• ই-পেপার

উচ্চশিক্ষা গ্রহণে ১৭ লাখ ডলারের বৃত্তি পেয়েছেন আইএসডির শিক্ষার্থীরা

বিকাশের ডিসবার্সমেন্ট সল্যুশনের মাধ্যমে ফিল্ড ফোর্সের পেমেন্ট সরাসরি প্রদান করবে গ্রামীণফোন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বিকাশের ডিসবার্সমেন্ট সল্যুশনের মাধ্যমে ফিল্ড ফোর্সের পেমেন্ট সরাসরি প্রদান করবে গ্রামীণফোন
সংগৃহীত ছবি

এখন থেকে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিকম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন দেশব্যাপী তার ডিস্ট্রিবিউটর ফিল্ড ফোর্সের ইন্সেন্টিভ সরাসরি প্রদান করবে বিকাশের মাধ্যমে। এর ফলে মাঠপর্যায়ে গ্রামীণফোন-এর আর্থিক ব্যবস্থাপনা হয়ে উঠবে আরো সহজ, স্বচ্ছ ও নিরাপদ। একই সাথে সুবিধাভোগীরা নিজ নিজ বিকাশ অ্যাকাউন্টে তাৎক্ষণিকভাবে ইনসেনটিভ গ্রহণ করে তা প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো সময় ব্যবহার করতে পারবেন।

আরো পড়ুন
মা-বাবার ভরণপোষণের দায়িত্ব কার, ইসলাম কী বলে

মা-বাবার ভরণপোষণের দায়িত্ব কার, ইসলাম কী বলে

 

সম্প্রতি রাজধানীর জিপি হাউসে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান, চিফ প্রোডাক্ট অফিসার সোলায়মান আলম, সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন বিভাগের প্রধান মো. শরীফ মাহমুদ খান এবং ডিস্ট্রিবিউশন বিভাগের প্রধান শেখ ইফতেখার আহমেদ। বিকাশ-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ, বিজনেস সেলস বিভাগের প্রধান মাসরুর চৌধুরী এবং টেলিকম পেমেন্টস বিভাগের ইভিপি ও প্রধান শাফায়াতুল ইসলাম খান।

এই চুক্তির অধীনে গ্রামীণফোন তার দেশব্যাপী ফিল্ড ফোর্সের (মাঠকর্মীদের) ইন্সেন্টিভ-এর অর্থ সরাসরি বিকাশ অ্যাকাউন্টে পাঠাতে বিকাশ-এর ‘ডিসবার্সমেন্ট সলিউশন’ ব্যবহার করবে। এর মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে আর্থিক ব্যবস্থাপনা যেমন দ্রুত, নিরাপদ ও কার্যকর হয় এবং পরিচালনগত জটিলতা হ্রাস পাবে।

আরো পড়ুন
সাভার ছাত্রদল নেতার তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে স্ত্রীর লাশ উদ্ধার

সাভার ছাত্রদল নেতার তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে স্ত্রীর লাশ উদ্ধার

 

এদিকে, এই সেবার সুবিধাভোগীরা দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিকাশ এজেন্ট পয়েন্ট বা এটিএম বুথ থেকে সহজেই তাদের প্রয়োজনমত অর্থ যে কোন সময় ক্যাশ আউট করে নিতে পারবেন। ক্যাশ আউট-এর পাশাপাশি তারা বিকাশ দিয়েও বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির মতো ইউটিলিটি সেবার বিল পরিশোধ, সেন্ড মানি, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সরকারি সেবার ফি পরিশোধ, সেভিংস খোলা, লোন নেয়া, রেমিটেন্স গ্রহণ, ই-টিকেটিং, অনুদান প্রদানসহ বিভিন্ন ধরনের সেবা নিতে পারবেন প্রয়োজন অনুযায়ী।

রিসার্চ ডটকম র‍্যাংকিংয়ে দেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইইউবি

অনলাইন ডেস্ক
রিসার্চ ডটকম র‍্যাংকিংয়ে দেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইইউবি
সংগৃহীত ছবি

রিসার্চ ডটকমের ‘বেস্ট ইউনিভার্সিটিজ ইন বাংলাদেশ ২০২৫-২৬’ র‍্যাংকিংয়ে দেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি)। বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আইইউবির অবস্থান তৃতীয়।

