• ই-পেপার

ময়মনসিংহের স্থানীয় ১৩ পত্রিকার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ

বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, গাছ বেড়ে ওঠা পর্যন্ত যত্ন নিতে হবে : ভূমিমন্ত্রী

বাসস
বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, গাছ বেড়ে ওঠা পর্যন্ত যত্ন নিতে হবে : ভূমিমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, গাছ বেড়ে ওঠা পর্যন্ত যত্ন হবে। গাছ রোপণ করার চেয়ে রক্ষা করাই কঠিন।

শনিবার ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যে রাজশাহী বিভাগীয় বৃক্ষমেলা উদ্বোধনের সময় তিনি এসব কথা বলেন। বেলা ১১টায় নগরীর নজরুল ভিলেজে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার হারানো সবুজায়ন ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করছে। আশা করছি, সেটা সম্ভব হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পবিত্র ভূমিতে বৃক্ষরোপণ করে মুসলিম উম্মাহর মনে প্রাণে রয়েছেন। আমাদের প্রয়াত গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়া ব্যাপক সবুজায়নেও বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। সে সময় রাজশাহী জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কৃত হয়েছিল।’

তিনি আরো বলেন, আমাদের গ্রিন সিটি আরো সবুজ হবে। সবাইকে অন্তত একটি করে গাছ লাগাতে হবে। এ জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। নগরের খালি জায়গাসহ সব জায়গায় গাছ লাগাতে হবে। গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই।

মিজানুর রহমান মিনু বলেন, আমি খুবই আনন্দবোধ করছি, আমি এই রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র থাকাকালীন ব্যাপক বৃক্ষরোপণ করেছি। একসময় রাজশাহী আরো সবুজ ছিল। এখন আবার বৃক্ষরোপণ করে রাজশাহীকে সবুজ সিটি হিসেবে পরিণত করা হবে।

নগরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা বৃক্ষরোপণ করুন। যত সহযোগিতা লাগে, তা করা হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাইদ, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, রাজশাহীর অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার নাইমুল হাছান ও রাজশাহী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। ১৫ দিনব্যাপী রাজশাহী বিভাগীয় বৃক্ষমেলায় এবার ৫২টি স্টল অংশ নিয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এর আগে একটি র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেলার গেটে এসে শেষ হয়।

পরশুরাম সীমান্তে ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিজিবির বাধায় ব্যর্থ

ফেনী প্রতিনিধি
পরশুরাম সীমান্তে ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিজিবির বাধায় ব্যর্থ

ফেনীর পরশুরাম সীমান্ত দিয়ে ৭ জনকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবির তাৎক্ষণিক টহল দলের তৎপরতায় ওই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে বিজিবি জানিয়েছে। 

শনিবার (২৫ জুলাই) ভোর আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি)-এর শ্রীপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার ২১৪৫-এর নিকটবর্তী দুর্গাপুর সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, ভারতের ৪৩ রাজনগর বিএসএফ ক্যাম্পের একটি টহলদল ৭ জন ব্যক্তিকে (যাদের মধ্যে ৬ জন নারী ও ১ জন ছেলে শিশু রয়েছে) বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। বিষয়টি টহলরত বিজিবি সদস্যদের নজরে এলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দেয়।

আব্দুর রহমান নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সীমান্ত এলাকার কয়েকজনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর জন্য জড়ো হওয়ার খবরে তৎক্ষণিকভাবে বিজিবিকে জানানো হলে বিজিবি দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে তা প্রতিহত করেছেন।  এক পর্যায়ে তারা আবার ভারতের অভ্যন্তরে ঢুকে যায়। 

ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি)-এর বর্তমান অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনী জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করলে বিজিবি সদস্যরা তা প্রতিহত করেন। 

অধিনায়ক আরো বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশইন কিংবা সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের চেষ্টা প্রতিহত করতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও প্রয়োজনীয় প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
 

গুজবরোধে নৈতিক শিক্ষা জরুরি : প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য

যশোর অফিস
গুজবরোধে নৈতিক শিক্ষা জরুরি : প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য
সংগৃহীত ছবি

গুজবরোধে নৈতিক শিক্ষার প্রসার জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। নৈতিক মূল্যবোধের অভাব থেকেই এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হয়। এসব অপপ্রচার প্রতিরোধে নৈতিক শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে। 

শনিবার সকালে যশোর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কালেক্টরেট সভাকক্ষ ‘অমিত্রাক্ষর’-এ অনুষ্ঠিত ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধ’ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমাজে নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটেছে। আগে অনেক বাবা-মা কম শিক্ষিত হলেও সমাজে নৈতিক শিক্ষার চর্চা ছিল। বর্তমানে মানুষ নানা ক্ষেত্রে এগিয়ে গেলেও নৈতিক শিক্ষার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সেই মূল্যবোধের জায়গা আবার ফিরিয়ে আনতে হবে।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নয়, নৈতিক শিক্ষায়ও গড়ে তুলতে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন স্তরে দায়িত্বশীল অবস্থানে থাকা ব্যক্তিদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু এবং সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন। 

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন এনএসআইয়ের যুগ্ম পরিচালক আবু তাহের মো. পারভেজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) খান মাসুম বিল্লাহ, পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সাব-ইন্সপেক্টর অলক কুমার দে, ইমাম পরিষদের সভাপতি মাওলানা আব্দু মান্নান, পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপংকর দাস রতন এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র সাইদ সান।

৫১ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
৫১ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৫১ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত বিজিবি-৬০ ব্যাটালিয়নের অভিযানে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।

জব্দ করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে–বাসমতি চাল, ফুসকা,  চকলেট, গরু, পটকা, শাড়ি, তেল, ইমামী সেভেন অয়েল, ভ্যাসমল, স্কিন সাইন ক্রিম ও মোটর সাইকেল। এসব পণ্য সংশ্লিষ্ট কাস্টমসে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার মাদলা ও খাদলা এবং কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া ও বুড়িচং উপজেলার সালদানদী, শশীদল ও খাড়েরা এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে পাচার হয়ে আসার সময় ৫১ লাখ ২৭ হাজার ৪০০ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়েছে।

ময়মনসিংহের স্থানীয় ১৩ পত্রিকার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ | কালের কণ্ঠ