• ই-পেপার

পর্তুগালে নিষিদ্ধ বই নিয়ে লাইব্রেরি চালু করলেন দুয়া লিপা

টেইলর সুইফটের বিয়ের উৎসব শুরু

বিনোদন ডেস্ক
টেইলর সুইফটের বিয়ের উৎসব শুরু
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বসংগীতের তারকা টেইলর সুইফট ও মার্কিন এনএফএল তারকা ট্রাভিস কেলসির বিয়ে নিয়ে জল্পনা যেন শেষই হচ্ছে না। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের ছুটির সপ্তাহান্তে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে বসতে যাচ্ছে এই বহুল আলোচিত আয়োজন। যদিও এখন পর্যন্ত বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেননি এই তারকা জুটি।

এদিকে, কিছু গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, আনুষ্ঠানিক আয়োজনের আগেই টেইলর ও ট্রাভিস আইনিভাবে বিয়ে সম্পন্ন করেছেন। 

রয়টার্সের বরাত দিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে নিউইয়র্ক পোস্টের ‘পেজ সিক্স’-এর তথ্য উল্লেখ করে বলা হয়, ঘনিষ্ঠ কয়েকজন স্বজনকে নিয়ে তারা ব্যক্তিগতভাবে বিয়ের শপথ বিনিময় করেছেন। তবে ঠিক কবে বা কোথায় সেই অনুষ্ঠান হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

Workers make arrangements inside the Madison Square Garden

নিউইয়র্ক সিটির প্রকাশিত একটি বিশেষ ইভেন্ট পারমিটে ‘স্পেশাল ইভেন্ট অ্যাট এমএসজি’-এর সূচিও উল্লেখ রয়েছে। সেখানে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রায় ১০০ অতিথিকে নিয়ে একটি ‘প্রি-পার্টি সেলিব্রেশন’ বা রিহার্সাল ডিনারের আয়োজন করা হয়েছে। এরপর রাতভর ভেন্যুর আশপাশের সড়ক বন্ধ রাখা হবে।

শুক্রবার বিকেল থেকে ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনসংলগ্ন কয়েকটি সড়কে যান চলাচল সীমিত থাকবে। পথচারীদের চলাচলেও আংশিক বিধিনিষেধ থাকবে এবং কাছের পেন স্টেশন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে। 

পারমিট অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা ৫টায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে ‘মেইন ইভেন্ট’, যা শনিবার ভোর পর্যন্ত চলতে পারে।

Getty Images A police officer places a metal barricade on the streets around Madison Square Garden while a TV crew looks on.

এই আয়োজনকে ঘিরে ইতোমধ্যেই ভেন্যুর বাইরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কয়েক দিন ধরেই সেখানে সাজসজ্জার সামগ্রী, ক্যাটারিং সরঞ্জাম ও অন্যান্য উপকরণ পৌঁছাতে দেখা গেছে। পাশাপাশি অস্থায়ী কাঠামো নির্মাণ ও নিরাপত্তা বেষ্টনীও তৈরি করা হয়েছে।

গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার অতিথি উপস্থিত থাকতে পারেন। সম্ভাব্য অতিথিদের তালিকায় রয়েছেন গিগি হাদিদ, কারা ডেলিভিন, সেলেনা গোমেজ, জো ক্রাভিৎসসহ বিনোদন অঙ্গনের পরিচিত মুখ এবং ট্রাভিস কেলসির দল কানসাস সিটি চিফসের কয়েকজন সতীর্থ।

নিউইয়র্কের বাসিন্দা অ্যালিসা হেইনেন এএফপিকে বলেন, টেইলর সুইফটের ভক্তদের কাছে এই আয়োজন অনেকটা ‘রাজকীয় বিয়ে’র মতো। তার ভাষায়, ‘তিনি আমেরিকার সবচেয়ে বড় তারকা। আমাদের কাছে তিনি যেন রাজপরিবারেরই একজন।’

