• ই-পেপার

শামীম ওসমানের সহযোগী মাসুম বিমানবন্দরে আটক

পাজেরোতে বিদেশি মদের চালান, আটক ১

বাঞ্ছারামপুর ( ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
পাজেরোতে বিদেশি মদের চালান, আটক ১
ছবি: কালের কণ্ঠ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে অভিযান চালিয়ে ১৩৬ বোতল বিদেশি মদ জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় একটি পাজেরো গাড়িসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ছলিমাবাদ ব্রিজের গোড়ায় অভিযান চালায় বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা পুলিশ।

আটক ব্যক্তি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার মাঝিরগাঁও এলাকার রাসেল হোসেন (৩৮)। তিনি মাইনুদ্দিন দুলালের ছেলে। আটক হওয়ার পর নিজেকে গাড়ির চালক বলে পরিচয় দেন।

পুলিশ জানায়, জব্দ করা মদের মধ্যে স্পেন ও ফ্রান্সের তৈরি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দামি বিদেশি মদ রয়েছে। এসব মদের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় অর্ধকোটি টাকা।

মদগুলো কয়েকটি কার্টনে করে একটি কোটি টাকা মূল্যের পাজেরো গাড়িতে বহন করা হচ্ছিল। গাড়িটিও জব্দ করা হয়েছে।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াসিন বলেন, "নিকট অতীতে এত বড় বিদেশি মদের চালান আমরা আটক করতে পারিনি। এ ঘটনায় জড়িত মূল হোতাদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।"

থানা জানায়, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার রাসেল হোসেনকে আদালতে পাঠানো হবে।

কাজ শেষ না করেই ২৮ কোটি টাকার বিল তুলে উধাও ঠিকাদার

মাদারীপুর প্রতিনিধি
কাজ শেষ না করেই ২৮ কোটি টাকার বিল তুলে উধাও ঠিকাদার
সংগৃহীত ছবি

দেশে দক্ষ নার্সের সংকট দূর করে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যেই মাদারীপুরে একটি আধুনিক নার্সিং কলেজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রকল্পের ৮৮ শতাংশ কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে কাজ শেষ না করেই ২৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা বিল তুলে নেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

এরপর অসমাপ্ত অবস্থায় নির্মাণকাজ ফেলে রেখে সরে যায় তারা। ফলে প্রায় দুই বছর ধরে বন্ধ রয়েছে কলেজটির নির্মাণকাজ। যে ক্যাম্পাসে ভবিষ্যতের নার্সদের পদচারণায় মুখরিত হওয়ার কথা থাকলেও নির্মাণাধীন এই ভবনটি এখন মাদকসেবীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পুরো ক্যাম্পাস ঘাস আর লতাপাতায় ছেয়ে গেছে। ভেতরে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে মাদক গ্রহণের বিভিন্ন সরঞ্জাম। চারদিকে ছড়িয়ে আছে মাদকের দুর্গন্ধ। নিরাপত্তাকর্মী বা কোনো কর্মকর্তা না থাকায় ভবনটি মাদকসেবীদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে, বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলে। শুধু তাই নয়, দীর্ঘদিন অরক্ষিত থাকায় ভবনের বিভিন্ন কক্ষ থেকে বৈদ্যুতিক সরঞ্জামসহ মূল্যবান নির্মাণ সামগ্রী চুরির। নির্জন পরিবেশের সুযোগ নিয়ে ভবনটিতে তরুণ-তরুণীদের আনাগোনা ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলে।

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শিবচর উপজেলার বড় বাহাদুরপুর ও বড়দোয়ালী মৌজায় ২০২১ সালের ১০ মার্চ ৩৩ কোটি ২৫ লাখ ৪৬ হাজার ব্যয়ে মাদারীপুর নার্সিং কলেজের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২০ জুন কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। রাজধানীর মিরপুরের পূর্ব শেওড়াপাড়া ভিত্তিক মেসার্স এমএনএইচসিএল ও এইচএমএইচই নামের দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে প্রকল্পটির নির্মাণ কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায়। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর কাজ অসমাপ্ত রেখেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পালিয়ে যান। এরই মধ্যে কাজের অগ্রগতি ৮৮ ভাগ দেখিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে এরই মধ্যে ২৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা বিল দেওয়া হয়েছে। কাজ শেষ করতে বিলম্ব হওয়ায় কর্তৃপক্ষ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দুটির কার্যক্রম বাতিল করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. আলমগীর হাসান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে ভবনটির নির্মাণ কাজ কার্যত বন্ধ হয়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরে কেউ কাজ করতে আসে না, বাকি কাজও শেষ হয়নি। অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকায় এটি এখন এলাকার বখাটেদের মাদক সেবনের আস্তানায় পরিণত হয়েছে।’