র‍্যাংকিংয়ে আইইউবির দুজন গবেষক, ৩৩২টি প্রকাশনা এবং সম্মিলিত এইচ-ইনডেক্স ১১৮ উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)।

রিসার্চ ডটকম বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষকদের গবেষণা কার্যক্রম বিশ্লেষণ করে র‍্যাংকিং প্রকাশ করে। গবেষণাপত্র, উদ্ধৃতি বা সাইটেশন, এবং গবেষণার প্রভাবসহ বিভিন্ন বিবলিওমেট্রিক সূচকের ভিত্তিতে এই র‍্যাংকিং করা হয়। এ জন্য ওপেনঅ্যালেক্স এবং ক্রসরেফের মতো আন্তর্জাতিক একাডেমিক ডেটাবেজ থেকে তথ্য নেওয়া হয়।

রিসার্চ ডটকমের মাইক্রোবায়োলজি বিষয়ের র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম অবস্থানে রয়েছে আইইউবি। এ ক্ষেত্রে আইইউবির ডিপার্টমেন্ট অব লাইফ সায়েন্সেসের অধ্যাপক ড. শাহ এম ফারুকের গবেষণা অবদান উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর প্রকাশনার সংখ্যা ১৫৩ এবং ডি-ইনডেক্স ৬৬।

এর আগে, নেচার ইনডেক্স র‍্যাংকিংয়ে দেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পায় আইইউবি। একই র‍্যাংকিংয়ে ফিজিকেল সায়েন্সেস বা পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে বাংলাদেশে প্রথম হয় বিশ্ববিদ্যালয়টি। রিসার্চ ডটকম র‌্যাঙ্কিংয়েও মাইক্রোবায়োলজিতে শীর্ষ অবস্থানের মাধ্যমে দুটি আন্তর্জাতিক গবেষণাভিত্তিক র‍্যাংকিংয়ে বিজ্ঞানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ শাখায় দেশের সেরা অবস্থান অর্জন করল আইইউবি।

আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম তামিম বলেন, ‘এই অর্জনগুলো প্রমাণ করে যে একাধিক বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে আইইউবির গবেষণা সক্ষমতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দৃশ্যমান হচ্ছে। মানসম্মত গবেষণার পরিবেশ তৈরি, শক্তিশালী গবেষক দল গঠন এবং আন্তর্জাতিক মানের কাজকে উৎসাহিত করাই আমাদের লক্ষ্য।’

সহ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ড্যানিয়েল ডব্লিউ লুন্ড বলেন, ‘গবেষণাভিত্তিক র‍্যাংকিং গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলো প্রকাশনা ও গবেষণার প্রভাবের মতো পরিমাপযোগ্য সূচকের ওপর নির্ভর করে। মাইক্রোবায়োলজি ও ফিজিক্যাল সায়েন্সেসে আইইউবির অবস্থান আমাদের শিক্ষক ও গবেষকদের কাজের মানকে তুলে ধরে।’

সংশ্লিষ্ট বিষয়ের গবেষকদের ডি-ইনডেক্সের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান নির্ধারণ করে রিসার্চ ডট কম। ডি-ইনডেক্স বা ডিসিপ্লিন এইচ-ইনডেক্স নির্দিষ্ট বিষয়ে একজন গবেষকের প্রকাশনা ও সাইটেশনের প্রভাব পরিমাপ করে। অন্যদিকে এইচ-ইনডেক্স একজন গবেষকের প্রকাশনার সংখ্যা ও সেগুলোর গবেষণা প্রভাব মূল্যায়নের বহুল ব্যবহৃত একটি সূচক।

র‍্যাংকিংয়ের জন্য ব্যবহৃত তথ্য ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর সংগ্রহ করা হয়। রিসার্চ ডটকম জানিয়েছে, এবারের র‍্যাংকিংয়ে বিভিন্ন বিষয়ের ২ লাখ ৭৯ হাজার ৯৭১ জন বিজ্ঞানীর প্রোফাইল বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

