• ই-পেপার

৪ হাজার আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

জমির উদ্দিন সরকার সম্পর্কে প্রধান বিচারপতি

পেশার প্রতি তার ছিল অসীম ডেডিকেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
পেশার প্রতি তার ছিল অসীম ডেডিকেশন
প্রয়াত রাজনীতিবিদ ও জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার।

প্রয়াত রাজনীতিবিদ ও জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারকে নিয়ে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী বলেছেন, তিনি ছিলেন বহুমুখী গুণের অধিকারী। জেন্টলম্যান ফর এক্সিলেন্স (শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীক)।

আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে এক স্মরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন বিচার বিভাগের প্রধান। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি এই স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।  

আইন পেশায় ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের অবদান তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘তার দুটি অসাধারণ বৈশিষ্ট্য ছিল। একটি হলো আইন পেশার প্রতি তাঁর ছিল অসীম ডেডিকেশন (নিবেদন)। অন্যটি হলো কমিটমেন্ট টু দ্য কেস (মামলার প্রতি দায়বদ্ধতা), যা বর্তমানে অধিকাংশ আইনজীবীর মধ্যেই দুটি বৈশিষ্ট্যেরই অভাব রয়েছে।

আইনজীবীদের উদ্দেশে জুবায়ের রহমান চৌধুরী বলেন, ‘বিচারপ্রার্থীরা আল্লাহর পর আইনজীবীদের ওপরই ভরসা করেন। তাই মামলার ফল যাই হোক না কেন, মামলাটি সঠিকভাবে আদালতে উপস্থাপন করা আইনজীবীদের নৈতিক ও আইনি দায়িত্ব।’

জমির উদ্দিন সরকারের রাজনৈতিক অবদান তুলে ধরে অনুষ্ঠানে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, ‘তিনি ছিলেন রাজনৈতিক অঙ্গনের একজন প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিত্ব। এক-এগারো সরকারের সময়ে তিনি তার সাহসিকতা দেখিয়েছেন। তার আচরণ অন্য ৮-১০ জন রাজনীতিকের মতো ছিল না। রাজনীতির প্রতিটা ধাপে তিনি পেশাদারি বজায় রেখেছেন।

আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আইন অঙ্গনের সবার একজন ছিলেন জমির উদ্দিন সরকার। তিনি অত্যন্ত সচেতনভাবে আইনজীবী সমিতি বা বার কাউন্সিলের নির্বাচন থেকে নিজেকে বিরত রেখেছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার কোর্টে যে আর্গুমেন্ট করতেন, তা এখন আইনের রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তার পেশাগত নৈতিকতা সব আইনজীবীদের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে।’

বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে বলেন, ‘তিনি আইনজীবীদের জন্য অনুকরণীয়। কখনো কোনো এজলাসে উত্তেজিত হতেন না। কোর্ট কোনো আদেশ দিলে মাথা পেতে নিতেন। বর্তমানে অনেক আইনজীবীদের মধ্যে এসব বিষয়ে শূন্যতা রয়েছে।’

স্মরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ আলী। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী ও জমির উদ্দিন সরকারের মেয়ে নিলুফার আখতার জমিরসহ আরো অনেকেই।

৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যা : নিরাপত্তা প্রহরীর ৩ দিনের রিমান্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যা : নিরাপত্তা প্রহরীর ৩ দিনের রিমান্ড

ঢাকার পশ্চিম রামপুরায় ৬ বছরের শিশু ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় নিরাপত্তা প্রহরী রাসেল মৃধাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামান রিমান্ডের এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মারুফ রেজা রিমান্ডের তথ্য নিশ্চিত করেন।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত ৯ টার দিকে  পশ্চিম রামপুরার নিখোঁজ হয় তাহেতি আক্তার তাসনিম ওরফে তাহেতি আক্তার তাসলিন নিখোঁজ হয়। রাত সাড়ে ১১ টার দিকে বাসার পাশের একটি নির্মীয়মাণ ভবন থেকে লিফটের নির্মীয়মাণ ফাঁকা জায়গা থেকে পানির মধ্যে উপুর অবস্থায় তাসনিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুর বাবা লিটন পরদিন হাতিরঝিল থানায় মামলা করেন।

মামলার পরে রাসেলকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠান পুলিশ। পরে তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৫ মার্চ তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরে তাসনিমকে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়।

গত ১৩ জুন রাসেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মোহাম্মদপুর জোনাল টিমের এসআই জাহাঙ্গীর আলম। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন রাখেন সোমবার। 

এদিন শুনানিকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। রাসেলের পক্ষে তার আইনজীবী জহির হোসেন রিমান্ড বাতিল করে জামিন প্রার্থণা করেন। পরে আদালত তার তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, পাশের বাসার জিহাদের সাথে খেলতে যাচ্ছে বলে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টার দিকে বাসা থেকে বের হয় তাসনিম। শিশুটি ফিরে না আসায় খোঁজাখুঁজি করে তার মা। পরে মাইকিংও করা হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসার পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে লিফটের নির্মানাধীন ফাঁকা জায়গা থেকে পানির মধ্যে উপুর অবস্থায় তাসনিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এলাকার উত্তেজিত লোকজন রাসেল মৃধাকে আটক করে।রাত ৯ টা থেকে রাত সাড়ে ১১ টার মধ্যে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি/ব্যক্তিরা তাসনিমকে হত্যা করে লাশ ফেলে রাখে বলে অভিযোগ করেন লিটন।

ডিসি অফিসের তালাবদ্ধ গেট খুলে দেওয়ার দাবি ঢাকা আইনজীবী সমিতির

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডিসি অফিসের তালাবদ্ধ গেট খুলে দেওয়ার দাবি ঢাকা আইনজীবী সমিতির

