রহমত বরকত ও মুক্তির বার্তা নিয়ে আবার আসছে পবিত্র মাহে রমজান। রমজানের রহমত বরকত ও মাগফিরাতে শতভাগ কাজে লাগাতে আমাদের প্রযোজন প্রয়োজনীয় প্রস্তুটি ও পরিকল্পনা। নবী (সা.) শাবান মাসের সবটুকু জুড়েই রমজানের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতেন। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) শাবান মাসের চাঁদের যেভাবে হিসাব রাখতেন, অন্যকোনো মাসের হিসাব সেভাবে রাখতেন না। পরে চাঁদ দেখে রোজা রাখতেন।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ২৩২৫)
নতুন চাঁদ দেখে একটি দোয়া পড়াও সুন্নত। নবীজি নতুন চাঁদ দেখে শান্তি ও নিরাপত্তার দোয়া করতেন। তালহা ইবনে ওবায়দুল্লাহ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন নতুন চাঁদ দেখতেন তখন বলতেন—
اللَّهُمَّ أهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالأمْنِ وَالإيمانِ، وَالسَّلاَمَةِ وَالإسْلاَمِ، رَبِّي وَرَبُّكَ اللهُ
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি, ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলামি, রাব্বি ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! তুমি ওই চাঁদকে আমাদের ওপর উদিত করো নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে। (হে চাঁদ) আমার ও তোমার প্রতিপালক আল্লাহ। হেদায়াত ও কল্যাণের চাঁদ। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ১২২৮; রিয়াজুস সালিহিন, হাদিস : ১২২৮)





