kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

কাদের মির্জার ভাই ও ছেলের নেতৃত্বে বাস ভাঙচুরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক,নোয়াখালী   

১৬ এপ্রিল, ২০২১ ১০:০৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কাদের মির্জার ভাই ও ছেলের নেতৃত্বে বাস ভাঙচুরের অভিযোগ

হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ড্রিম লাইন পরিবহনের বাস। ছবি: কালের কণ্ঠ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটের নতুন বাস টার্মিনালের 'ড্রিম লাইন' কাউন্টারে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ছোট ভাই ও ছেলের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ৩টি বাস ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে বসুরহাট নতুন বাস টার্মিনালে নোয়াখালী জেলা পরিষদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আকরাম উদ্দিন সবুজ পরিচালিত ড্রিম লাইন কাউন্টারের অফিস ও তিনটি ড্রিম লাইন বাস ভাঙচুর করা হয়।

বসুরহাট বাস মালিক সমিতির সভাপতি ও ক্ষতিগ্রস্ত বাস মালিক আকরাম উদ্দিন চৌধুরী সবুজ জানান, কাদের মির্জার নির্দেশে তার ছোট ভাই শাহাদাত হোসেন ও তার ছেলে তাশিক মির্জার নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় আনুমানিক ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আজম পাশা চৌধুরী বলেন, আকরাম উদ্দিন সবুজ তার বড় ভাই। শুধু মাত্র উপজেলা আওয়ামী লীগ কমিটিকে সমর্থন করায় গত কয়েক মাস কাদের মির্জা লাইভে এসে আমার চরিত্র হনন করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে। এক পর্যায়ে কাদের মির্জা আমার পুরো পরিবার নিয়ে লাইভে এসে পুনরায় মিথ্যাচার করতে থাকে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় লকডাউন উপলক্ষে শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণকালে আমার বড় ভাই আকরাম উদ্দিন সবুজ কাদের মির্জার মিথ্যাচারের জবাবে পাল্টা বক্তব্য রাখার জের ধরে তার ভাই শাহদাত ও ছেলে তাশিক মির্জার নেতৃত্বে আমাদের তিনটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা নিজের ছেলে তাশিক মির্জার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে বসুরহাট নতুন বাস টার্মিনালের ড্রিম লাইন কাউন্টারে হামলা ও বাস ভাঙচুরের বিষয়ে কথা বলেন। লাইভে কাদের মির্জা দাবি করেন, তারা নিজেদের অফিস এবং গাড়ি নিজেরাই ভাঙচুর করেছে। এ সময় কাদের মির্জা অভিযোগ করেন, বাস স্ট্যান্ডে তার ছেলেসহ তার কয়েকজন অনুসারীকেও মারধর করা হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি জানান, খবর  পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।



সাতদিনের সেরা