আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। দেশের সব শিক্ষাবোর্ডে এবার একই প্রশ্নপত্রে অনুষ্ঠিত হবে পরীক্ষা। আগামীকাল শুরু হয়ে এবার পরীক্ষা ১৫ আগস্টের মধ্যে শেষ হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।
প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁসের কোনো সম্ভাবনা নেই।
আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। যদি প্রশ্নফাঁসের মতো ঘটনা ঘটে, তাহলে সারা দেশে সেই দিনের পরীক্ষা স্থগিত করে পরে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে।
কিন্তু শিক্ষাবিদরা সব শিক্ষাবোর্ডে একই মানদণ্ড বজায় রেখে উত্তরপত্র মূল্যায়ন এবং প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধ করাই প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন।
পরীক্ষার্থীর সংখ্যা
এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ শিক্ষার্থী। যা গতবারের তুলনায় ১৯ হাজার ৪৭২ জন বেশি। ৯ সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন এবং মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২ লাখ ৮৬৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা
এ বছর সর্বমোট ২ হাজার ৯৯৭ কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে এর মধ্যে ১৪৫টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এরমধ্যে ৪০টিই ঢাকায়। এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু করতে প্রশ্নপ্রত্র বিতরণ, খাতা সংরক্ষণ, কোন ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে, শৌচাগার তল্লাশিসহ ৩৫টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, কোনো পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল ধরা পড়লে শুধু পরীক্ষার্থী নয়, সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