​ঢাকা জেলা প্রশাসক (ডিসি) কার্যালয়ের মূল ভবনের নিচতলার দক্ষিণ পাশের বন্ধ থাকা গেটগুলো অফিস চলাকালীন সময়ে পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য জোর দাবি জানিয়েছে ঢাকা আইনজীবী সমিতি। গেটগুলো তালাবদ্ধ করে ইটের প্রাচীর দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার বিচারপ্রার্থী মানুষ, আইনজীবীসহ আদালত সংশ্লিষ্টরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

​সোমবার (২০ জুলাই) ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবুল কালাম খান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কাছে এই আবেদন জানানো হয়।

​চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের দক্ষিণ পাশেই ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত অবস্থিত। তার পাশেই ঢাকা আইনজীবী সমিতিসহ অনান্য আদালত ভবন রয়েছে। ব্রিটিশ আমলের পর থেকে যুগ যুগ ধরে ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এই দক্ষিণ পাশের একাধিক গেইট দিয়ে বিচারপ্রার্থী সাধারণ জনগণ, বিজ্ঞ আইনজীবী এবং আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিয়মিত যাতায়াত করে আসছিলেন। পেশাগত কারণে আইনজীবীদের এই গেটগুলো দিয়ে দিনে বহুবার যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু হঠাৎ করেই গেটগুলোতে তালা মেরে ও ইটের প্রাচীর তৈরি করে যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

​আইনজীবী সমিতি জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্তের কারণে প্রবীণ, অসুস্থ এবং হাঁটু ও কোমর ব্যথাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত বিজ্ঞ আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। বর্তমানে বিকল্প পথ হিসেবে মেইন রাস্তার পাশ দিয়ে যে রাস্তা তৈরি করা হয়েছে, সেখানে সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামা করতে বয়োবৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষদের চরম কষ্ট হচ্ছে।

​আগে যে গেটটি দিয়ে মাত্র ২-৩ মিনিটে ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালত, মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতে পৌঁছানো যেত, এখন দীর্ঘ পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এর ফলে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) কোর্টসহ অন্যান্য নির্বাহী কোর্টে যেতেও দীর্ঘ সময় অপচয় হচ্ছে, যা বিচারপ্রার্থী ও আদালত সংশ্লিষ্টদের মূল্যবান সময় নষ্ট করছে।

​চিঠিতে আরো বলা হয়, প্রশাসনের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতি আইনজীবী সমিতির পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করাও প্রশাসনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।

​বিজ্ঞ আইনজীবী সমাজ এবং সাধারণ বিচারপ্রার্থীদের মানবিক দিক বিবেচনা করে, অন্তত একটি গেইট জরুরি ভিত্তিতে পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা আইনজীবী সমিতি। এই চিঠির অনুলিপি সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) এবং নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি), ঢাকাকেও পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ে যোগ দিতে এসে ধরা খেলেন ৪ জন, কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
মন্ত্রণালয়ে যোগ দিতে এসে ধরা খেলেন ৪ জন, কারাগারে
ফাইল ছবি

প্রক্সি পরীক্ষার্থীর সহায়তায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পাওয়ার পর যোগদানপত্র দাখিল করতে এসে ফেস ভেরিফিকেশনে (মুখের অবয়ব পরীক্ষা) ধরা পড়েছেন চারজন। শাহবাগ থানায় করা প্রতারণার মামলায় ঢাকা অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সোমবার (২০ জুলাই) তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

আসামিরা হলেন মো. রাসেল রানা লিটন (৩২), মো. আলিম (২৮), মো. আলী হায়দার (২৯) এবং মো. মাসুদ ফকির (৩১)।

সোমবার বিকেলে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মো. জোনাইদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আসামিদের জামিন আবেদনের ওপর শুনানির জন্য মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দিন ধার্য করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ৫ মে অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০) পদের ২০টি শূন্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এরপর ১৯ জুন লিখিত এবং ২৪, ২৫ ও ২৬ জুন মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে গত ৬ জুলাই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয় এবং ১৯ জুলাই (রবিবার) সকাল ১০টার মধ্যে সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনের ১৮০২ নম্বর কক্ষে যোগদানপত্র দাখিল করতে বলা হয়।

নির্ধারিত সময়ে আসামিরা সচিবালয়ে যোগ দিতে এলে তাদের চেহারা ও উপস্থিতি সন্দেহজনক মনে হয়। পরে উপস্থিত কর্মকর্তারা তাদের ছবি ও তথ্য মৌখিক পরীক্ষার সময় তোলা ক্যামেরার ছবির সঙ্গে মেলান (ফেস ভেরিফিকেশন)। এতে মুখের অবয়বে মারাত্মক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আসামিরা স্বীকার করেন, মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে প্রক্সি পরীক্ষার্থীর সহায়তায় তারা লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নিয়োগপত্র পেয়েছিলেন।

এ ঘটনায় রবিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সচিবালয় থেকে তাদের আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পরদিন সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এইচ এম আরিফুর রহমান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

সোমবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. আবদুল গাফফার (হিমেল) আসামিদের আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটকে রাখার আবেদন জানান।

অন্যদিকে আসামিদের পক্ষে আদালতে জামিন আবেদন করা হয়। আসামি রাসেল রানা লিটন ও আলী হায়দারের পক্ষে তাদের আইনজীবী নাজনীন আক্তার এবং আসামি মাসুদ ফকিরের পক্ষে আইনজীবী মো. মনির হোসাইন জামিনের জন্য আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদনের ওপর শুনানির তারিখ পরদিন নির্ধারণ করে চার আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

৪ হাজার আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা | কালের কণ্ঠ