• ই-পেপার

ঢাকা জেলা প্রশাসক

প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিকে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রাথমিকে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে

শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি, শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে সরকার নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

আজ সোমবার (৬ জুলাই) সকালে রাজধানীর আগারগাঁও তালতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতির হার কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা হবে।

তিনি বলেন, দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সমাধান করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়ন, সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং কর্মপরিবেশ আরো উন্নত করতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, শহর ও গ্রামের শিক্ষার মানের বৈষম্য কমিয়ে সবার জন্য সমান মানের শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া বর্তমান শিক্ষা কাঠামোকে আরো সমৃদ্ধ করে নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন করা হবে, যেন শিক্ষার্থীদের পাঠ ও লিখন দক্ষতার ঘাটতি দূর করা সম্ভব হয়।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা আরো কার্যকর ও যুগোপযোগী হবে।

শিক্ষামন্ত্রী

ডিসেম্বরে পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীদের নতুন বই দিতে চায় সরকার

অনলাইন ডেস্ক
ডিসেম্বরে পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীদের নতুন বই দিতে চায় সরকার
ফাইল ছবি

ডিসেম্বরে চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়ার প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আজ সোমবার পাঠ্যপুস্তক প্রকাশ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভা শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিতে কাজ করছে সরকার। নভেম্বরের মধ্যে এ ব্যাপারে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সোমবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পাঠ্যপুস্তক প্রকাশ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী বলেন,  নতুন বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে যেন নতুন বই তুলে দেয়া যায়, সেই বিষয়ে সভা হয়েছে।

কারিকুলামে কিছুটা পরিমার্জন আসছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। বলেন, এবার আলাদা আলাদা শ্রেণিতে চারটি বই নতুন আসছে।

ছাপাখানার চ্যালেঞ্জ বিষয়ক ইস্যুতে সরকার প্রস্তুত আছে বলেও জানান তিনি।

গৌরবের ৭৩ বছরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

অনলাইন ডেস্ক
গৌরবের ৭৩ বছরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

পথচলার ৭৩ বছরে পদার্পণ করল দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদ্যাপীঠ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি)। ১৯৫৩ সালের ৬ জুলাই ছোট্ট পরিসরে যাত্রা শুরু করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি আজ রূপ নিয়েছে এক বিশাল আলোকবর্তিকায়।

গৌরবময় এই দীর্ঘ চত্বরে বিশ্ববিদ্যালয়টি যেমন দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন, জাতীয় নেতৃত্ব তৈরি ও জ্ঞানচর্চায় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে, তেমনই ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই মাহেন্দ্রক্ষণে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মনে জমা হয়েছে নতুন কিছু প্রত্যাশা। বিশেষ করে আবাসন সংকট দূরীকরণ, গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন ক্যাম্পাস গড়ে তোলাই এখন প্রধান দাবি হয়ে উঠেছে।

ব্রিটিশ আমলে এই অঞ্চলের শিক্ষার প্রসারে ১৮৭৩ সালে রাজশাহী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলেও পরে সেখানে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সংকুচিত হয়ে পড়ে। এরপরই রাজশাহীতে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলন শুরু হয়। ১৯৫০ সালে গঠন করা হয় ৬৪ সদস্যের কমিটি। আন্দোলনের একপর্যায়ে ১৫ জন ছাত্রনেতা কারাবরণও করেন।

অবশেষে প্রখ্যাত আইনজীবী মাদার বখশ ও প্রথম উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইতরাত হোসেন জুবেরীর প্রচেষ্টায় ১৯৫৩ সালের ৩১ মার্চ প্রাদেশিক আইনসভায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইন পাস হয় এবং ৬ জুলাই রাজশাহী কলেজে শুরু হয় এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা।

১৯৫২-র ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান, দেশের প্রতিটি বাঁক পরিবর্তনে রাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা রাজপথে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে গিয়ে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর গুলিতে শহীদ হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহার আত্মত্যাগ এ দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনকে বেগবান করেছিল।

বর্তমানে ৩০৩ দশমিক ৮০ হেক্টর আয়তনের এই সবুজ ক্যাম্পাসে বিদেশি শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৩৮ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন, যার প্রায় অর্ধেকই ছাত্রী। জ্ঞান বিতরণে নিয়োজিত আছেন প্রায় ১ হাজার ১০০ জন শিক্ষক। ১২টি অনুষদের অধীনে রয়েছে ৫৯টি বিভাগ ও একাধিক ইনস্টিটিউট। শিক্ষার্থীদের থাকার জন্য রয়েছে ১৭টি আবাসিক হল এবং গবেষকদের জন্য একটি আন্তর্জাতিক ডরমেটরি।

সুদীর্ঘ এই সময়ে রাবি তৈরি করেছে বহু কালজয়ী মানুষ। ভাষাবিজ্ঞানী ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক ও সেলিনা হোসেন, ইতিহাসবিদ আব্দুল করিম, তাত্ত্বিক বদরুদ্দীন উমর, নাট্যকার মলয় ভৌমিক, চলচ্চিত্র নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিম কিংবা ক্রিকেটার আল-আমিন হোসেনের মতো অসংখ্য গুণীজন এই ক্যাম্পাসেরই সৃষ্টি।

