• ই-পেপার

পদত্যাগের তিন দিন পর মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের ফেসবুক পোস্ট, যা লিখলেন

অনুমোদনবিহীন গঠনের অভিযোগ

এনসিপির পার্বতীপুর উপজেলা কমিটির কার্যক্রম স্থগিত

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
এনসিপির পার্বতীপুর উপজেলা কমিটির কার্যক্রম স্থগিত
ফাইল ছবি

দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলা শাখার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। জেলা নেতৃত্বের দাবি, সম্প্রতি ঘোষিত উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি যথাযথ সাংগঠনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে গঠন করা হয়নি।

আজ বুধবার (৩ জুন) বিকেলে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে দিনাজপুর জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদকবৃন্দ স্বাক্ষর করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২ জুন পার্বতীপুর উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিলো। পরবর্তীতে জেলা পর্যায়ের পর্যালোচনায় দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট কমিটি প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও সাংগঠনিক নির্দেশনা অনুসরণ না করেই গঠিত হয়েছে। এ কারণে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কমিটির সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃত্বের পরবর্তী নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ঘোষিত ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটিতে প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামকে আহ্বায়ক এবং লোকমান হোসেন (খোকন) কে সদস্যসচিব করা হয়। তবে কমিটির কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

প্রশিক্ষণে চীন যাচ্ছেন ছাত্রদল-যুবদল নেতাসহ তরুণ প্রতিনিধিরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রশিক্ষণে চীন যাচ্ছেন ছাত্রদল-যুবদল নেতাসহ তরুণ প্রতিনিধিরা
ছবি : কালের কণ্ঠ

প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মসূচিতে অংশ নিতে ছাত্রদল, যুবদল, বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল চীন সফরে যাচ্ছে। প্রতিনিধিদলের এই সফর উপলক্ষে মঙ্গলবার (৩ জুন) ঢাকায় এক সংবর্ধনার আয়োজন করে চীনা দূতাবাস।

জানা গেছে, প্রতিনিধিদলটি ৪ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত চীনের ঐতিহাসিক শহর চংকিং ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র সাংহাই সফর করবে। সফরকালে তারা চীনের উৎপাদনশীল শক্তির বিকাশ, আধুনিক উন্নয়ন কৌশল, উচ্চ পর্যায়ের অর্থনৈতিক উন্মুক্তকরণ, গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন এবং তৃণমূল পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে।

আরো পড়ুন
‘জয় বাংলা বলেই তো দেশ স্বাধীন হয়েছে, এখন কেন অস্থির লাগে?’

‘জয় বাংলা বলেই তো দেশ স্বাধীন হয়েছে, এখন কেন অস্থির লাগে?’

 

প্রতিনিধিদলের সদস্যরা হলেন যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক শরিফ উদ্দিন জুয়েল, যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক খন্দকার এনামুল হক এনাম, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম, ডাকসু ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম, ডাকসু ছাত্রদলের জি এস প্রার্থী তানভীর বারি হামিম, জাকসু ভিপি আবিদুর রশিদ জিতু, চকসু এ জি এস তৌফিকসহ ২০ জন।

অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, সংসদ সদস্য জেবা আমিনা খান এবং প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে টানাটানি করার সুযোগ দেওয়া হবে না : শফিকুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইসলামী ব্যাংক নিয়ে টানাটানি করার সুযোগ দেওয়া হবে না : শফিকুর রহমান
ছবি: কালের কণ্ঠ

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের দখল বা নিয়ন্ত্রণের পাঁয়তারা জনগণ মেনে নেবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, সরকার ইসলামী ব্যাংককে সাবেক ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এই ব্যাংক উদ্ধারের জন্য বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা মাঠে নামতে প্রস্তুত রয়েছে এবং ইসলামী ব্যাংক নিয়ে কাউকে টানাটানি করার সুযোগ দেওয়া হবে না।

বুধবার (৩ জুন) রাতে রাজধানীর মিরপুরের একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য শাহ আলম তুহিন এবং অধ্যাপক আনোয়ারুল করিম।

ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, ‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ইসলামী ব্যাংক থেকে ৩৪ হাজার কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। আবারও ফ্যাসিবাদী কায়দায় ব্যাংক খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে।’

