• ই-পেপার

দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে ভাই-বোনের মৃত্যু, অক্ষত তিন দিনের শিশু

নেত্রকোনায় জাবি শিক্ষার্থীকে হেনস্তা, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

নেত্রকোনা প্রতিনিধি
নেত্রকোনায় জাবি শিক্ষার্থীকে হেনস্তা, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মো. শরীফ হোসেন।

নেত্রকোনার পূর্বধলায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে নির্যাতন, অর্থ আদায় এবং বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জেলায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) রাত ৮টার দিকে পূর্বধলা উপজেলার সিন্দুররাটিয়া শালদিঘা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। পরে দিবাগত রাত ১২টার পর ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে।

ভুক্তভোগী মো. শরীফ হোসেন (২০) নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার বাসিন্দা এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

শরীফ হোসেন জানান, ইজি বাইকে করে পূর্বধলা সদরের দিকে যাওয়ার সময় ত্রিমোহনী সেতু অতিক্রম করে শালদিঘা এলাকায় পৌঁছালে দুই যুবক তার পথরোধ করেন। পরে তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে মাদক কারবারির অভিযোগ তুলে জিজ্ঞাসাবাদের নামে হেনস্তা করা হয়। কিছুক্ষণ পর আরো একজন সেখানে যোগ দেন।

তার অভিযোগ, তিনজন মিলে তাকে মাদক ব্যবসায়ী ও ‘জুলাইযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন। একপর্যায়ে মুক্তিপণ হিসেবে ২০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে তার কাছে থাকা ৫০০ টাকা এবং বিকাশের মাধ্যমে সংগ্রহ করা ১০ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয়। পাশাপাশি তার ব্যবহৃত স্মার্টফোনও ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। অভিযোগ রয়েছে, নির্যাতনের একপর্যায়ে তাকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করা হয় এবং তাকে বলতে বাধ্য করা হয় আমি জুলাইয়ে ছাত্রদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ভুল করেছি, শেখ হাসিনাই ভালো ছিল, জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। পরে সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

শরীফ বলেন, ঘটনার সময় চারপাশ অন্ধকার থাকায় কাউকে শনাক্ত করতে পারিনি। কারো বিরুদ্ধে আমার ব্যক্তিগত কোনো সন্দেহও নেই। আমি কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নই। ঘটনার পর থেকে চরম মানসিক চাপ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিবস্ত্র অবস্থায় শরীফকে বিভিন্ন বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। এ সময় তাকে কান্নারত অবস্থায়ও দেখা যায়।

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। তারা জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি জানার পরপরই ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে পুলিশি নিরাপত্তার আওতায় নেওয়া হয়েছে। তার বক্তব্য শোনা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থল পূর্বধলা থানার আওতাধীন হওয়ায় সেখানে অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

কেরানীগঞ্জে ডিবির অভিযানে আওয়ামী লীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ১০

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা)  প্রতিনিধি
কেরানীগঞ্জে ডিবির অভিযানে আওয়ামী লীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ১০
সংগৃহীত ছবি

ঢাকার কেরানীগঞ্জে পৃথক অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য, ডাকাতির চেষ্টা ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও মিছিল করায় আওয়ামী লীগ নেতাসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে  ঢাকা জেলা  গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি দক্ষিণ)। 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা দক্ষিণ ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সফিকুল ইসলাম সুমন। 

তিনি জানান, গত বুধবার দুপুরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কদমতলী গোল চত্বর এলাকার এনসিসি ব্যাংকের সামনে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে শতাধিক মামলার আসামি হান্নান (৫৯) ও সাব্বির (৩৫) কে একটি সুইচ গিয়ার চাকুসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

