• ই-পেপার

ইউনূস-নূরজাহানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা নেননি আদালত

ভাইয়ের করা মামলায় ফের তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখাল আদালত

নিজস্ব প্রতিবেদক
ভাইয়ের করা মামলায় ফের তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখাল আদালত

​পারিবারিক সম্পত্তির দখল ও জালিয়াতির অভিযোগে ভাইয়ের করা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে ফের গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৮ জুন) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, রাজধানীর উত্তরা এলাকায় পারিবারিক সম্পত্তির দখল ও জালিয়াতি কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত। বাদী শাহ নেওয়াজ আহাম্মদের অভিযোগ, অভিযুক্ত তুরিন আফরোজ প্রভাব খাটিয়ে এবং জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি আত্মসাৎ করার চেষ্টা করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়, তাদের বাবা মারা যাওয়ার পর তুরিন আফরোজ জালিয়াতির মাধ্যমে একটি ভুয়া হলফনামা তৈরি করে সম্পত্তির মালিকানা দাবি করেন। এছাড়া তিনি প্রভাব খাটিয়ে বাদীর মায়ের ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও দলিলপত্র নিয়ে যান বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় আরো অভিযোগ করা হয়েছে, তুরিন আফরোজ বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন, যার ফলে তারা দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। নথিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থানের কারণে বাদীর মামলা দায়ের করতে বিলম্ব হয়েছে। তদন্ত শেষে পিবিআই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কফিল মাহমুদ রায়হান জানান, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালতে তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে তাকে মামলাটিতে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারকাতের জামিন

অনলাইন ডেস্ক
জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারকাতের জামিন
জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত। ছবি : সংগৃহীত

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলায় জামিন পেয়েছেন জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত। আজ সোমবার (৮ জুন) দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগ তার জামিন আবেদন গ্রহণ করেন।

আদালতের এই আদেশের ফলে ড. আবুল বারকাতের কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা। তবে জামিন আবেদন মঞ্জুরের পাশাপাশি একটি শর্ত জুড়ে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। শর্তানুযায়ী, তাকে নিজের পাসপোর্ট আদালতে জমা দিতে হবে।

এর আগে জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে এননটেক্স গ্রুপকে অনিয়মের মাধ্যমে ঋণ প্রদান এবং ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি আবুল বারকাতসহ মোট ২৩ জনকে আসামি করে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। মামলা দায়েরের পর গত বছরের ১০ জুলাই রাজধানীর ধানমণ্ডি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। এর পর থেকে তিনি কারাগারেই বন্দি ছিলেন।

উল্লেখ্য, অধ্যাপক আবুল বারকাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান।

৭ মামলায় হাইকোর্টে জামিন চেয়েছেন সাবেক কৃষিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
৭ মামলায় হাইকোর্টে জামিন চেয়েছেন সাবেক কৃষিমন্ত্রী
সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা ও টাঙ্গাইলের ৭ মামলায় হাইকোর্টে জামিন চেয়েছেন সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। আজ সোমবার (৮ জুন) বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ নিয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। মামলাগুলোর মধ্যে ঢাকায় চারটি এবং টাঙ্গাইলে তিনটি।

উল্লেখ্য, গত ১৪ অক্টোবর রাত পৌনে ৮টার দিকে রাজধানীর ইস্কাটন এলাকা থেকে আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে তাকে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়।

রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আরিফ তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। পরে তার আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করলে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সেই থেকে কারাবন্দি রয়েছেন সাবেক এই মন্ত্রী।

হাইকোর্টে জামিন চেয়েছেন সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়াল

অনলাইন ডেস্ক
হাইকোর্টে জামিন চেয়েছেন সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়াল
সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। ছবি : সংগৃহীত

হাইকোর্টে জামিন চেয়েছেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। আজ সোমবার (৮ জুন) বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে ঢাকা মহানগর আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করেন। পরে তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

গত বছরের ২৫ জুন রাজধানীর মগবাজার এলাকা থেকে কাজী হাবিবুল আউয়ালকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। পরদিন ২৬ জুন তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুস্তাফিজুর রহমান। সেই থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

এর আগে গত বছরের ২২ জুন শেরেবাংলানগর থানায় দশম, একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন পরিচালনাকারী কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, কে এম নূরুল হুদা ও কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা করে বিএনপি।

মামলায় সাবেক তিন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ ২৪ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদ, তৎকালীন নির্বাচন কমিশনার মো. আব্দুল মোবারক, আবু হানিফ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জাবেদ আলী, শাহ নেওয়াজ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা, তৎকালীন নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম, নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, তৎকালীন পুলিশের আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী, তৎকালীন ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার, সাবেক ডিজি র‌্যাব ও সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, সাবেক এসবি প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম, সাবেক এনএসআই প্রধান ও সাবেক ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি সৈয়দ নুরুল আলম, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল, নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আহসান হাবীব, আলমগীর হোসেন, আনিছুর রহমান ও তৎকালীন নির্বাচন সচিব।