kalerkantho

রবিবার । ১০ মাঘ ১৪২৭। ২৪ জানুয়ারি ২০২১। ১০ জমাদিউস সানি ১৪৪২

ব্যাংকের মেঝেতে টাকা ছিটিয়ে গ্রাহকের টাকা চুরি!

জামালপুর প্রতিনিধি   

২৯ নভেম্বর, ২০২০ ১৯:২৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ব্যাংকের মেঝেতে টাকা ছিটিয়ে গ্রাহকের টাকা চুরি!

অভিনব কায়দায় সোনালী ব্যাংক জামালপুর শাখা থেকে বারিন্দ্র কুমার নাগ নামের এক গ্রাহকের চার লাখ ৪০ হাজার ৩২৫ টাকা চুরি করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ রবিবার দুপুরের এ ঘটনায় সবাই হতবাক হয়েছেন। দুর্বৃত্তদের শনাক্ত করে চুরি যাওয়া টাকাগুলো উদ্ধারে কাজ করছে পুলিশ। এ জন্য ব্যাংকের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ, এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে তারা।

জানা গেছে, জামালপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের স্ট্যাম্প ভেন্ডার বারিন্দ্র কুমার নাগ নগদ চার লাখ ৪০ হাজার ৩২৫ টাকার পে-অর্ডার করার জন্য আজ রবিবার দুপুরে তার কর্মচারী সোহাগকে টাকাসহ সোনালী ব্যাংক জামালপুর শাখায় পাঠান। সোহাগ জামালপুর শহরের পাথালিয়া এলাকার মো. আকাশের ছেলে। তখন ব্যাংকের নিচতলায় বেশ ভিড় ছিল। বেলা একটার দিকে সোহাগ টাকাগুলো নিয়ে ব্যাংকের নিচতলায় ৬নম্বর কাউন্টারের সামনে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। টাকা হাতে রাখতে অসুবিধা মনে করে পুরো টাকা কাউন্টারের ভেতরে ডেস্কের ওপর রেখে অপেক্ষা করছিলেন সোহাগ। এ সময় তার পায়ের কাছে কিছু টাকা পড়ে থাকতে দেখে নিচু হয়ে টাকাগুলো তুলতে শুরু করেন সোহাগ। মাটিতে পড়ে থাকা টাকাগুলো তুলেই দেখতে পান কাউন্টারের ডেস্কে রাখা তার পে-অর্ডারের টাকাগুলো নেই। সাথে সাথে সোহাগ বিষয়টি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের জানান।

সোহাগ কালের কণ্ঠকে বলেন, কাউন্টারের সামনে লাইনে অনেক ভিড় ছিল। আমি ছিলাম সবার সামনে। টাকা জমা দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। এমন সময় আমার পায়ের কাছে কিছু খুচরা টাকা পড়ে থাকতে দেখে সেগুলো তুলতে শুরু করি। টাকা তুলে দেখি কাউন্টারের ডেস্কের ভেতরে রাখা আমার টাকাগুলো নেই।  

সোনালী ব্যাংক জামালপুর শাখার দ্বিতীয় কর্মকর্তা উত্তম কুমার কর্মকার কালের কণ্ঠকে বলেন, ব্যাংকে পে-অর্ডার করতে আসা সোহাগ নামের এক যুবক আমাকে মৌখিকভাবে জানায়, কাউন্টারের সামনে ডেস্কে রাখা তার চার লাখ ৪০ হাজার ৩২৫ টাকা খোয়া গেছে। তাকে থানায় অভিযোগ করতে বলেছি। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ সোহাগকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে গেছে। ব্যাংকের সিসিটিভি ফুটেজও নিয়ে গেছেন ওসি।  

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল ইসলাম খান কালের কণ্ঠকে বলেন, পে-অর্ডার করতে আসা যুবক সোহাগকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দুর্বৃত্তদের সাথে তার কোনো যোগসূত্র আছে কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখতে হবে। দুর্বৃত্তদের শনাক্ত করার জন্য ব্যাংকের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। এ ব্যাপারে টাকার মালিকপক্ষ এখনো থানায় অভিযোগ করেননি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা