• ই-পেপার

বাজারে এলো এসিআই পিওর ফর্টিফায়েড চাল

ঈদের আগে বাড়ল সোনার দাম, ভরি কত?

অনলাইন ডেস্ক
ঈদের আগে বাড়ল সোনার দাম, ভরি কত?

ঈদের আগে বাড়ানো হলো সোনার দাম। ভরিপ্রতি ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা, যা আজ সোমবার সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। 

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরো পড়ুন
সরকারের ১০০ দিন পূর্তিতে বিকেলে সংবাদ সম্মেলন

সরকারের ১০০ দিন পূর্তিতে বিকেলে সংবাদ সম্মেলন

 

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতিভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত শনিবার ভরিতে সোনার দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়েছিল বাজুস।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন

উচ্চ সুদহার প্রভাব ফেলেছে ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতায়

অনলাইন ডেস্ক
উচ্চ সুদহার প্রভাব ফেলেছে ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতায়

উচ্চ সুদহার ও কঠোর মুদ্রানীতির প্রভাব ব্যাংক খাতের আর্থিক স্থিতিশীলতাকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরজুড়ে চাপে ফেলেছে। এর সঙ্গে তারল্যসংকট, দুর্বল সম্পদমান এবং মূলধন ঘাটতির চাপও অব্যাহত ছিল বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে অর্থবছরজুড়ে কঠোর মুদ্রানীতি অনুসরণ করা হয়। তবে এর ফলে ব্যাংকগুলোর তারল্য ব্যবস্থাপনা জটিল হয়ে পড়ে এবং ঋণের সুদহার বেড়ে যাওয়ায় সামগ্রিক আর্থিক খাতে চাপ সৃষ্টি হয়।

আরো পড়ুন

সংবাদ উপস্থাপনায় বড় টিপ ও একপাশে ওড়নায় নিষেধাজ্ঞা

সংবাদ উপস্থাপনায় বড় টিপ ও এক পাশে ওড়নায় নিষেধাজ্ঞা

 

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, চ্যালেঞ্জপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতার বেশ কয়েকটি সূচক দুর্বল অবস্থায় ছিল। বিশেষ করে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি, প্রভিশন সংরক্ষণে ঘাটতি এবং মূলধন পর্যাপ্ততার শর্ত পূরণে ব্যর্থতা ব্যাংকগুলোর আর্থিক ভিত্তিকে নড়বড়ে করে তুলেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল্যায়নে দেখা গেছে, অনেক ব্যাংক পর্যাপ্ত প্রভিশন সংরক্ষণ এবং মূলধন অবস্থান বজায় রাখতে হিমশিম খেয়েছে। ফলে সম্পদমানের অবনতি পুরো ব্যাংকিং খাতেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি ব্যাংক নির্ধারিত মূলধন পর্যাপ্ততার হার (ক্যাপিটাল অ্যাডিকোয়েসি রেশিও) পূরণ করতে পারেনি।

আরো পড়ুন

ঈদের পর মানবতাবিরোধী অপরাধের দুই মামলার রায় ঘোষণা: চিফ প্রসিকিউটর

ঈদের পর মানবতাবিরোধী অপরাধের দুই মামলার রায় ঘোষণা : চিফ প্রসিকিউটর

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ সুদহার বজায় থাকায় একদিকে ব্যবসা ও বিনিয়োগে ঋণের চাহিদা কমেছে, অন্যদিকে অনেক ঋণগ্রহীতার ঋণ পরিশোধ সক্ষমতাও দুর্বল হয়েছে। এতে খেলাপি ঋণের ঝুঁকি আরো বেড়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বিদ্যমান চাপের মধ্যেও ব্যাংক খাত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। তবে আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ব্যাংক খাতে সুশাসন, তদারকি ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা আরো জোরদার করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আরো পড়ুন

২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে সোয়া ৩ কোটি টাকা টোল আদায়

২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে সোয়া ৩ কোটি টাকা টোল আদায়

 

এ ছাড়া মুদ্রানীতি কাঠামোর উন্নয়ন এবং আর্থিক খাতের সংস্কার কার্যক্রম মধ্যমেয়াদে ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে বলেও প্রতিবেদনে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

দেশের বাজারে আজ সোনার ভরি কত?

অনলাইন ডেস্ক
দেশের বাজারে আজ সোনার ভরি কত?