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের উদযাপন, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ২৫০ বছর পূর্তির প্রস্তুতি এবং চলমান ফুটবল বিশ্বকাপের একটি ম্যাচ—সব মিলিয়ে ব্যস্ত এক সপ্তাহান্তে এই আয়োজন ঘিরে নিউইয়র্কে বাড়তি উন্মাদনা তৈরি হয়েছে।

নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানীও এক সংবাদ সম্মেলনে বিয়ের গুঞ্জনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘যদি কেউ ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে বিয়ে করে থাকেন, তাহলে তারা ঘরের ভেতরেই থাকবেন এবং গরম থেকেও নিরাপদ থাকবেন। শহরের অন্যদের জন্যও এটি ভালো একটি উদাহরণ।’

তবে সব জল্পনা-কল্পনার মাঝেও টেইলর সুইফট বা ট্রাভিস কেলসি—কেউই এখন পর্যন্ত বিয়ের খবর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেননি।

‘রবিবার বিয়ে করছি’, আমির খানের ঘোষণা

বিনোদন ডেস্ক
‘রবিবার বিয়ে করছি’, আমির খানের ঘোষণা
সংগৃহীত ছবি

বলিউড তারকা আমির খান আবারও জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিনের বন্ধু ও সঙ্গী গৌরী স্প্র্যাটকে আগামী রবিবার (৫ জুলাই) বিয়ে করছেন তিনি। মুম্বাইয়ের নিজ বাসভবনে দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যদের উপস্থিতিতে একান্ত পারিবারিক আয়োজনে সম্পন্ন হবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা।

সম্প্রতি মুম্বাইয়ে ‘প্রীতম অ্যান্ড পেড্রো’ সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নিজের বিয়ের খবরটি নিশ্চিত করেন ৬১ বছর বয়সী এই অভিনেতা।

বিয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে আমির বলেন, ‘হ্যাঁ, রবিবার ৫ জুলাই আমাদের বিয়ে। এটি খুবই ছোট পরিসরের পারিবারিক আয়োজন। দুই পরিবারের সদস্যদের নিয়েই বাসায় অনুষ্ঠান হবে।’

নতুন জীবনের জন্য সবার দোয়া কামনা করে তিনি আরো বলেন, ‘এটি আমাদের জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। সবাই আমাদের জন্য আশীর্বাদ করবেন, যেন আমরা সুখী ও সুন্দর জীবন কাটাতে পারি।’

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আমিরের বড় ছেলে জুনায়েদ খানও। বাবার বিয়ের ঘোষণা দেওয়ার মুহূর্তে তাকে হাসিমুখে পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

গত বছরের মার্চে নিজের ৬০তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রথমবারের মতো গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন আমির। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, প্রায় ২৫ বছর ধরে তাদের পরিচয়। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব থেকেই ধীরে ধীরে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গৌরীর আগের সংসারের সাত বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে বলেও জানা গেছে।

এটি হবে আমির খানের তৃতীয় বিয়ে। ১৯৮৬ সালে তিনি রিনা দত্তকে বিয়ে করেন। ১৬ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর ২০০২ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। সেই সংসারে তাদের দুই সন্তান—জুনায়েদ খান ও ইরা খান।

এরপর ২০০৫ সালে চলচ্চিত্র নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির। প্রায় ১৫ বছর একসঙ্গে থাকার পর ২০২১ সালে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন তারা। তবে বিচ্ছেদের পরও ছেলে আজাদ রাও খানের দায়িত্ব যৌথভাবেই পালন করে আসছেন সাবেক এই দম্পতি।

২৬ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিলেন টেইলর ও ট্র্যাভিস

বিনোদন ডেস্ক
২৬ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিলেন টেইলর ও ট্র্যাভিস
ট্র্যাভিস কেলসি ও টেইলর সুইফট

বিয়ের গুঞ্জনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় ২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান দিয়েছেন বিশ্বখ্যাত গায়িকা টেইলর সুইফট ও এনএফএল তারকা ট্র্যাভিস কেলসি।

