• ই-পেপার

১০ লাখ টাকা আত্মসাতের দায়ে প্রধানশিক্ষক বরখাস্ত, কক্ষে দু'পক্ষের তালা

বরিশালে নতুন ইপিজেড, ২ জেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল

তিন লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
বরিশালে নতুন ইপিজেড, ২ জেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল
সংগৃহীত ছবি

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বরিশালে নতুন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) এবং বরগুনা ও পিরোজপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় তিন লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকারের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ওবায়দুল হক চান বলেন, ইপিজেড হলে কর ও শুল্ক সুবিধায় কাঁচামাল আমদানি এবং উৎপাদিত পণ্য সরাসরি বিদেশে রপ্তানি করা যাবে। বরিশাল থেকে ইলিশ, আমড়া ও পেয়ারা রপ্তানি করা হয়। এছাড়া এখানে বেশ কয়েকটি বড় শিল্পকারখানা রয়েছে, যেখানে কাঁচামাল আমদানি করা হয়। ইপিজেড হলে আমদানি ও রপ্তানিতে ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবেন। সরকারের এ উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই।

ইপিজেড ও অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ জমি তিন জেলাতেই রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকরা জানিয়েছেন। তারা বলেন, সরকারের ১ নম্বর খাস খতিয়ানে পর্যাপ্ত জমি রয়েছে। ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে বড় ধরনের জটিলতা হবে না।

বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খাইরুল আলম সুমন বলেন, একটি ইপিজেড স্থাপনের প্রস্তাব আমরা লিখিতভাবে দিয়েছি। এটি বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় জনগণকে কর্মসংস্থানের জন্য ঢাকা বা চট্টগ্রামে যেতে হবে না। নতুন শিল্পকারখানা গড়ে ওঠায় দারিদ্র্য কমবে এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। পাশাপাশি ঢাকার সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ এবং পায়রা সমুদ্রবন্দরের নিকটবর্তী অবস্থান পণ্য পরিবহনে সহায়ক হবে। তিনি বলেন, এখানে খাস খতিয়ানের পর্যাপ্ত জমি রয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর আমরা প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করব।

বরগুনার জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার বলেন, উপকূলীয় এ জেলায় একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। পায়রা বন্দরের নিকটবর্তী হওয়ায় এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি কৌশলগত কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়িত হলে সামুদ্রিক সম্পদ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণ, মৎস্য, কৃষি, শিল্প এবং পর্যটন খাতের সমন্বিত উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেন, পিরোজপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠলে কাঁচামাল ও শ্রমশক্তির সহজলভ্যতার কারণে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে। কৃষি ও মৎস্যভিত্তিক শিল্পের বিকাশের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। উৎপাদিত পণ্য দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি করা যাবে। এ লক্ষ্যেই পিরোজপুরে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সড়কপথে ঢাকা, খুলনা ও বরিশালের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ এবং নৌপথে চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে সংযোগ থাকায় কাঁচামাল ও উৎপাদিত পণ্য পরিবহন সহজ হবে।

স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

পাবনা প্রতিনিধি
স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

পাবনার আতাইকুলায় স্কুলশিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে  যুবদল নেতা আবুল কাশেমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) ভোরে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আতাইকুলা থানা পুলিশ। 

গ্রেপ্তার আবুল কাশেম পাবনার আতাইকুলা থানা এলাকার আড়িয়াডাঙ্গী গ্রামের মৃত নিজামুদ্দিন শেখের ছেলে এবং আর-আতাইকুলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবর রহমান বলেন, ‘তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় আমরা গতকাল রবিবার সারা রাত অভিযান চালিয়েছি। ভোরে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর এলাকা থেকে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে এসেছি। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

এ ছাড়া অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দলীয় সব পদ থেকে বহিষ্কারের পাশাপাশি তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার জন্য নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত (১ জুন) স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ ওঠে আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পরদিন শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে ১২ জুন কাশেম শেখকে অভিযুক্ত করে আতাইকুলা থানায় নারী নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে গতকাল রবিবার সকালে স্থানীয়রা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মানববন্ধনের একপর্যায়ে অভিযুক্তের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িতে  হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে স্থানীয়রা।

কুড়িগ্রামে প্রথমবার চালু হলো ‘রেডি টু কুক’ মাছের দোকান

আঞ্চ‌লিক প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামে প্রথমবার চালু হলো ‘রেডি টু কুক’ মাছের দোকান
ছবি: কালের কণ্ঠ

কুড়িগ্রামে প্রথমবারের মতো চালু হয়েছে ‘রেডি টু কুক’ বা রান্না উপযোগী দেশীয় মাছের দোকান। জেলার রাজারহাট উপজেলার রেলস্টেশন এলাকায় ‘জান্নাতি ফ্রেশ অ্যান্ড ফ্রোজেন মৎস্য পণ্য বিক্রয় কেন্দ্রে’ বাজারদরেই পরিষ্কার, প্যাকেটজাত ও হিমায়িত দেশীয় মাছ বিক্রি করা হচ্ছে।

আরডিআরএস বাংলাদেশের সহায়তায় স্থানীয় বাসিন্দা বাবলু মিয়া ও তার স্ত্রী পেয়ারা বেগম প্রায় দুই মাস আগে উদ্যোগটি শুরু করেন। দোকানে মলা, দারকিনা, পুঁটি, ট্যাংরা, শিং, মাগুর, চাপিলা, খলিসা ও টাকিসহ বিভিন্ন দেশীয় মাছ কেটে, পরিষ্কার করে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে প্যাকেটজাত করে সংরক্ষণ করা হয়। অনলাইন ও হোম ডেলিভারির ব্যবস্থাও রয়েছে।

