• ই-পেপার

শিবিরের প্রতারণামূলক রাজনীতির বিরুদ্ধে সোচ্চারের আহ্বান নাছিরের

‘রাস্তায় যে রাজনৈতিক দলগুলো রয়েছে সবগুলো জামায়াতের বি টিম’

অনলাইন ডেস্ক
‘রাস্তায় যে রাজনৈতিক দলগুলো রয়েছে সবগুলো জামায়াতের বি টিম’

রাস্তায় যে রাজনৈতিক দলগুলো রয়েছে সবগুলো জামায়াতে ইসলামীর বি টিম বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। গতকাল শনিবার (১৭ মে) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে জহুর হোসেন চৌধুরী হলে এক প্রকাশনা উৎসবে এসব কথা বলেন তিনি।

আনিস আলমগীর বলেন, ‘বৃহত্তর রাজনৈতিক একটা দল নিষিদ্ধ হয়ে আছে, আরেকটা রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আর আরেকটা রাজনৈতিক দল বিরোধী দলে আছে এবং তাদের এ-টিম বি-টিম সি-টিম সব আছে। আর কোনো রাজনৈতিক দল নেই। জামায়াতের বি টিম যা আছে সবগুলো রাস্তায় রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের একটা বৃহত্তর রাজনৈতিক দল যেটা বিরোধী ভূমিকায় যেতে পারবে সেটা খুব জরুরি। জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ তারাও যথাযথ বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করেনি। কিন্তু অনেকগুলো ঐতিহাসিক ভূমিকা ছিল তাদের।’

সাংবাদিক আনিস আলমগীর বলেন, ‘বিরোধীদলে থাকা মানেই শুধু সরকারি দলের সঙ্গে ঝগড়া করবে তা না। জাতীয় পার্টি বেশি সহানুভূতি করতে গিয়ে তাদের নিজস্ব ক্ষতি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ইউনূসের শাসনে যে দুর্যোগের মধ্যে দিয়ে আপনারা যে দিন পার করেছেন, বর্তমানে একটা রাজনৈতিক আবহাওয়া তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয় সরকারকে সহযোগিতার যেমন প্রয়োজন তেমনি আপনাদের রাজনৈতিক মতাদর্শ জনগণের কাছে পৌঁছে দেবেন সেই সংগ্রাম আপনাদের থাকতে হবে।’

সঙ্গী-সাথিসহ ড. ইউনূস বর্তমানে অভিশাপের উপলক্ষ : গোলাম মাওলা রনি

অনলাইন ডেস্ক
সঙ্গী-সাথিসহ ড. ইউনূস বর্তমানে অভিশাপের উপলক্ষ : গোলাম মাওলা রনি

সাবেক সংসদ সদস্য ও কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির কারণে ড. ইউনূস এবং তার সঙ্গী-সাথি যারা রয়েছেন, তারা মানুষের ঘৃণা এবং অভিশাপের উপলক্ষ্য হয়ে পড়েছেন।

শনিবার (১৬ মে) ‘তিনতন্ত্র’ নামের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিওতে এ কথা বলেন তিনি।

গোলাম মাওলা রনি বলেন, এ মুহূর্তে আমেরিকার জনপ্রিয়তা বাংলাদেশে একেবারে তলানিতে গিয়ে নেমেছে। কোনো অবস্থাতেই আমেরিকার কোনো কথা, ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনো কথা- কোনোকিছুই এদেশের মানুষ শুনতে চাচ্ছেন না। মানুষ বোঝার চেষ্টা করুন। নারায়ণগঞ্জে সাদা রঙের একটি মহিষের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’। এটা এখন সংবাদ শিরোনাম। এমন কোনো টেলিভিশন নেই, পত্রপত্রিকা নেই, যেগুলো এই ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের এ মহিষের উপর ভিডিও করেনি।

তিনি বলেন, এই ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পকে’ কীভাবে জবাই করা হবে, এর দাম কত হবে ইত্যাদি নানা কথা বলে মূলত ট্রাম্পকে ট্রল করা হচ্ছে। এ বিষয়গুলো আসলে কোনো অবস্থাতেই ভালো দিক না। ফলে এই আমেরিকার সঙ্গে যে চুক্তি, এই চুক্তির কারণে ড. ইউনূস এবং তার সঙ্গী-সাথিরা যারা রয়েছেন, তারা মানুষের ঘৃণা এবং অভিশাপের উপলক্ষ্য হয়ে পড়েছেন।

এ কলামিস্ট বলেন, অন্যদিকে এই চুক্তির সঙ্গে বিএনপি এবং জামায়াতকে জড়ানোর জন্য খলিলুর রহমান যে বিবৃতি দিয়েছেন, আগামীতে বিএনপি এবং জামায়াতকে সর্বনাশ করে ছাড়বে এই চুক্তি। ফলে আপনি যদি চানও, কখনো কখনো প্রকৃতির এমন অবস্থা হয়ে যায়, আপনি চাইলেও কোনো অবস্থাতেই কাউকে সাহায্য করতে পারবে না, যেখানে প্রকৃতির অভিশাপ নাজিল হয়ে যায়। এখন ড. ইউনূস ইমেজ হারা, শক্তিহারা এবং তাকে লোকজন দেখতে চাচ্ছে না, তার কোনো ছবি, তার কোনো কথা, তার পক্ষে এই মুহূর্তে বাংলাদেশের কোনো লোক আছে যে কি না তার পক্ষে প্রেস ক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে দুটো কথা বলতে পারে? মুহূর্তের মধ্যে যেসব হুজুর তার জন্য দোয়া করতেন, যে সমস্ত লোকজন তার জন্য চোখের পানি ফেলতেন- এখন প্রত্যেকটা লোক পর্দার অন্তরালে চলে গেছে।

