• ই-পেপার

এলএলবি-বিবিএসহ ৪ পেশাদার বিষয়ে ভর্তি নিচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা রাবি ছাত্রদলের

রাবি প্রতিনিধি
ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা রাবি ছাত্রদলের
ছবি : কালের কণ্ঠ

নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো নেতাকর্মীকে ধরিয়ে দিতে পারলে নগদ ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদল। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে এক বিক্ষোভ মিছিল-পরবর্তী সমাবেশে এ ঘোষণা দেন শাখা ছাত্রদল সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী।

সমাবেশে সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত সবাইকে বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে রাহী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনগুলো ক্যাম্পাস ও রাজশাহী জেলাকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে। নেতাকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছি। এসব সংগঠনের কোনো নেতাকর্মীকে কেউ প্রকাশ্যে ধরিয়ে দিতে পারলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে তাকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।’

সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ বলেন, ‘বিগত ১৬ বছর ধরে দেশের জনগণ গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ছাত্র-জনতা হত্যার পরও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা দেখা যায়নি। তারা স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফিরতে চাইলেও দেশের জনগণ তাদের আর গ্রহণ করবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘যেখানেই তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করবে, সেখানেই ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।’

মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ‘ছাত্রলীগের আস্তানা ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ ,‘রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘ছাত্রলীগ বাড়িস না পিঠের চামড়া থাকবে না’, ‘খুনি হাসিনার আস্তানা ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘ধর ধর ধর কুত্তা ধর ধরে ধরে জেলে ভর’, ‘আপা আপা করিস না পিঠের চামড়া থাকবে না’, ‘ভারতের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘পাক-ভারতের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধানসহ’ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

২০২৮ সালের পর প্রাথমিকে কোনো অপ্রশিক্ষিত শিক্ষক থাকবেন না : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
২০২৮ সালের পর প্রাথমিকে কোনো অপ্রশিক্ষিত শিক্ষক থাকবেন না : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

২০২৮ সালের মধ্যে সারা দেশে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি বলেছেন, শিক্ষার প্রকৃত উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে সম্ভব নয়, এর জন্য প্রয়োজন দক্ষ শিক্ষক, যুগোপযোগী কারিকুলাম এবং শিশুদের জন্য আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ।

তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে শিশুকে। এমন শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে যাতে শেখা তাদের কাছে বোঝা না হয়ে আনন্দের বিষয় হয়ে উঠে।

সোমবার রাজধানীর বসুন্ধরায় ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ-এর মাল্টিপারপাস হলে আইইউবি এবং বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্কের যৌথ আয়োজনে আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট নীতিমালা শীর্ষক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে কারিকুলাম পুনর্বিন্যাসের কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। এ সময় তিনি এনসিটিবিকে অযাচিত প্রভাবমুক্ত রেখে পেশাগতভাবে স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষকের জীবনমান উন্নয়ন ছাড়া শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়। একজন শিক্ষক যদি আর্থিক, সামাজিক ও পেশাগতভাবে সম্মানজনক জীবনযাপন করতে না পারেন, তাহলে শিক্ষাব্যবস্থার কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন কখনোই অর্জন করা যাবে না।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে ওয়ান-শিফটে রূপান্তরের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই শিফটের কারণে অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ পাচ্ছে না। তাই পর্যায়ক্রমে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ওয়ান-শিফট স্কুলে রূপান্তর করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

শিক্ষক প্রশিক্ষণের বিষয়টি উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, ২০২৮ সালের পর দেশের কোনো প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষে অপ্রশিক্ষিত শিক্ষক পাঠদান করবেন না। সরকারি, বেসরকারি, কিন্ডারগার্টেন কিংবা ইংরেজি মাধ্যম সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এই নীতি প্রযোজ্য হবে।

আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ম.তামিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ, আইইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। 

১৩ বছরে কুবিতে ভর্তি হয়নি বিদেশি শিক্ষার্থী

প্রসেনজিত দাস, কুবি
১৩ বছরে কুবিতে ভর্তি হয়নি বিদেশি শিক্ষার্থী
ছবি: কালের কণ্ঠ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) চলমান ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম প্রায় শেষের পথে। এরমধ্যে কোন আবেদন আসেনি বিদেশি শিক্ষার্থীদের থেকে। সর্বশেষ ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের পর থেকে যাবৎ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আগ্রহ দেখায়নি কোন শিক্ষার্থী। দীর্ঘদিনে এ সংক্রান্ত কোন উদ্যোগও নিতে দেখা যায়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের অ্যাকাডেমিক শাখা থেকে জানা যায়, ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরুর চার বছর পর ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে আইসিটি বিভাগে মো. জাহাঙ্গীর, মাধব কাহার গৌদ ও সিএসই বিভাগে মিথালেশ কুমার মুখিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এরপর সর্বশেষ ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে সিএসই বিভাগে ভর্তি হন সাজিদ ইকবাল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ বছরে ভর্তি হয়েছেন কেবল এই চারজন বিদেশি শিক্ষার্থী। তারপর আর কেউ ভর্তি হননি, কুবিতে ভর্তি হওয়ার আগ্রহও দেখায়নি কেউ।

