• ই-পেপার

আমরা কেন ঈমান আনি

জ্বর উঠলে যে দোয়া পড়বেন

ইসলামী জীবন ডেস্ক
জ্বর উঠলে যে দোয়া পড়বেন
সংগৃহীত ছবি

জ্বর হলে রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহাবিদের শরীরে ফুঁ দিয়ে কিছু দোয়া ও আয়াত পড়ার শিক্ষা দিয়েছেন। হাদিস অনুযায়ী সবচেয়ে উত্তম ও কার্যকরী দোয়াটি হলো-

بِسمِ اللهِ الكبيرِ، نعوذُ باللهِ العظيمِ مِن شرِّ عِرْقٍ نعَّارٍ ، ومِن شرِّ حرِّ النَّارِ.

উচ্চারণ : বিসমিল্লাহিল কাবির, আউজুবিল্লাহিল আজিম, মিন শাররি কুল্লি ইরকিন নায়্যার, ওয়া মিন শাররি হাররিন নার। 

অর্থ : ‘মহান আল্লাহর নামে, আমি মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই— প্রবল প্রবাহমান রক্তচাপের আক্রমণ থেকে এবং জাহান্নামের উত্তপ্ত আগুনের অনিষ্ট থেকে।’ (তিরমিজি, হাদিস নং : ২০৭৫) 

পড়ার নিয়ম : রোগী নিজে অথবা অন্য কেউ এই দোয়া পড়ে ৭ বার ফুঁ দিতে পারেন। এছাড়া, পবিত্র কোরআনের সুরা ফাতিহা, সুরা ইখলাস, সুর ফালাক ও সুরা নাস পড়ে ফুঁ দেওয়াও অত্যন্ত বরকতময় ও রোগমুক্তির উপায়।
 

গৃহকর্মীদের সঙ্গে আচরণের ক্ষেত্রে যেসব বিষয় লক্ষণীয়

মুফতি ওমর বিন নাছির
গৃহকর্মীদের সঙ্গে আচরণের ক্ষেত্রে যেসব বিষয় লক্ষণীয়
সংগৃহীত ছবি

একটি পরিবারকে সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় রাখতে গৃহকর্মীদের অবদান অনেক সময় নীরব হলেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা ঘরের নানা কাজে সহযোগিতা করে পরিবারের সদস্যদের জীবনকে সহজ করে তোলে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে সমাজে অনেক সময় গৃহকর্মীদের অবহেলা, অপমান, শোষণ কিংবা নির্যাতনের শিকার হতে দেখা যায়। ইসলাম এ ধরনের আচরণকে কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করেছে এবং গৃহকর্মী, শ্রমিক ও অধীনস্থদের প্রতি দয়া, সম্মান ও ন্যায়বিচারের নির্দেশ দিয়েছে।

ইসলাম মানুষের মর্যাদাকে বংশ, জাতি, সম্পদ বা পেশার ভিত্তিতে নয়; বরং তাকওয়া ও মানবিকতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে। তাই একজন গৃহকর্মীও একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ, যার সম্মান, অধিকার ও অনুভূতি রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর জীবন ও শিক্ষার মাধ্যমে গৃহকর্মীদের সঙ্গে সদাচরণের সর্বোত্তম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

১. গৃহকর্মীদের ভাই-বোনের মতো মনে করা
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের অধীনস্থরা তোমাদের ভাই। আল্লাহ তাদেরকে তোমাদের অধীনে রেখেছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘তোমরা যা খাও তাদেরকেও তা খেতে দাও এবং তোমরা যা পরিধান কর তাদেরকেও তা পরতে দাও।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩০)
এই হাদিসে রাসুল (সা.) গৃহকর্মীদের দাস বা চাকর হিসেবে নয়; বরং ভাই হিসেবে বিবেচনা করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই তাদের সঙ্গে অহংকারপূর্ণ নয়, বরং মানবিক আচরণ করা উচিত।

২. সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে কথা বলা
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘মানুষের সঙ্গে উত্তম কথা বলো।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ৮৩)
গৃহকর্মীদের সঙ্গে রূঢ়, অপমানজনক বা তুচ্ছতাচ্ছিল্যপূর্ণ ভাষায় কথা বলা ইসলামের আদর্শ নয়। তাদের ভুল হলে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বলা উচিত। কারণ কোমল ভাষা মানুষের হৃদয় জয় করে, আর কঠোর ভাষা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে।

