• ই-পেপার

করোনার বছরে নেতিবাচক ধারা

রপ্তানিতে নতুন মাত্রা পিপিই-মাস্ক

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.৩১ বিলিয়ন ডলার

অনলাইন ডেস্ক
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.৩১ বিলিয়ন ডলার

দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ হাজার ৩১৪ দশমিক ২৫ মিলিয়ন বা ৩৬ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

রবিবার (২৮ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, ২৮ জুন পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬ হাজার ৩১৪ দশমিক ২৫ মিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ৭৩৮ দশমিক ০৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

এর আগে গত ২৫ জুন পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬ হাজার ৮২ দশমিক ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিত রিজার্ভ ছিল ৩১ হাজার ৫৩২ দশমিক ৩০ মিলিয়ন ডলার।

যে দামে আজ বিক্রি হচ্ছে সোনা

অনলাইন ডেস্ক
যে দামে আজ বিক্রি হচ্ছে সোনা

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সোনা ও রুপার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ের পর সোমবার (২৯ জুন) থেকে নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ও রুপা।

বাজুসের শনিবার (২৭ জুন) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে পিওর গোল্ড ও পিওর সিলভারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টা থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ২ হাজার ৮৫৮ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা অনুযায়ী মজুরি যুক্ত হবে। বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এ ছাড়া অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের বিদ্যমান নীতিমালা বহাল থাকবে।

নতুন উদ্যোক্তা কমে যাওয়ায় আয় বৈষম্য বেড়েছে : শিল্পমন্ত্রী

বাসস
নতুন উদ্যোক্তা কমে যাওয়ায় আয় বৈষম্য বেড়েছে : শিল্পমন্ত্রী
ছবি : পিআইডি

দেশে গত ১২ থেকে ১৫ বছরে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় আয় বৈষম্য বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

রবিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, গত কয়েক বছরে দেশে নতুন উদ্যোক্তা খুবই কম সৃষ্টি হয়েছে। যারা আগে থেকেই শিল্প-কারখানার মালিক ছিলেন, তারাই মূলত আরো বড় হয়েছেন। এর অন্যতম প্রধান কারণ ছিল শিল্পে গ্যাসের অপ্রতুলতা।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দেশে যে হারে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছিল, পরবর্তী ১০ থেকে ১৫ বছরে সেই হার নাটকীয়ভাবে কমে যায়। ফলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সম্পদের প্রবাহ নির্দিষ্ট কিছু মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। আয় বৈষম্য বৃদ্ধির এটি একটি বড় কারণ।’

তিনি বলেন, ১৫ থেকে ২০ বছর আগের তুলনায় বর্তমানে দেশে আয় বৈষম্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বৈশ্বিক আয় বৈষম্য সূচকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘ইনকাম ডিসপারিটির সূচক শূন্য থেকে এক পর্যন্ত। এই সূচক যত বাড়ে, বৈষম্যও তত বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে আমাদের দেশে এই বৈষম্য আগের তুলনায় অনেক বেশি।’

প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই) খাতের অবদান কম। বর্তমানে দেশের জিডিপিতে এ খাতের অবদান প্রায় ২৫ শতাংশ।

মন্ত্রী বলেন, অর্থনীতির গতিশীলতা বজায় রাখতে এমএসএমই খাতকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এ জন্য নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা, অর্থায়ন ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির কোনো বিকল্প নেই। তাই এমএসএমই খাতের বিকাশে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। 

খুচরা ব্যবসায়ীদের জন্য সুখবর আসছে

অনলাইন ডেস্ক
খুচরা ব্যবসায়ীদের জন্য সুখবর আসছে

খুচরা ব্যবসায়ীদের তীব্র বিরোধিতা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কায় ক্ষুদ্র ব্যবসার ওপর নির্দিষ্ট হারে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) বা বহুল আলোচিত ‘প্যাকেজ ভ্যাট’ আরোপের প্রস্তাব থেকে সরে এসেছে সরকার।

একই সঙ্গে তামাক খাতে প্রস্তাবিত কয়েকটি কর বৃদ্ধির পদক্ষেপও শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে আমদানি পর্যায়ে নিকোটিন পাউচের ওপর সম্পূরক শুল্ক বিদ্যমান ৩৫ শতাংশই বহাল থাকতে পারে। এ ছাড়া প্রচলিত সিগারেট উৎপাদনে ব্যবহৃত আমদানীকৃত কাঁচামালের ওপর প্রস্তাবিত কর বৃদ্ধিও প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

বর্তমানে বছরে ৫০ লাখ টাকা বা তার বেশি টার্নওভার রয়েছে এমন খুচরা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট নিবন্ধন নিতে হয়। এর নিচে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো ভ্যাটের আওতার বাইরে। তবে নতুন বাজেট প্রস্তাবে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে টার্নওভারের পরিমাণ-নির্বিশেষে সব খুচরা ব্যবসাকে ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছিল।

এ প্রস্তাব প্রকাশের পর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এতে পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধি পাবে এবং ভ্যাট কর্মকর্তাদের হয়রানির ঝুঁকি বাড়বে। 

সরকারি সূত্রের বরাতে বাংলাদেশ প্রতিদিন এক প্রতিবেদনে জানায়, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অর্থ বিলটি আজ অর্থ আইন হিসেবে পাস হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট বিধান বাদ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একজন জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা জানান, প্রস্তাবটি বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি অনেক মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সাধারণ ভ্যাটব্যবস্থার পরিবর্তে প্যাকেজ ভ্যাটব্যবস্থার আওতায় আসার চেষ্টা করতে পারে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে। অতীতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য কর পরিশোধ সহজ করতে প্যাকেজ ভ্যাটব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। পরে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় ভ্যাটব্যবস্থা চালুর পর তা বাতিল করা হয়। 

এদিকে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি ক্ষুদ্র ও অতিক্ষুদ্র ব্যবসাকে ভ্যাটের আওতার বাইরে রাখার দাবি জানিয়েছে। এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি জানায়, ক্ষুদ্র ব্যবসাকে ভ্যাটব্যবস্থার আওতায় আনা হলে হাজারো ব্যবসায়ী অপ্রয়োজনীয় হয়রানির শিকার হবেন এবং এসএমই খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি হবে। 

সংগঠনের সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর অধিকাংশেরই ভোক্তাদের কাছ থেকে ভ্যাট আদায়ের সক্ষমতা নেই। 
দোকান মালিক সমিতির তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে প্রায় ৭ লাখ ৭৫ হাজার প্রতিষ্ঠান ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় রয়েছে। গত অর্থবছরে আদায়কৃত ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকার ভ্যাটের প্রায় ৬০ শতাংশ এসেছে বৃহৎ করদাতা ইউনিটের (এলটিইউ) আওতাধীন মাত্র ১০৯টি প্রতিষ্ঠান থেকে। সংগঠনটি এনবিআরের প্রতি ভ্যাট অটোমেশন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন, প্রকৃত করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ওপর নজরদারি জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে ভূমির মালিকদের জন্য মূলধনি মুনাফা কর (গেইন ট্যাক্স) প্রস্তাবিত ১৫ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

রপ্তানিতে নতুন মাত্রা পিপিই-মাস্ক | কালের কণ্ঠ