উদ্যোক্তা বাবলু মিয়া জানান, আগে তিনি খাদ্যগুদামে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। বয়সজনিত কারণে ভারী কাজ করতে না পারায় আরডিআরএস বাংলাদেশের সহায়তায় এ উদ্যোগ গ্রহণ করেন। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ কেজি মাছ বিক্রি হচ্ছে।

পেয়ারা বেগম বলেন, প্রতিদিন বাজার থেকে মাছ সংগ্রহ করে পরিষ্কার ও প্যাকেটজাত করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়। সীমিত লাভে বাজারদরেই মাছ বিক্রি করা হচ্ছে।

প্রতি‌বে‌শিরা জানান, ছোট মাছ পরিষ্কার ও প্রস্তুত করতে সময় বেশি লাগায় অনেকেই তা কিনতে অনাগ্রহী হন। এ উদ্যোগের ফলে ঝামেলামুক্তভাবে দেশীয় মাছ কিনে সরাসরি রান্না করা সম্ভব হচ্ছে।

আরডিআরএস বাংলাদেশের মৎস্য টেকনিক্যাল অফিসার মোজাম্মেল হক বলেন, সংস্থাটি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) সহায়তায় নতুন উদ্যোক্তা ও নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করছে। ভবিষ্যতে জেলার অন্য উপজেলাতেও এ কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

রাজারহাট উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এমদাদুল হক বলেন, উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ ও বাজার ব্যবস্থাপনায় মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র

প্রথম ইউনিটের পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে ত্রুটি উদ্বেগজনক নয় — এনপিসিবিএল

আলমগীর হোসাইন (নাবিল), আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পাবনা
প্রথম ইউনিটের পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে ত্রুটি উদ্বেগজনক নয় — এনপিসিবিএল
সংগৃহীত ছবি

দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুরের ১ নম্বর ইউনিটে জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) লোডিংয়ের পর পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের সময় একটি কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এর ফলে কেন্দ্রটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। তবে কারিগরি এই বিচ্যুতি নিয়ে আতঙ্কিত বা বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছে কেন্দ্রটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান নিউক্লিয়ার পাওয়ার কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল)।

সংস্থাটির জানিয়েছে, বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাওয়ার আগে এ ধরনের ক্ষুদ্র ত্রুটি শনাক্ত ও সংশোধন করা কমিশনিং প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক এবং বাধ্যতামূলক অংশ। 

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু গণমাধ্যমে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কার্যক্রম শুরুর আগেই গুরুতর কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে—এমন দাবি প্রচারিত হলে জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। তবে এসব তথ্যকে বিভ্রান্তিকর ও বাস্তবতাবিবর্জিত বলে উল্লেখ করে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন এনপিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাসান। 

সোমবার গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এ বিষয়ে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই। কিছু মহলের প্রচারিত বিকৃত ও বিভ্রান্তিকর তথ্য অযথা জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে, যার সঙ্গে প্রকৃত পরিস্থিতির কোনো মিল নেই।’ 

ড. জাহেদুল হাসান জানান, কেন্দ্রটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাওয়ার আগে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে একাধিক নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। এসব পরীক্ষায় সামান্য বিচ্যুতি শনাক্ত হওয়া বরং নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতারই প্রমাণ। 

তিনি আরো বলেন, সেকেন্ডারি সার্কিটে ৮.১ মেগাপাস্কাল (এমপিএ) চাপে পরিচালিত ‘লিক-টাইটনেস টেস্ট’ একটি বাধ্যতামূলক ও নিয়মিত পরীক্ষা, যা প্রতিবার কেন্দ্র শাটডাউন অবস্থা থেকে অপারেশনাল অবস্থায় যাওয়ার সময় সম্পন্ন করা হয়। পারমাণবিক ও বিদ্যুৎ উৎপাদন শিল্পে এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি প্রচলিত প্রক্রিয়া। 

বিষয়টি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও পরমাণু বিজ্ঞানী শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জ্বালানি লোডিং বা কমিশনিং পর্যায়ে এ ধরনের ক্ষুদ্র কারিগরি বিষয় শনাক্ত হওয়া অস্বাভাবিক নয়। কোনো বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকলে প্ল্যান্ট শাটডাউন করতে হয়। বর্তমান পরিস্থিতি সে ধরনের নয় এবং এটিকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনেরও কোনো কারণ নেই।’ 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। রূপপুর প্রকল্পকে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প ও সুনামির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষম করে গড়ে তুলতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে।’

তিনি আরো জানান, প্রথম প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের ওপর ভিত্তি করে রূপপুরে আরো দুটি নতুন ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে পারমাণবিক বিদ্যুৎ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অন্যান্য অনেক জ্বালানি উৎসের তুলনায় অধিক সাশ্রয়ী হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। 

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদন সক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। প্রথম ইউনিটে গত ২৮ এপ্রিল জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে কমিশনিং কার্যক্রম চলছে। দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ ও প্রস্তুতিমূলক কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে প্রথম ইউনিট থেকে প্রায় ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। একই বছরের জুনে দ্বিতীয় ইউনিটে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরু হবে এবং সেপ্টেম্বরে দুটি ইউনিট থেকে সম্মিলিতভাবে প্রায় ২ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে। 

 

১০ লাখ টাকা আত্মসাতের দায়ে প্রধানশিক্ষক বরখাস্ত, কক্ষে দু'পক্ষের তালা | কালের কণ্ঠ