৩. কাজের ক্ষেত্রে সামর্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখা
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তাদের ওপর এমন কাজ চাপিয়ে দিও না যা তাদের সাধ্যের বাইরে। যদি চাপিয়েই দাও, তবে তাদেরকে সাহায্য করো।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩০)
অনেক সময় গৃহকর্মীদের ওপর অতিরিক্ত কাজের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়। ইসলাম এ ধরনের জুলুমকে সমর্থন করে না। কাজের সময়, বিশ্রাম ও শারীরিক সক্ষমতার প্রতি লক্ষ্য রাখা কর্তব্য।

৪. খাদ্য, পোশাক ও মৌলিক চাহিদার প্রতি যত্নবান হওয়া
ইসলাম শুধু কাজ নেওয়ার কথা বলেনি; বরং তাদের মৌলিক প্রয়োজন পূরণের প্রতিও গুরুত্ব দিয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমরা যা খাও তাদেরও তা খেতে দাও এবং তোমরা যা পরিধান কর তাদেরও তা পরতে দাও।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৬৬১)
এ হাদিসের অর্থ হলো, গৃহকর্মীদের মানুষ হিসেবে মর্যাদা দিতে হবে এবং তাদের জীবনযাপনের ন্যূনতম প্রয়োজনগুলোর প্রতি উদাসীন হওয়া যাবে না।

৫. নির্যাতন ও অবিচার থেকে বিরত থাকা
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ জালিমদের ভালোবাসেন না।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ৫৭)
গৃহকর্মীদের শারীরিক, মানসিক বা আর্থিক নির্যাতন করা গুরুতর গুনাহ। তাদের বেতন আটকে রাখা, অন্যায়ভাবে গালমন্দ করা বা মারধর করা ইসলামে নিষিদ্ধ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাদের বিরুদ্ধে স্বয়ং বাদী হবেন, যারা শ্রমিককে কাজ করিয়ে তার প্রাপ্য মজুরি দেয় না।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২২২৭)

৬. ভুলত্রুটি হলে ক্ষমাশীল হওয়া
মানুষ মাত্রই ভুল করে। গৃহকর্মীরাও এর ব্যতিক্রম নয়। এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমি আমার খাদেমকে দিনে কতবার ক্ষমা করব?’ তিনি বললেন, ‘প্রতিদিন সত্তর বার।’ (সুনান আবু দাউদ, হাদিস : ৫১৬৪) এর অর্থ হলো, গৃহকর্মীদের ছোটখাটো ভুলত্রুটির ক্ষেত্রে ক্ষমাশীল ও সহনশীল হওয়া একজন মুমিনের গুণ।

৭. তাদের হক ও পারিশ্রমিক যথাসময়ে প্রদান করা
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার মজুরি দিয়ে দাও।’ (সুনান ইবন মাজাহ, হাদিস : ২৪৪৩)
গৃহকর্মীদের বেতন বিলম্বিত করা বা অযথা কাটছাঁট করা ইসলামের দৃষ্টিতে অন্যায়।

৮. তাদের জন্য দোয়া করা ও কল্যাণ কামনা করা
একজন মুমিন শুধু নিজের জন্য নয়; বরং তার অধীনস্থদের জন্যও কল্যাণ কামনা করে। গৃহকর্মীদের সুখ-দুঃখের খোঁজ নেওয়া, অসুস্থ হলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং তাদের পরিবারের জন্য সহানুভূতি প্রদর্শন করা ইসলামী চরিত্রের অংশ।

৯. রাসুলুল্লাহ (সা.) এর অনুপম আদর্শ
আনাস ইবন মালিক (রা.) বলেন, ‘আমি দশ বছর রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর খেদমত করেছি। তিনি কখনো আমাকে ‘উফ’ পর্যন্ত বলেননি এবং কোনো কাজের জন্য বলেননি, ‘এটা কেন করলে?’ বা ‘এটা কেন করলে না?’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৩০৯)
এটি মানব ইতিহাসে একজন নিয়োগকর্তার পক্ষ থেকে কর্মচারীর প্রতি সর্বোচ্চ সৌজন্য ও দয়ার দৃষ্টান্ত।