তাদের এক প্রতিনিধি জানিয়েছেন, এই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২০টি দাতব্য সংস্থায় এ অনুদান দেওয়া হয়েছে। তবে ঘোষণায় বিয়ের বিষয়ে কোনো উল্লেখ করা হয়নি। যদিও ধারণা করা হচ্ছে, চলতি সপ্তাহের উদযাপনের অংশ হিসেবেই এই অনুদান দেওয়া হয়েছে।

ঘোষণায় বলা হয়েছে, ট্র্যাভিস কেলসি ও টেইলর সুইফট যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় মোট ২৬ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছেন। তবে কোন সংস্থা কত টাকা পেয়েছে, তা বিস্তারিত জানানো হয়নি।

এদিকে নিউ ইয়র্কভিত্তিক খাদ্য সহায়তাকারী সংস্থা সিটি হারভেস্ট জানিয়েছে, তারা এই জুটির কাছ থেকে ১০ লাখ (১ মিলিয়ন) ডলার অনুদান পেয়েছে।

সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী জিলি স্টিফেনস বলেন, এই অনুদান নিউ ইয়র্কের মানুষের প্রতি টেইলর ও ট্র্যাভিসের ভালোবাসার প্রতিফলন। বর্তমানে ফেডারেল তহবিল কমে যাওয়ায় শহরের ফুড প্যান্ট্রি ও বিনা মূল্যে খাবার বিতরণকেন্দ্রগুলোতে মানুষের ভিড় বেড়েছে। এমন সময়ে এই সহায়তা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে বড় ভূমিকা রাখবে।

একইভাবে রোড আইল্যান্ড কমিউনিটি ফুড ব্যাংকও জানিয়েছে, তারা এই দম্পতির কাছ থেকে ১০ লাখ ডলার অনুদান পেয়েছে।

সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী মেলিসা চেরনি বলেন, এই অর্থের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় মানুষের জন্য পুষ্টিকর ও মানসম্মত খাবার সংগ্রহ ও বিতরণ করা সম্ভব হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, টেইলর ও ট্র্যাভিসের এই উদ্যোগ অন্যদেরও দান করতে উৎসাহিত করবে।

টেইলর সুইফট দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন দাতব্য কাজে অনুদান দিয়ে আসছেন। তার রেকর্ড গড়া Eras Tour চলাকালেও তিনি সফর করা বিভিন্ন শহরের ফুড ব্যাংকগুলোকে সহায়তা করেছিলেন। এ ছাড়া প্রাণী উদ্ধার সংস্থা, হারিকেন ও টর্নেডো দুর্গতদের সহায়তা, লস অ্যাঞ্জেলেসের দাবানল ত্রাণ, ক্ষুধা নিবারণ কর্মসূচি, শিশু হাসপাতাল এবং ক্যান্সারে আক্রান্ত ভক্তদের জন্যও তিনি অনুদান দিয়েছেন।

অন্যদিকে, টেইলর সুইফট ও ট্র্যাভিস কেলসি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের ঘোষণা না দিলেও, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে এই সপ্তাহান্তে তাদের বিয়ে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার বিয়ের আগে একটি রিহার্সাল ডিনারের আয়োজন করা হবে। এরপর শুক্রবার মূল বিয়ের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

পরিবেশ সচেতনতার কথা বলতে গিয়ে ট্রলের শিকার দিয়া মির্জা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
পরিবেশ সচেতনতার কথা বলতে গিয়ে ট্রলের শিকার দিয়া মির্জা

২০০০ সালে ‘মিস এশিয়া প্যাসিফিক ইন্টারন্যাশনাল’ খেতাব জিতে লাইমলাইটে আসেন দিয়া মির্জা। ২০০১ সালে ব্লকবাস্টার ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ দিয়ে বলিউডে তার অভিষেক। এরপর তিনি লাগে রাহো মুন্না ভাই, সঞ্জু, দশ, হানিমুন ট্রাভেলস প্রাইভেট লিমিটেড, থাপ্পড়-এর মতো জনপ্রিয় ও আলোচিত সিনেমায় অভিনয় করে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ রেখেছেন।

