• ই-পেপার

সুদের হার যৌক্তিকীকরণ ও কর-জিডিপির অনুপাত বাড়ানোর প্রস্তাব এফবিসিসিআইয়ের

সোনার দামে বড় পতন, ভরিতে কমল কত?

অনলাইন ডেস্ক
সোনার দামে বড় পতন, ভরিতে কমল কত?

দেশের বাজারে সোনার দাম ফের কমেছে। ভরিপ্রতি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা, যা আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।
 
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। 

বিস্তারিত আসছে...

বাংলা কিউআর: আর্থিক লেনদেনে আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন

বাসস
বাংলা কিউআর: আর্থিক লেনদেনে আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন

দেশে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাকে আরো সহজ, সাশ্রয়ী ও সর্বজনীন করতে বাংলাদেশ ব্যাংক চালু করছে বাংলা কিউআর (কুইক রেসপন্স)। নগদবিহীন (ক্যাশলেস) এই ব্যবস্থা আরো সহজ ও স্বচ্ছ করবে লেনদেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলা কিউআর অনলাইন ভিত্তিক আর্থিক লেনদেনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, দেশের পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরো আধুনিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্বচ্ছ করতে ‘বাংলা কিউআর’কে একটি অভিন্ন ডিজিটাল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ১ জুলাই থেকে সারাদেশে বাংলা কিউআর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হবে। এর ফলে শপিংমল থেকে শুরু করে ফুটপাতের ব্যবসায়ী পর্যন্ত সর্বত্র একটি অভিন্ন কিউআর কোড ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বাংলা কিউআরের সবচেয়ে বড় শক্তি এর সর্বজনীনতা ও কম খরচ।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রচলিত কার্ডভিত্তিক পেমেন্ট গ্রহণে যেখানে ব্যয়বহুল পয়েন্ট অব সেল (সিএম) মেশিনের প্রয়োজন হয়, সেখানে বাংলা কিউআর ব্যবহারে একটি সাধারণ কিউআর স্টিকারই যথেষ্ট হবে। ফলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ফুটপাতের দোকানদার কিংবা বিভিন্ন সেবাদাতাও সহজে ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারবেন। নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও বাংলা কিউআর একটি নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা। এতে কার্ড ক্লোনিং বা পিন চুরির মতো ঝুঁকি নেই। গ্রাহকের ব্যাংক বা মোবাইল ওয়ালেট অ্যাপ থেকেই সরাসরি লেনদেন সম্পন্ন হয়।

এদিকে বাংলা কিউআর -এর ব্যবহার সম্প্রসারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে আহ্বায়ক করে একটি স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রথম বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিসহ স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য, বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের প্রতিনিধি এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেন, ‘ডিজিটাল লেনদেন সম্প্রসারণের মাধ্যমে নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনার ব্যয় কমবে, লেনদেনে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং সাধারণ মানুষ আরো সহজে আর্থিক সেবা গ্রহণ করতে পারবে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলা কিউআর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংক পিএলসির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘এখন পুরো পৃথিবীই নগদবিহীন (ক্যাশলেস) লেনদেনে অভ্যস্ত। বাংলা কিউআর চালু হলে অবশ্যই ভালো হবে। উন্নত বিশ্বে তো এখন কেউ নগদ অর্থ বহন করে না। সবাই নগদবিহীন (ক্যাশলেস) লেনদেন করে। এটা চালু হলে ব্যবসায়ী থেকে ক্রেতাসহ সব মানুষই ব্যাপক সুবিধা পাবে। পাশাপাশি আমরা উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে লেনদেন করতে পারব।’

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে এখন অধিকাংশ পেমেন্টই ডিজিটাল মাধ্যমে করা যায়, সে যায়গায় আমরা এতদিন কিছুটা পিছিয়ে ছিলাম। বাংলাদেশের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনার জন্য বাংলা কিউআর একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। বিশেষ করে পেমেন্ট, ফান্ড ট্রান্সাফারকে সহজ ও ঝামেলাহীন করে তুলবে এটি। এছাড়াও  এর মাধ্যমে সরকারের আর্থিক লেনদেনেও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।

