• ই-পেপার

তিস্তার ভাঙনে কয়েক মাসেই বিলীনের পথে নতুন তীর সংরক্ষণকাজ

কর্ণফুলীতে রডবোঝাই ট্রাক বিলে পড়ে আহত ৩

কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
কর্ণফুলীতে রডবোঝাই ট্রাক বিলে পড়ে আহত ৩
ছবি: কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় ব্রেক বিকল হয়ে নিয়ন্ত্রণ হারানো রডবোঝাই একটি ট্রাক বিলে উল্টে পড়ে ট্রাকে থাকা ৩ শ্রমিক প্রায় ৮টন রডের নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। তবে চালক ও তার সহকারী (হেলপার) লাফ দিয়ে প্রাণ রক্ষা করেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার টানেল সংযোগ সড়কের বড়উঠান ডাকপাড়া এলাকায় শরাফত অ্যান্ড ব্রাদার্স পেট্রল পাম্পের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- বাঁশখালী উপজেলার আক্তার হোসেন (৪২), হামিরচর এলাকার রাসেল (৩৫) এবং কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বাহাদুর (৩৮)। তারা সবাই ট্রাকটির শ্রমিক।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম শহর থেকে ৮ টন রড নিয়ে কেএসআরএমের একটি ট্রাক আনোয়ারার উদ্দেশে রওনা হয়। বড়উঠান ডাকপাড়া এলাকায় পৌঁছানোর পর ট্রাকটির ব্রেক বিকল হয়ে যায়। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেটি সড়ক ছেড়ে পাশের বিলে উল্টে পড়ে।

দুর্ঘটনার মুহূর্তে চালক ও হেলপার ট্রাক থেকে লাফিয়ে বের হতে সক্ষম হলেও পেছনে থাকা তিন শ্রমিক রডের স্তূপের নিচে আটকা পড়েন। খবর পেয়ে কর্ণফুলী মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালান। প্রায় ১৫ মিনিটের চেষ্টায় তিন জনকেই জীবিত উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর আহতদের প্রথমে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কর্ণফুলী মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে রডের নিচে চাপা পড়া তিন শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরিয়ে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।’

কর্ণফুলী থানার ওসি মো. ইফতেখার উদ্দিন বলেন, ‘দুর্ঘটনার ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

নলডাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ভস্মীভূত

নাটোর প্রতিনিধি
নলডাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ভস্মীভূত
ছবি: কালের কণ্ঠ

নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার পিপরুল ইউনিয়নের সর্দারপাড়া গ্রামে গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডে দুটি কাঁচা বসতঘর, একটি অটোরিকশার আংশিক অংশ, তিনটি গরুসহ আসবাবপত্র পুড়ে ছাই গেছে। এছাড়া আগুনে দগ্ধ হয়েছেন এক গৃহবধূ। গুরুতর অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত আদম আলী উপজেলার পিপরুল ইউনিয়নের সর্দারপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ ইছাক আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশাচালক।

স্থানীয়রা জানান, গভীর রাতে হঠাৎ একটি ঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন পাশের ঘরেও ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের লেলিহান শিখায় দুটি কাঁচা বসতঘর, তিনটি গরু, ঘরে থাকা প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র এবং আদম আলীর অটোরিকশার ওপরের অংশ পুড়ে যায়। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আগুনে আদম আলীর স্ত্রী গুরুতর দগ্ধ হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নলডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে তাদের পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়দের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে আনুমানিক আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’

নলডাঙ্গা থানার ওসি নুরে আলম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত শেষে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত হওয়া যাবে।’

মির্জা ফখরুল

রাজনীতিবিদদের ভুল ধরে সঠিক পথ দেখানো সাংবাদিকদের দায়িত্ব

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
রাজনীতিবিদদের ভুল ধরে সঠিক পথ দেখানো সাংবাদিকদের দায়িত্ব
সংগৃহীত ছবি

রাজনীতিবিদদের ভুল-ত্রুটি ধরে সঠিক পথ দেখানো সাংবাদিকদের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, সাংবাদিকরা সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলবেন। যে দেশের গণমাধ্যম যত শক্তিশালী, সে দেশের গণতন্ত্র তত শক্তিশালী। 

শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের আনিসুল হক মিলনায়তনে প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, রাজনীতিবিদরা সমালোচনার ঊর্ধ্বে নন। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে গিয়ে ভুল-ত্রুটি হতেই পারে। সেই ভুল তুলে ধরিয়ে দিয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত গণমাধ্যমের দায়িত্ব। এই সংবাদ প্রকাশের জন্য অনেক সময় সাংবাদিকরা হামলা ও হয়রানির শিকার হন, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি আরো বলেন, ব্যক্তি নয়, কাজকে মূল্যায়ন করতে হবে। যারা ভালো কাজ করবেন, তাদের সাফল্য যেমন তুলে ধরতে হবে, তেমনি অনিয়ম, দুর্নীতি ও জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধেও নির্ভয়ে সংবাদ প্রকাশ করতে হবে।

সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে দুটি নতুন উপজেলা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং এ-সংক্রান্ত কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তবে শুধু অবকাঠামো নির্মাণ করলেই চলবে না, উপজেলা পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি ও এনটিভির স্টাফ রিপোর্টার লুৎফর রহমান মিঠু, সাধারণ সম্পাদক ও একাত্তর টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার তানভীর হাসান তানুসহ জেলার প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
 

একই দিনে দুই নারীর রহস্যজনক মৃত্যু, থানায় পৃথক অপমৃত্যুর মামলা

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
একই দিনে দুই নারীর রহস্যজনক মৃত্যু, থানায় পৃথক অপমৃত্যুর মামলা
ছবি: কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের পটিয়ায় একই দিনে দুই নারীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। একজনকে কবরস্থান থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু হয়। অন্যজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয় শ্বশুরবাড়ি থেকে।

এর মধ্যে কুসুমপুরা ইউনিয়নের কবরস্থান থেকে উদ্ধার হওয়া তরুণীর পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। তিনি সুমী আক্তার (২১)। অন্যদিকে কোলাগাঁও ইউনিয়নে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার হওয়া গৃহবধূর নাম সোনিয়া আক্তার (৩০)।

পৃথক এ দুই ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে পটিয়া থানায় দুটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পটিয়া থানার ওসি (তদন্ত) যুযুৎসু যশ চাকমা। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, পারিবারিক তথ্য, ঘটনাস্থলের আলামত ও স্বজনদের বক্তব্য বিশ্লেষণ করছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ল্যাংগার দোকানসংলগ্ন কবরস্থান থেকে অচেতন অবস্থায় এক তরুণীকে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। পরে তাকে দ্রুত পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

প্রথমে ওই তরুণীর পরিচয় জানা না গেলেও পরে স্বজনরা তাকে সুমী আক্তার (২১) হিসেবে শনাক্ত করেন। তিনি কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর চরলক্ষ্যা এলাকার মো. আইয়ুব আলীর মেয়ে এবং মো. আব্দুল্লাহর স্ত্রী।

নিহত সুমীর চাচাতো ভাই মো. শওকত জানান, প্রায় তিন মাস আগে পাশের এলাকায় সুমীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে পরিবারের দাবি। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে সুমী বাবার বাড়ি থেকে কাউকে কিছু না বলে বেরিয়ে যান। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্ট দেখে পরিবার জানতে পারে, পটিয়ার কুসুমপুরা এলাকার একটি কবরস্থান থেকে অচেতন অবস্থায় এক তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে হাসপাতালে গিয়ে তারা নিশ্চিত হন, তিনিই সুমী।

স্থানীয়দের তথ্যমতে, সুমীকে উদ্ধারের সময় তার পাশ থেকে একটি বিষের বোতল পাওয়া যায়। এতে প্রথমে বিষপানের সন্দেহ তৈরি হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা প্রাথমিক পরীক্ষায় বিষক্রিয়ার কোনো সুস্পষ্ট আলামত পাননি।

অন্যদিকে, একই দিন উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছবির মার্কেট এলাকার আনোয়ার শাহ মাজারসংলগ্ন নিজ বাড়িতে সোনিয়া আক্তার (৩০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়। তিনি ওই এলাকার মো. নুর ইসলামের স্ত্রী এবং নুর মোহাম্মদের মেয়ে।

পরিবারের সদস্যদের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে কোনো এক সময় এ ঘটনা ঘটে। ওই সময় সোনিয়া সন্তানদের নিয়ে বাড়িতে ছিলেন। পরে পরিবারের অন্য সদস্যরা খাবার খেতে এসে শয়নকক্ষে তাকে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন।

দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ আবার বাড়িতে নেওয়া হয়। খবর পেয়ে বিকেল ৫টার পর পটিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

একই দিনে দুই নারীর এ মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সুমী কীভাবে কর্ণফুলী থেকে পটিয়ার কুসুমপুরার কবরস্থানে পৌঁছালেন, তার পাশের বিষের বোতলটি কোথা থেকে এলো এবং তিনি আদৌ বিষপান করেছিলেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। একই ভাবে কোলাগাঁওয়ের গৃহবধূ সোনিয়া আক্তারের মৃত্যুর পেছনে পারিবারিক কলহ, মানসিক চাপ নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, সেটিও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক বলেন, একই দিনে দুই নারীর মৃত্যুর ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে পৃথকভাবে দুটি অপমৃত্যুর মামলা করেন। কুসুমপুরা থেকে উদ্ধার হওয়া সুমী আক্তারের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে কোলাগাঁওয়ের সোনিয়া আক্তারের মৃত্যুর ঘটনাও তদন্তাধীন রয়েছে।

তিনি আরো জানান, দুই ঘটনাতেই পরিবারের সদস্য, স্থানীয় লোকজন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। কোনো ধরনের অসঙ্গতি, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, আত্মহত্যা কিংবা অপরাধমূলক সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, সেগুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দুটি মরদেহই চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। শুক্রবার ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এখনো পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।