২০২১ সালে ব্যবসায়ী বৈভব রেখিকে বিয়ের পর থেকে অভিনয়ে অনিয়মিত দিয়া। ৫ বছর বয়সী ছেলে অভ্যিয়ান রেখি এবং বৈভবের আগের পক্ষের কন্যা ১৭ বছর বয়সী সামায়রা রেখিকে নিয়ে দিয়া মির্জা এখন বলিউডের সুখী পরিবারের ছবি।

ওটিটিতে বেছে বেছে কাজ করলেও দিয়া মির্জা এখন অভিনেত্রী নন, পরিবেশকর্মী হিসেবে বেশি পরিচিত। নিজস্ব প্রোডাকশন হাউস থেকে তিনি পরিবেশ সচেতনতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ওপর তথ্যচিত্র ও শর্টফিল্ম বানান। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্যক্তিগত জীবনে প্লাস্টিক ব্যবহার পুরোপুরি বর্জন করেছেন দিয়া।

সমুদ্রসৈকত প্লাস্টিকমুক্ত করা, বন্য প্রাণী সংরক্ষণ, গাছ লাগানোর জন্য তিনি নিয়মিত ক্যাম্পেইন করেন। পরিবেশবান্ধব বাঁশের কাগজের ব্যবসা এবং প্লাস্টিক রিসাইক্লিং স্টার্টআপের সঙ্গেও যুক্ত দিয়া মির্জা। পরিবেশ রক্ষায় দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই অবদানের জন্য আন্তর্জাতিক নানা দায়িত্বও পালন করছেন তিনি। দিয়া জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির শুভেচ্ছা দূত। এ ছাড়া জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার একজন বিশেষ দূত তিনি।

পরিবেশ ও জলবায়ু নিয়ে কাজের জন্য ২০২৩ সালে বিবিসি তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী নারীর তালিকায় স্থান দেয়। তবে পরিবেশ সচেতনতা নিয়ে কাজ করা আর আন্তর্জাতিক নানা স্বীকৃতিতে কিছুই যায় আসে না নেটিজেনদের। সম্প্রতি এক পডকাস্টে পরিবেশ সচেতনতার কথা বলতে গিয়ে নেটিজেনদের ট্রলের শিকার  হয়েছেন তিনি।

অভিনেত্রী সোহা আলী খানের পডকাস্টে দিয়া মির্জা তার ৫ বছরের ছেলে অভ্যিয়ানের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেন। একবার এক ডেলিভারি বয় ডাব নিয়ে তাদের বাসায় এসেছিল। প্লাস্টিকের ব্যাগে ডাব আনতে দেখে বিরক্ত হয়েছিলেন দিয়া। হাসতে হাসতে তিনি বলেন, ‘বেচারা (ডেলিভারি বয়) জানত না কার বাসায় প্লাস্টিক নিয়ে এসেছে।’ মায়ের পরিবেশ সচেতনতার কথা জানে ৫ বছরের ছেলে অভ্যিয়ানও। দরজা খুলে অভ্যিয়ান কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়ায় এবং  ডেলিভারি বয়কে বলে, ‘ভাইয়া প্লাস্টিক ব্যাগে এনেছেন কেন? আমাদের বাসায় প্লাস্টিক নিষেধ। আপনি এটাকে প্লাস্টিক থেকে বের করুন, নিচে রাখুন এবং প্লাস্টিক ব্যাগ ও প্লাস্টিক স্ট্র নিয়ে যান।’

সোহাও পডকাস্টে অভ্যিয়ানের সচেতনতার প্রশংসা করে বলেন, ‘ভেবে দেখো, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের বিশ্বাসের জায়গায় এভাবে অটল থাকা!’

কিন্তু পডকাস্টের এ ক্লিপ ভাইরাল হতেই নেটিজেনদের তীব্র আক্রমণের মুখে পড়েন দিয়া মির্জা ও তার ছেলে। সোহা আলী যাকে নিজের বিশ্বাসে অটল থাকা বলছেন, নেটিজেনদের কাছে সেটাই মনে হয়েছে অহঙ্কার। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘এদের অধিকারবোধের বাড়াবাড়ি সত্যিই অবিশ্বাস্য, এটা তাদের মৌলিক সম্মান এবং ভদ্রতাবোধকেও অন্ধ করে দেয়। আপনি যদি প্লাস্টিক না চান, তবে নিজেই ঠেলাগাড়িতে গিয়ে কিনে আনুন এবং কাগজের ব্যাগে করে বহন করুন।’

আরেকজন দিয়া মির্জাকে ভণ্ড হিসেবে অভিহিত করে লিখেছেন, ‘আপনি যদি পরিবেশ বাঁচানোর বিষয়ে সত্যিই এত গভীরভাবে চিন্তা করেন, তবে ডাবের পানির জন্য বিক্রেতার কাছে স্টিলের পাত্র নিয়ে যান। বিক্রেতাকে আপনার বাড়িতে এসে পৌঁছে দেওয়ার ঝামেলা থেকে রেহাই দিন।’

আরেকজন লিখেছেন, ‘এই ভিডিওটি দুটি ভিন্ন ভারতকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছে, একটা ছেলে যার বাস্তব পৃথিবী কীভাবে চলে সে সম্পর্কে কোনো জ্ঞান নেই, যে প্লাস্টিক নিয়ে চিন্তিত; এবং একজন ডেলিভারিম্যান যার মূল ফোকাস হলো কোনোমতে দিন গুজরান করা।’

তবে অভিনেত্রী ও দিয়া মির্জার ঘনিষ্ঠ রিচা চাড্ডা নেটিজেরদের ওপর পাল্টা আক্রমণ করেছেন। তারকাদের ওপর মানুষের আক্রমণ প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, ‘আপনারা সবাই অবাক হন যে কেন অভিনেতারা মুখ খোলেন না?  মুখ খুললে নিয়মিত কিছু মগজহীন সন্দেহভাজনের হেনস্তা সইতে হয়।’ ব্যঙ্গ করে তিনি লেখেন, ‘অবশ্যই তারকাদের ওপর চড়াও হোন ভাই, অভিনেতাদের মানসিক স্বাস্থ্যের কী বা আর আসে যায়। মাঝেমধ্যেই তো আত্মহত্যা করে মুখরোচক খবরের জোগান দেওয়াও শিল্পীদের দায়িত্ব হওয়া উচিত। তাই না?’

ক্ষিপ্ত রিচা লিখেছেন, ‘সচেতন নারীরা যদি তাদের সিলেবাসের বাইরে কোনো কথা বলেন, তবে তাদের লজ্জিত করা হবে। যেন তারা শুধু লিপস্টিক, বিকিনি, মেকআপ নিয়েই কথা বলবে।’

দিয়া মির্জার পরিবেশ সচেতনতার নানা উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে রিচা লেখেন, ‘এই বিষয়গুলো একটু খুঁজে দেখুন, কারণ আপনারা যদি একটি ৫ বছরের বাচ্চাকে হেনস্তা করতে পারেন, তবে গুগলে একটা সাধারণ সার্চও করতে পারবেন, তাই না?’

রিচা লেখেন, ‘দিয়া পরিবেশ রক্ষার জন্য একদিনে যা করেন, এসব ইউটিউবার আর ব্লগাররা সারা বছরেও তা করেন না।’ দিয়া মির্জার বিলাসী জীবনের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে রিচা জানান, দিয়া তার বিয়েতে ১১০০ গাছ উপহার দিয়েছিল।