তিনি আরো বলেন, এটি শুধু চালু করলেই হবে না। সরকারকে এ ব্যাপারে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে, বিশেষ করে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে। কারণ ফাইন্যান্সিয়াল লিটারেসিতে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। ফলে সবাইকে যদি সচেতন না করা যায়, তাহলে এটির সুবিধা কিন্তু প্রান্তিক পর্যায়ে অর্থাৎ সর্বস্তরে পৌছানো যাবে না।

এ বিষয়ে নিউমার্কেটের কাপড় ব্যবসায়ী রহমত উল্লাহ বলেন, একটি কিউআর কোডের মাধ্যমে যদি সব পেমেন্ট করা যায় তাহলে ক্যাশলেস লেনদেনের ক্ষেত্রে ঝামেলা অনেকটা কমে আসবে। এখন আলাদা প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা আলাদা কিউআর রয়েছে যেগুলো একসঙ্গে রাখা অনেক কঠিন। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের এমন সিদ্ধান্তকে আমরা অবশ্যই স্বাগত জানাই।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং বিভাগের অধ্যাপক আল আমিন বলেন, অনলাইন পেমেন্টগুলোতে প্রধানত নিরাপত্তা  এবং ডিজিটাল যে ঝুঁকিসমূহ থাকে সেগুলোর যথাযথ সুরক্ষা প্রদান জরুরি। এগুলো মাথায় রেখেই হয়তোবা বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের কার্যাক্রম পরিচালনা করবে। পাশাপাশি জনগণকেও সচেতন করতে হবে এর সহজ ব্যবহারবিধি সম্পর্কে। আর সবকিছু যদি যথাযথভাবে অনুসরণ করে তাহলে দেশের জনগণ সহজেই অনলাইনের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন করতে পারবে এবং ঝুঁকি কমে যাবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান এ বিষয়ে বলেন, বিএনপি সররকার বাংলাদেশের আর্থিক খাতকে আধুনিকায়নের যে আশ্বাস দিয়েছে, এই অনলাইন নগদবিহীন লেনদেন ব্যবস্থা চালু তারই একটি অংশ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যবসাকে সহজ করে দিতে চান, যেন মানুষ ব্যবসা করতে আগ্রহী হন। ক্যাশলেস লেনদেনের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের নগদ টাকার পরিবর্তে অনলাইনে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে লেনদেন করতে পারবেন। এতে তাদের ব্যবসার নিরাপত্তা বাড়বে।

দেশের বাজারে আজ সোনার ভরি কত?

অনলাইন ডেস্ক
দেশের বাজারে আজ সোনার ভরি কত?

টানা দুই দফা কমার পর গত সোমবার দেশের বাজারে সোনার দাম বেড়েছে। ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা, যা ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। পরে নতুন করে দাম সমন্বয় না হওয়ায় আজ বুধবারও একই দামে বিক্রি হচ্ছে।  

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) বাড়ায় ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে।

এর আগে, গত ২০ জুন সকালে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা নির্ধারণ করেছিল। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

অন্যদিকে, দেশে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ২৪৯ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ২০৮ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

প্রবাসীদের জন্য ‘এনআরসিটিএ’ হিসাব চালুর অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক
প্রবাসীদের জন্য ‘এনআরসিটিএ’ হিসাব চালুর অনুমোদন

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন ধরনের হিসাব চালুর অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে প্রবাসীরা দেশের ব্যাংকগুলোর অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটে (ওবিইউ) নন-রেসিডেন্ট কনভার্টিবল টাকা অ্যাকাউন্ট (এনআরসিটিএ) খুলতে পারবেন। এ হিসাবে রাখা আমানত ও অর্জিত সুদ বা মুনাফা অবাধে বিদেশে নেয়ার সুযোগ থাকবে। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ-১ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক ও অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটকে (ওবিইউ) এ সুবিধা চালুর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, অফশোর ব্যাংকিং আইন, ২০২৪ এবং বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৪৭-এর আওতায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এ নতুন হিসাব সুবিধা চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রবাসীদের বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আনা, বিনিয়োগ এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ আরো বাড়বে।

