• ই-পেপার

গাজায় গণহত্যা বন্ধের দাবিতে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ছাত্রশিবিরের

এনসিপির জুলাই যুব কনভেনশন ২০২৬ শুরু

অনলাইন ডেস্ক
এনসিপির জুলাই যুব কনভেনশন ২০২৬ শুরু

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুব সংগঠন  জাতীয় যুবশক্তির আয়োজনে ‘জুলাই যুব কনভেনশন ২০২৬’ শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৪টায় রাজধানীর রমনায় দ্য ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে এই কনভেনশন শুরু হয়।

কনভেনশনে প্রধান অতিথি হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও জাতীয় সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া উপস্থিত থাকবেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেল।

সন্ধ্যায় জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

অনলাইন ডেস্ক
সন্ধ্যায় জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে দলের সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলবেন তিনি।

দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরা হতে পারে।

রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় বিএনপির যেসব নেতার নাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় বিএনপির যেসব নেতার নাম

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আজ বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে জানাতে সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।

শুক্রবার সংসদ সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রাশেদ মিজান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ পরবর্তী এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন শুক্রবার বিকেল ৫টায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে (পূর্ব ব্লক, লেভেল-১) অনুষ্ঠিত হবে।

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে তা স্পিকারের কাছে জমা দেবেন এবং আগামী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ একজন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে। এটাই সংবিধানের বিধান—আজ দুপুরে দেশে ফিরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হতে পারেন তা নিয়ে বিএনপির উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়। রাষ্ট্র পরিচালনা এবং রাজনীতিতে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম এ ক্ষেত্রে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। দল ও সরকারের পক্ষ থেকে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবেও মির্জা ফখরুলের নাম তালিকার শীর্ষে। মির্জা ফখরুল নির্বাচিত হলে তিনি হবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি।

দলীয় সূত্র জানায়, দলের অনুগত এবং দুঃসময়ের কাণ্ডারি হিসেবে তাকেই বিবেচনা করা হচ্ছে পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মির্জা ফখরুলের ইতিবাচক মনোভাব এবং বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি তাকে সর্বজন গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। দল-মত-নির্বিশেষে তিনি একজন সজ্জন রাজনীতিক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন।

মির্জা ফখরুল ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি, ড. আব্দুল মঈন খান এমপি ও নজরুল ইসলাম খানের নামও আলোচনায় রয়েছে। তাদের প্রত্যেকের দলের প্রতি আনুগত্য, দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি কমিটমেন্ট রয়েছে। দলের বাইরে অরাজনৈতিক ও প্রাজ্ঞ ব্যক্তি হিসেবে অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহর নামটিও দলের হাইকমান্ডের তালিকায় রয়েছে বলে দলীয় একটি সূত্র জানায়।

সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘একটি নামই আছে। আপাতত বিকল্প ভাবা হচ্ছে না। দলের আর বিকল্প নেই।’

মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগের পর স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে অথবা একক প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদেই পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। ফলে কে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন, তা রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

নতুন রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই। আমি কোনো কর্তৃপক্ষও নই। নতুন রাষ্ট্রপতি যিনি আসবেন তাঁর সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয়ই অবগত আছেন। উনার বিভিন্ন মাধ্যম আছে, সব তথ্য উনার কাছে আছে। বাইরে থেকে বলার কিছু নেই।’

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলেন, “সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। আর সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা আছে—‘রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত, কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করিবেন।”

এ ছাড়া সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে সেটি পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাঁর পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৮ সালের এপ্রিলে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন। এরপর সংসদ ভেঙে দেওয়া এবং অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ রাজনৈতিক পালাবদলের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পর্যায়ে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. সাহাবুদ্দিন। 

গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে ২৮ ও ২৯ জুলাই ছাত্রদলের কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক
গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে ২৮ ও ২৯ জুলাই ছাত্রদলের কর্মসূচি

জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণ এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আগামী ২৮ ও ২৯ জুলাই দেশব্যাপী কর্মসূচি পালন করা হবে।

শুক্রবার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৮ ও ২৯ জুলাই (মঙ্গলবার ও বুধবার) জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের সব শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের নেতৃত্বে সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা, মহানগর, উপজেলা, কলেজ ও পৌর ইউনিটের নেতাকর্মীরা শহীদদের কবর জিয়ারত করবেন। একই সঙ্গে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপহারসামগ্রী তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান স্মরণ, শহীদ ও আহতদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণ, অংশগ্রহণকারীদের অবদানের স্বীকৃতি এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য সুসংহত করার লক্ষ্যেই এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

গাজায় গণহত্যা বন্ধের দাবিতে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ছাত্রশিবিরের | কালের কণ্ঠ