• ই-পেপার

ধামরাইয়ে অবস্থাশালীরা পেলেন দুর্যোগ সহনীয় ঘর, অনিয়মের অভিযোগ

বাড়ির সিঁড়িতে নবজাতক রেখে গেল কারা, খুঁজছে পুলিশ

দত্তক নিতে আগ্রহীদের ভিড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
বাড়ির সিঁড়িতে নবজাতক রেখে গেল কারা, খুঁজছে পুলিশ
ছবি: কালের কণ্ঠ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে একটি বাড়ির সিঁড়িতে নবজাতক ছেলে শিশু পাওয়া গেছে। শিশুটির বয়স ২ থেকে ৩ দিন হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই শিশুটিকে লালন-পালনের আগ্রহ প্রকাশ করলে ঘটনাস্থলে কিছুটা হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।

পরে ওই শিশুটিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শিশুটির পরিচয় জানতে এবং কে বা কারা এ কাজটি করেছে- সেটা নিশ্চিত হতে কাজ করছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের মহিষবেড় গ্রামের ফাইজুল ইসলামের মাদারী বাড়িতে শিশুটিকে পাওয়া যায়। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরের দিকে কে বা কারা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ওঠার সিঁড়িতে নবজাতক শিশুটিকে রেখে চলে যায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে পরিবারের সদস্যরা শিশুর কান্নার শব্দ শুনে সেখানে গিয়ে তাকে দেখতে পান। পরে তারা শিশুটিকে প্রাথমিক পরিচর্যা করেন।

এদিকে খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা শিশুটিকে দেখতে ভিড় করেন। অনেকেই শিশুটিকে লালন-পালনের আগ্রহ প্রকাশ করলে সেখানে কিছুটা হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরে খবর পেয়ে নাসিরনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

নাসিরনগর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকেশ পাল জানান, ওই নবজাতক সুস্থ রয়েছে। তার পরিচয় শনাক্ত, চিকিৎসা এবং দত্তক সংক্রান্ত বিষয়ে আগামীকাল সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। পরিচয় শনাক্ত না হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আবেদনকারীদের যাচাই-বাছাই করে যোগ্য দম্পতির কাছে শিশুটিকে দত্তক দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম জানান, যদি কেউ শিশুটিকে দত্তক নিতে চান, তবে সমাজসেবা বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। শিশুটির বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

লালপুরে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
লালপুরে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

নাটোরের লালপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৩১ পিস অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে উপজেলার গৌরিপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুলিশের চৌকস একটি ট্রিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গৌরিপুর গ্রামে একটি চায়ের দোকানে অভিযান চালান। এসময় দোকানটির মালিক ও স্থানীয় বাসিন্দা মো. রহম আলম (৪৬) কে আটক করা হয়। তিনি মৃত আক্কাস আলী মন্ডলের ছেলে এবং রঙ্গীলা বেওয়ার সন্তান।

অভিযান চলাকালে তার হেফাজত থেকে ৩১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়, যার মোট ওজন প্রায় ৩ দশমিক ১ গ্রাম। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানায় পুলিশ।

এ ঘটনায় লালপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণি-১০(ক) ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে পুলিশ সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। যেকোনো মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত ৪০০ পরিবারে আনসার-ভিডিপির ত্রাণ

অনলাইন ডেস্ক
বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত ৪০০ পরিবারে আনসার-ভিডিপির ত্রাণ
সংগৃহীত ছবি

টানা বর্ষণ ও বন্যায় প্লাবিত চট্টগ্রামের বাঁশখালীর তিন ইউনিয়নে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বাহিনীর মহাপরিচালকের আহ্বানে সাড়া দিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে ৪০০ দুর্গত পরিবারের মাঝে এই জরুরি ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

সরল ইউনিয়নে দলনেতা মো. নুর হোসেনের নেতৃত্বে আনসার সদস্য মো. শাহাব উদ্দিন ও জমির উদ্দীনসহ স্থানীয়রা ১৫০টি পরিবারকে সহায়তা করেন। সেখানে জরুরি শুকনো খাবার, চিড়া, মুড়ি, বিস্কুট, গুড়, খাবার স্যালাইন, বিশুদ্ধ পানি, মোমবাতি ও দিয়াশলাই বিতরণ করা হয়।

অন্যদিকে, শেখেরখীল ও চনুয়া ইউনিয়নের ২৫০টি বিপন্ন পরিবারকে সাহায্য করেন কাথারিয়ার দলনেতা মোহাম্মদ জহিরুল আবেদীন, পুকুরিয়ার দলনেতা নিপ্পন কান্তি দে এবং গন্ডামারার ভিডিপি সদস্য সীমা সুশিল। তারা চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ পৌঁছে দেন।

দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে তৃণমূল সদস্যদের নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহ ও সহায়তার এই উদ্যোগ স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রমও চালিয়ে যাচ্ছেন।

বাঁশখালীর এই মানবিক প্রয়াস প্রমাণ করে যে সংকটে সাধারণ মানুষের বড় ভরসা তৃণমূলের আনসার-ভিডিপি সদস্যরা। দুর্যোগ মোকাবিলায় আনসার ও ভিডিপির এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ সমাজে সেবার এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

পাবনায় ৫০০ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পাবনা
পাবনায় ৫০০ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

পাবনার ফরিদপুরে ৫০০ বোতল ফেনসিডিলসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে চেকপোস্ট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় সিলভার রঙের একটি প্রাইভেট কারও জব্দ করা হয়।

রাত ১০টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় জেলা পুলিশ।

গ্রেপ্তার মিরাজুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর থানার উথলী গ্রামের মো. ইয়াসিন আলীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, জেলাজুড়ে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চলমান। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফরিদপুর থানাধীন গোডাউন মোড় এলাকায় মাদকবিরোধী চেকপোস্ট বসানো হয়। এসময় একটি সন্দেহভাজন সিলভার রঙের প্রাইভেট কারকে থামার সংকেত দেওয়া হয়। পরে গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি চালালে এর পেছনের ডালার ভেতর থেকে সাদা রঙের ৩টি প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করা হয়। বস্তাগুলো খুলে পলিথিন ও নেটের ব্যাগে মোড়ানো অবস্থায় ৫০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অপরাধে প্রাইভেট কারের চালক ও মাদক কারবারি মিরাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ব্যাপারে পাবনার পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মাদকের এ চালানটি চুয়াডাঙ্গা থেকে পাবনা-সিরাজগঞ্জ হয়ে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ধামরাইয়ে অবস্থাশালীরা পেলেন দুর্যোগ সহনীয় ঘর, অনিয়মের অভিযোগ | কালের কণ্ঠ