• ই-পেপার

মাগুরায় ঝড়ে গাছের ডাল ভেঙে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

পঞ্চগড়ে শিশু হত্যা মামলায় যুবকের ১৭ বছরের কারাদণ্ড

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
পঞ্চগড়ে শিশু হত্যা মামলায় যুবকের ১৭ বছরের কারাদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

পঞ্চগড়ে পাঁচ বছর বয়সী শিশু মোবাশ্বের হোসেনকে অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত সিয়াম আহম্মেদ মিঠুকে (২২) মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৭০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

রবিবার (২১ জুন) দুপুরে পঞ্চগড়ের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হুসাইন মুহম্মদ ফজলুল বারী এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত রায়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৭ ধারায় শিশু অপহরণের দায়ে সিয়ামকে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ড দেন। এছাড়া দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় হত্যার দায়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত সিয়াম আহম্মেদ মিঠু পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের মৌলভীপাড়া এলাকার আশিকুর রহমান স্বপনের ছেলে।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ৮ মে দেবীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা আলম হোসেনের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মোবাশ্বের হোসেনকে অপহরণ করে পার্শ্ববর্তী ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের একটি বেতবাগানে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করে মিঠু। শিশুটিকে ঘটনার আগে তার সঙ্গে যেতে দেখেছিলেন স্থানীয় কয়েকজন।

পরে শিশুটির বাবা আলম হোসেন দেবীগঞ্জ থানায় প্রথমে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন এবং ১০ মে সিয়াম আহম্মেদ মিঠুর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ মিঠুকে গ্রেপ্তার করলে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় নিহত শিশুর বাবা আলম হোসেন বলেন, ‘মিঠু আমাদের প্রতিবেশী ছিল। ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে আমরা যখন দিশেহারা, তখন সেও আমাদের সঙ্গে খোঁজাখুঁজি করেছে, মাইকিং করেছে। কখনো ভাবিনি সেই-ই আমার সন্তানের ঘাতক। দীর্ঘ ছয় বছর পর আদালতের রায়ে আমরা কিছুটা হলেও ন্যায়বিচার পেয়েছি।’

পঞ্চগড়ের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. খলিলুর রহমান বলেন, ‘মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ, জবানবন্দি ও পারিপার্শ্বিক আলামত পর্যালোচনা করে আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। এটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ রায়। আমরা আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট।’

দীর্ঘ ছয় বছর পর আলোচিত এ মামলার রায়ে নিহত শিশুর পরিবার স্বস্তি প্রকাশ করলেও তাদের মতে, হারানো সন্তানকে কোনো রায়ই ফিরিয়ে দিতে পারবে না।

পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত স্পার, ভাঙনের মুখে তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধ

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি
পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত স্পার, ভাঙনের মুখে তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধ
ছবি : কালের কণ্ঠ

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় দ্বিতীয় তিস্তা সেতু রক্ষায় নির্মাণ করা দ্বৈত সারির বাঁশের স্পারের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে সেতু রক্ষা বাঁধ এলাকায় নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে।  

স্থানীয়রা জানান, নদীর ভেতর নির্মিত এই স্পার স্থায়ী হবে না বলে শুরু থেকেই আশঙ্কা ছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্টরা সে আশঙ্কাকে গুরুত্ব দেননি।

গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর পশ্চিম পাশে এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে বাঁশের দ্বৈত সারির স্পার নির্মাণ করা হয়। সংশ্লিষ্টদের আশা ছিল, বর্ষার সময় তিস্তার পানির চাপ কমিয়ে এটি সেতু রক্ষা বাঁধকে সুরক্ষা দেবে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য মোন্নাফ মিয়া বলেন, স্পার নির্মাণের সময় আমরা বলেছিলাম, নদীর মধ্যে এভাবে নির্মাণ করা হলে এটি টিকবে না। পানি আসলেই ভেঙে যাবে। কিন্তু তখন আমাদের কথা শোনা হয়নি। এখন সামান্য পানির চাপেই এটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 
মোন্নাফ মিয়া অভিযোগ করেন, এ ধরনের কাজ হলে তা মানুষের আস্থার জায়গা নষ্ট করে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, স্পার নির্মাণের পর থেকেই এর স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন ছিল। বর্ষা শুরু হওয়ার পর তাদের সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়েছে।

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, আমাদের বলার ভাষা নেই। তিন বছর ধরে এই বাঁধ রক্ষার বিষয়টি নিয়ে কথা হচ্ছে। কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধান হচ্ছে না। দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় অস্থায়ী নয়, স্থায়ী পরিকল্পনা প্রয়োজন।

উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মো. ওবায়দুল রহমান বলেন, আমরা ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। বাঁশের স্পারটি ঢাকার প্রকৌশলীদের নকশা অনুযায়ী নির্মাণ করা হয়েছিল। বিষয়টি তাদেরও জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে এলজিইডির রিভার ট্রেনিং ইঞ্জিনিয়ার কনসালটেন্ট ড. প্রকৌশলী লুৎফর রহমান বলেন, দ্বিতীয় তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধ এলাকায় নির্মিত দ্বৈত সারির বাঁশের স্পারটি ছিল পরীক্ষামূলক ও স্বল্প ব্যয়ের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা। নদীতে পানিপ্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কচুরিপানা এসে স্পারে জমা হয়ে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করায় কিছু অংশ ভেঙে গেছে।