আরো ২ কোটি টাকা নিয়ে নারী হকির পাশে ব্র্যাক ব্যাংক

‘অপরাজেয় আলো’ কর্মসূচির মাধ্যমে ৫০০-এর বেশি নারী খেলোয়াড় পাবেন প্রশিক্ষণ

অনলাইন ডেস্ক
আরো ২ কোটি টাকা নিয়ে নারী হকির পাশে ব্র্যাক ব্যাংক
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশে নারী হকির অভূতপূর্ব সাফল্য এবং এই খাতে পূর্ববর্তী উদ্যোগগুলোর ইতিবাচক ফলাফলের ধারাবাহিকতায় ‘ব্র্যাক ব্যাংক অপরাজেয় আলো নারী হকি উন্নয়ন কর্মসূচি’ সম্প্রসারণে ২০২৬ সালের জন্য আরো ২ কোটি টাকার অঙ্গীকার করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাথে নতুন করে একটি অংশীদারি চুক্তি করেছে ব্যাংকটি।

এই বিনিয়োগের মাধ্যমে সারা বছরব্যাপী পরিচালিত হবে একটি সমন্বিত উন্নয়ন কর্মসূচি, যার লক্ষ্য নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করা, খেলোয়াড়দের দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের নারী হকি খেলোয়াড় তৈরির জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তোলা। এর আগে ব্র্যাক ব্যাংক অপরাজেয় আলো নারী হকি টুর্নামেন্ট ২০২৫ আয়োজনে প্রায় ১ কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছিল ব্র্যাক ব্যাংক।

সম্প্রতি ব্র্যাক ব্যাংকের ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে উদীয়মান নারী হকি খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। জেলা পর্যায়ে প্রতিভা অনুসন্ধান ও প্রশিক্ষণ, গোলরক্ষকদের জন্য বিশেষায়িত আবাসিক প্রশিক্ষণ, বিকেএসপির মেধাবী খেলোয়াড়দের জন্য শিক্ষাবৃত্তি এবং জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে খেলোয়াড়দের জন্য একটি সুস্পষ্ট উন্নয়নধারা তৈরি করা হবে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে ৫০০-এর বেশি নারী খেলোয়াড় পেশাদার প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন। নতুন খেলোয়াড়দের পাশাপাশি শীর্ষ পর্যায়ের খেলোয়াড়দের জন্যও থাকবে উন্নত প্রশিক্ষণ সুবিধা, যাতে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য আরও প্রস্তুত হয়ে উঠতে পারেন।

কর্মসূচির সমাপনী আয়োজন হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে ব্র্যাক ব্যাংক অপরাজেয় আলো নারী হকি টুর্নামেন্ট ২০২৬, যেখানে সারা দেশ থেকে উঠে আসা প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা নিজেদের সামর্থ্য প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন।

ইতোমধ্যেই এই উদ্যোগের ইতিবাচক ফল পাওয়া গিয়েছে। ২০২৫ সালের টুর্নামেন্ট থেকে ১১ জন নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে এসেছেন, যাদের মধ্যে চারজন এশিয়ান গেমস বাছাইপর্বে বাংলাদেশের দলে স্থান করে নিয়েছেন। এই নারী হকি দলই রানার-আপ হয়ে প্রথমবারের মতো এশিয়ান গেমসের বাছাই পর্ব উত্তীর্ণ হওয়ার সাফল্য অর্জন করে।

এ প্রসঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও, তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, ‘স্যার ফজলে হাসান আবেদ বিশ্বাস করতেন, বাংলাদেশের প্রতিভার কোনো অভাব নেই; অভাব রয়েছে সুযোগের। এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা এমন একটি শক্ত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলছি, যা তরুণীদের আত্মবিশ্বাস, মর্যাদা ও দক্ষতার সঙ্গে তাঁদের ক্রীড়া স্বপ্ন পূরণের সুযোগ করে দেবে। এটি শুধু খেলাধুলায় বিনিয়োগ নয়; এটি অন্তর্ভুক্তি, ক্ষমতায়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সম্ভাবনায় বিনিয়োগ।’

বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজুল হাসান (অব.) বলেন, ‘বাংলাদেশে নারী হকির সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল। ব্র্যাক ব্যাংকের ধারাবাহিক সহায়তা তৃণমূল পর্যায়ে খেলোয়াড় তৈরির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত একটি শক্তিশালী কাঠামো গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।’