এর আগে ২০২০-২১, ২০২১-২২, ২০২২-২৩ এবং ২০২৩-২৪ এই চার শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ ভর্তি পদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয় অন্তর্ভুক্ত থাকায় বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয়ে আলাদা কোনো উদ্যোগ নিতে পারেনি বলে জানিয়েছিল তৎকালীন প্রশাসন। তবে গত ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে স্বতন্ত্র পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিলেও নেওয়া হয়নি কোনো উদ্যোগ। ফলে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যাটা সম্প্রতি শূন্যের বৃত্তেই প্রতিবছর আবর্তিত হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ক্যাম্পাসে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি না হওয়ার পেছনে রয়েছে অসংখ্য কারণ। এরমধ্যে, পরীক্ষার ফলাফল তৈরিতে দীর্ঘসূত্রিতা, বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা না থাকা, বৈশ্বিক র‌্যাংকিংয়ে না থাকা, গবেষণায় পিছিয়ে থাকা, বিদেশি শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আলাদা কোন নীতিমালা না থাকা, শ্রেণিকক্ষে বাংলায় পাঠদান, আবাসিকতার সংকট, স্কলারশিপ ব্যবস্থা না থাকা, প্রতিকূল পরিবেশ, পর্যাপ্ত নিরাপত্তার অভাব, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পিছিয়ে থাকা ইত্যাদি। 

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেগা প্রজেক্ট নির্মাণাধীন নতুন ক্যাম্পাস নিয়ে সকলে আশার বাণী শোনালেও, সেখানের পরিকল্পনায়ও রাখা হয়নি বিদেশি শিক্ষার্থীদের নিয়ে কোন ভাবনা। তাদের ভবিষ্যৎ আবাসনের জন্য রাখা হয়নি আন্তর্জাতিক কোন হল কিংবা ডর্ম। ফলে বিদেশি শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতেও কুবিতে আগ্রহ দেখাবে কিনা, সেটা নিয়েও দেখা দিয়েছে আশঙ্কা।

বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তিসংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিদেশি শিক্ষার্থীদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রাপ্ত আবেদন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে প্রেরণ করা হয়। পরবর্তীকালে, উক্ত আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের তাদের দাখিলকৃত পাসপোর্টসহ যাবতীয় সনদপত্রসমূহ পরীক্ষাপূর্বক ভর্তি করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়কে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ কর্তৃক প্রাথমিক অনুমতি প্রদান করা হয়।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, মন্ত্রণালয়ের পদ্ধতি ছাড়াও, সরাসরি ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে কোনো নির্দেশনা না থাকলেও ভর্তি আবেদনের নির্দিষ্ট সময়সীমায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ই-মেইল ঠিকানায় মেইলের মাধ্যমে কেউ আগ্রহ প্রকাশ করলে সেক্ষেত্রে ভর্তি প্রক্রিয়ার কার্যক্রম শুরু হতো। তবে, ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ছাড়াও কোনো বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি-ইচ্ছুক হয়ে মেইল পাঠালে তাকে পরবর্তী শিক্ষাবর্ষে অন্তর্ভুক্ত করার কার্যক্রম শুরু করতে পারবে প্রশাসন।

সম্প্রতি বৈশ্বিক শিক্ষার বাজারে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ পরিধি বৃদ্ধির লক্ষ্যে গতবছরের ২৯ অক্টোবর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তর চালু করা হয়েছে। এর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবে রয়েছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মশিউর রহমান। 

এই দপ্তর চালু হওয়ার পর বেশ কয়েকটি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এরমধ্যে তুরস্ক এবং মালয়েশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে শিক্ষার্থী বিনিময় চুক্তির আওতায় কার্যক্রমও চলমান। এই বিষয়টিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিদেশি শিক্ষার্থীদের এখানে না আসার পেছনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অসংখ্য সীমাবদ্ধতা এবং সংকটকে তুলে ধরে দপ্তরটির পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মশিউর রহমান বলেন, ‘এখানে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি না হওয়ার পেছনে অনেক কারণ রয়েছে। এখান রেজাল্ট কখন দেয়, সেটার কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। কিন্তু তাদের তো এখানে অবস্থান করার একটা নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে। ফলে এটার কোন সমাধান নেই এখানে। যে কারণে তারা এখানে আগ্রহী হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে কোনো কোর্স, শিক্ষক প্রোফাইল নিয়ে ডিটেইলস নাই। ফলে তারা কিছু জানতে পারছে না। না জানলে আসবে কীভাবে?’

