• ই-পেপার

৩ লাখ কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন

আজ কত দামে বিক্রি হচ্ছে সোনার ভরি?

অনলাইন ডেস্ক
আজ কত দামে বিক্রি হচ্ছে সোনার ভরি?

দেশের বাজারে গত শনিবার আরেক দফা কমানো হয়েছে সোনার দাম। ভরিপ্রতি ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা, যা ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানো হয়েছে। 

বাজুস জানায়, নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৪ হাজার ১৪১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ৯১৬ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা।

আরো পড়ুন
দেশে চাহিদার চেয়ে ২২ লাখের বেশি পশু রয়েছে : টুকু

দেশে চাহিদার চেয়ে ২২ লাখের বেশি পশু রয়েছে : টুকু

 

এর আগে গত শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ২১৫ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। 

এদিকে সোনার দাম কমানোর পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ৪৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

দৃষ্টি এখন বাজেটে

জোর ব্যবসাবান্ধব অর্থনীতিতে

অনলাইন ডেস্ক
জোর ব্যবসাবান্ধব অর্থনীতিতে

নতুন সরকার আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবে। এই বাজেটের অন্যতম প্রধান নীতিগত বৈশিষ্ট্য হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ উদারীকরণের একটি রোডম্যাপ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অর্থ বিভাগ ইতিমধ্যে এ-সংক্রান্ত একটি পাঁচ বছর মেয়াদি রোডম্যাপ প্রণয়নে কাজ করছে।

আরো পড়ুন
যেসব এলাকায় আজ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

যেসব এলাকায় আজ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

 

গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ক্ষমতায় আসা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি ছিল অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ ও উদারীকরণ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী বাজেটে যেন সম্ভব সর্বোচ্চ পরিমাণে এসব নির্বাচনী অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অর্থ বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের ভিত্তিতেই এই রোডম্যাপ প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য বিদ্যমান বিভিন্ন বাধা দূর করে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং দেশীয় বাজারকে সবার জন্য আরো উন্মুক্ত করে দেওয়া। নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ বলতে বিভিন্ন শিল্প খাতে সরকারের বিধিনিষেধ ও তদারকি কমানো বা তুলে নেওয়াকে বোঝায়, যার লক্ষ্য প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি, ব্যবসা পরিচালনার খরচ কমানো এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা। অন্যদিকে বাণিজ্য উদারীকরণ বলতে দেশগুলোর মধ্যে পণ্যের অবাধ আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে শুল্কসহ বিভিন্ন বাণিজ্য বাধা কমানো বা তুলে নেওয়াকে বোঝায়।

আরো পড়ুন
হাতে মেহেদির রঙ না মুছতেই নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু

হাতে মেহেদির রঙ না মুছতেই নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু

 

এ বিষয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান মনে করেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরেই শুল্ক ও করের হার তুলনামূলকভাবে বেশি। তাই এগুলো যৌক্তিক পর্যায়ে আনা, বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা সম্প্রসারণ এবং কাঁচামালের ওপর শুল্ক কমানো জরুরি। তিনি আরো বলেন, নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণের অংশ হিসেবে লোকসানি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো বেসরকারি খাতের ব্যবস্থাপনায় হস্তান্তর করা যেতে পারে।

বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস নিশ্চিত করা, লজিস্টিক নীতি বাস্তবায়ন, সরকারি সেবা পেতে সময় কমানো, সমুদ্রবন্দরে জাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম কমানো, বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া কার্যকর করা এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মুনাফা সহজে দেশে ফেরত নেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

আরো পড়ুন
সব মামলায় আইভীর জামিন বহাল কারামুক্তিতে বাধা নেই

সব মামলায় আইভীর জামিন বহাল কারামুক্তিতে বাধা নেই

 

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ১৯৯১-৯৫ সময়ে বিভিন্ন খাতে প্রতিযোগিতার প্রতিবন্ধকতা দূর করতে নানা সংস্কার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই সংস্কার কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে না।

তিনি বলেন, ‘সরকারকে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর সংস্কার পদক্ষেপ নিতে হবে এবং জনগণের কাছে পরিষ্কারভাবে জানাতে হবে কোন খাতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং কিভাবে তা বাস্তবায়ন করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত মাসে অর্থ বিভাগ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছিল, তারা নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ ও উদারীকরণ-সংক্রান্ত ইতিমধ্যে কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে এবং ভবিষ্যতে কী পরিকল্পনা রয়েছে। অধিকাংশ মন্ত্রণালয় অতীতে নেওয়া পদক্ষেপের তথ্য দিলেও মাত্র কয়েকটি মন্ত্রণালয় ভবিষ্যতের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা জমা দিয়েছে। এখন অর্থ বিভাগ সেসব পরিকল্পনার ভিত্তিতে রোডম্যাপ চূড়ান্ত করছে।