আরেক বাসিন্দা জানান, এখানে দিনে নির্জন, রাতে ভয়ংকর। সন্ধ্যার পর সাধারণ মানুষ এই এলাকায় আসতে সাহস পায় না। নিরাপত্তা না থাকায় ভবনটি অসামাজিক কর্মকাণ্ডের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। তাই বর্তমান সরকারের কাছে অনুরোধ জানাই, দ্রুত অবশিষ্ট নির্মাণকাজ শেষ করে নার্সিং কলেজটি চালু করা হোক।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) শিবচর উপজেলা শাখার সভাপতি আবুল খায়ের খান বলেন, ‘দেশে দক্ষ নার্সের চাহিদা বাড়ছে। তাই দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করে নার্সিং কলেজটি চালু করা হলে দক্ষ নার্স তৈরি হবে, স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষ সরাসরি এর সুফল পাবেন।’

মাদারীপুর স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব বলেন, ‘বাকি নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করে আগের দরপত্র বাতিল করা হয়েছে। নতুন করে দরপত্র আহ্বান করে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করা হবে।’

এমসি কলেজ ছাত্রবাসে দলবদ্ধ ধষর্ণ

একজনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
একজনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের বহুল আলোচিত ঘটনার মামলায় একজনের আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও তিন জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে মামলার অপর চার আসামিকে খালাস দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে, মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে। একইসঙ্গে শাহ মাহবুবুর রহমান (রনি), তারেকুল ইসলাম (তারেক) ও অর্জুন লস্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়ায় আইনুদ্দিন (আইনুল), মিসবাউল ইসলাম (রাজন), রবিউল এবং মাহফুজুর রহমানকে অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় চার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিসহ আট আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন বলেন, ‘মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন।’

এর আগে রায়কে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি আদালতে প্রবেশে তল্লাশি জোরদার করা হয়।

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে (২০) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভোক্তভোগী নারীর স্বামী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। ঘটনার পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও তিন দিনের মধ্যে ছয় আসামি ও সন্দেহভাজন দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার তদন্তে ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে ধর্ষণের আলামতের মিল পাওয়া যায়।

পরবর্তীতে ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা ও মহানগর পুলিশের শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য। আসামিরা হলেন– সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান (রনি), তারেকুল ইসলাম ( তারেক), অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন (আইনুল), মিসবাউল ইসলাম (রাজন), রবিউল ও মাহফুজুর। তারা সবাই নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

গত বছর মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর নির্যাতিত তরুণী, তার স্বামী, তদন্ত কর্মকর্তা, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও এমসি কলেজের এক অধ্যাপকসহ ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত মঙ্গলবার রায় ঘোষণা করেন।

এই রায়ের মাধ্যমে প্রায় পাঁচ বছর নয় মাস ধরে চলা দেশের অন্যতম আলোচিত এ মামলার বিচারিক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি হলো।
 

রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ

ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৩ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান
রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ
সংগৃহীত ছবি

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পরিচয়ে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে ভুয়া নাগরিক সনদ ও রোহিঙ্গা নন’ মর্মে প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার ১ নম্বর আলীকদম সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাছির উদ্দিনসহ তিন ইউপি সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার।

একই সঙ্গে অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ জারি করে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ গত ১২ জুলাই জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ দেয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম-২০২৫ উপলক্ষে রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির উদ্দেশ্যে ভুয়া নাগরিক সনদ ও ‘রোহিঙ্গা নন’ মর্মে প্রত্যয়নপত্র প্রদান, জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া ও অসম্পূর্ণ তথ্যসংবলিত প্রত্যয়নপত্র ইস্যু করে ভোটার তালিকাভুক্তিতে সহায়তা, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের প্রশাসনিক প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া জনপ্রতিনিধিরা হলেন— আলীকদম সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাছির উদ্দিন, ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সন্তোষ কান্তি দাশ, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাকের হোসেন এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল মতিন।

প্রজ্ঞাপনে আরো উল্লেখ করা হয়, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দায়িত্বে বহাল থাকা প্রশাসনিকভাবে সমীচীন নয়। জনস্বার্থ বিবেচনায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ৩৪(৪)(খ), ৩৪(৪)(ঘ) এবং ৩৪(১) ধারা অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই আইনের আওতায় সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যদের বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। পাশাপাশি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আলীকদম সদর ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনজুর আলম বলেন, ‘এটি সাময়িক বরখাস্ত, চূড়ান্ত বরখাস্ত নয়। অভিযুক্তদের শোকজের জবাব দেওয়ার জন্য ১০ কার্যদিবস সময় দেওয়া হয়েছে।’

জেলা প্রশাসকের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি যে নির্দেশনা দেবেন, সে অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া বিধি অনুযায়ী চলবে। শোকজের জবাব, তদন্তের অগ্রগতি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির মতো স্পর্শকাতর অভিযোগে জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে সরকারের এ পদক্ষেপকে ঘিরে আলীকদমজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

তাদের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা ও ভোটার তালিকার বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।

শামীম ওসমানের সহযোগী মাসুম বিমানবন্দরে আটক | কালের কণ্ঠ