এর জন্যে আন্তর্জাতিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিত বাড়ানোর কথা জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, কুবি কয়টা আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেয়? এখানে যদি আমাদের পরিচিতিই না থাকে, তাহলে বিদেশিরা জানবে কীভাবে আমাদের সম্পর্কে। এর জন্য তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন এবং যোগদানের দিকে মনোযোগ দেওয়ার কথা বলেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ বছরে ভর্তি হওয়া মাত্র চারজন বিদেশি শিক্ষার্থীর প্রত্যেকেই প্রকৌশল অনুষদভুক্ত আইসিটি এবং সিএসই বিভাগের ছিলেন। এনিয়ে আক্ষেপ রয়েছে অনুষদটিতেও। 

প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. তোফায়েল আহমেদ বলেন, মাধব-জাহাঙ্গীর আমারই স্টুডেন্ট ছিলো। তারা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করেছিল, তারপর আমাদের এখানে তখন ভর্তি হয়েছিল। এখন অনেক বছর এখানে ভর্তি নেই। 

আলাদা নীতিমালা প্রণয়ন নিয়ে তিনি বলেন, নীতিমালা করলে সেটা শিক্ষার্থীবান্ধব করতে হবে, যেন সরাসরি আবেদন করতে পারে। তাদের ভাষাগত অসুবিধা হবে কিনা সেটাও দেখতে হবে। বিদেশির বেশিরভাগই প্রযুক্তিগত বিষয় পড়তে আসে। আমাদের এখানে থাকা সুযোগ-সুবিধার ভিত্তিতে তারা এখানে চয়েজ করবে কিনা, এটাও দেখতে হবে। আবেদনের প্রক্রিয়াটা সহজ করতে হবে। তাদেরকে নিরাপদ আবাসন, সুযোগ-সুবিধা দিতে পারলে তারা হয়ত আকৃষ্ট হবেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নুরুল করিম চৌধুরী বলেন, এখানে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়া উচিত। পূর্বে ভর্তি হয়েছিল কিন্তু এখন যেহেতু হচ্ছে না, বিষয়টি আমাদের উপাচার্য স্যারের কাছে উপস্থাপন করব। কীভাবে সমাধান করা যায়, সেটি নিয়ে আলোচনা করব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশামতো র‌্যাংকিংয়ে পৌঁছাতে পারিনি। তারমধ্যে আমাদের ওয়েবসাইট আপডেট না হওয়ায় সেখানে পর্যাপ্ত তথ্য নেই। তাদের আবাসন সংকট রয়েছে, কোর্স সম্পর্কিত তথ্য থাকে না। আমরা সবকিছু নিয়েই ভাবছি। আমরা আমাদের ঘাটতিগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি।’

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কারিগরি শিক্ষার ভূমিকায় সেমিনার

পাবনা প্রতিনিধি
চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কারিগরি শিক্ষার ভূমিকায় সেমিনার
ছবি: কালের কণ্ঠ

পাবনায় চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কারিগরি শিক্ষার ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২২জুন ) সকালে পাবনা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের হল রুমে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কারিগরি শিক্ষার ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। 

পাবনা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মো. সামসাদ খলিলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা ডাইনামিক সান পাওয়ার প্রাইভেট লিমিটেডের প্লান্ট ম্যানেজার মো. জহুরুল ইসলাম, পাবনা টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. সিদ্দিকুর রহমান, পাবনা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোকসেদুল আলম। 

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পাবনা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের উপাধ্যক্ষ মো. হুমায়ুন কবির। 

সেমিনারে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এসেট প্রজেক্টের প্রোগ্রাম অফিসার প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম, পাবনা স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালের ম্যানেজার মো. আব্দুল খালেক, পাবনা সাইদ সাইমন এগ্রোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফরিদুল ইসলাম। 

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পাবনা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান। 

সেমিনারে আলোচকরা বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের মূল চালিকাশক্তি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা : এটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের মস্তিস্ক। বিপুল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণ করে প্যাটার্ন খুঁজে বের করা, ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পূবাভাস দেওয়া এবং মানুষের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এআইকে এই বিপ্লবের কেন্দ্রে স্থাপন করেছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে। 

সেমিনার অনুষ্ঠানে পাবনার বিভিন্ন সরাসরি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।