• ই-পেপার

বরগুনায় পিসিআর ল্যাব স্থাপনের দাবি, উকিল নোটিশ

সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক ছাড়লেন আরো ৩১১ পর্যটক

অনলাইন ডেস্ক
সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক ছাড়লেন আরো ৩১১ পর্যটক
সংগৃহীত ছবি

রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেক ভ্যালিতে আটকা পড়া আরো ৩১১ জন পর্যটক সেনাবাহিনীর সহায়তায় নিরাপদে সাজেক ত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৯টায় বাঘাইহাট জোন এ তথ্য নিশ্চিত করে।

‎টানা ভারি বর্ষণ, পাহাড়ধস এবং সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় সাজেক ভ্যালিতে মোট ৫৬১ জন পর্যটক আটকা পড়েছিলেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রথম দফায় সেনাবাহিনীর সহায়তায় ১৫০ জন পর্যটক নিরাপদে সাজেক ত্যাগ করেন।

‎বাঘাইহাট জোন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ৯টায় দ্বিতীয় দফায় আরো ৩১১ জন পর্যটক সেনাবাহিনীর এসকর্টে খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। অবশিষ্ট প্রায় ১০০ জন পর্যটককেও পর্যায়ক্রমে নিরাপদে সাজেক থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে।

গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) টানা বর্ষণ, ভূমিধস ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার ঝুঁকির কারণে জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর স্বাক্ষরিত এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে সাজেকের সব পর্যটনকেন্দ্র অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

 

শিক্ষার্থীদের গণিতভীতি দূর করতে খান একাডেমির কার্যক্রম চালুর অনুমোদন

বাসস
শিক্ষার্থীদের গণিতভীতি দূর করতে খান একাডেমির কার্যক্রম চালুর অনুমোদন
সংগৃহীত ছবি

দেশের মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের গণিত শিক্ষণ দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের গণিত শিখনফল বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের ৭ জেলার মোট ১০০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ‘খান একাডেমি বাংলাদেশ’ কার্যক্রম বাস্তবায়নের অনুমোদন দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘সাজেদা ফাউন্ডেশন’-এর আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় ১ বছর মেয়াদি এ কার্যক্রম ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত চলমান থাকবে।

বৃহস্পতিবার মাউশির এক আদেশে এ কথা জানানো হয়।

আওতাভুক্ত জেলাগুলো হলো— ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও পঞ্চগড়। সাজেদা ফাউন্ডেশনের পরিচালনায় এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো ‘খান একাডেমি বাংলাদেশ’ প্ল্যাটফরমের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গণিতভীতি দূর করা এবং ডিজিটাল ডিভাইসের টেকনিক্যাল সমর্থনের মাধ্যমে পাঠদান আধুনিকায়ন করা।

প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রম বিষয়ে আদেশে বলা হয়, বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষকদের শিক্ষণ দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিখনফল বৃদ্ধির জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ আয়োজন,  শিক্ষার্থীদের গণিত শিখনফল বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘খান একাডেমি বাংলাদেশ’ প্ল্যাটফরমে কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় ডিভাইস সেটআপ ও টেকনিক্যাল সমর্থন প্রদান এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ শিখনগত সহায়তা ও কর্মশালার আয়োজন মাসিক মনিটরিং সেশন পরিচালনা ও অগ্রগতি রিপোর্টিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

আদেশে বেশ কিছু শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। শর্ত অনুযায়ী, এই কার্যক্রম পরিচালনাকালে জাতীয় ও ধর্মীয় চেতনাপরিপন্থী কোনো কাজ করা যাবে না। জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সহায়তায় বিদ্যালয় নির্বাচন করতে হবে এবং সেই তালিকা মাউশি অধিদপ্তর কর্তৃক চূড়ান্ত অনুমোদন নিতে হবে। কোনো অবস্থাতেই মূল শ্রেণি কার্যক্রমের (ক্লাস) বিঘ্ন ঘটানো যাবে না।

