• ই-পেপার

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন

একমাত্র উপার্জনক্ষম ছেলেকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ বাবা-মা

আশুলিয়ায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা আটক

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
আশুলিয়ায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা আটক
ছবি : কালের কণ্ঠ

সাভারের আশুলিয়ায় নিজ মেয়েকে দীর্ঘ পাঁচ মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগে সুলতান (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মেয়ে তার বাবার কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে আশুলিয়ার দক্ষিণ গাজিরচট দুদু মার্কেট সংলগ্ন এলাকার মাসুদের ভাড়া বাসা থেকে সুলতানকে আটক করা হয়।

আটক সুলতান বরিশাল জেলার মুলাদি থানার বাটামারা গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। বর্তমানে তিনি আশুলিয়ার দক্ষিণ গাজিরচট দুদু মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

ভুক্তভোগী মেয়ের অভিযোগ, তার মা প্রতিবন্ধী হওয়ায় পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসবাস করতেন। মায়ের অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে তার বাবা গত প্রায় পাঁচ মাস ধরে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে আসছিলেন। ধর্ষণে বাধা দিলে মেয়েকে মারধর করত এবং কাউকে কিছু না বলার জন্য বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি ও হুমকি দিত।

ভুক্তভোগী আরো বলেন, সোমবারও আমার বাবা আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। তখন আমি কৌশলে বাসা থেকে বের হয়ে আমার কর্মস্থলে চলে যাই। সেখানে সহকর্মীদের পুরো ঘটনা খুলে বলি। পরে তারা আমাকে সহযোগিতা করে এবং আমার বাবাকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।

ভুক্তভোগী মেয়েটি তার বাবার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে বলেন, ‘আমি আমার বাবার এই ঘৃণ্য ও ন্যক্কারজনক কাজের জন্য আইনের কাছে সর্বোচ্চ শাস্তি চাই, যেন আর কোনো মেয়েকে নিজের ঘরে এমন নির্যাতনের শিকার হতে না হয়।’

স্থানীয় সূত্র জানায়, সুলতান তার মেয়েকে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করাতেন। এ ছাড়া তার প্রতিবন্ধী স্ত্রীকে দিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করানোর অভিযোগও রয়েছে। মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশের খবর দেয়। পরে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে আসে।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সুলতান নামে এক ব্যক্তিকে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ ও ঘটনাসংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই-বাছাই করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’

রংপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের র‌্যালি, রং ছিটিয়ে বিশ্বকাপ উল্লাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
রংপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের র‌্যালি, রং ছিটিয়ে বিশ্বকাপ উল্লাস
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে সারা দেশের মতো রংপুরেও শুরু হয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা। প্রিয় দলকে সমর্থন জানাতে এবং বিশ্বকাপের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে রংপুরে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের সমর্থকেরা আয়োজন করেছেন এক বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালি। আর্জেন্টিনার পতাকা, জার্সি, বাঁশির শব্দ এবং রং ছিটিয়ে উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে নগরীর বিভিন্ন সড়ক।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে নগরীর টাউন হল চত্বর থেকে আর্জেন্টিনা ফ্যানস ক্লাব রংপুরের উদ্যোগে এই বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। 

র‌্যালি টাউন হল চত্বর থেকে শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। এতে অংশ নেন বিভিন্ন বয়সী ফুটবলপ্রেমী, কিশোর-তরুণ থেকে শুরু করে মধ্যবয়সীরাও। অনেকেই আর্জেন্টিনা দলের নীল-সাদা জার্সি পরে এবং জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে বাঁশি বাজিয়ে এবং রং ছিটিয়ে সমর্থকেরা উচ্ছ্বাস তুলে ধরেন। পরে সেখানে বড় পর্দায় আর্জেন্টিনা দলের বিভিন্ন স্মরণীয় ম্যাচের ভিডিও ক্লিপ প্রদর্শন করা হয়। এতে উপস্থিত সমর্থকেরা দলটির অতীত সাফল্য স্মরণ করেন এবং বিশ্বকাপে দলের জন্য শুভকামনা জানান।

wwww

আর্জেন্টিনা ফ্যানস ক্লাব রংপুরের অন্যতম সংগঠক ময়নুল হক বলেন, ‘ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই আর্জেন্টিনাকে ঘিরে আলাদা এক আবেগ কাজ করে। বিশ্বের অন্যতম গোছানো ও শৈল্পিক ফুটবল খেলা দল আর্জেন্টিনা। আমরা নানা আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের প্রিয় দলকে উৎসাহ দিতে চাই। একই সঙ্গে রংপুরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের শক্তিশালী অবস্থানও তুলে ধরতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান আর্জেন্টিনা দলে অনেক বিশ্বমানের খেলোয়াড় রয়েছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে দলটি ধারাবাহিকভাবে ভালো করছে। বিশেষ করে লিওনেল মেসির নেতৃত্ব ও অনুপ্রেরণায় দলটির প্রতি আমাদের প্রত্যাশা অনেক বেশি। আমরা বিশ্বাস করি, এবারও আর্জেন্টিনা শিরোপা জয়ের অন্যতম দাবিদার।’

আর্জেন্টিনা সমর্থক এম এম কাদের বলেন, ‘আজকের আয়োজনের জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছি। প্রিয় দলের সমর্থনে বন্ধুদের নিয়ে র‍্যালিতে অংশ নিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। বিশ্বকাপের আনন্দ সবাই মিলে ভাগাভাগি করাই আমাদের উদ্দেশ্য।’

আর্জেন্টিনা সমর্থক রিয়াজুজ্জামান হৃদয় বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক। বিশ্বকাপ এলেই আমরা দলকে সমর্থন জানাতে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিই। এমন আয়োজন আমাদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে পেরে খুব ভালো লাগছে।’

সমর্থক জায়নাল আবেদীন বলেন, ‘আমি আর্জেন্টিনা দলের খেলা দেখতে পছন্দ করি। তাদের ফুটবলের ধরন আমার ভালো লাগে। তাই মন থেকে দলটিকে সমর্থন করি। র‍্যালিতে অংশ নিয়ে অনেক আনন্দ পেয়েছি।’

আর্জেন্টিনা ফ্যানস ক্লাব রংপুরের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হওয়ায় সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। আমাদের প্রিয় দল আর্জেন্টিনা এবারও বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, দলটি ভালো খেলবে এবং শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে শক্ত অবস্থানে থাকবে। দেশের বিভিন্ন স্থানে সমর্থকদের র‌্যালি ও শোভাযাত্রার অংশ হিসেবেই রংপুরে এ আয়োজন করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, এটি মানুষের আবেগ ও ভালোবাসার জায়গা। আমরা চাই খেলাকে কেন্দ্র করে সবাই আনন্দ করবে এবং সুস্থ বিনোদনের পরিবেশ বজায় থাকবে।’

আর্জেন্টিনা ফ্যানস ক্লাব রংপুরের সভাপতি এবং মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহির আলম নয়ন বলেন, ‘আমাদের প্রিয় দেশ বাংলাদেশ। আমরা কোনো দেশের রাজনীতি বা অন্য কিছু নয়, শুধুমাত্র একটি ফুটবল দলকে সমর্থন করি। সেই ভালোবাসা থেকেই আজকের এই বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আনন্দ-উল্লাসের আয়োজন।’

eqqee

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আর্জেন্টিনা এবং লিওনেল মেসির ভক্ত হলেও অন্য কোনো দলের প্রতি আমাদের কোনো বিদ্বেষ নেই। আমরা চাই সবাই মিলে বিশ্বকাপ উপভোগ করুক। ফুটবল অনিশ্চয়তার খেলা, তবে আমাদের বিশ্বাস আর্জেন্টিনা এবারও শিরোপা জয়ের অন্যতম দাবিদার হবে।’