গোলাম মাওলা রনি আরো বলেন, এই অবস্থাতে দেশ কীভাবে চলবে? এই অবস্থাতে সরকার কীভাবে চলবে? এই অবস্থাতে আগামীতে আমরা কীভাবে আমাদের কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাব, এটা নিয়ে যখন বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল, সরকার সবাই দ্বিধাগ্রস্ত, তখন রাষ্ট্রপতি পদে ইউনূসের যে নিয়োগ, এটা এতটা অসম্ভব হয়ে পড়েছে যে সুইয়ের পেছন দিয়ে যদি উট ঢোকে, তার চাইতেও অসম্ভব হয়ে পড়েছে এবং এই কাজটি বিএনপি চাইলেও করতে পারবে না।

গণভবন লুট ও ৩২ নম্বর ভাঙচুরকারীদের ওপর প্রকৃতির অভিশাপ শুরু হয়েছে : গোলাম মাওলা রনি

অনলাইন ডেস্ক
গণভবন লুট ও ৩২ নম্বর ভাঙচুরকারীদের ওপর প্রকৃতির অভিশাপ শুরু হয়েছে : গোলাম মাওলা রনি
সংগৃহীত ছবি

গণভবনে চুরির সঙ্গে এবং ৩২ নম্বর ভাঙার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের ওপর প্রকৃতির অভিশাপ শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি।

শনিবার (১৬ মে) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

গোলাম মাওলা রনি বলেন, ‘বর্তমানে দেখবেন যারা গণভবনে চুরির সঙ্গে জড়িত এবং ৩২ নম্বর ভাঙার সঙ্গে জড়িত তাদের সেই রমরমা ভাব নেই। তারা আগের মতো বলতে পারছে না আমি এই কাজগুলো করেছি। এটা গর্বেরও বিষয় নয়। এ ছাড়া যারা চিহ্নিত হয়ে গেছে তারা এই কাজগুলো করেছে, তারা অনেকে গা ঢাকা দিয়েছে। কেউ নিজেদের দায় অন্যের ওপর চাপা দিচ্ছে ইত্যাদি নানা রকম ঘটনা ঘটছে। এর বাইরে প্রকৃতির অভিশাপ শুরু হয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘অনেকের ব্যক্তিগত জীবন, শারীরিক ও মানসিক ভারসাম্যতা, অর্থনৈতিক জীবন তছনছ হয়ে গেছে। অনেকে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। অনেকের জীবন নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে গেছে।’ 

এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, ‘অনেকে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন। অনেকে ক্ষমতায় থাকার পরও সারাক্ষণ মৃত্যুভয়ে থরথর করে কাঁপছেন।’ 

এমন কেন হয়—এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের খুনের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন তাদের তার চেয়েও অপমৃত্যু তাড়া করেছে। একই অবস্থা বঙ্গবন্ধুর। তাকে হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত—এমন একটা সিঙ্গেল লোক সুস্থভাবে বাঁচতেও পারেনি এবং স্বাভাবিকভাবে মরতেও পারেনি।’

মৃত্যুতে উল্লাস এবং শোক দিবসে নৃত্য : আনিস আলমগীর

অনলাইন ডেস্ক
মৃত্যুতে উল্লাস এবং শোক দিবসে নৃত্য : আনিস আলমগীর

কারো মৃত্যুতে উল্লাস প্রকাশ করা কখনোই কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘কারো মৃত্যুতে উল্লাস করা আমার দৃষ্টিতে চরম অসভ্যতা। ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে মৃতের আত্মার শান্তি কামনা করতে।’ 

শনিবার (১৬ মে) ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরো পড়ুন
পাকিস্তানের ‘যম’ লিটন

পাকিস্তানের ‘যম’ লিটন

 

 

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘কারো মৃত্যুতে উল্লাস করা আমার দৃষ্টিতে চরম অসভ্যতা। ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে মৃতের আত্মার শান্তি কামনা করতে। আজ দেখছি, অনেকেই এই সত্যটি উপলব্ধি করছেন। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর শোক দিবসে ১৫ আগস্টে ডিজে পার্টি করে উদ্দাম নৃত্যের সমর্থকরা যদি কারিনা কায়সারের মৃত্যুর আগেই এই সহজ বিষয়টি বুঝতে পারতেন, তবে আমাদের সমাজটা আজ অনেক বেশি সুন্দর হতো।’

তিনি আরো লেখেন, ‘মতাদর্শের ভিন্নতা যা-ই হোক না কেন, মানুষের মৃত্যুতে উল্লাস করা মানবতার অবক্ষয়ের লক্ষণ; পরমতসহিষ্ণুতা ও মৃত ব্যক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শনই একটি সুস্থ সমাজের পরিচয়।’

আরো পড়ুন
মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন, কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন?

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন, কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন?

 

সদ্য বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে তিনি লেখেন, ‘বিশ্ব বাটপার ইউনূস আমাদের এই মানবিকতাবোধ শিখিয়ে যেতে পারেননি, প্রতিহিংসা শিখিয়ে গিয়েছেন। মৃত্যু সবার জন্যই অবধারিত, আর কারো মৃত্যুতে উল্লাস প্রকাশ করা কখনোই কাম্য নয়।’

আনিস আলমগীর লেখেন, ‘কয়েক বছর আগে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুর পর যখন আমি তার আত্মার শান্তি কামনা করেছিলাম, তখন একদল ক্ষিপ্ত হয়ে আমার প্রগতিশীলতার সনদ খারিজ করে দিয়েছিল। আজ মানবতার স্বার্থে নয়, তাদের যার যার রাজনৈতিক স্বার্থে পরিবর্তন দেখে তাই অবাক হতে হচ্ছে।’