অন্যদিকে একইদিন অভিযান চালিয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার চরাইল খেলার মাঠ এলাকা থেকে মাদকদ্রব্যসহ  মো. মাসুদকে (২৭) ১৮ পিস ও আসিফ হাওলাদারকে  (২২) ১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, অপর একটি অভিযানে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার বাঘাপুর এলাকা থেকে মো. শাহীনকে (২১) ২৫০ গ্রাম গাঁজা ও মো. আব্দুল আলীকে (৫০) ৩০ পিস ইয়াবা ও অপর আরোও একটি অভিযানে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া ঝিলমিল হাসপাতালের সামনে থেকে মো. নাসির হাওলাদারকে (৪৫) ১০০ পিস ও মো. কালাম খাঁকে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। 

তিনি আরো জানান, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ঝিলমিল আবাসন প্রকল্প এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল করায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় গত ১০ জুন দায়ের করা ৩৬ নং মামলায় সন্দেহ মুলকভাবে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা  ইউনিয়ন তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রিপন হোসেন (৪২) ও কেরানীগঞ্জ মডেল থানার কালিন্দী ইউনিয়ন যুবলীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মো. আব্দুর রহমান সুজনকে (৪৫) সন্ত্রাস বিরোধী আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের রিমান্ডের আবেদন করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

চেল্লাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

শেরপুর প্রতিনিধি
চেল্লাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে নালিতাবাড়ীতে চেল্লাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ১৭৪ সেন্টিমিয়ার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

এদিকে ভোগাই, মহারশি, সোমেশ্বরি নদীতে পাহাড়ি ঢলের প্লাবন বইছে। দুপুরের পর নালিতাবাড়ী-গাজীরখামার সড়কের গাগলাজানি এলাকায় এবং ঝিনাইগাতীর রাংটিয়া-সন্ধ্যাকুড়া সড়কের ওপর দিয়ে ঢলের পানিতে গড়িয়ে প্রাবহিত হতে দেখা যায়। আকস্মিক এ পাহাড়ি ঢলের স্রোতে মর্ধটিলা ইকোপার্কে বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়। অনেক বাড়িতে পানি প্রবেশ করায় সাধারণ মানুষ দুর্ভোগ পড়েছেন।
 
শেরপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৩টা পর্যন্ত গত ১২ ঘণ্টায় জেলার নালিতাবাড়ীতে সাড়ে ১৫ মিলিমিটার এবং সীমান্তবর্তী নাকুগাঁও পয়েন্টে সর্বোচ্চ ৩২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সেসময় চেল্লাখালি নদীর পানি নালিতাবাড়ীর বাতকুচি পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৭৪ সেন্টিমিয়ার ওপর দিয়ে ২৩ দশমিক ৬৮ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল। 

অন্যান্য পাহাড়ি নদীগুলোর মধ্যে ঝিনাইগাতীতে মহারশি নদী ২১ দশমিক ৩৮ মিটার উচ্চতায় এবং শ্রীবরদীতে সোমেশ্বরি নদী ২৩ দশমিক ৬০ মিটার উচ্চতায় এবং নাকুগাঁও পয়েন্টে ভোগাই নদী ১৮ দশমিক ৭৭ মিটার উচ্চতায়  প্রবাহিত হচ্ছিলো।

শেরপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারি প্রকৌশলী মোসা. জিয়াসমীন খাতুন বলেন, ভারি বর্ষণ এবং উজান থেকে আসা আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীগুলোতে পানি বেড়েছে। আশাকরছি বৃষ্টি কমে গেলে এবং উজানের ঢল না আসলে পানি কমে যাবে। আমরা মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষনিক পর্যবেক্ষণ করছি।

শূন্যরেখায় ২৪ ঘণ্টা, অবশেষে পরিবারে ফিরলেন সেই বৃদ্ধ

রকিব হাসান নয়ন, জামালপুর
শূন্যরেখায় ২৪ ঘণ্টা, অবশেষে পরিবারে ফিরলেন সেই বৃদ্ধ
জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তে বৃদ্ধ ষষ্টি চন্দ্র বর্মণকে পুশ ইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ, বাধা দেয় বিজিবি। বুধবার সকালে উপজেলার ধানুয়াকামালপুর সীমান্তে। ছবি : কালের কণ্ঠ