আদেশে আরো বলা হয়, প্রকল্পের যেকোনো পরিবর্তন, পরিমার্জন কিংবা মেয়াদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে মাউশির পূর্বানুমতি লাগবে। কার্যক্রমটি উপজেলা, জেলা, আঞ্চলিক কার্যালয় এবং মাউশি অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নিয়মিত তদারকি করবেন এবং এর ত্রৈমাসিক ও বার্ষিক অগ্রগতি প্রতিবেদন আবশ্যিকভাবে অধিদপ্তর বরাবর পাঠাতে হবে।

স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ ঝুলানোর চেষ্টা, পলাতক ইমাম গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ ঝুলানোর চেষ্টা, পলাতক ইমাম গ্রেপ্তার

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে স্ত্রীকে হত্যা পর সন্তান নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটন করে আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ৮ জুলাই আসামি মো. মুহাসিন মাদবরকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পিবিআই।

নিহত আয়েশা আক্তার (২৮) মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের পূর্ব বালিগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। তার স্বামী গ্রেপ্তার মো. মুহাসিন মাতুব্বর (৩২) পূর্ব বালিগাঁও জামে মসজিদের ইমাম ও গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বাহারা গ্রামের ওমর আলী মাতুব্বরের ছেলে। তাদের ৪ বছরের একটি শিশুসন্তান রয়েছে।  

পিবিআইয়ের প্রেস রিলিজ সূত্রে জানা যায়, নিহত আয়েশার সঙ্গে স্বামী মুহাসিন মাতুব্বরের ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিবাহ হয়। বিগত প্রায় ৬ মাস যাবৎ মুহসিন মাতব্বর তার স্ত্রী আছমা ও কন্যাকে নিয়ে পূর্ব বালিগাও গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন। নিহত আছমার পূর্বে দুইবার বিয়ে হয়েছিল তবে বিষয়টি গোপন করার কারণে প্রায়ই স্বামী ও স্ত্রীর মাঝে কলহ হতো। হত্যাকাণ্ডের আগের রাতে ৫ জুলাই এশারের নামাজের পর আসামি বাসায় এসে দেখেন স্ত্রী আছমা পুরনো একটি জামা পরে আছেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মুহসিন তার স্ত্রীকে চড়-থাপ্পড় মেরে গায়ের জামা ছিঁড়ে ফেলে। পরে ঘটনার দিন বিগত ৬ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মুহসিন মাতুব্বর স্ত্রী আসমার কাছে সকালের নাশতা রেডি না থাকার কারণ জিজ্ঞেস করলে সে জানায়, তার মাথাব্যথা। এ নিয়ে উভয়ের মাঝে পুনরায় তর্ক-বিতর্ক হয়। পরে মুহসিন আছমার আগের বিয়ে নিয়ে গালিগালাজ করতে শুরু করে এবং আবারও মারধর করতে থাকেন। এ সময় স্ত্রীর গলা চেপে ধরে পেছনের দিকে দেয়ালে ধাক্কা দিলে সেখানে কাঠের পাটাতন থেকে আঘাত লেগে আছমা মারা যান। মুহসিন তখন মরদেহের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আছমার মরদেহ ঝুলানোর চেষ্টা করে। কিন্তু মরদেহ ঝুলাতে না পেরে খাটের ওপর ফেলে রেখে তাদের ৪ বছরের কন্যা মায়েশাকে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় নিহত আছমার ভাই মো. শামীম তালুকদার বাদী হয়ে টঙ্গিবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে পিবিআই মুন্সীগঞ্জের একটি বিশেষ টিম তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে গত ৮ জুলাই আসামি মো. মুহাসিন মাদবরকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্ররণ করে। গ্রেপ্তারের পর আসামিকে আদালতে সোপর্দ করলে সে বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। জবানবন্দিতে সে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে বলে জানান ওই  মামলার তদন্তকারী অফিসার রনি দেবনাথ।