প্রজ্ঞাপনের তথ্যানুযায়ী, প্রবাসীরা ওবিইউতে সঞ্চয়ী, চলতি বা মেয়াদি আমানত—যেকোনো ধরনের এনআরসিটিএ খুলতে পারবেন। তবে এসব হিসাব পরিচালিত হবে ব্যাংকিং চ্যানেলে আসা বৈদেশিক মুদ্রা দেশে এনে টাকায় রূপান্তরের মাধ্যমে।

এনআরসিটিএ হিসাবে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ জমা করা যাবে। এর মধ্যে রয়েছে বিদেশ থেকে পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রা, ব্যক্তিগত বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব বা নন-রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট হিসাব থেকে টাকায় রূপান্তরিত অর্থ, অন্য এনআরসিটিএ থেকে স্থানান্তরিত অর্থ এবং হিসাবের অর্থের ওপর অর্জিত সুদ বা মুনাফা।

এছাড়া এনআরসিটিএ থেকে করা বিদেশি বিনিয়োগ বা বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত অন্যান্য বিনিয়োগ থেকে ফেরত আসা অর্থও এ হিসাবে জমা করা যাবে। নতুন ইস্যুতে শেয়ার কেনার জন্য দেওয়া অর্থের ফেরত, অন্যান্য অনুমোদিত রিফান্ড এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত অন্যান্য অর্থপ্রাপ্তিও এ হিসাবের আওতায় থাকবে।

নতুন এ হিসাবের আওতায় সংগৃহীত আমানত দেশের বিশেষায়িত অঞ্চলের (স্পেশালাইজড জোন) টাইপ-এ শিল্পপ্রতিষ্ঠানে টাকায় ঋণ দেওয়ার কাজে ব্যবহার করতে পারবে অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটগুলো। তবে এসব ঋণ শুধু বেতন, মজুরি ও ইউটিলিটি বিলের মতো অনুমোদিত চলতি হিসাবের ব্যয় মেটাতে ব্যবহার করা যাবে। ঋণের অর্থ পরিশোধ করতে হবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রফতানি আয় থেকে।

এছাড়া এনআরসিটিএ হিসাবের বিপরীতে দেশীয় ব্যাংকিং ইউনিট (ডিবিইউ) প্রবাসী বাংলাদেশী বা তাদের মনোনীত তৃতীয় পক্ষকে ঋণ দিতে পারবে। তবে এসব ঋণ পুনঃঋণ প্রদান, কৃষি, বাগানভিত্তিক কার্যক্রম বা আবাসন ব্যবসায় বিনিয়োগের জন্য দেয়া যাবে না।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এনআরসিটিএ আমানত জামানত হিসেবে রেখে নেয়া ঋণের অর্থ বাংলাদেশে ব্যক্তিগত প্রয়োজন বা ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া নিজস্ব ব্যবহারের জন্য দেশে আবাসিক সম্পত্তি কেনা বা নির্দিষ্ট শর্তে এমন কিছু বিনিয়োগেও ব্যবহার করা যাবে, যেগুলো থেকে অর্থ বিদেশে প্রত্যাবাসনের সুযোগ থাকবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংকগুলোকে প্রবাসীদের জন্য এনআরসিটিএ খোলার ক্ষেত্রে অনলাইন ইন্টারঅ্যাকটিভ ওয়েব প্লাটফর্ম ও ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং সুবিধা চালুর উদ্যোগ নিতে হবে। তবে এর আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে হিসাবের বৈশিষ্ট্য, পরিচালন পদ্ধতি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও কমপ্লায়েন্স কাঠামো সম্পর্কে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে

সুদের হার যৌক্তিকীকরণ ও কর-জিডিপির অনুপাত বাড়ানোর প্রস্তাব এফবিসিসিআইয়ের | কালের কণ্ঠ