• ই-পেপার

বিজয়নগরে মধ্যরাতে ভারতীয় পণ্য জব্দ করল বিজিবি

ঠাকুরগাঁওয়ে পাট কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল বাবা-ছেলের

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
ঠাকুরগাঁওয়ে পাট কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল বাবা-ছেলের
সংগৃহীত ছবি

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নে পাট কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে বাবা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের মোহাব্বতপুর গণেশপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন- আনোয়ার প্রভু (৫৫) ও তার ছেলে নিমাই (২৩)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কবিন্দ্র।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে বাড়ির পাশের পাটখেতে আনোয়ার প্রভু ও তার ছেলে নিমাই পাট কাটতে যান। দুপুরের দিকে হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে বাবা-ছেলে দুজনই গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

ঠাকুরগাঁও সদর থানা ওসি শাহজাহান আলী বলেন, ‘বাবা ছেলে মৃত্যু হয়েছে এটা আমরা জানতে পেরেছি ইতিমধ্যেই সেখানে পুলিশ গিয়েছে।’

পঞ্চগড়

মহারাজার দিঘি থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার, হাতে মিলল চিরকুট

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
মহারাজার দিঘি থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার, হাতে মিলল চিরকুট
সংগৃহীত ছবি

পঞ্চগড় সদর উপজেলার ঐতিহাসিক মহারাজার দিঘি থেকে মানিক হোসেন (১৬) নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তে প্রেরণ করে।

নিহত পঞ্চগড় সদর উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নের মালাদাম এলাকার রইস উদ্দিনের ছেলে। তার হাতে একটি চিরকুট মিলেছে। সেখানে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে মহারাজার দিঘিতে ওই কিশোরের মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। শার্ট ও জিন্স প্যান্ট পরা ওই মরদেহের ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মানিকের পরিবারের লোকজন মরদেহটি শনাক্ত করেন। এদিকে পুলিশের পাশাপাশি সিআইডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে তদন্ত শুরু করেন।

পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘ওই তরুণের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

রৌমারীতে সেতু আছে, নেই সংযোগ সড়ক

রাজিবপুর-রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
রৌমারীতে সেতু আছে, নেই সংযোগ সড়ক
ছবি: কালের কণ্ঠ

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের কাশিয়াবাড়ি গ্রাম সংলগ্ন খালের ওপর প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতুতে ওঠার সংযোগ সড়ক না থাকায় স্থানীয়দের কোনো কাজে আসছে না। বৃষ্টিতে সেতুর দুই পাশ কাদায় পরিণত হওয়ায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন পথচারীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ৯৬ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণ করে। লটারির মাধ্যমে কাজ পায় জামালপুরের এমইএম এন্টারপ্রাইজ। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মো. সামসুদ্দিন দিলিপ। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় প্রায় ১১ কোটি টাকা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুর মূল নির্মাণকাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়কে প্রয়োজনীয় মাটি ভরাট করা হয়নি। একই সঙ্গে সেতুর দুই প্রান্তে রিটার্নিং ওয়াল নির্মাণ না করেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শেষ দেখিয়ে চলে যায়। এতে বৃষ্টিতে সংযোগ সড়ক ভেঙে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. এমদাদ হোসেন বলেন, ‘সেতুর কাজ শেষ হলেও সড়কের কাজ বাকি রয়েছে। বৃষ্টির পানিতে সড়ক ভেঙে যাওয়ায় কোনো যানবাহন চলতে পারছে না। পথচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। দ্রুত মাটি ভরাটের কাজ শেষ করলে সমস্যার সমাধান হবে।’

আরেক বাসিন্দা রাশিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রায় ১১ কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু আমরা যদি সেটি ব্যবহারই করতে না পারি, তাহলে এত টাকা খরচ করে লাভ কী? গত সপ্তাহে এক বৃদ্ধ গর্তে পড়ে পা ও কোমরে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।’

রৌমারী উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘জমির মালিকদের সঙ্গে জটিলতার কারণে সেতুর দুই পাশে রিটার্নিং ওয়ালের কাজ করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘সমস্যার বিষয়টি জেনেছি। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

পঞ্চগড়ে বজ্রাঘাতে ২ কৃষকের মৃত্যু

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
পঞ্চগড়ে বজ্রাঘাতে ২ কৃষকের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে জমিতে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে পৃথক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। 

মৃতরা হলেন, মামুন ইসলাম (৩০) ও আকাব্বর খান (৫০)। মামুনের বাড়ি উপজেলার সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়নের মালচন্ডী এলাকায় এবং আকাব্বর খানের বাড়ি দন্ডপাল ইউনিয়নের শিমুলতলী এলাকায়।

স্থানীয়রা জানায়, দুপুরে পাট কাটার কাজ করার সময় ভারি বর্ষণের সঙ্গে বজ্রপাত হলে মামুন আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আর বাড়ির পাশে জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই আকাব্বর খান মারা যান।

দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুসা মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি অপমৃত্যু মামলা হবে।

বিজয়নগরে মধ্যরাতে ভারতীয় পণ্য জব্দ করল বিজিবি | কালের কণ্ঠ