শিক্ষাঙ্গণে ছাত্রশিবিরের ‘প্রতারণামূলক রাজনীতি’ ও অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ আহ্বান জানান তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক পরিবর্তন এবং নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে ছাত্রশিবির পরিকল্পিত অপপ্রচার, গুজব ও সহিংসতা ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গুণগত মানোন্নয়ন, অ্যাকাডেমিক পরিবেশ পুনর্গঠন এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য পদে পরিবর্তন এনেছে। কিন্তু এই পরিবর্তনে ছাত্রশিবির অস্বস্তিতে পড়েছে, কারণ অপসারিত উপাচার্যদের অধিকাংশই অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত এবং জামায়াতপন্থী মতাদর্শের ধারক ছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, এই প্রশাসনিক বলয় ব্যবহার করেই ছাত্রশিবির দীর্ঘদিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ‘গোপন রাজনীতি, ভয়ভীতি, নিয়োগ বাণিজ্য ও সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ’ চালিয়ে এসেছে। এখন সেই নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কায় তারা নতুন উপাচার্যদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছে।
নাছির উদ্দীন নাছির তার পোস্টে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার’ বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবালকে ডুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগের বিরুদ্ধেও ছাত্রশিবির অপতৎপরতা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি দাবি করেন, ডুয়েটে নবনিযুক্ত উপাচার্যের যোগদান ঠেকাতে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা সহিংসতা চালিয়েছে, যা তাদের ‘সন্ত্রাস ও বিশৃঙ্খলার রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ।
ছাত্রদলের এই শীর্ষ নেতা বলেন, শিক্ষাঙ্গণকে কোনো গোপন এজেন্ডাধারী অপশক্তির হাতে জিম্মি হতে দেওয়া হবে না। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে ছাত্রদল ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস, মিথ্যাচার ও শিবিরের প্রতারণামূলক রাজনীতির বিরুদ্ধে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সোচ্চার থাকবে।






