• ই-পেপার

ঢাবি অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাইয়ের নেতৃত্বে ড. এম এ হালিম পাটোয়ারী ও ড. মাহমুদা আক্তার

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন
সংগৃহীত ছবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য ৩৩০ কোটি টাকার মূল বাজেট এবং ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের ২৩০ কোটি ৩২ লাখ ৫০ হাজার টাকার সংশোধিত বাজেট অনুমোদন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট।

সোমবার (২৯ জুন) উপাচার্যের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১১২তম (বিশেষ) সভায় এ বাজেট অনুমোদন করা হয়। সভায় বাজেট উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন। বাজেটের বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেন অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম।

অনুমোদিত বাজেট অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের পরিমাণ ২৩০ কোটি ৩২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) বরাদ্দ ২০২ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। অন্যদিকে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৩৩০ কোটি টাকার মূল বাজেটে ইউজিসির বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১৫৯ কোটি ১০ লাখ ৬৩ হাজার টাকা, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং ঘাটতি রয়েছে ১৪৩ কোটি ৩৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা।

বাজেটে গবেষণা খাতে ৮ কোটি টাকা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা খাতে ৩০ লাখ টাকা, অন্যান্য অনুদান খাতে ৬২ কোটি ৬ লাখ ৩৪ হাজার টাকা, যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকা, যানবাহন খাতে ৫ কোটি টাকা, তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য মূলধন খাতে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া বেতন-ভাতা বাবদ ১২৯ কোটি ৮০ লাখ ৬৬ হাজার টাকা এবং পণ্য ও সেবা খাতে ১০৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বৃত্তি বাবদ ৬০ কোটি টাকা এবং অস্থায়ী হল নির্মাণের জন্য ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাবও বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সিন্ডিকেট সভায় জানানো হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ইউজিসি গবেষণা অনুদান ও যানবাহন খাতের বরাদ্দ আপাতত স্থগিত রেখেছে। পাশাপাশি কয়েকটি খাতে চাহিদার তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ কম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে সংশোধিত বাজেটে এসব বরাদ্দ পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

উন্নয়ন বাজেটের আওতায় ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপন: ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৭৪৬ কোটি ৬ লাখ ৩১ হাজার টাকা। এর মধ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত উন্নয়ন বাজেট ৩৬৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা এবং প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ২০১ কোটি ২১ লাখ ১১ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকটের স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী হল নির্মাণে ৩০ কোটি টাকা এবং বিশেষ বৃত্তি বাস্তবায়নে ৬০ কোটি টাকাসহ মোট ১৪৩ কোটি ৩৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকার ঘাটতি পূরণে ইউজিসির মাধ্যমে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ প্রদানের জন্য জোর সুপারিশ করা হয়।

সভা শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বাজেট প্রণয়ন ও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার জন্য অর্থ কমিটির সদস্যবৃন্দ, ট্রেজারার, অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান

ঢাবিতে সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণার গতি-প্রকৃতি নিয়ে সেমিনার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবিতে সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণার গতি-প্রকৃতি নিয়ে সেমিনার
ছবি : কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশে সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণার অতীত ইতিহাস, সাম্প্রতিক প্রবণতা ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে বক্তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিগ ডেটা, জলবায়ু পরিবর্তন, নগরায়ণ ও সামাজিক রূপান্তরের প্রেক্ষাপটে সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণাকে নতুনভাবে এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি গবেষণার মানোন্নয়ন, পর্যাপ্ত অর্থায়ন, আন্তঃবিষয়ক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং গবেষণালব্ধ ফল নীতিনির্ধারণে কাজে লাগানোর ওপর জোর দেন তারা।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার থিয়েটার ভবনের চতুর্থ তলায় উচ্চতর সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের সেমিনার কক্ষে ‘স্টেট অব সোশ্যাল সায়েন্স রিসার্চ ইন বাংলাদেশ : পাস্ট হিস্টোরিজ, কনটেম্পোরারি ট্রেন্ডস অ্যান্ড ফিউচার ডিরেকশন’ শীর্ষক এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন উচ্চতর সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম বলেন, ‘সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নতুন সম্ভাবনা তৈরির পাশাপাশি মৌলিকত্ব ও গবেষণা নৈতিকতার প্রশ্নও সামনে এনেছে। এই পরিবর্তিত বাস্তবতায় গবেষণার নতুন পদ্ধতি ও মানদণ্ড তৈরির প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মত দেন। তিনি আরও বলেন, গত এক যুগে সমাজ ও রাষ্ট্রে যে পরিবর্তন এসেছে এবং শিক্ষার্থী ও তরুণদের মানসিকতায় যে রূপান্তর ঘটেছে, তা নিয়ে গভীর গবেষণা দরকার। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সমন্বিত উদ্যোগে সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা আরও সমৃদ্ধ হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।’

ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, নগরায়ণ, জলবায়ু পরিবর্তন, ডিজিটাল অর্থনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্যের মতো বিষয়গুলো এখন সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। তবে আন্তঃবিষয়ক গবেষণা, অর্থায়ন, আন্তর্জাতিক মানের অবকাঠামো এবং গবেষণার ফল নীতিনির্ধারণে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এখনো বড় সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তিনি প্রতিযোগিতাভিত্তিক অর্থায়ন, জাতীয় ডেটা আর্কাইভ, আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্ক এবং তরুণ গবেষকদের জন্য ফেলোশিপ ও আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।’