অন্তর্ভুক্তি, ক্ষমতায়ন এবং দীর্ঘ মেয়াদি সুযোগ সৃষ্টিকে কেন্দ্র করে পরিচালিত ব্র্যাক ব্যাংকের কর্পোরেট দায়িত্বশীলতা (সিএসআর) কার্যক্রমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ‘অপরাজেয় আলো’। নারী ক্রীড়াবিদদের বিকাশে বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যাংকটি জেন্ডারসমতা প্রতিষ্ঠা এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান আরো সুদৃঢ় করতে অবদান রেখে চলেছে।

বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য ফ্রি গুগল এআই প্রো নিয়ে এলো টেকনো

ব্যবহারকারীরা ২ টেরাবাইট ক্লাউড স্টোরেজ, জিমেইলে জেমিনি এআই, স্মার্ট স্টাডি টুলস এবং উন্নত এআই ইমেজ এডিটিং উপভোগ করতে পারবেন

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য ফ্রি গুগল এআই প্রো নিয়ে এলো টেকনো
সংগৃহীত ছবি

এআই-নির্ভর গ্লোবাল প্রিমিয়াম স্মার্টফোন ব্র্যান্ড টেকনো বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের জন্য তিন মাসের অতিরিক্ত কোনো খরচ ছাড়াই নিয়ে আসছে গুগল এআই প্লাস। এর মাধ্যমে টেকনোর ব্যবহারকারীরা গুগলের কিছু সর্বাধুনিক এআই-নির্ভর টুলস এবং প্রিমিয়াম সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন, যা দৈনন্দিন কর্মক্ষমতা, সৃজনশীলতা এবং যোগাযোগকে আরো সাবলীল করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

এই অফারের মাধ্যমে নির্বাচিত ব্যবহারকারীরা গুগলের প্রিমিয়াম এআই ফিচারগুলো উপভোগ করতে পারবেন, যার মধ্যে রয়েছে ২ টেরাবাইট ক্লাউড স্টোরেজ, জিমেইলে জেমিনি এআই ইন্টিগ্রেশন, ন্যানো ব্যানানা ২-এর সাহায্যে উন্নত এআই-পাওয়ারড ইমেজ তৈরি ও এডিটিং এবং নিজের পছন্দ অনুযায়ী স্মার্ট পড়াশোনার ক্ষেত্রে জেমিনি ও নোটবুকএলএম ব্যবহারের সুযোগ। এই উদ্যোগটি দেখাচ্ছে যে টেকনো হার্ডওয়্যারের বাইরে গিয়ে ব্যবহারকারীদের প্রতিদিনের জীবনে কার্যকর সুবিধা দেয়।

এই অফারটির মধ্যে রয়েছে টেকনোর ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসগুলো, যার মধ্যে আছে ক্যামন ৫০ আলট্রা ৫জি, ক্যামন ৫০, পোভা কার্ভ ২ ৫জি, স্পার্ক ৫০ ৫জি, স্পার্ক ৫০ এবং স্পার্ক গো ৩, যেগুলো বাংলাদেশের গ্রাহকদের মধ্যে ইতিমধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। ১৪ মে ২০২৬ থেকে, যোগ্য গ্রাহকরা একটি সাধারণ ওটিএ আপডেটের মাধ্যমে এই অফারটি কাজে লাগাতে পারবেন এবং তাদের ফ্রি ট্রায়াল দাবি করার জন্য জেমিনি অ্যাপ বা গুগল ওয়ান অ্যাপ অ্যাক্সেস করতে পারবেন।

বিশ্বব্যাপী টেকনো এআই নিজেকে উদ্ভাবনে, এমডব্লিউসি ২০২৬ সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শিত অংশীদারি এবং ইকোসিস্টেমের উন্নয়নের একটি অন্যতম প্রধান পক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে চলছে। বাংলাদেশে এই গুগল এআই প্লাস অফারটি নিয়ে আসার মাধ্যমে স্থানীয় ব্যবহারকারীরা যাতে বিশ্বসেরা প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারেন, কোম্পানিটি মূলত সেই প্রতিশ্রুতিকেই তুলে ধরেছে।

এই অফারটি বাংলাদেশে নির্দিষ্ট টেকনো ব্যবহারকারীদের জন্য সময়ের জন্য এই অফারটি অ্যাক্টিভ করতে পারবেন। ব্যবহারকারীরা টেকনো বাংলাদেশের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিটের মাধ্যমে অথবা টেকনো বাংলাদেশের অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন।