• ই-পেপার

ছিল বিদেশি মুদ্রা, সোনা-রুপাও

পাগলা মসজিদের সিন্দুকে এবার দুই কোটি ৩৮ লাখ টাকা

তিস্তার তীব্র স্রোতে ভাঙল নতুন তীর সংরক্ষণ বাঁধ, পানিবন্দি ২ হাজার পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
তিস্তার তীব্র স্রোতে ভাঙল নতুন তীর সংরক্ষণ বাঁধ, পানিবন্দি ২ হাজার পরিবার
ছবি: কালের কণ্ঠ

তিস্তা নদীর তীব্র স্রোতে রংপুরের গঙ্গাচড়া ও লালমনিরহাট সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় নতুন নির্মিত তীর সংরক্ষণ কাজের প্রায় ১৩০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে প্রায় দুই হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং বিস্তীর্ণ এলাকার আমন ধানের বীজতলা তলিয়ে গেছে। ভেঙে গেছে কয়েকটি বসতবাড়ি নতুন করে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি হারানোর আতঙ্কে দিন কাটছে তিস্তাপাড়ের মানুষের।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত কয়েক বছর ধরে তিস্তার ভয়াবহ ভাঙনে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের নরশিং ও তালপট্টি এবং লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের উত্তর হাজীপাড়া, পশ্চিম হাজীপাড়া, পূর্ব হাজীপাড়া ও হরিণচড়া এলাকার হাজারো মানুষ বসতভিটা, ফসলি জমি ও জীবিকার শেষ সম্বল হারিয়েছেন। দীর্ঘদিনের দাবির পর চলতি বছর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর উদ্যোগে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় তীর সংরক্ষণ কাজ বাস্তবায়ন করে। নতুন বাঁধ নির্মাণে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও সেই স্বস্তি স্থায়ী হয়নি।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে নদীর তীব্র স্রোতে নতুন নির্মিত তীর সংরক্ষণ কাজের প্রায় ১৩০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। একই সঙ্গে কয়েকটি বসতবাড়ি ভেঙে পড়ে, হাজারের বেশি বাড়িতে বন্যার পানি ঢুকে পড়ে এবং বিস্তীর্ণ এলাকার আমন ধানের বীজতলা তলিয়ে যায়।

বুধবার (১৫ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, লালমনিরহাটের আদর্শপাড়া থেকে গঙ্গাচড়ার তালপট্টি হয়ে নরশিং পর্যন্ত নির্মিত তীর সংরক্ষণ বাঁধের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন স্থানে ভাঙন সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে।

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক দিন ধরে তিস্তার পানি দ্রুত ওঠানামা করছে। আকস্মিক বন্যা, তীব্র স্রোত ও হঠাৎ পানি নেমে যাওয়ায় নদীর তীরজুড়ে ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে প্রায় দুই হাজার পরিবারের বসতভিটা, বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে।

তালপট্টি গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘অনেক আশা নিয়ে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। ভেবেছিলাম এবার আর ভাঙন হবে না। কিন্তু কয়েক মাসও টিকল না। চোখের সামনে নতুন বাঁধ নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এখন আবার আগের মতো ঘরবাড়ি হারানোর ভয় ফিরে এসেছে।’

নরশিং এলাকার কৃষক খয়বর আলী বলেন, ‘আগে বাঁধ ছিল না, তখনও ভয় ছিল। এখন বাঁধ থাকার পরও ভয় হচ্ছে। সরকারের এত টাকার বাঁধ যদি স্বল্প মেয়াদের বন্যাতেই ভেঙে যায়, তাহলে আমাদের কী লাভ হলো? শুধু জিও ব্যাগ ফেললে হবে না, স্থায়ী ও টেকসই ব্যবস্থা নিতে হবে।’
 
হরিণচড়া গ্রামের সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘কয়েক দিনের ভাঙনে এখন দেখি বাঁধও বিলীন হতে চলেছে। রাতে ঘুমাতে পারি না। মনে হয় কখন ঘরটাও নদীতে চলে যায়। শুরুতেই দ্রুত ব্যবস্থা নিলে হয়তো এত ক্ষতি হতো না। এখন জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ও কংক্রিট ব্লক না ফেললে পুরো বাঁধ নদীতে চলে যাবে।’

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, ‘নদীতে পানির ওঠানামার কারণে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে জরুরি ভিত্তিতে ছয় হাজার জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ চলছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আরো জিও ব্যাগ ও অন্যান্য প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ০৫ মিটার, যা বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচে। একই সময়ে কাউনিয়ার তিস্তা সেতু পয়েন্টে পানিপ্রবাহ ছিল বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচে। তবে পানি কিছুটা কমলেও তীব্র স্রোত ও অব্যাহত ভাঙনে নদীপাড়ের মানুষের উদ্বেগ কাটেনি। স্থানীয়দের দাবি, জিও ব্যাগের সাময়িক ব্যবস্থা নয়, তিস্তার তীর রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী ও টেকসই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে, যাতে প্রতি বর্ষায় ঘরবাড়ি হারানোর শঙ্কায় তাদের দিন কাটাতে না হয়।

‘সারাডা শহরে দুর্গন্ধ, নাক চাইপ্পা চলন লাগে’

বিশ্বজিৎ পাল বাবু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
‘সারাডা শহরে দুর্গন্ধ, নাক চাইপ্পা চলন লাগে’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মেড্ডা এলাকায় সড়কের পাশ ময়লার স্তূপ। সম্প্রতি তোলা। ছবি: সংগৃহীত

হ্যান্ডেলবার থেকে হাত সরিয়ে হঠাৎই নাক চেপে ধরলেন রিকশাচালক হারুণ মিয়া। কথা বলতে থাকা হঠাৎ চুপ। প্রায় এক শ গজ যাওয়ার পর বললেন, ‘আর কইয়েন না। সারাডা শহরে গন্ধ আর গন্ধ। গন্ধ মানে পচা গন্ধ। নাক চাইপ্পা চলন লাগে। খালি আমি না, হগলেঅই দেখবেন নাহে ধইরা যায়। কেউ কেউ দেখবেন মাস্ক লাগায়া রাখছে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়া দুর্গন্ধের কথা বলছিলেন হারুণ মিয়া। পৌর এলাকার মেড্ডায় (সিও অফিস) অবস্থিত সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় কথা হচ্ছিল তার সঙ্গে।

মেড্ডার বাসিন্দা চয়ন বিশ্বাস জানান তার অভিজ্ঞতার কথা। বলেন, ‘ঘর থেকে বের হলেই চোখে ময়লা পড়ে। সড়কের পাশে ফেলে রাখা ময়লার জায়গাটুকু আগে থেকেই শ্বাস বন্ধ করে পার হই। কখনও কখনও আগে মনে না থাকলে দুর্গন্ধ নাকে গিয়ে দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়।’

সম্প্রতি সরজমিন ঘুরে দেখা যায়, সড়ক, রেলপথ কিংবা নৌপথ যেভাবেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসা হোক না কেন, সড়কের পাশে ময়লার স্তূপ চোখে পড়বেই। এসব ময়লা থেকে ছড়িয়ে পড়া দুর্গন্ধে পৌর এলাকায় চলাফেরা করা দায়।

সড়ক পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে এলে ময়লার স্তূপ চোখে পড়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অদূরে কাউতলী এলাকায়। রেলপথে এলে স্টেশন থেকে শহরে আসার পথে ডানদিকে চোখে পড়ে একাধিক ময়লার স্তূপ। আর নৌপথে গোকর্ণঘাটে এসে নামলে তো রয়েছে বিশাল ময়লার ভাগাড়, যা সরিয়ে নিতে এলাকাবাসী মানবন্ধন করলেও তাতে কোনো ফল মেলেনি। 

বিভিন্ন কার্যালয়ের সামনে থাকা ময়লা-আবর্জনা মানুষকে আরো বেশি অস্বস্থিতে ফেলছে। সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে একাধিক ময়লার স্তূপ বলে দেয় পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অবস্থার কথা। 

শহরের ব্যস্ততম সড়ক টিএ রোডের মঠের গোড়ার সামনেই ডাস্টবিন। এছাড়া হালদারপাড়া, মৌলভীপাড়া, মধ্যপাড়া, পাইকপাড়া, শিমরাইলকান্দিসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়কের পাশে অন্তত অর্ধশত ময়লার স্তূপ চোখে পড়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ময়লা আনার যে প্রক্রিয়া, তা অনেকটাই সীমিত ও অনিয়মিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিভিন্ন স্থানে দিয়ে রাখা ডাস্টবিনে বাসিন্দারা ময়লা ফেলেন। আবার কোথাও কেউ  ময়লা ফেললে সেখানে অন্যরাও ময়লা ফেলেন। এভাবে শহরের শতাধিক স্থান ময়লা ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। 

পৌরসভার পক্ষ থেকে নিয়মিত ময়লা পরিষ্কার না করায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। 

নদী, পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণের সংগঠন তরী বাংলাদেশ-এর আহ্বায়ক মো. শামীম আহমেদ বলেন, ‘প্রথম শ্রেণির এই পৌরসভায় এখন স্বস্তির নিশ্বাসও ফেলা যায় না।  শহরজুড়ে এখন ময়লার দুর্গন্ধ। বলা যায় যে পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একেবারে ভেঙে পড়েছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে শামীম বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা নানা অজুহাত দেখান। কখনও বলেন লেবার সংকট, কখনও বলেন গাড়ি কম। সব মিলিয়ে দুর্বিসহ অবস্থায় রয়েছে শহরের মানুষ। সড়কের পাশে ফেলা রাখা ময়লা ড্রেনে ঢুকে মেড্ডা, ফুলবাড়িয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতাও সৃষ্টি হচ্ছে।’ 

সাধারণ মানুষকেও এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান শামীম আহমেদ। 

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রশাসক উপসচিব শরিফুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কিছু এলাকার ময়লা আবর্জনা নিষ্কাশনের বিষয় আমি নিজেই তদারকি করি। মূলত আমাদের লোকবলের অভাব। আধুনিক যন্ত্রপাতিও নেই। মানুষ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বর্জ্যও বাড়ছে। এসব বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।’

লক্ষ্মীপুর-গোপালগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

গোপালগঞ্জ ও লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুর-গোপালগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
ছবি : কালের কণ্ঠ

টানা বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও বিরূপ আবহাওয়ার মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে গোপালগঞ্জে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজ, লালমিয়া সিটি কলেজসহ বেশ কয়েকটি কলেজের শিক্ষার্থীরা স্থানীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হন।

পরে সেখান তারা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতসহ বিভিন্ন দাবিতে লেখা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে।

বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীরা বলেন, টানা বৃষ্টি, বন্যা ও বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে পরীক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। ফলে নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছানো অনেকের জন্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। ওই মন্তব্যের জন্য তার প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগ করতে হবে। 

এদিকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে লক্ষ্মীপুরে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন। বুধবার দুপুরে পরীক্ষা শেষে শহরের উত্তর তেমুহনী এলাকায় গ্যাস পাম্পে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। 

বিক্ষোভ কর্মসূচিতে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ, দালালবাজার ডিগ্রি কলেজ, লক্ষ্মীপুর ভিক্টোরি কলেজ, অক্সপোর্ড কলেজের অর্ধশতাধিক পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন তারা। 

ময়মনসিংহে হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক ও জেলা প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহে হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন
ছবি: কালের কণ্ঠ

ময়মনসিংহে দলিল লেখক জাকারিয়া মিন্টু হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড ও ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে ৩০ হাজার টাকা করে এবং যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ময়মনসিংহের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. এহসানুল হক এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন ফরিদ খলিফা ও মাসুদ মিয়া। মাসুদ মিয়া পলাতক রয়েছেন। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আব্দুল মতিন, আব্দুস সামাদ, মোশারফ হোসেন মোসা, মোফাজ্জল হোসেন মোসা, তোফাজ্জল হোসেন তোফা, নাজমুল মিয়া,  মোখলেছুর রহমান, শাহজাহান আকন্দ, আতিকুল ইসলাম ও সিদ্দিক মিয়া।
যাব্জীবন সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে সিদ্দিক মিয়া পালাতক।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ২০১৩ সালের আগস্ট মাসে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার নারাঙ্গী গ্রামের দলিল লেখক জাকারিয়াকে লাঠিসোঠা দিয়ে পিটিয়ে নৃশংসভাবে খুন করে আসামিরা। এ ঘটনায় ভালুকা থানায় হত্যা মামলা করা হয়। মামলার দীর্ঘ বিচারকাজ শেষে আজ বুধবার এ রায় ঘোষণা করা হয়।

পাগলা মসজিদের সিন্দুকে এবার দুই কোটি ৩৮ লাখ টাকা | কালের কণ্ঠ