গাড়ি বিক্রির নামে এক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় মির্জা আবুল বাসারকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
রবিবার (২১ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এদিন বাসারকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফীন ইসলাম ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে শনিবার রাজধানীর গুলশান-১ এলাকা থেকে বাসারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ব্যবসায়ী মো. আজিজুল ইসলাম গাড়ির গ্যারেজ ও পুরোনো গাড়ি ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ব্যাবসায়িক সম্পর্কের সূত্র ধরে মির্জা আবুল বাসার তার কাছে একটি পুরোনো গাড়ি বিক্রির প্রস্তাব দেন। ২০২৫ সালের ৬ জুন গাড়ির অগ্রিম মূল্য হিসেবে আজিজুল ইসলামের কাছ থেকে নগদ এক কোটি টাকা নেন বাসার। এ সময় টাকার লেনদেনের ভিডিওচিত্রও সংরক্ষণ করা হয়।
অভিযোগে আরো বলা হয়, টাকা গ্রহণের পরও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গাড়ি বুঝিয়ে দেননি বাসার। পরে একাধিকবার তাগাদা দেওয়া হলেও তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন। একপর্যায়ে গাড়ি দিতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেন। এরপর টাকা ফেরত চাইলে তিনি টালবাহানা শুরু করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, পরে ৬ নভেম্বর একটি স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দিয়ে এক মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন বাসার। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা ফেরত না দিয়ে তিনি অভিযোগকারীকে প্রাণনাশের হুমকিও দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর আদালতে মামলা করার আবেদন করেন আজিজুল ইসলাম। শুনানি শেষে আদালত গুলশান থানাকে অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। পরে ২৩ ডিসেম্বর মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত করা হয়।