পিবিআইয়ের মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আয়েশা আরা জাহান বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপরে তিস্তার পানি, বন্যার শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপরে তিস্তার পানি, বন্যার শঙ্কা
সংগৃহীত ছবি

ভারতের গজলডোবা থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা ভারী বর্ষণের কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে আকস্মিক পানি বৃদ্ধির ফলে লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলার নদীতীরবর্তী চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি শত শত পরিবার পানিবন্দি হওয়ার তীব্র আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত ৯টায় তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৮ মিটার। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার হওয়ায় পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ভারতে কয়েকদিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীতে পানির প্রবাহ বেড়েছে। উজানের এই ঢলের প্রভাবে বাংলাদেশ অংশের ডালিয়া পয়েন্টেও পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে কয়েক দিন ধরে তিস্তার পানি ওঠানামা করলেও তা বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে মঙ্গলবার রাতের ভারী বৃষ্টি এবং উজানের ঢলের কারণে বুধবার থেকে পানির প্রবাহ বেড়ে ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করে। ফলে তিস্তা নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং শত শত পরিবার পানিবন্দি হতে পারে।

ইতিমধ্যে বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তার চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। জেলার পাঁচ উপজেলার নদীতীরবর্তী এলাকাও বন্যায় প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, পানির চাপ আরো বাড়লে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবং নদীতীরবর্তী উঁচু সড়কগুলো চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় এসব বাঁধ চলতি বন্যায় বড় ধরনের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে দাবি তাদের।

স্থানীয় বাসিন্দা ইব্রাহিম হোসেন বলেন, ‘শুষ্ক মৌসুমে কাজ করলে ফাঁকি দিতে পারবেন না। আর বর্ষায় কাজ করলে কাজ না করেও বলতে পারবে কাজ করেছি। এসব কারণে নদীর স্থায়ী কোনো কাজ হয় না। বর্ষা এলে সিসি ব্লক আর বালুর বস্তা নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন দৌড়ায়।’

নদীপাড়ের গোবর্দ্ধন গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে পানি বাড়া-কমা করছিল। আজকে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পানি বাড়ার পরিমাণটা বেশি। চরাঞ্চলের অনেক বাড়িতে পানি উঠে পড়তে পারে। তারা পানিবন্দি হয়ে পড়লে ওই সব এলাকার শিশু, বৃদ্ধ আর প্রতিবন্ধীদের নিয়ে চরম কষ্টে থাকতে হয়। গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি নিয়েও আমাদের কষ্টের শেষ নেই। এসবের মাঝেও থাকে সাপ-পোকার প্রাদুর্ভাব। সব মিলিয়ে আমাদের নিদ্রাহীন রাত কাটে বন্যার সময়। বন্যা যতদিন থাকে, আমাদের কষ্ট তার চেয়েও অনেক বেশি সময় ধরে চলে।’

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, ভারী বৃষ্টি ও উজানের পানি প্রবাহ অব্যাহত থাকায় তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে পানির উচ্চতা বেড়েছে। এর ফলে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বন্যা দেখা দিতে পারে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শুষ্ক মৌসুমে পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ না করে ফেলে রাখে। বর্ষা এলে জরুরি মেরামতের নামে কাজ শুরু করা হয়। অথচ শুষ্ক মৌসুমে বাঁধ মেরামত করা হলে কাজ আরো টেকসই হতো এবং নদীভাঙন ও বন্যার ক্ষয়ক্ষতিও অনেকাংশে কমানো সম্ভব হতো।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উজানের পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় এ পয়েন্টে পানি প্রবাহ বেড়েছে। তাই হালকা বন্যা দেখা দিতে পারে। উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতি দীর্ঘ হতে পারে। উজানের ঢলের ওপরই নির্ভর করে পানির চাপ কম-বেশি হতে পারে।’

বরগুনায় পিসিআর ল্যাব স্থাপনের দাবি, উকিল নোটিশ | কালের কণ্ঠ