• ই-পেপার

নদী সাঁতরিয়ে সুন্দরবনের ফিরে গেল বুনো শূকর!

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশও একদিন বিশ্বকাপ খেলবে, সে লক্ষ্যেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
বাংলাদেশও একদিন বিশ্বকাপ খেলবে, সে লক্ষ্যেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে
ছবি: কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশও একদিন ফুটবল বিশ্বকাপ খেলবে বলে মন্তব্য করেছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, আমাদের দেশের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সেগুলোকে ওভারকাম করতে হবে। আগামী ১৫-২০ বছর পর বাংলাদেশের ফুটবল যাতে বিশ্ব মানচিত্রের উঁচু জায়গাতে পৌঁছাতে পারে, সেই চেষ্টা করে যাচ্ছি।

রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের শফিপুর আনসার ভিডিপি একাডেমীতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কৃতী খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রেক্ষাপটে আমাদের ন্যাশনাল টিম ভালোভাবে চেষ্টা করছে। হামজা চৌধুরী থেকে শুরু করে জামাল ভূঁইয়া সবাই ভালো খেলছে। 

আমিনুল হক বলেন, আমরা সাব-কন্টিনেন্টে চেষ্টা করছি। আমাদের যে সীমাবদ্ধতা রয়েছে সেগুলোকে ওভারকাম করে যাতে ডমিনেট করতে পারি। নভেম্বরে আমাদের সাফ ফুটবল রয়েছে। ২০০৩ সালে সাফ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। এরপর দীর্ঘ সময় হয়ে গেছে, কিন্তু আমরা সাফের সেই কাঙ্খিত শিরোপা ফিরে পাইনি। বর্তমান বাংলাদেশ ফুটবল টিম অত্যন্ত ঐক্যবদ্ধ এবং ভালো একটি টিম। আমরা আশাবাদী আগামী সাফ ফুটবলে বাংলাদেশ শিরোপা পুনরুদ্ধার করবে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশের ক্রীড়াকে এগিয়ে নিতে ৩০০ ক্রীড়া কার্ডের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা যারা রাখছেন তাদের ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। ক্রীড়া কার্ড আরো ২০০ বাড়িয়ে এই সংখ্যা ৫০০-তে উন্নীত করা হবে।

কৃতি খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আনসার গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন খেলায় কৃতিত্ব রাখায় ২৩ জন আনসার সদস্যকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। 
 

উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে

নীলফামারী সংবাদদাতা
উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে
সংগৃহীত ছবি

নীলফামারীর ওপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উজান থেকে নেমে আসা এই ঢলে বন্যার কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। 

রবিবার (২৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তা নদীর লালমনিরহাটের ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ২২ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপরে।

পাউবোর ডালিয়া ডিভিশনের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, এর আগে সকাল ৯টায় ৫১ দশমিক ৯৭ সেন্টিমিটার উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। এরপর দুপুর ১২টায় পানির উচ্চতা বেড়ে ৫২ দশমিক ২ সেন্টিমিটার ও বিকেল ৩টায় আরো এক সেন্টিমিটার বেড়ে ৫২ দশমিক ৩ সেন্টিমিটারে পৌঁছায়, যা তখনো বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর বিপৎসীমা নির্ধারিত রয়েছে ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, উজানের ঢলে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রাত ৯টার মধ্যে পানি আরো কয়েক সেন্টিমিটার বেড়ে আবারও কমতে শুরু করবে। তবে নীলফামারীতে বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই।

তিনি আরো জানান, নদীতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বজায় রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাটই খোলা রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

গাজীপুরের টঙ্গী শিল্পাঞ্চল

কারখানার সামনে মোটরসাইকেল মহড়া, ‘সমঝোতা ছাড়া ঝুট দেওয়া যাবে না’ বলে হুঁশিয়ারি

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, গাজীপুর
কারখানার সামনে মোটরসাইকেল মহড়া, ‘সমঝোতা ছাড়া ঝুট দেওয়া যাবে না’ বলে হুঁশিয়ারি
ছবি : সিসিটিভি ফুটেজ থেকে নেওয়া

গাজীপুরের টঙ্গী শিল্পাঞ্চলে একটি কারখানার সামনে কয়েক শতাধিক মোটরসাইকেলের মহড়াকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। মহড়ায় অংশ নেওয়া কয়েকজন কারখানায় ঢুকে নিজেদের ‘বড় নেতার লোক’ পরিচয় দিয়ে কারখানার ঝুট (বর্জ্য) ব্যবসা তাদের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া অন্য কাউকে না দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে চলে যান বলে অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার (২৮ জুন) দুপুরে টঙ্গী শিল্পনগরীর পাগার এলাকায় অবস্থিত ফাইজা বাটন অ্যান্ড জিপার লিমিটেড কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।

কারখানা সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১১টা ৫৭ মিনিটের দিকে হঠাৎ কয়েক শতাধিক মোটরসাইকেল কারখানার সামনে জড়ো হয়। এতে কারখানার শ্রমিক-কর্মচারী ও আশপাশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতির কারণে আশপাশের অনেক দোকানপাটও বন্ধ হয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মহড়ায় অংশ নেওয়া অধিকাংশ ব্যক্তি কারখানার ভেতরে প্রবেশ করতে চাইলে নিরাপত্তারক্ষীরা বাধা দেন। পরে ৮ থেকে ১০ জনের একটি প্রতিনিধি দল কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে তারা তাদের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া কারখানার ঝুটের ব্যবসা অন্য কাউকে না দেওয়ার কথা বলে চলে যান।

ফাইজা বাটন অ্যান্ড জিপার লিমিটেডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আল আমিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তারা একজন বড় নেতার লোক পরিচয় দিয়ে এসেছিলেন। বলে গেছেন, তাদের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া ঝুট দেওয়া যাবে না।’

