• ই-পেপার

ফেনীতে মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা জব্দ

ভাঙ্গায় বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়ার সংঘর্ষ, আহত ৭

ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
ভাঙ্গায় বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়ার সংঘর্ষ, আহত ৭
ছবি: কালের কণ্ঠ

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে খাবার পরিবেশনের সময় গরুর মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে কমপক্ষের সঙ্গে তাদের আমন্ত্রিত প্রতিবেশীদের মধ্যে সংঘর্ষের হয়েছে। এতে কমপক্ষে দুই পক্ষের ৭ জন আহত হয়। এদের মধ্যে চারজনকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সোমবার (৮জুন) বিকেল ৩ টার দিকে ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের দেওড়া নয়াকান্দি গ্রামে সংর্ষের ঘটনা ঘটে। 

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সোমবার কালামৃধা ইউনিয়নের দেওড়া নয়াকান্দি গ্রামে লাভলু শেখের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। অনুষ্ঠানে খাওয়ার সময়  নিজ পক্ষের আমন্ত্রিত প্রতিবেশীদের কয়েকজন  মাংস কম দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। অন্যদিকে অতিথিদের মধ্যের কয়েক যুবক মাংস টেবিলের নিচে লুকিয়ে রাখছে বলে কনে পক্ষের লোকজন অভিযোগ করেন। এসব অভিযোগ পাল্টা অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাক বিতন্ডা শুরু হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। দুই পক্ষ লাঠি-সোটা ও ইট -পাটকেল নিয়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হয়। এদের মধ্যে ৪জনকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তারা হলেন আরিফ মিয়া, শহীদ মাতুব্বর, সোহরাব মাতুব্বর এবং মমতাজ বেগম। অন্যরা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। 

কালামৃধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল মাতুব্বর বলেন, বিয়ে বাড়িতে মাংস  কম দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এবং স্থানীয় কিছু সমস্যা থাকায়  দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এখানে মেয়ে পক্ষের সাথে বরপক্ষের কোন ঝামেলা হয়নি। যাদের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছে তারা মেয়ে পক্ষের আমন্ত্রিত অতিথি। সংঘর্ষের পরে বরসহ বরপক্ষের লোকজন মেয়ে বাড়িতে আসেন এবং বিয়ে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়। 

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘মেয়েপক্ষের বাড়িতে তাদের আমন্ত্রিত কিছু  অতিথিকে  মাংস কম দেয়া হয়েছে এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে তিনজন আহত ব্যক্তি ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। বিয়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। কোন পক্ষের কেউ থানায় কোন অভিযোগ করেনি।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাপের কামড়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাপের কামড়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় সাপের কামড়ে সাবিকুন্নাহার (১৩) নামের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার দেবিনগর ইউনিয়নের মাটিকাটাপাড়া চরহরিষপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সাবিকুন্নাহার ওই গ্রামের ইসাহাক আলীর মেয়ে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, বিকেলে নিজ বাড়ির একটি কক্ষে খাটের ওপর পা ঝুলিয়ে বসে ছিল সাবিকুন্নাহার। এ সময় একটি সাপ তার বাম পায়ের পাতায় কামড় দিলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে সদর থানার পরিদর্শক (অভিযান) আব্দুর রউফ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। পরিবারের আবেদনের পর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

পাকুন্দিয়ায় তিন মাদক কারবারিকে গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
পাকুন্দিয়ায় তিন মাদক কারবারিকে গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ
ছবি : কালের কণ্ঠ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় মাদক কারবারের অভিযোগে তিন ব্যক্তিকে আটক করে গণপিটুনির পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। সোমবার (৮ জুন) বিকেলে উপজেলার চরপলাশ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন চরপলাশ গ্রামের কেনু খলিফার ছেলে রতন মিয়া, আসাদ মোড়লের ছেলে সাফুল মিয়া এবং গিয়াস উদ্দীনের ছেলে ফারজুল।

স্থানীয়দের দাবি, চরপলাশ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকের বিস্তার ঘটেছে। মাদকসেবী ও কারবারিদের কারণে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী একাধিকবার মাদকবিরোধী সমাবেশ করে সংশ্লিষ্টদের এ পথ থেকে সরে আসার আহ্বান জানালেও তাতে কোনো পরিবর্তন হয়নি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে এলাকাবাসী ও ছাত্র-জনতা অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করে। পরে তাদের গলায় জুতার মালা পরিয়ে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

চরপলাশ গ্রামের বাসিন্দা বুলবুল মিয়া বলেন, ‘আটক ব্যক্তিরা এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি। তাদের কারণে এলাকার যুবসমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ কারণেই এলাকাবাসী তাদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।’

পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘উত্তেজিত জনতার কাছ থেকে তিনজনকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। তারা বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মামলা শেষে মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হবে।’

বাদাম তুলতে গিয়ে বজ্রাঘাতে যুবকের মৃত্যু

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
বাদাম তুলতে গিয়ে বজ্রাঘাতে যুবকের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

পঞ্চগড়ের সদর উপজেলায় ক্ষেতে বাদাম তোলার কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে মোকছেদুল ইসলাম (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। 

সোমবার (০৮ জুন) বিকেলে উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের লাঙ্গলগাঁও বড়বাড়ি এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।

এ সময়  নিহতের বাবা আবু হোসেন (৫২) ও বড় ভাই মোজাফফর হোসেন (৩৬) আহত হয়েছেন। 

স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের লাঙ্গলগাঁও বড়বাড়ি এলাকায় বাবা ও বড় ভাইয়ের সাথে নিজেদের বাদাম তোলার কাজ করছিলেন মোকছেদুল। এসময় বজ্রাঘাতে অচেতন হয়ে মাটিতেই লুটিয়ে পড়েন সবাই। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিবারের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোকছেদুলকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হয়।

পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আশরাফুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। পরে নিহতের মরদেহ সুরতহাল শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।