• ই-পেপার

ওয়ালটনের নতুন স্মার্ট ফোন ‘য্যানন এক্স২২ ফাইভজি’ বাজারে

সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন ‘জিহো রানরাইজ নেশন ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’

অনলাইন ডেস্ক
সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন ‘জিহো রানরাইজ নেশন ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’

দেশের এন্ডুরেন্স স্পোর্টস কমিউনিটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে আয়োজিত হলো ‘জিহো রানরাইজ নেশন ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ পাওয়ার্ড বাই এলজিসিড ডিএক্স’।

শুক্রবার (১২ জুন) আফতাবনগরের ইস্ট কোর্ট এরিনা এবং অ্যানফিল্ড জোনে মোট ২৪টি দলের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্টটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং রোমাঞ্চকর ফাইনাল ম্যাচে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তিশালী দল ‘ভেলক্স এফসি’-কে পরাজিত করে টুর্নামেন্টের প্রথম আসরের ঐতিহাসিক চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিজেদের করে নিয়েছে মিরপুরের উদীয়মান দল ‘এফসি ব্ল্যাকআউট’। টুর্নামেন্টে রানারআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে ‘ভেলক্স এফসি’ এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে আয়োজক কমিউনিটির দল ‘রানরাইজ এফসি’।

খেলা শেষে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শীর্ষ ৩টি বিজয়ী দলের হাতে প্রাইজমানি, মেডেল এবং আকর্ষণীয় ট্রফি তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার তুলে দেন টুর্নামেন্টের টাইটেল স্পন্সর ‘জিহো বাংলাদেশ’-এর ব্র‍্যান্ড ম্যানেজার মো. ফজলে এলাহী তুর্জ এবং ‘পাওয়ার্ড বাই’ পার্টনার ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ম্যানেজার মোস্তাফিজুর রহমান। এসময় রানরাইজ নেশনের এডমিন টিম এবং টুর্নামেন্ট পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মূল সাংগঠনিক কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এন্ডুরেন্স স্পোর্টস কমিউনিটিতে এই ধরনের ফুটবল টুর্নামেন্ট এবারই প্রথম, যা রানরাইজ নেশনের মূল দলটির অক্লান্ত পরিশ্রমে সফল রূপ পেয়েছে।

ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের পুরস্কার (ইন্ডিভিজুয়াল ট্রফি) : টুর্নামেন্টে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত ট্রফি প্রদান করা হয় : গোল্ডেন বল (সেরা খেলোয়াড়) : হামজা (এফসি ব্ল্যাকআউট), সেরা ডিফেন্ডার : ইমতি (ভেলক্স এফসি), গোল্ডেন বুট (সর্বোচ্চ ১৪ গোল) : নাহিদ (রানরাইজ এফসি), গোল্ডেন গ্লাভস (সেরা গোলকিপার) : শাহেদ (রানরাইজ এফসি)।

টুর্নামেন্টের সফল সমাপ্তি শেষে রানরাইজ নেশনের পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারী সকল দল, ম্যাচ অফিশিয়াল, মাঠে উপস্থিত দর্শক, টাইটেল স্পন্সর জিহো, পাওয়ার্ড বাই পার্টনার ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসসহ সকল পার্টনার এবং দিনরাত পরিশ্রম করা আরআরএন অর্গানাইজিং টিমকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়েছে।

প্রথমবারের মতো ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের এই চমৎকার অভিজ্ঞতা ও বিপুল সাড়াকে পাথেয় করে, দেশের এন্ডুরেন্স স্পোর্টসের সার্বিক উন্নয়ন ও প্রসারে রানরাইজ নেশন আগামীতেও তাদের এই পথচলা এবং অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। 

গ্লোবাল ফ্যাটি লিভার ডে-তে ইউনাইটেড হাসপাতালের সচেতনতা ক্যাম্পেইন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
গ্লোবাল ফ্যাটি লিভার ডে-তে ইউনাইটেড হাসপাতালের সচেতনতা ক্যাম্পেইন
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ব ফ্যাটি লিভার দিবস উপলক্ষে মাদানী এভিনিউতে অবস্থিত ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল একটি ব্যতিক্রমী জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের আয়োজন করেছে। ক্যাম্পেইনে খ্যাতনামা শিল্পীদের অংশগ্রহণে শিল্পকর্মের মাধ্যমে লিভার স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।

ফ্যাটি লিভার বর্তমানে বিশ্বব্যাপী একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সমস্যা হলেও বাংলাদেশে এ রোগের কারণ, ঝুঁকি ও প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতনতা এখনো সীমিত। এ প্রেক্ষাপটে হাসপাতালটি একটি বিশেষ চিত্রাঙ্কন কর্মসূচির আয়োজন করে। এই আয়োজনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা ছয়জন শিল্পী অংশ নেন। শিল্পীরা তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গিতে ফ্যাটি লিভার রোগের বার্তা তুলে ধরেন। তাদের এই আকর্ষণীয় উপস্থাপন সাধারণ মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসচেতনতার বিষয়গুলোকে আরো সহজ করে তোলে।

এ ছাড়া দিনব্যাপী আয়োজনে সিএমই, শিক্ষামূলক কার্যক্রম, বেসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়, যা লিভার স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠান সম্পর্কে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের এজিএম আরিফুল হক বলেন, “চিকিৎসকরা যেমন মানুষের জীবন রক্ষার জন্য কাজ করেন, তেমনি শিল্পীরা তাদের সৃজনশীলতার মাধ্যমে সমাজকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পৌঁছে দিতে এবং সচেতনতা তৈরি করতে সক্ষম। এই দুই ক্ষেত্রকে এক করার মাধ্যমে আমরা ফ্যাটি লিভার রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে চেয়েছি।”

দিনব্যাপী এই আয়োজনের উদ্বোধন করেন ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের সিইও মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান, সিএফবিও আবু রায়হান আল বেরুনি এবং মেডিকেল সার্ভিসেস ডিরেক্টর ডা. আজহারুল ইসলাম খান। এ সময় সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিশিষ্ট চিকিৎসক ও কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে এয়ারটেলের বিশেষ ডাটা অফার, আরো যা থাকছে

অনলাইন ডেস্ক
ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে এয়ারটেলের বিশেষ ডাটা অফার, আরো যা থাকছে

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর পর্দা উঠল!

বিশ্বকাপ মানেই স্ক্রিনের সামনে শুধু ম্যাচ না, থাকে পিওর ইমোশন, প্যাশন, প্রেডিকশন, টিম ফাইট, লেট নাইট ওয়াচ পার্টি আর গোল হলেই বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ফুল-অন সেলিব্রেশন! এই হাইপকে আরো লিট করতে এয়ারটেল নিয়ে এসেছে স্পেশাল ডাটা অফার্স, এক্সাইটিং রিওয়ার্ডস আর ফুটবলপ্রেমীদের জন্য একদম নতুন, ফিফা ওয়ার্ল্ডকাপ ফ্যান অ্যান্থেম ‘জিতবো আমরা’!

এয়ারটেল ফিফা ওয়ার্ল্ডকাপ ফ্যান অ্যান্থেম শুনতে ক্লিক : www.facebook.com/reel/979833314657470

এই অ্যান্থেমে থাকছে ফ্যানদের প্যাশন, টিম স্পিরিট আর সেই ক্রেজি ফুটবল ভাইব, যা পুরো বিশ্বকাপ মৌসুমে বিগেস্ট ফ্যানদের সঙ্গে এয়ারটেলের কানেকশন আরো স্ট্রং করবে। এবার গ্রাহকরা মাই এয়ারটেল অ্যাপ থেকেই সহজে ফিফা ওয়ার্ল্ডকাপ ম্যাচ ইনজয় করতে পারবেন। পাশাপাশি নির্ধারিত এয়ারটেল প্যাক কিনে Binge+ প্ল্যাটফর্মেও দেখা যাবে ওয়ার্ল্ডকাপের ম্যাচ। ফিফা ওয়ার্ল্ডকাপ ২০২৬ উপলক্ষ্যে এয়ারটেল গ্রাহকদের জন্য থাকছে ৪টি স্পেশাল ডাটা প্যাক : ১৮ টাকায় ১ জিবি ফিফা ইন্টারনেট, মেয়াদ ২৪ ঘণ্টা; ৩৮ টাকায় ২ জিবি ফিফা ইন্টারনেট, মেয়াদ ৩ দিন; ৬২ টাকায় ৪ জিবি ফিফা ইন্টারনেট, মেয়াদ ৭ দিন; ১৩৬ টাকায় ১০ জিবি ফিফা ইন্টারনেট, যা ব্যবহার করা যাবে পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে।

তবে এখানেই শেষ না!

প্যাক কেনার পর মাই এয়ারটেল অ্যাপে নিজের ফেভারিট টিম সিলেক্ট করলেই শুরু হবে আসল গেম। টুর্নামেন্টে আপনার প্রিয় টিম যতবার গোল করবে, ততবার আপনি পেয়ে যাবেন ১ জিবি করে বোনাস ফিফা ইন্টারনেট, যা ব্যবহার করতে হবে আপনার প্যাক ভ্যালিডিটির মধ্যেই।

ম্যাচ টাইমে থাকছে আরো বোনাস! প্রতিটি ম্যাচ শুরু হওয়ার আগের ৩০ মিনিট আর ম্যাচ শেষ হওয়ার পরের ৩০ মিনিট, মোট ১ ঘণ্টা স্পেশাল উইন্ডোতে নির্দিষ্ট ডাটা প্যাকে থাকছে ১০০% বোনাস জেতার সুযোগ।

ম্যাচ দেখা, ফেভারিট টিম নিয়ে হাইপ করা, গোল হলেই বোনাস পাওয়া, আর ফ্যান অ্যান্থেমের সঙ্গে ওয়ার্ল্ডকাপ ভাইব সেলিব্রেট করা, সব মিলিয়ে ফিফা ওয়ার্ল্ডকাপ ২০২৬ ইনজয় করার সবচেয়ে স্মার্ট, এক্সাইটিং আর ফ্যান ওয়ার্দি ওয়ে হবে এবার এয়ারটেলের সঙ্গে!

হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে ‘সংস অব বেঙ্গল : প্রাণ বন্ধের সনে’

অনলাইন ডেস্ক
হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে ‘সংস অব বেঙ্গল : প্রাণ বন্ধের সনে’

বিশ্ব সংগীত দিবস উদযাপন, বাংলার সমৃদ্ধ লোকসংগীতের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরা এবং এর চিরন্তন আবেদনকে সমসাময়িক দর্শকের সঙ্গে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে এম ডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশ এবং স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ন্যাচারাল ওয়েলনেস ব্র্যান্ড মায়া যৌথভাবে ‘সংস অব বেঙ্গল: প্রাণ বন্ধের সনে’ আয়োজন করেছে।

রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে শুক্রবার (১২ জুন) ‘সংস অব বেঙ্গল: প্রাণ বন্ধের সনে’ অনুষ্ঠিত হয়। এবারের আয়োজন উৎসর্গ করা হয় বাংলা লোকসংগীতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মরমি কবি ও গীতিকার দেওয়ান হাছন রাজাকে। যার গান এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বাংলার মানুষের হৃদয়ে সমানভাবে অনুরণিত হয়ে আসছে।

এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল বাংলার সমৃদ্ধ লোকসংগীত ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমসাময়িক উপস্থাপনার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে অর্থবহভাবে পৌঁছে দেওয়া। সংগীত, গল্পকথন এবং সৃজনশীল শিল্পভাবনার মাধ্যমে হাছন রাজার দর্শন, জীবনবোধ ও সংগীতের চিরন্তন প্রাসঙ্গিকতাকে নতুনভাবে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানের মিউজিক ডিরেক্টর ও কিউরেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক শায়ান চৌধুরী অর্ণব। তার শিল্পভাবনা ও সংগীত বিন্যাসে হাছন রাজার কালজয়ী গানগুলো নতুন আবহে পরিবেশিত হয়, যা দর্শকদের জন্য এক অনন্য সংগীতানুভূতির জন্ম দেয়।

সন্ধ্যাজুড়ে পরিবেশিত হয় হাছন রাজার জনপ্রিয় ও কালজয়ী সব গান। সুর, দর্শন ও আবেগের এক অপূর্ব মেলবন্ধনের মধ্য দিয়ে দর্শকরা ফিরে যান সেই প্রকৃতি, হাওর সংস্কৃতি, লোকজ দর্শন ও আধ্যাত্মিক ভাবধারার জগতে, যা হাছন রাজার সৃষ্টিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। তার গানের কেন্দ্রীয় বিষয় ‘মনের মানুষ’, আত্মঅনুসন্ধান এবং মরমি জীবনদর্শনও এই আয়োজনের বিভিন্ন পরিবেশনায় নতুনভাবে উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এম ডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক রুমানা চৌধুরী। তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অর্থবহভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং শিল্প, সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতিকে সমসাময়িক দর্শকের সঙ্গে সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে এম ডব্লিউ-এর ধারাবাহিক উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘শুরু থেকেই এম ডব্লিউ বিশ্বাস করে, সংস্কৃতি কেবল তার মূল রূপে সংরক্ষণ করার বিষয় নয়; বরং তা নতুন প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে ব্যাখ্যা, অনুভব ও পৌঁছে দেওয়ারও বিষয়। এই আয়োজন সেই বিশ্বাসেরই বহিঃপ্রকাশ।’

তিনি আরো বলেন, ‘এম ডব্লিউ-এর সাংস্কৃতিক উদ্যোগগুলো বরাবরই এমন একটি পরিসর তৈরির চেষ্টা করেছে, যেখানে সাহিত্য, সংগীত, শিল্প ও ঐতিহ্য সমসাময়িক দর্শকের সঙ্গে অর্থবহ সংযোগ স্থাপন করতে পারে।’ একই সঙ্গে তিনি স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল উদ্যোগে অব্যাহত সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মালিক মোহাম্মদ সাঈদ। তিনি বাংলা লোকসংগীতের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও উদ্যাপনের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘সংস অব বেঙ্গল : প্রাণ বন্ধের সনে’-এর মতো আয়োজন নতুন প্রজন্মকে দেশের মূল্যবান সংগীত ঐতিহ্যের সঙ্গে পুনরায় পরিচিত হওয়ার সুযোগ করে দেয়।

তিনি শিল্প, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল চর্চার প্রতি মায়ার প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও উদ্যাপনে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

আয়োজনটি স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে উদ্যাপন করে এমন উদ্যোগগুলোর সঙ্গে মায়ার চলমান সম্পৃক্ততার প্রতিফলন ঘটায়। এই আয়োজনের কমিউনিকেশন পার্টনার হিসেবে কাজ করেছে সান কমিউনিকেশনস লিমিটেড।

বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে মায়া ‘সংস অব বেঙ্গল : প্রাণ বন্ধের সনে’ অনুষ্ঠানটি ২১ জুন রাত ৮টা ৩০ মিনিটে মাছরাঙা টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হবে।