তিনি আরো জানান, ঘটনার সময় কারখানার ভেতরে বিদেশি ক্রেতা (বায়ার) অবস্থান করছিলেন, ফলে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

কারখানার বর্তমান ঝুট ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান বলেন, ‘আমরা নিয়ম মেনেই ঝুটের ব্যবসা পরিচালনা করছি। এখানে অন্য কারো হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।’

কারখানার সামনের কয়েকজন দোকানি জানান, শত শত মোটরসাইকেলের বহর দেখে তারা আতঙ্কিত হয়ে দোকানপাট বন্ধ করে দেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে কারখানাটির ঝুটের ব্যবসা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা সেলিম নিয়ন্ত্রণ করতেন। পরে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কারখানাটি কিছু সময় বন্ধ থাকলেও স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে পুনরায় কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে ঝুটের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে গাজীপুর মহানগর বিএনপির দুটি প্রভাবশালী পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে যেকোনো সময় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এ বিষয়ে গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২-এর পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। এটা তাদের ইন্টারনাল বিষয়। তবে মহড়ার বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি। অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আগৈলঝাড়ায় সড়ক সংস্কারে অনিয়ম, হাতেই উঠানো যাচ্ছে কার্পেটিং

এসএম ওমর আলী সানি, আগৈলঝাড়া (বরিশাল)
আগৈলঝাড়ায় সড়ক সংস্কারে অনিয়ম, হাতেই উঠানো যাচ্ছে কার্পেটিং
ছবি : কালের কণ্ঠ

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে বাস্তবায়নাধীন একটি সড়কের সংস্কারকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কাজ শেষ হওয়ার মাত্র তিন দিনের মাথায় মানুষের হাতের স্পর্শেই সড়কের কার্পেটিং উঠে যেতে শুরু করায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, প্রয়োজনীয় নিয়ম অনুসরণ না করা এবং বৃষ্টির পর কার্পেটিং করার কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয় বাসিন্দা ও এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, আগৈলঝাড়া উপজেলার মাহিলাড়া-আম্বুলা-ছয়গ্রাম-পয়সারহাট সড়কের বাগধা ইউনিয়নের তালবাড়ী এলাকার ৫৪০ মিটার সড়ক সংস্কারের জন্য ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে ২৪ লাখ ৫৯ হাজার ৮০০ টাকা ব্যয়ে দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্রের মাধ্যমে বাবুগঞ্জ উপজেলার মীরগঞ্জ এলাকার মো.আসাদুজ্জামানের মালিকানাধীন মেসার্স সরদার ট্রেডিং কাজটি পায়। পরবর্তীতে একই বছরের ১৫ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটিকে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে স্থানীয়ভাবে কাজটি অন্য একজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে সংশ্লিষ্টরা প্রকৌশলগত নিয়মনীতি যথাযথভাবে অনুসরণ না করেই সড়কের কার্পেটিংয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। স্থানীয়দের দাবি, বৃষ্টির পরপরই সড়কে কার্পেটিং করা হয় এবং এ সময় এলাকাবাসী আপত্তি জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কাজ শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে যেতে শুরু করেছে। কোথাও কোথাও হাত দিয়ে টান দিলেই পিচ ও পাথরের আস্তরণ উঠে আসছে। এতে করে সংস্কারকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কার্পেটিংয়ের আগে রাস্তা যথাযথভাবে পরিষ্কার করা হয়নি। এমনকি কোথাও কোথাও ময়লা ও ধুলাবালির ওপরই কার্পেটিং করা হয়েছে। এছাড়া প্রয়োজনের তুলনায় কম বিটুমিন ব্যবহারের কারণে সড়কের স্থায়িত্ব নষ্ট হয়েছে বলে আভিযোগ করেছে। 

ওই সড়কে নিয়মিত চলাচলকারী ভ্যানচালক আহসান  ইসলাম, বরকত আলী ও আবুল কালাম সরদার বলেন, ‘সরকার উন্নয়নের জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করছে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তি ও দায়িত্বহীন কর্মকর্তার কারণে সেই উন্নয়নের সুফল মানুষ পাচ্ছে না। রাস্তার কাজ যদি সঠিকভাবে হতো, তাহলে কয়েক দিনের মধ্যেই এভাবে কার্পেটিং উঠে যেত না।’

তারা আরো বলেন, ‘জনগণের করের টাকায় উন্নয়নকাজ হলেও সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বহীনতা ও তদারকির অভাবে  নিম্নমানের কাজ হয়েছে।’  দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা জাকির মোল্লা বলেন, ‘বৃষ্টির সময় এক গাড়ি মালামাল আনা হয়েছিল। তখন আমি কাজ না করার জন্য বলেছিলাম। কিন্তু প্রকৌশল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ চালিয়ে যেতে বলেন। তাদের নির্দেশেই কাজ শেষ করা হয়েছে। এখন সমস্যা দেখা দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।’

এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমি কাজ শুরু করিয়ে সেখান থেকে চলে এসেছি। পরে কী হয়েছে তা আমার জানা নেই। যেখানে কার্পেটিং উঠে গেছে, সেখানে পুনরায় কাজ করে সমস্যার কারণ খতিয়ে দেখা হবে।’

উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী বলেন, ‘কাজে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য বরিশাল এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শনে আসবেন। এখন পর্যন্ত কাজের কোনো বিল পরিশোধ করা হয়নি। অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেলে এবং ত্রুটি সংশোধন না করা হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে নিম্নমানের কাজ অপসারণ করে নতুন করে মানসম্মত সংস্কারকাজ সম্পন্ন করারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

নদী সাঁতরিয়ে সুন্দরবনের ফিরে গেল বুনো শূকর! | কালের কণ্ঠ