ঈদুল আজহার আগে গত শনিবার দেশের বাজারে সোনার দাম কমেছে। প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬৩ টাকা, যা ওইদিন থেকেই কার্যকর হয়েছে।
 
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার এ নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরো পড়ুন
২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে সোয়া ৩ কোটি টাকা টোল আদায়

২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে সোয়া ৩ কোটি টাকা টোল আদায়

 

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬৩ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৫ হাজার ২৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

এর আগে, সব শেষ গত ২১ মে সকালে দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

খেলাপির ভয়ে চামড়াশিল্পে ঋণ কমাচ্ছে ব্যাংক

ঈদ সামনে রেখে বরাদ্দ ২৯৬ কোটি টাকা পর্যাপ্ত নয় বলছেন ট্যানারি মালিকরা

অনলাইন ডেস্ক
খেলাপির ভয়ে চামড়াশিল্পে ঋণ কমাচ্ছে ব্যাংক
প্রতীকী ছবি

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে চামড়া শিল্পে ঋণ বিতরণে আগ্রহ হারাচ্ছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। খেলাপি ঋণের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় এ খাতে ঋণ বিতরণে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ব্যাংকগুলো। এর প্রভাব পড়েছে নতুন ঋণ বরাদ্দেও।

চলতি বছর কোরবানির পশুর চামড়া কেনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এবং একটি বেসরকারি ব্যাংক মোট ২৯৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে। তবে ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, আগের ঋণ নিয়মিত পরিশোধ করেছেন এমন গ্রাহকরাই নতুন ঋণসুবিধা পাবেন।

চামড়া শিল্পের প্রধান কাঁচামাল পশুর চামড়া, যার প্রায় ৭০ শতাংশ সংগ্রহ করা হয় কোরবানির ঈদে। এ সময় চামড়া ক্রয়, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করতে বিপুল পরিমাণ কার্যকর মূলধনের প্রয়োজন হয়। দীর্ঘদিন ধরে এই অর্থায়নের বড় অংশ জুগিয়ে আসছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে খেলাপি ঋণ বাড়ায় ব্যাংকগুলোর আগ্রহ কমেছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক চামড়া খাতে ঋণপ্রবাহ সচল রাখতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুরোনো খেলাপিদের ক্ষেত্রেও কিস্তি আদায়ের শর্ত কিছুটা শিথিল করেছে, যাতে ব্যবসায়ীরা নতুন করে অর্থায়ন পেতে পারেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ব্যাংকগুলোকে বলা হয়েছে, চামড়াশিল্পসংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের দ্রুত পর্যাপ্ত ঋণ দিতে হবে, যাতে ঈদের সময় কাঁচা চামড়া সংগ্রহে কোনো সংকট তৈরি না হয় এবং কোনো চামড়া নষ্ট বা পাচার না হয়। ব্যাংকগুলোর ঘোষিত বরাদ্দ অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ৯১ কোটি টাকা রেখেছে অগ্রণী ব্যাংক। এ ছাড়া রূপালী ব্যাংক ৭০ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংক ৬০ কোটি টাকা, যমুনা ব্যাংক ৫০ কোটি টাকা এবং সোনালী ব্যাংক ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে।

ব্যাংকাররা বলছেন, ঈদের আগেই ঋণের অর্থ বিতরণ করা হবে। তবে যেসব গ্রাহক আগের ঋণ সময়মতো পরিশোধ করতে পারেননি, তারা নতুন ঋণের জন্য বিবেচিত হচ্ছেন না।

এক বেসরকারি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা মূলত চামড়া ক্রয়, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য কার্যকর মূলধন দিয়ে থাকি। গত বছর ৩৬ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিলাম, এ বছর তা বাড়িয়ে ৫০ কোটি টাকা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ঋণ বিতরণও শুরু হয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, সব ব্যবসায়ী প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ পাচ্ছে না। কারণ ঋণ নবায়নের ক্ষেত্রে আগের অর্থ পরিশোধের শর্ত কঠোরভাবে দেখা হচ্ছে।’

অন্যদিকে ট্যানারি মালিকরা বলছেন, ব্যাংকগুলো যে পরিমাণ ঋণ বরাদ্দের কথা বলছে বাস্তবে তার পুরোটা পাওয়া যায় না। অধিকাংশ ব্যবসায়ী খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় নতুন অর্থায়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান শাহিন আহমেদ বলেন, ‘ব্যাংকগুলো শত শত কোটি টাকার ঋণের কথা বললেও বাস্তবে আমরা সেই অর্থ পাই না। ব্যাংক ও গ্রাহকের সম্পর্কের ভিত্তিতেই অর্থায়ন হচ্ছে, নতুন করে বড়পরিসরে ঋণ দেওয়া হচ্ছে না।’ নগদ অর্থের সংকট মোকাবিলায় কোরবানির আগেই সরকারের বকেয়া প্রণোদনার অর্থ ছাড়ের দাবি জানিয়েছেন ট্যানারি মালিকরা। তাদের মতে, পর্যাপ্ত অর্থায়ন না হলে কাঁচা চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষণে সংকট তৈরি হতে পারে, যা পুরো চামড়া শিল্পের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

বাজারে এলো এসিআই পিওর ফর্টিফায়েড চাল | কালের কণ্ঠ