• ই-পেপার

ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানার

প্রথম বছরেই ২৩৩ কোটি টাকা মুনাফা

ফের বাড়ল সোনার দাম

অনলাইন ডেস্ক
ফের বাড়ল সোনার দাম

একদিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। যা আজ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। এ দিন প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

দাম বাড়ার পর আজ সোনার ভরি কত?

অনলাইন ডেস্ক
দাম বাড়ার পর আজ সোনার ভরি কত?

দেশের বাজারে গতকাল বৃহস্পতিবার আবারও সোনার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ‍জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এ দিন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, যা গতকাল সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। 

এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গয়না ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গয়না বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গয়না বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।

৮০ হাজার কোটি রাজস্ব ঘাটতি

২০২৫-২৬ অর্থবছর

অনলাইন ডেস্ক
৮০ হাজার কোটি রাজস্ব ঘাটতি

শেষ মুহূর্তের জোরালো প্রচেষ্টায় সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছে। তবে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকার বিপরীতে ঘাটতি থাকছে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা। যদিও অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা ছিল, চলমান অর্থনৈতিক মন্দার কারণে এ ঘাটতি ১ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিন।

এনবিআর কর্মকর্তারা বলছেন, কঠোর নজরদারি, কর ফাঁকি রোধে অভিযান, উন্নত পরিকল্পনা এবং কর কমপ্লায়েন্স জোরদারের ফলে সম্ভাব্য বড় ঘাটতি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

গত বুধবার নতুন অর্থবছর ২০২৬-২৭-এর রাজস্ব আহরণ কৌশল নির্ধারণে এনবিআরের আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক বিভাগের টাস্কফোর্সগুলো অর্থ উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল তিতুমীরের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে তিন বছরের একটি মধ্যমেয়াদি রাজস্ব কৌশল প্রণয়নের সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘আগামী তিন বছরের জন্য এমন একটি রাজস্ব কৌশল তৈরি করা হবে, যেখানে রাজস্ব আহরণের সম্ভাব্য উৎস এবং সরকারি ব্যয়ের অগ্রাধিকার খাত নির্ধারণ করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে জুন পর্যন্ত রাজস্ব আহরণে উল্লেখযোগ্য গতি এসেছে। করের আওতা সম্প্রসারণ এবং রাজস্ব ফাঁকির সুযোগগুলো ধীরে ধীরে বন্ধ করা হচ্ছে।’ নবনিযুক্ত এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিব জানান, বুধবার পর্যন্ত রাজস্ব আদায় দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা। অর্থবছরের শেষ দিনের হিসাব সমন্বয়ের পর আরো প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা যুক্ত হবে। ফলে মোট রাজস্ব আদায় ৪ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাবে। তিনি বলেন, ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়ন পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথম দিনেই এনবিআর কাজ শুরু করেছে। রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে লিখিত কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং গত তিন মাসে টাস্কফোর্সগুলোর কার্যক্রম ইতিবাচক ফল দিয়েছে।’

এনবিআর সূত্র জানান, শুল্ক ও ভ্যাট বিভাগ ইতোমধ্যে তাদের রাজস্ব আহরণ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। আয়কর বিভাগও শিগগিরই তাদের কৌশল চূড়ান্ত করবে। এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, নতুন বাজেটে বিনিয়োগবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি রাজস্ব বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। টার্নওভারভিত্তিক ভ্যাটব্যবস্থা, খুচরা বিক্রেতাদের সরবরাহের ওপর ০.২ শতাংশ অগ্রিম আয়কর এবং কর ফাঁকির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য পূরণ হলো না

অনলাইন ডেস্ক
রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য পূরণ হলো না
সংগৃহীত ছবি

রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য পূরণ হলো না। এমনকি আগের অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি থেকে যে আয় হয়েছিল এবার অর্জিত আয় তার চেয়েও কম। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। আর সরকার যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল, তার চেয়েও প্রায় ১৩ শতাংশ কম হয়েছে রপ্তানি আয়।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) গতকাল রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ৫০০ কোটি ডলার। দেখা যাচ্ছে, লক্ষ্যের চেয়ে প্রায় ৭০০ কোটি ডলার রপ্তানি আয় কমেছে। এ ছাড়া ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় এসেছিল ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ৩৯ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের চেয়েও রপ্তানি আয় কমে গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধ দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে তৈরি পোশাকের প্রধান বাজার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক খাতের রপ্তানি কমে যায়। ইপিবির তথ্য বলছে, সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে ৩ হাজার ৮৭০ কোটি ১১ লাখ ডলার আয় হয়েছে। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ কম। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পোশাক রপ্তানি থেকে ৩ হাজার ৯৩৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার আয় করেছিলেন এ খাতের রপ্তানিকারকরা। অর্থাৎ, রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক খাত থেকে আয় কমায় গত অর্থবছরে সামগ্রিক রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে।