা যাচাই-বাছাই ও দেশের বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কর্মসূচি গ্রহণ করাই এ কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য।

কর্মশালায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা) ও বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির কার্যক্রম নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী বলেন, সময়ের প্রয়োজনকে সামনে রেখে কৃষি বিজ্ঞানীদের গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে। প্রতিকূল আবহাওয়া উপযোগী জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনেও বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরো যুগোপযোগী করতে সবাইকে একত্রে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, নার্সভুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বিএডিসি ও কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বারি’র বিভিন্ন বিভাগের পরিচালক, বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

কুমিল্লা

সড়ক বন্ধ করে স্থাপনা নির্মাণ, অবরুদ্ধ ৬০ পরিবার

কুমিল্লা (উত্তর) ও মুরাদনগর প্রতিনিধি
সড়ক বন্ধ করে স্থাপনা নির্মাণ, অবরুদ্ধ ৬০ পরিবার
কুমিল্লার বাঙ্গরা উপজেলার টনকি ইউনিয়নের চৈনপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। মঙ্গলবার তোলা। কালের কণ্ঠ

কুমিল্লার বাঙ্গরা উপজেলার টনকি ইউনিয়নের চৈনপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করা একটি গ্রামীণ সড়ক বন্ধ করে স্থাপনা নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতার বিরুদ্ধে। এতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে এক মুক্তিযোদ্ধার পরিবারসহ গ্রামের অন্তত ৬০ পরিবার। 

অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতার নাম আনিসুর রহমান। তিনি বাঙ্গরা উপজেলার টনকি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। তবে দলীয় পদবির সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।  

স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও প্রতিকার পাননি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। সড়কটি থেকে স্থাপনা অপসারণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এলাকাবাসী জানায়, গ্রামের এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন অন্তত ৬০টি পরিবারের তিন শতাধিক সদস্যসহ গ্রামের বাসিন্দারা  চলাফেরা করেন। এলাকার শিক্ষার্থীরাও এ সড়ক ব্যবহার করে। এ ছাড়া গ্রামের কৃষকরা মাঠের যাবতীয় ফসল বাড়িতে আনা-নেওয়া করেন। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আনিসুর রহমান জোর করে দীর্ঘদিনের চলাচলের সড়কটি বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে কেউ ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারছে  না। কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতালে নেওয়ারও কোনো ব্যবস্থা নেই।

ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা আলী আকবর ও তার স্ত্রী জাহানারা বেগমের অভিযোগ, জোর করে সড়কে ঘর তুলেছেন আনিসুর রহমান। তারা বাধা দিলেও তাতে গুরুত্ব দেননি তিনি। পরে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে পুলিশ নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে বলে। কিন্তু চলে যাওয়ার পর পর তারা ফের কাজ শুরু করেন। এখন পুরো সড়ক বন্ধ করে দিয়েছেন অভিযুক্তরা। ফলে গ্রামের শিক্ষার্থীসহ বাসিন্দারা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন লিটন ও ভুক্তভোগী শাহ জালাল কালের কণ্ঠকে বলেন, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, অসুস্থ রোগী ও কৃষকরা ফসল নিতে মাঠে যেতে পারছে না। গ্রামের সড়ক জোর করে বন্ধ করে দেওয়ায় আমরা আদালতে মামলা করি। পরে আনিসুর ও তার ভাই মাসুদ সরকার আমাদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। সড়কটি গত ১৬ বছর ধরে গ্রামের মানুষ ব্যবহার করে আসছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আনিছুর রহমান বলেন, ‘এখানে কোনো রাস্তাই নেই। এটি আমার পৈতৃক সম্পত্তি। তারা (গ্রামের বাসিন্দারা) অবৈধভাবে চলাচল করতে না পেরে আমার নামে আদালতে মামলা করেছেন।

এ ব্যাপারে বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিউল আলম বলেন, রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আপাতত নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-কুমিল্লা সীমান্তে দুই মাসে ২৫টি পুশ ইন চেষ্টা প্রতিহত বিজিবির

কুমিল্লা প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-কুমিল্লা সীমান্তে দুই মাসে ২৫টি পুশ ইন চেষ্টা প্রতিহত বিজিবির
ছবি : কালের কণ্ঠ

গত দুই মাসে সরাইল রিজিয়নের আওতাধীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-কুমিল্লার প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে ২৫টি পুশ ইনের চেষ্টা প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পাশাপাশি মাদক চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত অপরাধ দমনে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বাহিনীটি।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) কুমিল্লার কোটবাড়িতে বিজিবি ১০ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে আয়োজিত মাদকদ্রব্য ধ্বংস কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব তথ্য জানান সরাইল রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, কুমিল্লা ১০ বিজিবি ও সুলতানপুর ৬০ বিজিবি গত তিন থেকে চার বছরে সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের যেকোনো প্রচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় গত দুই মাসে সরাইল রিজিয়নের অধীন সীমান্ত এলাকায় ২৫টি পুশ ইনের চেষ্টা ব্যর্থ করা হয়েছে। সর্বশেষ কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সালদা নদী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করা চারজনকে প্রতিরোধ করে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, মাদক পাচার, চোরাচালান ও সীমান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিজিবি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। সীমান্তে নজরদারি আরো কার্যকর করতে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের ব্যবহার সম্প্রসারণের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি এবং সীমান্ত টহল আরো জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে বিজিবি দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্তে যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

মাদকদ্রব্য ধ্বংস কার্যক্রমে কুমিল্লা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল রাকিবুল হাসান, জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার, ১০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ, র‍্যাব-১১-এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলমসহ বিজিবি, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর

খাল পুনঃখনন শেষে প্রায় ২৮ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
খাল পুনঃখনন শেষে প্রায় ২৮ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও
ছবি : কালের কণ্ঠ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ শেষে সাশ্রয় হওয়া প্রায় ২৮ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, খাল পুনঃখনন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে ৭৫০ মিটার দীর্ঘ কাটাখালী (কুমাইরা) খাল এবং প্রায় ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে তেজখালী ইউনিয়নের ১ দশমিক ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ লটিয়ার খাল পুনঃখননের কাজ শুরু হয়। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাধ্যমে প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করা হয়।

প্রকল্পের আওতায় খালের দখলমুক্তকরণ, সরকারি নকশা অনুযায়ী খনন, দুই পাড় বাঁধাই এবং বৃক্ষরোপণের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। গত ২৫ এপ্রিল স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।

সূত্র জানায়, প্রকল্প দুটিতে মোট ২৮ লাখ ৭৮ হাজার ২৩৮ টাকা ব্যয় হয়েছে। ফলে বরাদ্দের ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৩১ টাকা উদ্বৃত্ত থাকে, যা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দুই স্থানে মোট ১ দশমিক ৯০ কিলোমিটার খাল গড়ে ৭ থেকে ৮ ফুট গভীর এবং ৩০ থেকে ৪০ ফুট প্রস্থে পুনঃখনন করা হয়েছে। বৃষ্টির কারণে একাধিকবার পাড় মেরামত করতে হয়েছে। এছাড়া একটি খালের একপাশে বিভিন্ন প্রজাতির ২২০টি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘খাল খনন প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রকল্প। বাঞ্ছারামপুরের দুইটি ইউনিয়নে একটি খাল সম্পূর্ণভাবে ডিজাইন অনুযায়ী করা হয়। আরেকটি খাল আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ সমাপ্ত করা সম্ভব যায়নি। সে জন্য বেশকিছু টাকা উদ্বৃত্ত থাকে, যা আজ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।’