তিনি বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকের কোনো ক্ষতি হলে দেশের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ তিনি সরকারকে ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের ভূমিকার সমালোচনা করেন।

দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, দেশ এভাবে চলতে পারে না। বিগত সরকারের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, একদল পালিয়ে গেছে পাশের দেশে, বাকি দল যাবে কোথায়? জনগণের স্বার্থে জামায়াত শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করবে এবং কখনো গৃহপালিত বিরোধী দল হবে না বলেও তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চাঁদাবাজদের কোনো দল নেই, এরা বসন্তের কোকিল। দেশের ৩০০ জন সংসদ সদস্য যদি ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত নেন, তবে দেশ থেকে চাঁদাবাজি দূর করা সম্ভব।

বিশ্ব পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে এবার ইরান, লেবানন ও গাজাসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেনি। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় দেশে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে এবং মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে।

তিনি বলেন, দেশের বর্তমান সংকট যদি কৃত্রিম হয় তবে তা দ্রুত সমাধান করতে হবে। আর যদি প্রাকৃতিক বা বৈশ্বিক কারণে হয়, তবে বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হবে। জাতীয় সংসদ সঠিকভাবে কার্যকর করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, সরকারি ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করলে অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব।

জ্বালানি খাতের সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি অভিযোগ করেন, দেশে গ্যাসের মজুদ কমে গেলেও নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান ও উত্তোলনে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে না। গ্যাসের দাম ৬০০-৭০০ টাকা বাড়িয়ে পরে মাত্র ৫০ টাকা কমানোকে তিনি জাতির সঙ্গে তামাশা বলে অভিহিত করেন।

সবশেষে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনের জন্য বিদ্যমান ব্যবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে জনগণের স্বার্থে জামায়াতে ইসলামী শিগগিরই আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করবে বলে তিনি জানান।

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি অন্যায্য ও গণবিরোধী : বাসদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি অন্যায্য ও গণবিরোধী : বাসদ
সংগৃহীত ছবি

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে অগণতান্ত্রিক, অন্যায্য ও গণবিরোধী বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)। দলটির পক্ষ থেকে অবিলম্বে এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের জোর দাবি জানানো হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ এ দাবি জানান। তিনি বলেন, জনমত উপেক্ষা করে সরকারের নির্দেশে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কর্তৃক বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির এই ঘোষণা দেশবাসীকে হতবাক ও উদ্বিগ্ন করেছে।

বিবৃতিতে বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, ‘দেশের সাধারণ মানুষের আয় বাড়েনি, বরং প্রকৃত আয় কমেছে। বেকারত্ব বেড়েছে। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ এমনিতেই অতিষ্ঠ। এর মধ্যে সরকার ইতিমধ্যে দুইবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। এখন আবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলো। বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী গরিব মানুষও এই মূল্যবৃদ্ধির খড়্গ থেকে রেহাই পেল না।’

বাসদ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র প্রতি মাসে মানুষের জ্বালানি ও বিদ্যুতের খরচই বাড়াবে না, বরং এর ফলে পরিবহন ভাড়াসহ দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসপত্রের উৎপাদন খরচও বেড়ে যাবে। যার চূড়ান্ত প্রভাব গিয়ে পড়বে সাধারণ মানুষের ঘাড়ে।’

বিইআরসির ভূমিকার সমালোচনা করে বিবৃতিতে বলা হয়, গণশুনানিতে ভোক্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে বিদ্যুতের দাম কমানোর জন্য বিকল্প পথ খোঁজার আহ্বান জানানো হয়েছিল। বিশেষজ্ঞরা দাম কমানোর বিকল্প সন্ধান করতে পারতেন। কোনো যৌক্তিক কারণে যদি মূল্যের সমন্বয় করতেই হতো, তবে তা আলোচনার মাধ্যমে বিবেচনা করা যেত।

বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, ‘বিইআরসি ও সরকার সে পথে না হেঁটে মূল্যবৃদ্ধি করে সাধারণ মানুষের পকেট কাটার অযৌক্তিক ও গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নিল। এর মাধ্যমে বিইআরসি নিজেকে একটি অকার্যকর ও গণবিরোধী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করল।’