র‌্যালি ঘিরে নগরীতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পথচারী ও সাধারণ মানুষও কিছু সময়ের জন্য দাঁড়িয়ে আনন্দ উপভোগ করেন। বিশ্বকাপকে ঘিরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের এই বর্ণাঢ্য আয়োজন ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। সমর্থকদের প্রত্যাশা, মাঠের খেলায়ও তাদের প্রিয় দল সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করবে।

মাগুরায় ভাতিজার হাতে চাচা খুন

মাগুরা প্রতিনিধি
মাগুরায় ভাতিজার হাতে চাচা খুন
প্রতীকী ছবি

মাগুরায় ভাতিজার ছোড়া ইটের আঘাতে আরব আলী (৭০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের কোদালিয়া শ্রীরামপুর গ্রামের উত্তরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত আরব আলী ওই এলাকার মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, পারিবারিক বিষয় নিয়ে চাচা ও ভাতিজার মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সেটি সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় উভয় পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে একটি ইট এসে বৃদ্ধ আরব আলীর মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রিন্স মজুমদার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মাগুরা সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলাম। আরব আলী নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

ওসি বলেন, লাশ মাগুরা সদর হাসপাতালের অস্থায়ী মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

রৌমারী সীমান্তে ৯ বাংলাদেশি, ৩৮ ঘণ্টায়ও কাটেনি অনিশ্চয়তা

রাজিবপুর-রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
রৌমারী সীমান্তে ৯ বাংলাদেশি, ৩৮ ঘণ্টায়ও কাটেনি অনিশ্চয়তা
ছবি : কালের কণ্ঠ

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দুটি সীমান্ত দিয়ে পুশ ইন করা ৯ বাংলাদেশি ৩৮ ঘণ্টা ধরে নোম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। নারী ও শিশুসহ এসব মানুষ ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন। এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও বিজিবি-বিএসএফের একাধিক পতাকা বৈঠকেও এখনো কোনো সমাধান হয়নি।

জানা গেছে, গত ১৪ জুন ভোর ৫টার দিকে রৌমারীর গয়টাপাড়া ও মানকারচর সীমান্ত এলাকা দিয়ে দুই দলে মোট ৯ জন বাংলাদেশিকে সীমান্তে এনে রেখে যায় বিএসএফ। এর মধ্যে গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে ৬ জন এবং মানকারচর সীমান্ত দিয়ে ৩ জনকে পুশইন করা হয়।

পুশ ইনের পর নোম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থানরত এসব মানুষকে দেখতে পেয়ে বিজিবি সদস্যরা সেখানে অবস্থান নেন। পরে স্থানীয় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সীমান্তে সতর্কতা জোরদার করা হয়।

গয়টাপাড়া সীমান্তে থাকা ৬ জনের সঙ্গে কথা বলে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার বংশেরকুল গ্রামের আবদুর রউফের ছেলে বিল্লাল হোসেন, একই গ্রামের লিটন মিয়ার ছেলে ছাব্বির হোসেন, মৃত শামসুল হকের ছেলে হিমেল, বিল্লাল হোসেনের স্ত্রী সুমি আক্তার এবং তাদের দুই শিশু কন্যা ফাতেমা ও ফাহিমা রয়েছে।

অন্যদিকে মানকারচর সীমান্তে থাকা তিনজন হলেন—সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার জহিরুল ইসলাম (২৬), নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার পারভেজ (২১) এবং হালুয়াঘাট উপজেলার নাইম (২২)।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে নোম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করায় তারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিয়ে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে কোনো আশ্রয় না থাকায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন তারা।

এ বিষয়ে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানায়, বিষয়টি নিয়ে বিএসএফের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। কয়েক দফা পতাকা বৈঠক হলেও এখন পর্যন্ত তাদের ফিরিয়ে নেওয়া কিংবা অন্য কোনো সমাধান হয়নি।

সীমান্তে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

একমাত্র উপার্জনক্ষম ছেলেকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ বাবা-মা | কালের কণ্ঠ