১০.তাদের সঙ্গে সদাচারকে ইবাদত মনে করা
ইসলাম এমন একটি জীবনব্যবস্থা, যা সমাজের দুর্বল ও অধীনস্থ মানুষের অধিকার রক্ষায় সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। গৃহকর্মীরা আমাদের সেবক নয়; বরং আল্লাহর সৃষ্টি হিসেবে সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী মানুষ। তাদের সঙ্গে সদাচরণ করা শুধু সামাজিক দায়িত্ব নয়, বরং এটি একটি মহান ইবাদতও বটে। যে ব্যক্তি তার গৃহকর্মীর প্রতি দয়া, ন্যায় ও মানবিকতা প্রদর্শন করে, সে প্রকৃতপক্ষে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণ করে।

আসুন, আমরা আমাদের ঘরে কর্মরত প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে এমন আচরণ করি, যাতে তারা আমাদের কাছ থেকে সম্মান, নিরাপত্তা ও ভালোবাসা অনুভব করতে পারে। কেননা মানুষের প্রতি দয়া প্রদর্শনই আল্লাহর দয়া লাভের অন্যতম মাধ্যম। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে গৃহকর্মীসহ সকল মানুষের হক যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সময়ের আবর্তন মুমিনকে সচেতন করে তোলে

ইসলামী জীবন ডেস্ক
সময়ের আবর্তন মুমিনকে সচেতন করে তোলে
সংগৃহীত ছবি

মানুষের জীবনে সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস ধন-সম্পদ, ক্ষমতা, সৌন্দর্য কিংবা খ্যাতি নয়; বরং মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো সময়। কারণ হারিয়ে যাওয়া সম্পদ ফিরে পাওয়া যায়, কিন্তু চলে যাওয়া একটি মুহূর্তও কখনো ফিরে আসে না। দিন ও রাতের অবিরাম আবর্তন, মাস ও বছরের পরিবর্তন, শৈশব থেকে যৌবন এবং যৌবন থেকে বার্ধক্যের দিকে ধাবিত হওয়া—এসব আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে আমরা এই পৃথিবীতে স্থায়ী নই; বরং একটি নির্ধারিত গন্তব্যের দিকে দ্রুত এগিয়ে চলেছি।

প্রতিটি সূর্যোদয় যেন আমাদের জীবনের একটি নতুন পৃষ্ঠা খুলে দেয় এবং প্রতিটি সূর্যাস্ত সেই পৃষ্ঠার হিসাব বন্ধ করে দেয়। তাই একজন সচেতন মুমিনের জন্য সময়ের প্রবাহ শুধু ক্যালেন্ডারের পরিবর্তন নয়; বরং এটি আত্মসমালোচনা, আত্মশুদ্ধি এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসার এক গুরুত্বপূর্ণ আহবান। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে মুমিনরা! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, আর প্রত্যেক ব্যক্তি যেন লক্ষ করে যে আগামীকালের জন্য সে কী প্রেরণ করেছে।’ (সুরা : হাশর, আয়াত : ১৮)

সময়ের আবর্তনে মানুষের জন্য শিক্ষা
আল্লাহ তাআলা এই পৃথিবীকে পরিবর্তনের ওপর প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সুখের পর দুঃখ, দুঃখের পর সুখ, শক্তির পর দুর্বলতা, যৌবনের পর বার্ধক্য এবং জীবনের পর মৃত্যু—এসবই আল্লাহর নির্ধারিত বিধান। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা অবশ্যই এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় উত্তীর্ণ হবে।’ (সুরা : ইনশিকাক, আয়াত : ১৯)

একটি ঋতু আসে, মানুষ তার জন্য প্রস্তুতি নেয়; একটি ঈদ আসে, মানুষ আনন্দে মেতে ওঠে; কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই সবকিছু অতীত হয়ে যায়। যারা একদিন একত্র ছিল, তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। যে ঘর একদিন মানুষের কোলাহলে মুখর ছিল, তা একদিন নীরব হয়ে যায়। এভাবেই জীবন আমাদের শিক্ষা দেয় যে এই পৃথিবী চিরস্থায়ী আবাস নয়; বরং এটি পরীক্ষার ক্ষেত্র।

