• ই-পেপার

বাংলাদেশকে তিন হাজার কোটি টাকা অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

দেশে সোনার দামে বড় লাফ

অনলাইন ডেস্ক
দেশে সোনার দামে বড় লাফ

টানা ২ দফা কমার পর ফের দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

দেশে কত দামে সোনা বিক্রি হচ্ছে আজ

অনলাইন ডেস্ক
দেশে কত দামে সোনা বিক্রি হচ্ছে আজ

দেশের বাজারে টানা দ্বিতীয় দফায় কমানো হয়েছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ শনিবার (২৭ জুন) থেকে সারাদেশে নতুন এই মূল্যে বিক্রি হচ্ছে সোনা।

সবশেষ গত ২৫ জুন সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে সোনার দাম কমায় বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছিল।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনা ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। সেদিন সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়ছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।

১ জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ‘বাংলা কিউআর’

অনলাইন ডেস্ক
১ জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ‘বাংলা কিউআর’

সারাদেশে ১ জুলাই থেকে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হচ্ছে সর্বজনীন আন্তঃলেনদেন ব্যবস্থা ‘বাংলা কিউআর’। এর ফলে দেশের আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থায় নগদ অর্থের ব্যবহার কমে আসার পাশাপাশি নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ে আয়োজিত ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠানে কর্মকর্তারা জানান, এর ফলে প্রতারণা কমার পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল হবে।

এতদিন একজন বিক্রেতাকে তার দোকানে বিকাশ, রকেট বা বিভিন্ন ব্যাংকের আলাদা আলাদা কিউআর কোড প্রদর্শন করতে হতো। বাংলা কিউআর চালুর ফলে এখন থেকে একটিমাত্র কিউআর কোডের মাধ্যমেই গ্রাহকরা যেকোনো ব্যাংক বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন। এতে ছোট থেকে বড় সব ধরনের কেনাকাটা হবে আরও সহজ, দ্রুত এবং নিরাপদ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার জানান, ক্যাশলেস সোসাইটি বা নগদবিহীন সমাজ গড়ার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল লেনদেনে মানুষের অভ্যস্ততা বাড়লে টাকা ছাপানোর খরচ কমবে এবং আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা আসবে।

অপর ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান বলেন, ফুটপাতে ক্ষুদ্র বিক্রেতা থেকে শুরু করে বড় শপিংমল—সর্বত্রই বাংলা কিউআর ব্যবহারের ফলে নগদ টাকার ঝুঁকি কমবে। পাশাপাশি এর মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে।

ডিজিটাল লেনদেনের প্রসার বাড়লেও নিরাপত্তার বিষয়টি এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ডিজিটাল লেনদেনে ৮১ হাজার ৪২৩টি প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে প্রায় ১০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক চক্র। এই প্রেক্ষিতে, কর্মকর্তারা সাধারণ গ্রাহকদের লেনদেনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার এবং ব্যক্তিগত পিন বা ওটিপি কাউকে না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

সবজি ও ডিমের দামে স্বস্তি

অনলাইন ডেস্ক
সবজি ও ডিমের দামে স্বস্তি

সপ্তাহ ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে কিছুটা কমেছে সবজির দাম। সেই সঙ্গে কমেছে ডিমের দামও। এতে স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মাঝে। 

শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে নিত্যপণ্যের দামে এ চিত্র দেখা গেছে। 

বিক্রেতারা বলছেন, ঈদের পর ঢাকার বাজারে এখন মানুষের চাপ কিছুটা স্বাভাবিক। গ্রামে উৎপাদিত সবজির সরবরাহ ভালো থাকায় দাম বাড়ার কোনো সুযোগ নেই। 

ক্রেতারা বলছেন, সবজি ও ডিমের দাম কমায় কিছুটা চাপ কমেছে ঠিকই, কিন্তু বেগুন বা মরিচের মতো নিত্যদিনের জিনিসপত্রের দাম হঠাৎ বেড়ে গেলে সাধারণ মানুষের হিসাব মেলাতে কষ্ট হয়ে যায়। বাজারের এই স্বস্তি যেন স্থায়ী হয়, সেদিকে নজর দেওয়া দরকার সরকারের। 

বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পটল বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, ঢেঁড়স মিলছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কাঁকরোল প্রতি কেজি ৫০ টাকা এবং বরবটি ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। এ ছাড়া পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে, বাজারে দেশি শসা ৮০ টাকা এবং হাইব্রিড ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে বেগুনের বাজারে। কেজিতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে লম্বা ও গোল বেগুন প্রকারভেদে ৭০ থেকে ১২০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা, টমেটো ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচ গত সপ্তাহে ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হলেও চলতি সপ্তাহে আবার কিছুটা বেড়ে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। দেশি পেঁয়াজ ৪৫ টাকা এবং ক্রস পেঁয়াজ ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া রসুন দেশি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ভারত থেকে আমদানি করা রসুন ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা এবং আদা ১৬০ থেকে ১৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে লাল ও সাদা ডিমের দাম ডজনে প্রায় ১০ টাকা কমেছে। বাজারে লাল ডিম ১২০ টাকা এবং সাদা ডিম ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহেও ছিল ১২০ থেকে ১৩০ টাকা।

অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগির কেজি বাজারভেদে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালী কক মুরগি এখন ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজারে গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাঝারি আকারের রুই ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৩০ টাকা এবং পাঙ্গাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, কই মাছ ২২০ টাকা, চিংড়ি মাছ ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ইলিশের বাজারে এখনো চড়া ভাব কাটেনি।

বাংলাদেশকে তিন হাজার কোটি টাকা অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক | কালের কণ্ঠ