আরো পড়ুন
১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার

১৬২ পয়েন্টে ১৬০০ গডফাদার

 

আগামী বাজেটে অংশীজনরা বিশেষভাবে জানতে চান জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) করনীতি সংস্কারে কী করবে এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন কিভাবে আরো কার্যকর করা হবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশে ব্যবসা সহজ করতে নতুন সরকার এসব বিষয়ে আরো গুরুত্ব দিতে পারলে তা স্থানীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়ক হবে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

বিওয়াইডির ৩ নতুন গাড়ি দেশের বাজারে, মিলবে ১০০০ কিমি রেঞ্জ

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিওয়াইডির ৩ নতুন গাড়ি দেশের বাজারে, মিলবে ১০০০ কিমি রেঞ্জ
বিওয়াইডির নতুন বৈদ্যুতিক গাড়ি। ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশের রাস্তায় বৈদ্যুতিক ও পরিবেশবান্ধব যানবাহনের বিপ্লব ঘটাতে নতুন তিনটি মডেলের গাড়ি উন্মোচন করেছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নিউ এনার্জি ভেহিকল (এনইভি) নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি। রবিবার (১৭ মে) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) জমকালো এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিওয়াইডি ‘সিল ৫’, ‘সিল ৬’ এবং ‘সিলায়ন ৬ এডব্লিউডি’ মডেলের গাড়িগুলো বাজারজাতকরণের ঘোষণা দেয়।

নতুন আসা ‘বিওয়াইডি সিল ৫’ গাড়িটি একটি সুপার প্লাগ ইন হাইব্রিড ইভোলিউশন (পিএইচইভি) সেডান। এতে রয়েছে অত্যাধুনিক ডিএম আই প্রযুক্তি, যা ১ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত ড্রাইভিং রেঞ্জ প্রদান করতে সক্ষম। অন্যদিকে, সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক সেডান ‘বিওয়াইডি সিল ৬’ এক চার্জে ৪১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারে। এতে ডিসি ফাস্ট চার্জিং ও উন্নত সেফটি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রিমিয়াম এসইউভি প্রেমীদের জন্য আনা হয়েছে ‘বিওয়াইডি সিলায়ন ৬ এডব্লিউডি’। এটি একটি অল হুইল ড্রাইভ হাইব্রিড গাড়ি, যা ১২৮ কিলোমিটার পর্যন্ত পিওর ইলেকট্রিক রেঞ্জ দেয়। গাড়িটিতে ১৫.৬ ইঞ্চির ইন্টেলিজেন্ট ডিসপ্লে ও প্যানোরামিক সানরুফসহ বিলাসবহুল সব সুবিধা রয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাজারে আসা নতুন মডেলগুলোর দাম ক্রেতাদের সাধ্য ও প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে।

‘বিওয়াইডি সিল ৫’ প্রথম ৫০০ ইউনিটের জন্য বিশেষ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা। ‘বিওয়াইডি সিল ৬’ সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক এই সেডানটি পাওয়া যাবে ৪৮ লাখ ৯০ হাজার টাকায় এবং ‘বিওয়াইডি সিলায়ন ৬’ প্রিমিয়াম কোয়ালিটির এই এসইউভিটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭১ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিওয়াইডি এশিয়া প্যাসিফিক অটো সেলস ডিভিশনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার কেৎসু ঝ্যাং বলেন, বাংলাদেশ বিওয়াইডির বৈশ্বিক এনইভি ভিশনের জন্য ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ বাজারে পরিণত হচ্ছে। সিল ৫, সিল ৬ ও সিলায়ন ৬ এডব্লিউডির মাধ্যমে আমরা এমন উন্নত প্রযুক্তি, ইন্টেলিজেন্ট সেফটি ও টেকসই মোবিলিটি সল্যুশন নিয়ে এসেছি, যা ভবিষ্যতের পরিবহনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আমরা বিশ্বাস করি, এই গাড়িগুলো বাংলাদেশের ক্রেতাদের নিউ এনার্জি মোবিলিটি অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

অনুষ্ঠানে বিওয়াইডি বাংলাদেশের চিফ মার্কেটিং অফিসার ইমতিয়াজ নওশের বলেন, আজকের এই উদ্বোধন বাংলাদেশের এনইভি ইকোসিস্টেম সম্প্রসারণে বিওয়াইডি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন। ভিন্নধর্মী লাইফস্টাইল ও ড্রাইভিং চাহিদার জন্য তারা বৈচিত্র্যময় গাড়ির অপশন নিয়ে এসেছেন। হাইব্রিড এফিশিয়েন্সি থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ ইলেকট্রিক ইনোভেশন ও প্রিমিয়াম এসইউভি পারফরম্যান্স—নতুন এই লাইনআপ বাংলাদেশের স্মার্ট মোবিলিটির পরবর্তী বিবর্তনকে তুলে ধরছে।

বিওয়াইডি কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিটি গাড়িতেই তাদের নিজস্ব ‘ব্লেড ব্যাটারি’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাটারির দীর্ঘস্থায়িত্ব ও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। আজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দিনই ইতিমধ্যেই ৬০টি প্রাক-অর্ডার করা গাড়ি গ্রাহকদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ব্যাংকে না গিয়েই পাওয়া যাবে ৫০ হাজার টাকা ঋণ

অনলাইন ডেস্ক
ব্যাংকে না গিয়েই পাওয়া যাবে ৫০ হাজার টাকা ঋণ
ফাইল ছবি

অনলাইনভিত্তিক ‘ই-লোন’ বা ই-ঋণ সেবা চালুর নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশে ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবাকে আরো গতিশীল ও সহজলভ্য করতে এ সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন এ ব্যবস্থায় ব্যাংকে না গিয়েই মোবাইল অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ঋণের আবেদন, অনুমোদন এবং অর্থ গ্রহণের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন গ্রাহকরা। এর ফলে পুরো প্রক্রিয়া হবে আরো সহজ।

সোমবার (১১ মে) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।

আরো পড়ুন
২৭ নাকি ২৮ মে ঈদ? যা জানা গেল

২৭ নাকি ২৮ মে ঈদ? যা জানা গেল

 

এতে বলা হয়েছে, প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক সেবাকে আরো সহজ, দ্রুত ও গ্রাহকবান্ধব করতে ব্যাংকগুলোকে ই-লোন কার্যক্রম চালু করতে হবে। নতুন এ ব্যবস্থায় একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ই-লোন নিতে পারবেন। তবে এই ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ১২ মাস। ই-ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংক বাজারভিত্তিক নির্ধারণ করবে। তবে পুনঃ অর্থায়ন সুবিধা গৃহীত হলে গ্রাহক পর্যায় সর্বোচ্চ সুদ হবে ৯ শতাংশ। ঋণ বিতরণ, কিস্তি পরিশোধ ও অন্যান্য কার্যক্রম সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করতে হবে।

এতে আরো বলা হয়, গ্রাহকের আবেদন যাচাইয়ে ব্যাংকগুলোকে জাতীয় পরিচয়পত্র, বায়োমেট্রিক তথ্য এবং প্রয়োজনীয় ডিজিটাল যাচাইকরণ ব্যবস্থা ব্যবহার করবে। ঋণ অনুমোদনের আগে গ্রাহকের ঋণ তথ্য ব্যুরো (সিআইবি) প্রতিবেদনও পর্যালোচনা করতে হবে। তবে খেলাপি ঋণগ্রহীতারা এই সুবিধা পাবেন না। ই-লোনের ক্ষেত্রে সুদ, ফি, চার্জ, বিলম্ব মাশুল বা আগাম ঋণ পরিশোধ ফি—সব তথ্য গ্রাহককে আগেই স্পষ্টভাবে জানাতে হবে। এর পাশাপাশি গ্রাহকের সম্মতি ছাড়া কোনো অতিরিক্ত চার্জ আরোপ করা যাবে না বলেও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরো পড়ুন
কিভাবে কার্যকর হবে পে স্কেল? মিলল নতুন তথ্য

কীভাবে কার্যকর হবে পে স্কেল? মিলল নতুন তথ্য

 

এ ছাড়া সাইবার নিরাপত্তার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকগুলোকে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (২এফএ), মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (এমএফএ) এবং ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, ই-লোন কার্যক্রম চালুর আগে প্রতিটি ব্যাংককে নিজস্ব নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে এবং পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিতে হবে। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা নিশ্চিত করেও এ সেবা চালু করতে হবে।