দিন-রাতের পরিবর্তনে আল্লাহর নিদর্শন
যারা চিন্তাশীল, তারা দিন ও রাতের পরিবর্তনের মধ্যে আল্লাহর অসংখ্য নিদর্শন দেখতে পায়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিতে এবং দিন ও রাতের পরিবর্তনে বোধসম্পন্ন লোকদের জন্য নিদর্শন রয়েছে।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৯০)

এরপর আল্লাহ তাঁদের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছেন, ‘যারা দাঁড়িয়ে, বসে এবং শুয়ে আল্লাহকে স্মরণ করে।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৯১)
সুতরাং প্রকৃত মুমিন সময়ের পরিবর্তন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে এবং নিজের আমল পর্যালোচনা করে।

নতুন হিজরি বছর আত্মসমালোচনার সময়
একটি বছর চলে গেছে, আরেকটি বছর শুরু হয়েছে। এ সময়টি শুধু নতুন ক্যালেন্ডারের সূচনা নয়; বরং নতুন জীবন গড়ার একটি সুবর্ণ সুযোগ। এই সময়ে একজন মুমিন নিজেকে প্রশ্ন করতে পারে—গত বছরে আমি কী অর্জন করেছি? আমার সালাত, তিলাওয়াত ও ইবাদতের অবস্থা কেমন ছিল? আমি কত মানুষের উপকার করেছি? কত পাপ থেকে তাওবা করেছি? যদি আজ আমার মৃত্যু হয়, আমি কি প্রস্তুত? আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি তার কৃত ভালো ও মন্দ কাজ সামনে উপস্থিত পাবে।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ৩০)

তাই নতুন বছরের সূচনা হওয়া উচিত আন্তরিক তাওবা, ইস্তিগফার এবং নেক আমলের দৃঢ় সংকল্পের মাধ্যমে।

ডিজিটাল যুগে সময় অপচয়ের ভয়াবহতা
বর্তমান যুগে মানুষের সবচেয়ে বড় সংকটগুলোর একটি হলো সময়ের অপচয়। হাতে থাকা স্মার্টফোন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষের অজান্তেই তার জীবনের অমূল্য মুহূর্তগুলো গ্রাস করছে। দিন-রাত স্ক্রিনের সামনে কাটতে কাটতে অনেকেই ভুলে যাচ্ছে—কোরআন তিলাওয়াত, জ্ঞানার্জন, পরিবারকে সময় দেওয়া, আত্মউন্নয়ন, সমাজ ও উম্মাহর জন্য কাজ করা ইত্যাদি। একটি নোটিফিকেশন থেকে আরেকটি ভিডিও, একটি সংবাদ থেকে আরেকটি বিতর্ক—এভাবেই মূল্যবান জীবন ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘দুটি নিয়ামতের ব্যাপারে বেশির ভাগ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত্ত—সুস্বাস্থ্য ও অবসর সময়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬৪১২)

অতএব, আসুন আমরা আমাদের অতীত ভুলত্রুটির জন্য আন্তরিকভাবে তাওবা করি, মহররম ও আশুরার ফজিলতপূর্ণ আমলগুলো পালন করি, সময়ের সঠিক ব্যবহার করি এবং ডিজিটাল বিভ্রান্তি থেকে নিজেদের রক্ষা করি। আমরা যেন প্রতিটি দিনকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি নতুন সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করি। আল্লাহ তাআলা আমাদের সময়ের মূল্য উপলব্ধি করার, নেক আমলে জীবনকে সমৃদ্ধ করার এবং উত্তম পরিণতি লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৪ জুন ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৪ জুন ২০২৬

আজ বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩, ৮ মহররম, ১৪৪৮।

ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ—

জোহরের সময় শুরু ১২টা ০৪ মিনিটে।

আসরের সময় শুরু ৪টা ৪০ মিনিটে।

মাগরিব ৬টা ৫৩ মিনিটে।

এশার সময় শুরু ৮টা ১৯ মিনিটে।

আগামীকাল ফজর শুরু ৩টা ৪৭ মিনিটে 

আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ৪৯ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৫টা ১২ মিনিটে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।