• ই-পেপার

মসজিদে চাঁদা না দেওয়ায় সমাজচ্যূত, ৯ পরিবারে জোটেনি কোরবানির মাংস!

অপহরণ বন্ধের দাবিতে কক্সবাজারে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার
অপহরণ বন্ধের দাবিতে কক্সবাজারে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
ছবি : কালের কণ্ঠ

কক্সবাজারের টেকনাফে ধারাবাহিক অপহরণের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে অপহরণ ও মানবপাচার বন্ধের দাবিতে কক্সবাজারে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে কক্সবাজার শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘টেকনাফ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, কক্সবাজার’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রায় ২০ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এতে কক্সবাজারের বিভিন্ন কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সংহতি প্রকাশ করেন।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, পাহাড়, সাগর ও সীমান্তবেষ্টিত টেকনাফে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধী চক্র সক্রিয় রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে অপহরণের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, এখন শুধু রাতেই নয়, দিনের বেলাতেও অস্ত্রের মুখে মানুষকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করা হচ্ছে। মুক্তিপণ দেওয়ার পরও অনেকের মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনাও ঘটছে।

কক্সবাজার সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী জসীম উদ্দিন বলেন, ‘নিজ এলাকায় গেলেও এখন নিরাপদ বোধ করি না। একের পর এক অপহরণের ঘটনায় আমরা আতঙ্কের মধ্যে আছি। অনেককে মুক্তিপণের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হলেও অনেকের নিথর দেহ উদ্ধার করা হচ্ছে।’

কক্সবাজার মেডিক্যাল ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী রফিকুর রহমান জিহাদ বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে টেকনাফের মানুষ আজ চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। এই মুহূর্তে মানুষের অন্নের চেয়েও বেশি প্রয়োজন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।’

কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম সাইফ বলেন, ‘মাঝেমধ্যে মনে হয় টেকনাফ যেন বাংলাদেশেরই অংশ নয়। অপহরণের কারণে এলাকাটি এখন আতঙ্কের জনপদে পরিণত হয়েছে। এই পরিস্থিতির দ্রুত অবসান হওয়া প্রয়োজন।’

শিক্ষার্থীরা জানান, টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং রাঙামাটি সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম জিহাদ উখিয়া-টেকনাফে চলমান অপহরণ ও মানবপাচার স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবিতে কয়েক দিন ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন। তাঁর দাবির প্রতি সংহতি জানাতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

কর্মসূচি থেকে বক্তারা অপহরণকারী চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর অভিযান পরিচালনা, মানবপাচার বন্ধ এবং টেকনাফে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। পাশাপাশি সীমান্ত জনপদে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির স্থায়ী উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত, টেকনাফে সাম্প্রতিক অপহরণ পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার (২২ জুলাই) জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠ-এ একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

রাজশাহীতে মাদক মামলায় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
রাজশাহীতে মাদক মামলায় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

রাজশাহী মহানগরীর বেলপুকুর থানায় দায়ের করা একটি মাদক মামলায় মো. খয়বর হোসেন ওরফে সুকুমার (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে অতিরিক্ত কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে রাজশাহীর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত খয়বর হোসেন নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার মধুবন গ্রামের মৃত খলিলের ছেলে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৮ জানুয়ারি র‌্যাব-৫, রাজশাহী একটি অভিযান চালিয়ে খয়বর হোসেনকে ৬০০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় বেলপুকুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ৮(গ) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

পরে মামলাটি তদন্ত করে বেলপুকুর থানা পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

সাক্ষ্য-প্রমাণ, আলামত এবং মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

বিয়ের চাপেই পরকীয়া প্রেমিকাকে হত্যা, প্রেমিক গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
বিয়ের চাপেই পরকীয়া প্রেমিকাকে হত্যা, প্রেমিক গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

স্বামীকে তালাক দিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে বসবাস শুরু করছিলেন সাদিয়া। পরে বিয়ের জন্য চাপ দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রেমিক মো. আব্দুর রাজ্জাক ওরফে আরিয়ান (২৫) তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে মোবাইল ফোন ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যান।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাদিয়া হত্যার রহস্য উদঘাটন করে এসব তথ্য জানান পিবিআইয়ের ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) মিন্টু কুমার।

‎পিবিআই জানায়, প্রায় তিন বছর আগে সাদিয়ার সঙ্গে ইব্রাহিমের বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর তিনি জানতে পারেন, ইব্রাহিম আগে থেকেই বিবাহিত এবং তার সন্তান রয়েছে। এ নিয়ে দাম্পত্য কলহের এক পর্যায়ে ইব্রাহিমকে ডিভোর্স দেন সাদিয়া।

‎পাশাপাশি পরিচয় গোপন করে অবিবাহিত দাবি করা আব্দুর রাজ্জাক আরিয়ানের সঙ্গে তার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১ জুলাই সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি বাতানপাড়া এলাকায় তারা স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন।

‎তদন্তে উঠে আসে, গত ১২ জুলাই রাতে সাদিয়া রাজ্জাককে বিয়ের জন্য চাপ দেন। কিন্তু রাজ্জাক তাতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে তুমুল বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ রাজ্জাক সাদিয়ার গলা চেপে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে মরদেহ ঘরে ফেলে রেখে নিহতের মোবাইল ফোন ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যান।‎

‎হত্যাকাণ্ডের পর সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা হলে ১৬ জুলাই পিবিআই মামলাটি অধিগ্রহণ করে। প্রথমে এজাহারভুক্ত আসামি ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তথ্য-প্রযুক্তি বিশ্লেষণ, সিসিটিভি ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে প্রকৃত হত্যাকারী হিসেবে আব্দুর রাজ্জাক আরিয়ানকে শনাক্ত করা হয়।

‎পিবিআই জানায়, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে মাথায় ক্যাপ পরা এক ব্যক্তির আসা-যাওয়ার দৃশ্য দেখা যায়। পরে নিহতের ছয় বছর বয়সী কন্যা তাহিয়া জানায়, ওই ব্যক্তি আরিয়ান চাচ্চু নামে তাদের বাসায় প্রায়ই আসতেন। এই তথ্যকে কেন্দ্র করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হয়। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় রাজ্জাকের অবস্থান নিশ্চিত করে ২১ জুলাই কেরানীগঞ্জের জিনজিরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদে রাজ্জাক সাদিয়াকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডের সময় ব্যবহৃত ক্যাপ, নিহতের মোবাইল ফোন এবং বিক্রি করে দেওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। পরদিন ২২ জুলাই তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

‎পিবিআই জানিয়েছে, মামলার তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কারো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হাজিরা খাতায় নাম একজনের, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক আরেকজন

কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি
হাজিরা খাতায় নাম একজনের, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক আরেকজন
ছবি : কালের কণ্ঠ

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার চাঁন্দাইর দারুলউলুম দ্বিমুখী দাখিল মাদরাসার এক শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় অবস্থান করলেও তাঁর নামে নিয়মিত হাজিরা দেখিয়ে সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে তাঁর পরিবর্তে অন্য একজন শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করছেন এবং হাজিরা খাতায়ও তাঁর পক্ষে স্বাক্ষর করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

সরেজমিন বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) মাদরাসায় গিয়ে দেখা যায়, অন্যান্য শিক্ষক যথারীতি ক্লাস নিলেও সহকারী জুনিয়র মৌলভী ফুয়াদ হোসেনকে প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায়নি। তাঁর নির্ধারিত শ্রেণিতে পাঠদান করাচ্ছিলেন জাহিদ নামে এক ব্যক্তি। হাজিরা খাতা পর্যালোচনায় দেখা যায়, ফুয়াদ হোসেনের নামের বিপরীতে নিয়মিত উপস্থিতি দেখানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তাঁর পরিবর্তে জাহিদই হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করছেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, আহাম্মেদাবাদ ইউনিয়নের ঝামুটপুর গ্রামে অবস্থিত চাঁন্দাইর দারুলউলুম দ্বিমুখী দাখিল মাদরাসাটি ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী এবং ১৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।

মাদরাসা সূত্রে জানা যায়, এনটিআরসিএর সুপারিশে ফুয়াদ হোসেন ২০২৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ইবতেদায়ি শাখায় সহকারী জুনিয়র মৌলভী হিসেবে যোগদান করেন। অভিযোগ রয়েছে, যোগদানের পর থেকেই তিনি নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিত থাকেন। প্রতি মাসে বেতন-ভাতা উত্তোলনের সময় এক-দুই দিনের জন্য মাদরাসায় এলেও বাকি সময় ঢাকায় অবস্থান করেন। এ সময়ে তাঁর পরিবর্তে অন্য একজন পাঠদান করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফুয়াদ হোসেন বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন। স্থানীয়দের দাবি, তাঁর অনুপস্থিতিতে জাহিদ নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছেন। বিষয়টি মাদরাসা কর্তৃপক্ষের জ্ঞাতসারেই চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাদরাসার একাধিক শিক্ষক বলেন, ফুয়াদ নিয়মিত মাদরাসায় আসেন না। মাসে একবার এসে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে চলে যান। বাকি সময় অন্য একজন ক্লাস নেন। বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় সবাই জানেন।

স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, এমনিতেই শিক্ষার্থীসংখ্যা কমছে। এর মধ্যে একজন শিক্ষক নিয়মিত অনুপস্থিত থাকায় শিক্ষার মান আরো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

জাহিদ নামে পাঠদানকারী ব্যক্তি বলেন, ‘ফুয়াদ ঢাকায় থাকেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। তাই কয়েক মাস ধরে তাঁর ক্লাস আমি নিচ্ছি।’ তবে তিনি কী ভিত্তিতে পাঠদান করছেন কিংবা এ বিষয়ে কোনো নিয়োগ বা অনুমোদন রয়েছে কি না—এ প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।

এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক ফুয়াদ হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইলফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

মাদরাসার সুপার হাফিজার রহমান বলেন, ‘ফুয়াদ এক মাসের ছুটিতে রয়েছেন। বর্তমানে তিনি ক্লাস নিচ্ছেন না।’ তবে ছুটিতে থাকা অবস্থায়ও তাঁর নামে হাজিরা, বেতন-ভাতা উত্তোলন এবং অন্য একজনের মাধ্যমে পাঠদানের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান।

এ বিষয়ে কালাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মনসুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা ছিল না। ঢাকায় অবস্থান করে অন্য কাউকে দিয়ে পাঠদান করানোর কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মসজিদে চাঁদা না দেওয়ায় সমাজচ্যূত, ৯ পরিবারে জোটেনি কোরবানির মাংস! | কালের কণ্ঠ