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণাকে শুধু ফলাফল উপস্থাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে এর জ্ঞানতাত্ত্বিক ভিত্তি, ঐতিহাসিক শিকড় ও পদ্ধতিগত কাঠামো নিয়ে গভীর আত্মসমালোচনা প্রয়োজন। ঔপনিবেশিক জ্ঞানতত্ত্ব ও পশ্চিমা তত্ত্বের ওপর নির্ভরশীলতা কাটিয়ে বাংলাদেশের নিজস্ব সমাজ বাস্তবতা থেকে স্থানীয় তত্ত্ব ও ধারণাগত কাঠামো গড়ে তুলতে হবে বলেও তিনি মত দেন। তিনি সামাজিক বিজ্ঞানকে সমাজের নিষ্ক্রিয় আয়না নয়, বরং যৌথ ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের সক্রিয় চালিকাশক্তি হিসেবে অভিহিত করেন।’

আলোচক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কাজী মারুফুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশকে শুধু জ্ঞানের ভোক্তা নয়, জ্ঞানের উৎপাদক হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হতে হবে।’ বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাবেক রেক্টর ড. এম আসলাম আলম বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গবেষণাভিত্তিক সহযোগিতা বাড়ানোর তাগিদ দেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. নিলয় রঞ্জন বিশ্বাস গবেষণাকে বাস্তব সমস্যা বিশ্লেষণ ও নীতিনির্ধারণে কার্যকরভাবে ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তারিকুল ইসলাম গবেষণায় মেন্টরশিপ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যৌথ গবেষণা উদ্যোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

সেমিনারের শেষ পর্বে শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রশ্নোত্তর ও মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

৪ বেসরকারি কলেজের নাম পরিবর্তনের অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক
৪ বেসরকারি কলেজের নাম পরিবর্তনের অনুমোদন

চারটি বেসরকারি কলেজের নাম পরিবর্তনের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। রবিবার (২৮ জুন) এসংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। এতে সই করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি কলেজ-৬ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মনজুরুল আলম।

প্রজ্ঞাপনের তথ্যানুযায়ী, বরিশাল অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার নাজিরপুর কলেজের নতুন নাম হবে শহীদ জিয়া কলেজ, নাজিরপুর, পিরোজপুর। একই সঙ্গে ভোলার চরফ্যাশনের জনতা বাজার কলেজের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে জনতা বাজার শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজ, চরফ্যাশন, ভোলা।

আরেকটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মৌলানা আছাদ আলী ডিগ্রি কলেজের নাম পরিবর্তন করে সৈয়দ সঈদউদ্দীন ডিগ্রি কলেজ, মাধবপুর, হবিগঞ্জ রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

একই দিনে জারি করা আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর আয়েশা ছিদ্দিক মহিলা কলেজের নাম পরিবর্তন করে আয়েশা ছিদ্দিক মডেল কলেজ রাখার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে সংশ্লিষ্ট বেসরকারি কলেজগুলোর নাম পরিবর্তনের অনুমতি নির্দেশক্রমে প্রদান করা হয়েছে।

চুরির অভিযোগে উপড়ে ফেলা হলো তরুণের দুই চোখ

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
চুরির অভিযোগে উপড়ে ফেলা হলো তরুণের দুই চোখ
সংগৃহীত ছবি

সিলেটের গোয়াইনঘাটে চুরির অভিযোগ তুলে খালেদ আহমদ (২০) নামের এক তরুণের দুই চোখ উপড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে উপজেলার শাহপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খালেদ উপজেলার লাকী গ্রামের সোনাই মিয়ার ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, রবিবার বিকেলে তোয়াকুল বাজারে যান খালেদ। সে সময় নৌকা চুরির অভিযোগ এনে তোয়াকুল ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের আহমদ আলীর ছেলে মোস্তাক আহমদ, তোতা মিয়ার ছেলে পছাই মিয়া, ময়না মিয়ার ছেলে সেলিম মিয়াসহ কয়েকজন সংঘবদ্ধভাবে তাকে অপহরণ করে শাহপুর গ্রামের মোস্তাক আহমদের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে তাকে বেধড়ক মারপিট করা হয়। এক পর্যায়ে হামলাকারীরা খালেদের দুই চোখ উপড়ে ফেলে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পরে খবর পেয়ে তার মা কুটনা বেগম হাসপাতালে আসেন।

তোয়াকুল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য লোকমান আহমদ বলেন, ‘খালেদকে তোয়াকুল বাজার থেকে শাহপুর গ্রামের মোস্তাকের নেতৃত্বে অপহরণ করা হয়। খবর পেয়ে তাকে ফোন দিয়ে খালেদকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ার অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু তারা তা শুনেনি।’

তোয়াকুল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ লোকমান বলেন, ‘খালেদ আহমদকে রবিবার বিকেলে তোয়াকুল বাজার থেকে শাহপুর গ্রামের কয়েকজন মিলে অপহরণ করে। সে সময় স্থানীয় মেম্বার লোকমান আহমদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তাকে উদ্ধার করতে বলি। কিন্তু দুর্বৃত্তরা মেম্বারের কথা শোনেনি। পুলিশে না দিয়ে তাকে বেধড়ক মারপিট করে তারা।’

এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, ‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত গোয়াইনঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’