২০১৮ সালে উদ্বোধন হওয়া দ্বিতীয় তিস্তা সেতু রংপুর ও লালমনিরহাট অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এই সেতু বাঁধ রক্ষায় নির্মিত স্পার মাত্র চার মাসের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাঁধের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, পরীক্ষামূলক ব্যবস্থা নয়, দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উদ্যোগ প্রয়োজন।

আ. লীগের অপতৎপরতা ও মাদকের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহে বিএনপির বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ
আ. লীগের অপতৎপরতা ও মাদকের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহে বিএনপির বিক্ষোভ
ছবি : কালের কণ্ঠ

আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা ও মাদকের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে মহানগর বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সমাবেশ থেকে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।

রবিবার (২১ জুন) সন্ধ্যায় নগরীর টাউন হল প্রাঙ্গণে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়। পরে একটি মিছিল নগরীর জিলা স্কুল মোড়, নতুন বাজার ও গাঙ্গিনাপাড় মোড় প্রদক্ষিণ করে রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিলপূর্ব সমাবেশে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেন, ‘আমরা মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত সমাজ গঠন করতে চাই। কিন্তু আওয়ামী লীগ দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করতে বিভিন্ন অপতৎপরতা চালাচ্ছে। তাদের কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে ছাড় দেওয়া হবে না। যেকোনো অপতৎপরতা মোকাবেলায় বিএনপি রাজপথে সক্রিয় থাকবে।’

তিনি আরো বলেন, মাদকের বিস্তার রোধে শুধু আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, এর বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনও গড়ে তুলতে হবে।

বক্তব্যে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, তাঁর নেতৃত্ব ও উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি করেছে। তবে একটি মহল নানা ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সমাবেশে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এ কে এম শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন কোতোয়ালি বিএনপির আহ্বায়ক হেলাল আহমেদ।

এ সময় বিএনপি নেতা কাজী রানা, শাহ শিব্বির আহম্মেদ ভুলু, এম এ হান্নান খান, এনামুল হক আকন্দ লিটন, কায়কোবাদ মামুন, সৈয়দ শরীফ, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোজাম্মেল হক টুটুসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংসদে এমপি কামরুজ্জামান

সুনামগঞ্জে পাহাড়ি ঢলে ৩০০ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জে পাহাড়ি ঢলে ৩০০ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত
সুনামগঞ্জে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সীমান্ত এলাকার রাস্তাঘাট, হাটবাজার, ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে।

সুনামগঞ্জে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নদ নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে সীমান্ত এলাকার রাস্তাঘাট, হাটবাজার, ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়ে ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। এসব এলাকায় ঢলের পানি দ্রুত নেমে যাবার পর ক্ষয়-ক্ষতি দৃশ্যমান হয়ে ওঠেছে। এ নিয়ে জাতীয় সংসদে সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি কামরুজ্জামান কামরুল জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছেন রবিবারের পাহাড়ি ঢলে তার এলাকার ২০০-৩০০ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বরাত দিয়ে জানায় ভারতের মেঘালয়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এ কারণে সুনামগঞ্জের সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন পাহাড়ি ছড়া ও নালা দিয়ে প্রবল বেগে পানি নামছে। যে কারণে সীমান্ত এলাকায় তাৎক্ষণিক পানি বৃদ্ধি পেয়ে অবকাঠামোর ক্ষয়-ক্ষতি হচ্ছে। উজানের পাশাপাশি ভাটিতেও বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

সূত্র জানায় সুনামগঞ্জের লাউড়েড়গড় সীমান্তে ৮৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এছাড়াও সুনামগঞ্জের উপরে মেঘালয় সীমান্তের মাউসিনরামে ৫২৬ মিলিমিটার, মাউকিয়াতে ৩৮৫ মিলিমিটার ও চেরাপুঞ্জিতে ৩৩২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এই তিনটি এলাকার বৃষ্টিপাতের পানি সরসারি সুনামগঞ্জের বিভিন্ন পাহাড়ি নদ নদী দিয়ে সুনামগঞ্জে নামছে। এসময় প্রবল পাহাড়ি স্রােতের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও আগামী ৪৮ ঘন্টা ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে পাউবো।

পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বড়ছড়া, চারাগাও, চানপুর সীমান্ত এলাকায় প্রবল বেগে ঢল নেমেছে। ঢলের কারণে তাহিরপুর সুনামগঞ্জ সড়কের আনোয়ারপুর ডুবন্ত সড়কের কিছু অংশ ডুবে যাতায়াত বিঘ্নিত হচ্ছে।

পাউবো জানায় পাহাড়ি ঢল ও বর্ষণে দ্রুত পানি বাড়ছে। তবে বিকেল ৬টায় সুনামগঞ্জ পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, ‘ভারতের চেরাপুঞ্জিসহ মেঘালয়ের বিভিন্ন এলাকায় ভারী বর্ষণ হয়েছে। যে কারণে সুনামগঞ্জের সকল নদ নদীর পানি বেড়েছে। পাহাড়ি ঢলের পানি সরাসরি সীমান্তের বিভিন্ন খাল ও নদী দিয়ে ভ্রাটিতে নামছে। পাহাড়ি ঢল ও বর্ষণ অব্যাহত থাকবে।’

এদিকে রবিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি কামরুজ্জামান কামরুল তার বক্তব্যে বলেছেন তার নির্বাচনী এলাকা সুনামগঞ্জ-১ আসনের সীমান্তে পাহাড়ি ঢলে রাস্তাঘাট অবকাঠামোসহ অন্তত ২-৩শ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্পিকারের মাধ্যমে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

মাগুরায় ঝড়ে গাছের ডাল ভেঙে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত | কালের কণ্ঠ