প্রায় দুই মাস আগে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন ষষ্টি চন্দ্র বর্মণ। ৬৮ বছর বয়সী এই বৃদ্ধের ছিল মানসিক সমস্যাও। পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজেছেন নানা জায়গায়। এর পরই আসে আলোচনার ঝড় তোলা সেই ঘটনাটি। দুই দেশের শূন্যরেখায় উদভ্রান্ত হয়ে ঘুরছেন ষষ্টি। বিষয়টি নজরে আসে পরিবারের সদস্যদের। গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও দেখে স্বজনরা তাকে শনাক্ত করেন। 

শেষ পর্যন্ত পরিবারের কাছে ফিরেছেন ষষ্টি চন্দ্র। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তাকে স্বজনদের কাছে তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়েই অবসান হয়েছে শাসরুদ্ধকর ২৪ ঘণ্টা ও পরবর্তী অনিশ্চয়তার। জাতীয় পরিচয়পত্রসহ প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ নিয়ে থানায় এসে তার পরিচয় নিশ্চিত করেন পরিবারের সদস্যরা। 

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে জামালপুরের বকশীগঞ্জ থানায় আসেন বৃদ্ধ ষষ্টি চন্দ্রের স্বজনরা। সেখানে তাদের সঙ্গে কথা হয় কালের কণ্ঠের এ প্রতিবেদকের। উল্লেখিত তথ্য এ প্রতিবেদককে তারাই জানান। এ সময় ষষ্টি চন্দ্রের মেয়ে জামাই গৌরী বর্মণ বলেন, ‘আমার শ্বশুর তার বাড়ি থেকে দুই মাস আগে নিখোঁজ হয়েছিলেন। গতকাল (বুধবার) আমরা ভিডিও দেখে শ্বশুরের পরিচয় নিশ্চিত হই। পরে থানা থেকে তাকে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছি। আমার শ্বশুরের মাথায় একটু সমস্যা রয়েছে।’ 

বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মকবুল হোসেন বলেন, ‘বৃদ্ধ ষষ্টি চন্দ্রের স্বজনরা জাতীয় পরিচয়পত্রসহ থানায় আসেন। যাচাই-বাছাই শেষে তাকে (ষষ্টি চন্দ্র) পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে তিনি কিভাবে এই সীমান্ত এলাকায় এসেছিলেন, সে বিষয়ে তার পরিবারের সদস্যরাও কিছু বলতে পারেননি।’

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কয়েকজনকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর (পুশ ইন) চেষ্টা করে। তার মধ্যে শূন্যরেখায় আটকা পড়েন বৃদ্ধ ষষ্টি চন্দ্র বর্মণ। 

বুধবার (১০ জুন) ভোর ৫টার দিকে আলো নিভিয়ে উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ নম্বর পিলারের কাছ দিয়ে ষষ্টিকে পুশ ইনের চেষ্টা করা হয়। এ নিয়ে ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয় ওই বৈঠক।

এদিকে, বিজিবি সদস্য ও স্থানীয়দের বাধা পেয়ে অন্যরা সরে গেলেও আটকা পড়েন বৃদ্ধ ষষ্টি। পরে ওই বৃদ্ধ ভারতে ফিরে যেতে চাইলে বিএসএফ সদস্যরা তাতে বাধা দেন। বাংলাদেশেও তাকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এতে তিনি দুই দেশের মাঝামাঝি শূন্যরেখায় আটকা পড়েন।

সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বিজিবির জিজ্ঞাসাবাদের সময় অসংলগ্ন ও বিভিন্ন ধরনের তথ্য দিচ্ছিলেন ষষ্টি চন্দ্র। পরে তিনি সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করেন। পরদিন (বৃহস্পতিবার) সকালে তাকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে ভাই-বোনের মৃত্যু, অক্ষত তিন দিনের শিশু | কালের কণ্ঠ