৭৩ বছরের দীর্ঘ পথচলায় আকাশচুম্বী সাফল্য থাকলেও আবাসন সংকট ও গবেষণায় সীমিত বরাদ্দের মতো কিছু চিরচেনা সমস্যা এখনো কাটেনি। বর্তমানে মাত্র ৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থী আবাসিক হলের সুবিধা পাচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের মতে, ক্যাম্পাসের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন আবাসন সংকট ও হলের সিট বাণিজ্য বন্ধ করা।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (৬ জুলাই) ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সকাল ১০টা ৫ মিনিটে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে উৎসবের সূচনা হবে। এরপর বেলুন-পায়রা ওড়ানো, আনন্দ শোভাযাত্রা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। বেলা সাড়ে ১১টায় সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। প্রধান আলোচক হিসেবে থাকবেন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর মো. রফিকুল ইসলাম।

এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে সংসদ সদস্য মো. শফিকুল হক মিলনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যদ্বয় উপস্থিত থাকবেন। বিকেলে স্টেডিয়ামে খেলাধুলা এবং সন্ধ্যায় কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।

জবি মার্কেটিং বিভাগের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

এআই ও শিল্পসংযোগের ওপর গুরুত্ব

জবি প্রতিনিধি
জবি মার্কেটিং বিভাগের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) মার্কেটিং বিভাগের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার দিনব্যাপী আলোচনা ও একাডেমিক সেশনের আয়োজন করা হয়। বিভাগের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভাগের দীর্ঘ পথচলা, একাডেমিক অর্জন, গবেষণা, ঐতিহ্য এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে একাডেমিয়া ও কর্পোরেট জগতের মধ্যে কার্যকর সংযোগ, আধুনিক বিপণন চর্চা এবং শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্‌দীন। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আনন্দ ও গর্বের বিষয়। দেশের স্বনামধন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিপুলসংখ্যক কর্পোরেট প্রতিনিধির উপস্থিতি অনুষ্ঠানের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি করেছে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, কর্পোরেট ব্যক্তিত্বদের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে নিজেদের ক্যারিয়ার পরিকল্পনা সুদৃঢ় করতে হবে।’ একই সঙ্গে তিনি মার্কেটিং শিক্ষার সামাজিক প্রাসঙ্গিকতা, পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় উদ্ভাবনী চিন্তার গুরুত্ব এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইমরানুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন এবং বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহা. আলী নূর। অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন মার্কেটিং বিভাগকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গৌরবোজ্জ্বল বিভাগ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বিভাগের অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলীর নেতৃত্ব, একাডেমিক মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের সাফল্যের প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে ‘মার্কেটিংয়ে শ্রেষ্ঠত্ব বিপণনে একাডেমিক গবেষণা ও অনুশীলন’ শীর্ষক আলোচনায় মার্কেটিং-এ বাস্তব অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে মার্কেটিংয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে মার্কেটিং বিষয়ে অভিজ্ঞ একাডেমিক ও কর্পোরেট ব্যক্তিত্বরা তাঁদের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। একইসাথে ‘ইন্ডাস্ট্রি ৪.০-এর অধীনে মার্কেটিং’ বিষয়ক আলোচনায় শিল্পখাতে সাম্প্রতিক মার্কেটিং কৌশল, শিল্প-চালিত মার্কেটিং উন্নয়ন, শিল্প-শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে মার্কেটিং শিক্ষার ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের বিভিন্ন সেশনে বিপণন বিষয়ে অভিজ্ঞ একাডেমিক এবং দেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্পোরেট প্রতিনিধি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তাদের মধ্যে ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং ডেনমার্কের অ্যালবর্গ ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. বখতিয়ার রানা, পঞ্চব্রীহি ধানের উদ্ভাবক ও কৃষাণ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ড. আবেদ চৌধুরী, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামদুদুর রশিদ, পূবালী ব্যাংক পিএলসির জেনারেল ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম, মেটলাইফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আলাউদ্দিন, বিডিজবসের হেড অব প্রোগ্রাম মো. আলী ফিরোজসহ দেশের খ্যাতনামা কর্পোরেট ব্যক্তিত্বরা।

বক্তারা মার্কেটিং বিভাগের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে শুধু একাডেমিক শিক্ষাই নয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং পরিবর্তিত বাজারব্যবস্থা সম্পর্কে সম্যক ধারণা অর্জন অত্যন্ত জরুরি।’ তাঁরা শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই ক্যারিয়ার পরিকল্পনা শুরু করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ভোক্তা আচরণ (কনজ্যুমার মার্কেট) সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন, ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সময়োপযোগী প্রস্তুতি গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম এবং সঞ্চালনায় ছিলেন অধ্যাপক ড. মাহ্‌মুদুল হাসান ফৈজী।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান আগামী ১০ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিনের কর্মসূচিতে বর্ণাঢ্য র্যাালি, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং অ্যালামনাই, বর্তমান শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে।